আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

কমবে বৃষ্টি, বাড়বে শীতের অনুভূতি

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৮ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৮ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গত বুধবার মধ্যরাত থেকে একটানা বৃষ্টি ঝরছিল। বৃহস্পতিবার দেশের অনেক অঞ্চলেই দেখা মেলেনি সূর্যের। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের প্রভাবে আসা মেঘমালা থেকে সৃষ্ট এই বৃষ্টি আজ শুক্রবার অনেকটাই কমতে পারে। দেখা মিলতে পারে ঝলমলে রোদের।

ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম গত মঙ্গলবার ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূলে আঘাত হানে। ঘূর্ণিঝড়টি লঘুচাপে পরিণত হয়। আবার বৃষ্টি হওয়ায় আকাশে জড়ো হওয়া মেঘও কেটে যাচ্ছে। বাতাসের জলীয় বাষ্প কমে গেলে ও আকাশ মেঘমুক্ত হলে অনেকটাই কমে যাবে তাপমাত্রা। ফলে আগামী দু-তিন দিনের মধ্যেই জেঁকে বসতে পারে শীত।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ বৃষ্টি হয়েছে যশোরে, ৯৬ মিলিমিটার। এ ছাড়া ফরিদপুরে ৫৭ মিলিমিটার এবং গোপালগঞ্জ ও চুয়াডাঙ্গায় ৪৬ মিলিমিটার। ঢাকায় এ সময় ৪৪ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। 

আরও পড়ুন>> সারাদেশে ৩৩৮ ওসিকে বদলি, কে কোথায় যাচ্ছেন

আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক গতকাল সন্ধ্যায় বলেন, ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের কারণে সৃষ্ট মেঘ থেকে এই বৃষ্টি হচ্ছে। আগামীকাল (আজ) থেকে অনেকটাই কমে যেতে পারে। যশোরে ৯৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। এটা বড় বৃষ্টি।

ডিসেম্বর মাস বিবেচনায় এটা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি। তবে সামনের দিনগুলোতে রাতের তাপমাত্রা কমবে। এখন থেকে ক্রমে বাড়বে শীতের অনুভূতি।

এদিকে আজও দেশের বেশির ভাগ অঞ্চলে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বৃষ্টিও হতে পারে কোথাও কোথাও। আজ শুক্রবার দিনের তাপমাত্রা বাড়তে পারে ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাতের তাপমাত্রা কমতে পারে ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামীকাল শনিবার থেকে পুরোপুরি শুষ্ক আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে দেশে। দিনের তাপমাত্রা বাড়তে পারে ১ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে রাতের তাপমাত্রা কমতে পারে ১ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।


আরও খবর
সারা দেশে কমতে পারে রাতের তাপমাত্রা

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সেনাবাহিনীতে যোগ দিলে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দেবে মিয়ানমারের সরকার

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য সেনাবাহিনীতে যোগ দিলে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে মিয়ানমারের সামরিক জান্তা সরকার।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে থাইল্যান্ড থেকে পরিচালিত দেশটির ইংরেজি সংবাদমাধ্যম ইরাবতি।

রাখাইনের অধিকারকর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, জান্তা বাহিনী জানিয়েছে, যেসব রোহিঙ্গা পুরুষ সেনাবাহিনীতে যোগ দেবেন তাদের এক বস্তা চাউল, নাগরিকত্বের একটি পরিচয়পত্র এবং মাসিক ১ লাখ ১৫ হাজার কিয়াট বেতন দেওয়া হবে। যা বাংলাদেশি অর্থে সাড়ে চার হাজার টাকার সমান।

তবে সাধারণ রোহিঙ্গাদের প্রলুব্ধ করতে না পেরে এখন জোরপূর্বক তাদের ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। যাদের ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে তাদের রাজধানী সিত্তেতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এবং সেখানে দুই সপ্তাহের সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

রোহিঙ্গাদের ধরে নিয়ে যেতে বিভিন্ন গ্রাম এবং শরণার্থী ক্যাম্পে হানা দিচ্ছে জান্তা বাহিনী। গ্রামবাসী ও অন্যদের আশঙ্কা তাদের মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হবে।

এখন পর্যন্ত প্রায় ৪০০ রোহিঙ্গা পুরুষকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং তাদের দুই সপ্তাহের প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে।

ফ্রি রোহিঙ্গা কোয়ালিশনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা নে সান বলেছেন, প্রশিক্ষণের সময় মাত্র দুই সপ্তাহ। যাদের দুই সপ্তাহের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে তাদের জান্তা বাহিনী শুধুমাত্র মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে।

এরমধ্যে সিত্তের এবং বুচিডংয়ের বিভিন্ন ক্যাম্প থেকে ৪০০ জনকে প্রশিক্ষণের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

গত ১০ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারের সামরিক জান্তা ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী সব নারী-পুরুষের সামরিক বাহিনীতে যোগদান বাধ্যতামূলক করে। এরপরই রোহিঙ্গা পুরুষদের সামরিক বাহিনীতে যুক্ত করার কার্যক্রম শুরু করে জান্তা।

সংবাদমাধ্যম ইরাবতি জানিয়েছে, জান্তা বাহিনী ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী সকলের তালিকা তৈরির জন্য বুচিডং, মংডু এবং সিত্তের গ্রাম প্রশাসক ও নেতাদের চাপ দিয়েছে।

এরমধ্যে ছোট গ্রাম থেকে অন্তত ৫০ জন, বড় গ্রাম ও প্রতিটি শরণার্থী ক্যাম্প থেকে অন্তত ১০০ জনের তালিকা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এর আগে বুচিডং থেকে গত ১৮ ও ১৯ ফেব্রুয়ারি শতাধিক মুসলিম রোহিঙ্গা পুরুষকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে তাদের সামরিক প্রশিক্ষণের জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

যদিও আইন অনুযায়ী, বাধ্যতামূলকভাবে সেনাবাহিনীতে যোগদানের বিষয়টি শুধুমাত্র মিয়ানমারের নাগরিকদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। কিন্তু রোহিঙ্গাদের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি না দিলেও এখন তাদের সেনাবাহিনীতে যুক্ত করা হচ্ছে।

রোহিঙ্গারা জানিয়েছেন, যাদের জোরপূর্বক ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে; তাদের জন্য তারা সবাই চিন্তিত। তারা আরও চিন্তিত কারণ, যে কোনো সময় তাদেরকেও প্রশিক্ষণের জন্য নিয়ে যাওয়া হবে।

এদিকে গত বছরের অক্টোবর-নভেম্বরে রাখাইন রাজ্যে জান্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান শুরু করে আরাকান আর্মির যোদ্ধারা। তাদের হামলায় অনেক ঘাঁটি ও ক্যাম্প থেকে পালিয়ে গেছে জান্তা সেনারা। এখন আরাকান আর্মির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য রোহিঙ্গাদের ওপর চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে।


আরও খবর



দ্বিতীয়বার ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে ঝুকি বেশি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
স্বাস্থ্য ডেস্ক

Image

এডিস মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গুতে দ্বিতীয়বার আক্রান্ত হলে রোগীর অবস্থা প্রথমবারের চেয়ে বেশি গুরুতর হতে পারে। এ ক্ষেত্রে রোগীর অবস্থা দ্রুত খারাপের দিকে চলে যায়। সম্প্রতি ভ্যাকসিনসওয়ার্কের এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ডেঙ্গু ভাইরাসের চারটি সেরোটাইপ বা ধরন রয়েছে। শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা এসব ধরনের সঙ্গে লড়াই করে। প্রথম আক্রমণে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ায় দ্বিতীয় আক্রমণটি শক্তিশালী হয় এবং সেরোটাইপগুলো আগের ভাইরাস কণার সঙ্গে যুক্ত হয়। এভাবে শরীরে ডেঙ্গু আবারও বাসা বাঁধতে পারে। প্রথমটির বিরুদ্ধে দেহে আজীবন অ্যান্টিবডি তৈরি হলেও পরবর্তী তিনটি সেরোটাইপের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডির সক্ষমতা দুই মাসের কম হতে পারে। এ জন্য দ্বিতীয়বার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার শঙ্কা থেকে যায়। এ ক্ষেত্রে সাইকোটিন নামক এক প্রকার প্রতিরোধক শরীরের জীবাণু প্রতিরোধী কোষকে সংকেত পাঠায়। এতে দেহে সাইকোটিন স্টর্ম তৈরি হয়। দুর্বল শরীরে এই প্রক্রিয়া বিপরীতমুখী কাজ করায় অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো আরও দুর্বল হয়ে পড়ে। 

আরও পড়ুন>> দেশে নতুন মাদক ব্ল্যাক কোকেন উদ্ধার

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ ও ভারতে প্রতিবছর ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দেয়। ২০২৩ সালে দেশ দুটিতে আগের তুলনায় বেশি মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে ডেঙ্গু মারাত্মক আকার ধারণ করে। পরিস্থিতি গুরুতর হওয়ায় ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালের কোভিড-১৯ ওয়ার্ডকে ডেঙ্গু ওয়ার্ডে রূপান্তর করার প্রয়োজন পড়ে।

এদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারিতে সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ৫৫ জন। এরমধ্যে ১৪ জন মারা গেছেন। 

আরও পড়ুন>> বাংলাদেশে তৈরি হচ্ছে ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট

এর আগে, ২০২৩ সালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতাল ভর্তি হন রেকর্ড তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন। তাদের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা এক লাখ ১০ হাজার ৮ জন এবং ঢাকার বাইরের দুই লাখ ১১ হাজার ১৭১ জন। এদের মধ্যে মারা গেছেন এক হাজার ৭০৫ জন। তার আগে ২০২২ সালে ডেঙ্গুতে ৬২ হাজার ৩৮২ জন আক্রান্ত এবং ২৮১ জনের মৃত্যু হয়। এ ছাড়া ২০২১ সালে সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হন ২৮ হাজার ৪২৯ জন। ওই বছর ডেঙ্গুতে ১০৫ জনের মৃত্যু হয়।


আরও খবর



ভোলায় প্রায় ২৫ কেজি গাঁজা জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আশরাফুল আলম সজিব, ভোলা

Image

ভোলার লালমোহনে অভিযান চালিয়ে ২৪ কেজি ৯০০ গ্রাম গাঁজা জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড। সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কোস্ট গার্ড সদর দফতরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার খন্দকার মুনিফ তকি এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ভোলার লালমোহন উপজেলার তেতুলিয়া নদী সংলগ্ন দেবীর চর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালে সন্দেহভাজন একটি নৌকায় তল্লাশির জন্য থামতে সঙ্কেত দেয় কোস্ট গার্ড। তবে না থেমে নৌকায় থাকা লোকজন দ্রুত পালাতে চেষ্টা করে। সেসময় কোস্ট গার্ডের আভিযানিক দল নৌকাটিকে ধাওয়া করলে অপরাধীরা দেবীর চর এলাকায় নদীর তীরে নৌকা রেখে পালিয়ে যায়।

পরবর্তীতে তল্লাশি চালিয়ে নৌকার ভেতরে মাছ ধরার জালের নিচ থেকে ২৪ কেজি ৯০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উদ্ধার করা গাঁজা লালমোহন থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে কোস্ট গার্ড।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সিলেটে মহাশশ্মান শবদাহের চুলা উদ্বোধন করলেন সিসিক মেয়র

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
সিলেট প্রতিনিধি

Image

সিলেট নগরীর চালিবন্দর মহাশশ্মানে নবনির্মিত শবদাহের চুলা উদ্বোধন করেছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী।

বুধবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় নগরীর চালিবন্দর মহাশশ্মানে শবদাহের চুলা উদ্বোধন কালে সিসিক মেয়র সিলেট নগরীকে অসাম্প্রদায়িক ও আদর্শ নগরী হিসেবে গড়ে তুলার প্রতিশ্রুতি দেন।

তিনি বলেন, সিলেটের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর সুনজর আছে। সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় নগরীর উন্নয়নে আমি আমার সর্বোচ্চটুকু দিয়ে কাজ করে যাবো। সিলেটকে সুন্দর পরিচ্ছন্ন এবং উন্নত নগরী হিসেবে গড়ে তুলে নগরবাসীকে একটি গ্রিন-ক্লিন-স্মার্ট সিলেট উপহার দিবো।

মেয়র আরও বলেন, সব ধর্মের লোক একটি বয়সের পর আমাদের পরকালের পথে যেতে হবে। তাই আমরা আমাদের কবর এবং শশ্মান পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার চেষ্টা করবো।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ১৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ছয়ফুল আমি বাকের, সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর শাহানা বেগম শানু, ১৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শান্তনু দত্ত শন্তু, ০৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জগদীশ চন্দ্র দাশ। প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি বিজিত চৌধুরী, প্রদীপ ভট্টাচার্য, সিলেট জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গোপীকা শ্যাম পুরকায়স্থ, মহানগর আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক তপন মিত্র, মহানগর আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক রজত কান্তি গুপ্ত, এড. প্রশান্ত কুমার পাল, মলয় পুরকায়স্থ, এড. বিজয় কুমার দেব বুলু, দেবাংশু দাস মিঠু, চন্দন দাশ, বিশ্বজিত দেবরায় বিশু, কিশোর ভট্টাচার্য জনি, বিভাষ শ্যাম যাদন, জয়ন্ত দেব মিন্টু, রাখাল দে, অমিত দে, অংশুমান ভট্টাচার্য  রাকু, এড. দেবতোষ দেব, এড. সন্তু দাস,  উজ্বল দাস, অরূপ শ্যাম বাপ্পি, উত্তম ঘোষ প্রমুখ।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ব্রহ্মপুত্রের ভাঙন ঠেকাতে এলাকাবাসীর উদ্যোগে বাঁধ নির্মাণ

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মোঃ মাসুদ রানা, কুড়িগ্রাম

Image

কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙন কবলিত চিলমারী ইউনিয়ন রক্ষায় বাম্বু বান্ডেলিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্যক্তি উদ্যোগে নদের পশ্চিম তীরে বাঁধ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে।

শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) কাজের উদ্বোধন করেন চিলমারী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক মো: রোকুনুজ জামান শাহীন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান আজাদ (জামান), মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আছমা বেগম চৌধুরী, থানা হাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: আব্দুর রাজ্জাক মিলন, উপজেলা সেচ্ছাসেবকলীগের আহ্বায়ক আবু হোসাইন সিদ্দিক রানা প্রমুখ।

জানা গেছে, অবহেলিত চিলমারী ইউনিয়নের পশ্চিম তীরে বাঁধ নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলে নদী ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা পাবে ২টি কমিউনিটি ক্লিনিক, ৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১টি জুনিয়র হাইস্কুল ও মসজিদ-মাদ্রাসাসহ কয়েক হাজার বসতবাড়ি এবং শত শত একর ফসলী জমি। দীর্ঘ ২৫ বছর এই ইউনিয়ন এবং পার্শ্ববর্তী অষ্টমীরচর ইউনিয়নের প্রায় ৮ হাজার পরিবার একসঙ্গে বসবাস করে আসছে। কিন্তু গত বছরের বন্যায় চিলমারী ইউনিয়নের পশ্চিম তীরের প্রায় ১ হাজার একর আবাদি জমি ১২৫ টি পরিবারের বসতভিটা নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায়। বসতভিটা এবং আবাদি জমি হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়ে পরিবারগুলো।

দীর্ঘদিন ধরে নদী ভাঙন হলেও ভাঙন রোধে কোন কাজ না হওয়ায় এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এলাকাবাসীর নিকট সহযোগিতা চান। এলাকাবাসীর শ্রম এবং অর্থ দিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। ভাঙন রোধে কাজ হওয়ায় খুশি নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকাবাসী।

চিলমারী ইউনিয়নের বাসিন্দা মো: নূর বক্ত বলেন, নদী ভাঙ্গনে কারণে আমরা একেবারে নি:স্ব। সরকারিভাবে নদী ভাঙ্গন রোধে কোন কাজ না হওয়ায় আমরা এলাকাবাসী এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের নিজ উদ্যোগে নদী ভাঙ্গন রোধে কাজ করায় আমরা খুশি। এখন আমরা নদী ভাঙ্গনের হাত থেকে রক্ষা পাবো।

রংপুর কারমাইকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী রোকেয়া ইসলাম বলেন, বাম্বু বান্ডেলিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধ বাঁধ তৈরী করা হচ্ছে। আমার বিশ্বাস বাম্বু বান্ডেলিং প্রযুক্তি ব্যাপক ভাবে সফল হবে। এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্বল্পব্যায়ে নদী ভাঙ্গণ রোধে সফল হবে।

চিলমারী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো: আমিনুল ইসলাম বলেন, নদী ভাঙ্গনের কারণে আমার ইউনিয়নের হাজার হাজার পরিবার জেলার বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়েছে। এখনও ৪টি ওয়ার্ড নদী ভাঙ্গনের ঝুকির মধ্যে আছে। বাঁধ নির্মাণ সম্পূর্ণ হলে আমার ইউনিয়নসহ পার্শ্ববর্তী অষ্টমীরচর ইউনিয়নের ৭/৮ হাজার পরিবারসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কমিউনিটি ক্লিনিক, ভূমি অফিসসহ বিভিন্ন স্থাপনা নদী ভাঙ্গন থেকে রক্ষা পাবে। আমার জন্মস্থান এটা, আমি চেষ্টা করব চরাঞ্চলের মানুষের সবধরনের সমস্যা সমাধানে তাদের পাশে থাকতে।

নিউজ ট্যাগ: কুড়িগ্রাম

আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪