আজঃ মঙ্গলবার ২৫ জানুয়ারী ২০২২
শিরোনাম

কক্সবাজারে বাস ও সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীসহ দুই জন নিহত

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জানুয়ারী ২০২২ | ৩৪০জন দেখেছেন
মোহাম্মদ ফারুক, কক্সবাজার

Image

কক্সবাজারের ঈদগাঁওতে যাত্রীবাহী বাস ও সিএনজি অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারীসহ ২জন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন আরও ২ জন।

শুক্রবার (১৪ জানুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৪টায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের ঈদগাঁও উপজেলার ঈদগাঁও ইউনিয়নের চান্দেরঘোনার সাতঘরিয়া পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- সিএনজি অটোরিকশাচালক শফিকুল ইসলাম (জিসান) ও যাত্রী ছেনোয়ারা বেগম। হতাহতরা চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের বাসিন্দা।

আহত তসলিমা আক্তার নামে আহত একজনের নাম জানা গেলেও অপরজনের পরিচয় জানা যায়নি।

ঈদগাঁও থানার ওসি মো. আব্দুল হালিম বলেন, সাতঘরিয়া পাড়া এলাকায় বান্দরবানগামী পূরবী পরিবহন সার্ভিসের একটি বাসের সঙ্গে কক্সবাজারমুখী একটি সিএনজি অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে বাসটি অটোরিকশাটিকে চাপা দেয়। এরপর পরই বাস ও অটোরিকশাটি সড়কের পাশে খাদে পড়ে গেলে হতাহতের এ ঘটনা ঘটে।

তিনি আরও বলেন, দুর্ঘটনা কবলিত গাড়ি দুইটি জব্দ করা হয়েছে। আহতদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।


আরও খবর



সেন্টমার্টিন থেকে সাড়ে ১১ লাখের বেশি ইয়াবা উদ্ধার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৮ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জানুয়ারী ২০২২ | ৪৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বঙ্গোপসাগরের সেন্টমার্টিন উপকূলে মাদক কারবারিদের সঙ্গে গোলাগুলির পর ইয়াবা ও অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কোস্টগার্ড। ছেড়াদ্বীপ এলাকায় মঙ্গলবার ( ১৮ জানুয়ারি) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

কোস্টগার্ড টেকনাফ স্টেশন কমান্ডার নাঈমুল হক জানান, গোপন তথ্যে ওই এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সন্দেহের ভিত্তিতে একটি ট্রলারকে থামার সংকেত দিলে সেখান থেকে কোস্টগার্ডকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়।

আত্মরক্ষায় কোস্টগার্ড পাল্টা গুলি চালালে ওই ট্রলারের আরোহীরা সাগরে ঝাঁপ দিয়ে সাঁতরে মিয়ানমারের দিকে চলে যায়।

এরপর ওই ট্রলারে তল্লাশি করে ১১ লাখ ৯৫ হাজার ৬০০ পিস ইয়াবা, একটি বিদেশী সিএসএমজি ও ৩০ রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়।


আরও খবর



শামীম ওসমান কীভবে মাঠে থাকবেন : আইভী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১১ জানুয়ারী ২০২২ | ৫৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী বলেছেন, আমার আস্থা সব সময় আমার জনগণ। উনি (শামীম ওসমান) কীভবে মাঠে থাকবেন।

উনি একজন সংসদ সদস্য। আচরণবিধি লঙ্ঘন হবে তারা মাঠে থাকলে। আমি আবারও গণমাধ্যমের কাছে বলি আমার আস্থা সব সময় জনগণের প্রতি, আমার নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি। এর বাইরে আর কিছু বলতে চাই না।

মঙ্গলবার (১১ জানুয়ারি) সকালে শহরের খানপুর এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণায় নেমে তিনি এ কথা বলেন।

আইভী বলেন, যে কোনো প্রার্থীর ভেতরে শঙ্কা থাকে। আমি তার বাইরে কেউ না। আমি অবশ্যই চাইবো নারায়ণগঞ্জের পরিবেশ সুন্দর থাকুক। প্রশাসন যেন নিরপেক্ষ থাকে, অ্যাক্টিভ থাকে। আমার ভোটাররা যেন ভোট দিতে যেতে পারে সে ব্যাবস্থা যেন করা হয়। যে কোনো প্রার্থী অভিযোগ জানাতে পারে। কিন্তু বিগত দিনের ইতিহাস নারায়ণগঞ্জের নির্বাচনের পরিবেশ যতই টান টান থাকুক নির্বাচনের দিন এখানে সুষ্ঠু নির্বাচন হয়। মানুষ উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিতে যায়। আশা করি এবারও সেই রকম পরিবেশ থাকবে।

তিনি বলেন, আমি প্রচারণায় ব্যস্ত তাই সঠিক জানি না। তবে আমরাই তো বলি সব ধরনের অস্রধারীদের গ্রেফতার করা হোক। শহরের মধ্যে যারা মাদক ব্যবসায়ী, যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে তাদের গ্রেফতার করা হোক। এটা সব প্রার্থীরই চাওয়া থাকে। উনি (তৈমূর) বলেন পরিবেশটা সুন্দর থাকুক, আমিও বলি পরিবেশটা সুন্দর থাকুক। আমি চাই এমন কোনো ঘটনা যেন না ঘটে যার কারণে সমস্যা সৃষ্টি হয়।

আমার নেতাকর্মীরা আমার সঙ্গে আছে, তার নেতাকর্মীরা তার সঙ্গে থেকেই ভোট চাচ্ছে। কোথায় কী হয়েছে আমার জানা নেই।

শামীম ওসমানের ব্যাপারে আইভী বলেন, আমি বলিনি তারা আমার সঙ্গে নেই। আমি সব সময় বলে এসেছি আমার সঙ্গে আমার জনতা আছে। আমার দল যেহেতু আমাকে নমিনেশন দিয়েছে তাহলে নিশ্চয়ই দল আমার পাশে আছে। দলের ভেতর থেকে কে আসবে কে আসবে না সেটা আমার দেখার বিষয় না, সেটা কেন্দ্রীয় নেতাদের দেখবেন।

 


আরও খবর



লাইবেরিয়ায় পদদলিত হয়ে ২৯ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জানুয়ারী ২০22 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জানুয়ারী ২০22 | ৩০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

লাইবেরিয়ার রাজধানী মনরোভিয়াতে খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের এক ধর্মীয় অনুষ্ঠানে পদদলিত হয়ে অন্তত ২৯ জন নিহত হয়েছেন। দেশটির পুলিশ বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) এই তথ্য জানান।

দেশটির স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বুধবার ভোরে অথবা বৃহস্পতিবার সকালের দিক এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের মুখপাত্র মোসেস কার্টার বলেন, নিহতের সংখ্যা অস্থায়ী এবং এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

তিনি আরও বলেন, হাতে ছুরি থাকা একদল গ্যাংস্টার উন্মুক্ত স্থানে প্রার্থনাকারীদের ওপর হামলা চালায়। এতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে পদদলিত হয়ে অনেকের মৃত্যু হয়। তিনি জানান, ছুরি বহনকারী এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই অনুষ্ঠান নিয়ে এখনো স্পষ্ট কিছু জানা যায়নি। তবে স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম একে খ্রিস্ট্রানদের প্রার্থনার জন্য জড়ো হওয়া বলেছে যাকে ক্রুসেড বলা হয়। বিবিসি জানিয়েছে, লাইবেরিয়ায় খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের প্রার্থনার সমাবেশকে ক্রুসেড বলা হয়।

এমানুয়েল গ্রে (২৬) বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, তিনি অনেক চিৎকার শুনতে পান এবং অনেক মৃতদেহ দেখতে পান।  বিবিসি আরও জানিয়েছে, নিহতদের মরদেহ রেডেম্পশন হাসপাতাল মর্গে নেওয়া হয়েছে। 


আরও খবর
সৌদি আরবে প্রতি ঘণ্টায় ৭ ডিভোর্স

সোমবার ২৪ জানুয়ারী ২০২২




বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১০ জানুয়ারী ২০২২ | ৩৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আজ ১০ জানুয়ারি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। পাকিস্তানের বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেয়ে ১৯৭২ সালের এ দিন তিনি সদ্যস্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে প্রত্যাবর্তন করেন।

এর আগে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করে বঙ্গবন্ধু সর্বস্তরের জনগণকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান জানান। স্বাধীনতা ঘোষণার পর পাকিস্তানের সামরিক শাসক জেনারেল ইয়াহিয়া খানের নির্দেশে তাকে গ্রেপ্তার করে তদানিন্তন পশ্চিম পাকিস্তানের কারাগারে নিয়ে আটক রাখা হয়।

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি সৈন্যদের বিরুদ্ধে ৯ মাস যুদ্ধের পর চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হলেও ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে জাতি বিজয়ের পূর্ণ স্বাদ গ্রহণ করে।

বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান থেকে ছাড়া পান ১৯৭২ সালের ৭ জানুয়ারি ভোররাতে অর্থাৎ ৮ জানুয়ারি। এদিন বঙ্গবন্ধুকে বিমানে তুলে দেওয়া হয়। সকাল সাড়ে ৬টায় তিনি পৌঁছান লন্ডনের হিথরো বিমানবন্দরে। পরে ব্রিটেনের বিমান বাহিনীর একটি বিমানে করে পরের দিন ৯ জানুয়ারি দেশের পথে যাত্রা করেন।

১০ জানুয়ারি সকালে তিনি দিল্লিতে নামেন। সেখানে ভারতের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ভিভি গিরি, প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী, সমগ্র মন্ত্রিসভা, প্রধান নেতৃবৃন্দ, তিন বাহিনীর প্রধান এবং অন্যান্য অতিথি ও সেদেশের জনগণের কাছ থেকে উষ্ণ সংবর্ধনা পান শেখ মুজিব। এরপর এদিন দিল্লি থেকে দুপুর ১টা ৪১ মিনিটে ঢাকার মাটিতে পা রাখেন। আনন্দে আত্মহারা লাখ লাখ বাঙালি ঢাকা বিমান বন্দর থেকে রেসকোর্স ময়দান (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পর্যন্ত তাকে স্বতঃস্ফূর্ত সংবর্ধনা জানান। বিকেল পাঁচটায় রেসকোর্স ময়দানে প্রায় ১০ লাখ লোকের উপস্থিতিতে তিনি ভাষণ দেন।

এদিকে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে ‌মুক্ত স্বদেশে জাতির পিতা প্রতিপাদ্যে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

সোমবার (১০ জানুয়ারি) বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ টেলিভিশনের শহিদ মনিরুল আলম মিলনায়তন থেকে সব টেলিভিশন চ্যানেল, অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচারিত হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত থেকে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন। অনুষ্ঠানে বাবা-মাকে নিয়ে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ রেহানার লেখা কবিতা আবৃত্তি হবে। আলোচনা পর্বে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের ওপর বিশিষ্ট আলোচকেরা আলোচনা করবেন।

দিবসটি পালন উপলক্ষে আওয়ামী লীগ ও দলের বিভিন্ন সহযোগী সংগঠন ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। আওয়ামী লীগের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, সোমবার সকাল সাড়ে ৬টায় দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়, বঙ্গবন্ধু ভবন ও সারাদেশে সংগঠনের সব কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন। সকাল সাড়ে ৮টায় বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে রক্ষিত জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন। বেলা ১১টায় শেখ মুজিবের স্মৃতি বিজড়িত টুঙ্গিপাড়ায় তার সমাধিতে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলের শ্রদ্ধা নিবেদন।

স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বিকেল সাড়ে ৩টায় ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সীমিত পরিসরে আওয়ামী লীগের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। আলোচনা সভায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বক্তব্য রাখবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


আরও খবর



প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন অবসরে যাচ্ছেন আজ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ ডিসেম্বর ২০২১ | ৫৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সংবিধান অনুসারে বয়স ৬৭ বছর পূর্ণ হওয়ায় অবসরে যাচ্ছেন বর্তমান প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) অফিসিয়ালি সুপ্রিম কোর্টে তার কার্যদিবস।

তবে এরও আগে গত ১৫ ডিসেম্বর শেষ বিচারিক কর্মদিবস পালন করেন বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। গত ১৯ ডিসেম্বর থেকে সুপ্রিম কোর্টে শুরু হয় অবকাশ। এর ফলে অবকাশে বসেনি আপিল বিভাগ। তাই দেশের ২২তম প্রধান বিচারপতিকে গত ১৫ ডিসেম্বর শেষ বিচারিক কর্মদিবসে বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ১৯৫৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার দৌলখাঁড় ইউনিয়নের দেওভান্ডার গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম সৈয়দ মুস্তফা আলী ও মায়ের নাম বেগম কাওসার জাহান।

সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের শিক্ষা জীবন কেটেছে কুমিল্লা শহরে। কুমিল্লা জেলা স্কুল থেকে ১৯৭২ সালে সেকেন্ডারি স্কুল সার্টিফিকেট, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে ১৯৭৪ সালে এইচএসসি পরীক্ষা এবং একই কলেজ থেকে ১৯৭৬ সালে বিএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। পরে ১৯৮০ সালে কুমিল্লা আইন কলেজ থেকে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়া তিনি লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ওরিয়েন্টাল আফ্রিকান স্টাডিজ এবং ইনস্টিটিউট অব অ্যাডভান্সড লিগ্যাল স্টাডিজ থেকে ছয় মাসের কমনওয়েলথ ইয়াং ল ইয়ার্স কোর্স সম্পন্ন করেন।

১৯৮১ সালে তিনি আইনজীবী হিসেবে জেলা বারের সনদ প্রাপ্ত হন। বিএসসি ও এলএলবি সম্পন্ন করে ১৯৮১ সালে জেলা জজ আদালতে কাজ শুরু করেন তিনি। এরপর ১৯৮৩ সালে হাইকোর্ট বিভাগে অ্যাডভোকেট হিসেবে তিনি অন্তর্ভুক্ত হন। ১৯৯৯ সালে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পান। সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ২০০১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে এবং এর দুই বছর পর ২০০৩ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি একই বিভাগে স্থায়ীভাবে নিয়োগ পান। এরপর ২০১১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি তিনি আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।  সৈয়দ মাহমুদ হোসেন দুবার নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য গঠিত সার্চ কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন।

বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন অবসরে যাওয়ার পর  আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা দাঁড়াবে চারজনে। তাদের মধ্য থেকে আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠতার ক্রম অনুসারে বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী অবসরে যাবেন ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর। বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ২০২৩ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর, বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান ২০২৩ সালের ৩০ জুন এবং বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ২০২৬ সালের ১০ জানুয়ারি অবসরে যাবেন।

তাই সংবিধান অনুসারে আপিল বিভাগের এই চার বিচারপতির মধ্যে একজনকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি নিযুক্ত করবেন রাষ্ট্রপতি।


আরও খবর