আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২
শিরোনাম

‘ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মানে শেখ হাসিনার বিকল্প নাই’

প্রকাশিত:রবিবার ০৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৮ মে ২০২২ | ১০৫০জন দেখেছেন
হযরত আলী হিরু, স্বরূপকাঠি

Image

ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মানে শেখ হাসিনার বিকল্প নাই বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম (এমপি)।

মন্ত্রী রবিবার সকালে পিরোজপুরের স্বরূপকাঠিতে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত অসহায় ও দুঃস্থ পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া উন্নতমানের শুকনো খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন।

এসময় মন্ত্রী আরও বলেন, শেখ হাসিনার আমলে দেশে একটি লোকও না খেয়ে মারা যায়নি। করোনাকালীনসহ সকল দুঃসময়ে প্রধানমন্ত্রী এদেশের মানুষকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছেন যেটা এখনও অব্যহত আছে। এদেশের অসহায়, দুঃস্থ ও নীপিড়িত মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে তিনি সর্বদা কাজ করে যাচ্ছেন। গৃহহীন লোকদের জন্য জমিসহ ঘরের ব্যবস্থা করেছেন। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সুখি ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে শেখ হাসিনাকে আবারও রাষ্ট্র ক্ষমতায় আনতে হবে। শেখ হাসিনা রাষ্ট্র ক্ষমতায় না থাকলে এদেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রার চাকা থমকে যাবে।

উপজেলা হলরুমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মোশারেফ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য রাখেন সাবেক এমপি অধ্যক্ষ মো. শাহ আলম, উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল হক, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. আব্দুল হামিদ, সাধারণ সম্পাদক এস এ ফুয়াদ, পৌর মেয়র গোলাম কবির, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম মুইদুল ইসলাম, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী সাখাওয়াত হোসেন, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শশাংঙ্ক রঞ্জন সমদ্দার, ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ ও হুমায়ুন আহম্মেদ প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা চপল কৃষ্ণ নাথ ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মানষ কুমার দাস। সভাশেষে উপজেলা পাঁচ শত দুঃস্থ পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। পরে মন্ত্রী উপজেলার কৌরিখাড়া লঞ্চঘাটের নতুন পল্টুনের উদ্বোধন করেন। 


আরও খবর



সাবেক অর্থমন্ত্রী এ এম এ মুহিত আর নেই

প্রকাশিত:শনিবার ৩০ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ৩০ এপ্রিল ২০২২ | ৩৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত আর নেই। রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা ৫৬ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর। এম এ মুহিতের ভাই বাংলাদেশ পল্লী শিশু ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এ এস এ মুয়িয সুজন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এস এ মুয়িয সুজন জানিয়েছেন, রাত সোয়া ১২টার দিকে অবস্থার অবনতি হলে আবুল মাল আব্দুল মুহিতকে ইউনাইটেড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় গুলশান আজাদ মসজিদে প্রথম জানাজা ও বেলা সাড়ে ১১টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। দুপুর ১২টায় তার মরদেহ সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য শহীদ মিনারে নেওয়া হবে। এরপর দাফনের জন্য মরদেহ নেওয়া হবে সিলেটে। রায় নগরের পারিবারিক কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হবে।

সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন জানান, নগরীর ধোপাদিঘীর পাড়স্থ সাবেক অর্থমন্ত্রীর বাসভবনে জানাজা ও দাফনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে শনিবার দুপুর ১২টায় জরুরি বৈঠক ডেকেছে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগ। ১৯৩৪ সালের ২৫ জানুয়ারি সিলেটে জন্ম নেওয়া মুহিত তার মা সৈয়দা শাহার বানু চৌধুরী ও বাবা আবু আহমদ আবদুল হাফিজের ১৪ সন্তানের মধ্যে ছিলেন তৃতীয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন তার ছোট ভাই।

আবুল মাল আবদুল মুহিত ১৯৫১ খ্রিষ্টাব্দে সিলেটের এমসি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হয়ে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক (সম্মান) শ্রেণীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলেন। ১৯৫৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক (সম্মান) পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করেছিলেন তিনি। পরের বছর একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন। অংশ নিয়েছিলেন ভাষা আন্দোলনে। ছাত্রজীবনে সলিমুল্লাহ হল ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। বিদেশে চাকরিরত অবস্থায় অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করেন তিনি। আর ১৯৬৩-৬৪ শিক্ষাবর্ষে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমপিএ ডিগ্রি লাভ করেছিলেন।

১৯৫৬ সালে আবদুল মুহিত যোগ দিয়েছিলেন পাকিস্তান সিভিল সার্ভিসে (সিএসপি)। পাকিস্তান সিভিল সার্ভিস সংস্থার কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব হিসেবে ছিলেন আবুল মাল আবদুল মুহিত। ১৯৬০ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্বে ছিলেন। অর্থনৈতিক পরামর্শক হিসেবে ১৯৬৯ খ্রিষ্টাব্দে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তৎকালীন পাকিস্তান দূতাবাসে যোগদান করেছিলেন। ছিলেন পাকিস্তান কর্মপরিকল্পনা কমিশনের প্রধান ও উপ-সচিব। ওয়াশিংটন দূতাবাসে কূটনীতিকের দায়িত্ব পালনের সময় মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের জুনে পাকিস্তানের পক্ষ ত্যাগ করেন।

১৯৭১ সালে গঠিত অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়াশিংটন দূতাবাসে ইকনমিক কাউন্সেলরের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। ওই সময়ে তিনি বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করেন এবং যুক্তরাষ্ট্রে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দে পরিকল্পনা কমিশনের সচিব হিসেবে নিযুক্ত হন। এছাড়াও, ১৯৭৭ খ্রিষ্টাব্দে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বহিঃসম্পদ বিভাগের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মুহিত।

১৯৮১ সালে আবুল মাল আবদুল মুহিত সরকারি চাকরি থেকে স্বেচ্ছায় অবসর নিয়েছিলেন। এরপর তিনি ফোর্ড ফাউন্ডেশনের অর্থনীতি এবং উন্নয়ন বিভাগের একজন বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করেছিলেন। আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন সংস্থা বা ইফাদেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি। ১৯৮২-১৯৮৩ সালে এরশাদ সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছিলেনন মুহিত। পরবর্তী সময়ে বিশ্বব্যাংকের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানসহ জাতিসংঘের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ), আইডিবি ও জাতিসংঘের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ পদে তিনি সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

আবুল মাল আবদুল মুহিত আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহা ঐক্যজোটের মনোনয়নে সিলেট-১ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য হিসেবে প্রার্থী হন। ওই নির্বাচনে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। ২০০৯ জানুয়ারি ৬ তারিখে অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের অর্থমন্ত্রী হিসেবে টানা ১০ বছর বাজেট উপস্থাপন করেছেন জাতীয় সংসদে।

২০২১ সালের ২৫ জুলাই আবদুল মুহিত করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। গত মার্চের শুরুতে আবার অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ছিলেন কিছুদিন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে ১৪ মার্চ সিলেট ঘুরে আসেন। সিলেট সিটি করপোরেশন ১৬ মার্চ তাকে গুণীশ্রেষ্ঠ সম্মাননা’ দেয়।


আরও খবর



মালয়েশিয়ায় এক বছরের সর্বনিম্নে পাম অয়েলের মজুদ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৮ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৮ এপ্রিল ২০২২ | ৪৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গত মাসে মালয়েশিয়ায় পাম অয়েলের মজুদ কমে এক বছরের সর্বনিম্নে নেমেছে। এ নিয়ে টানা পাঁচ মাসের মতো মজুদ কমল। মূলত প্রত্যাশার চেয়ে বেশি মাত্রায় রফতানি বৃদ্ধি এবং আমদানি কমে যাওয়ার কারণে মজুদ নিম্নমুখী হয়ে পড়ে। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মালয়েশিয়ান পাম অয়েল বোর্ড (এমপিওবি)।

এমপিওবির দেয়া তথ্যানুযায়ী, বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ পাম অয়েল উৎপাদক দেশটিতে গত মাসে পণ্যটির মজুদ ২ দশমিক ৯৯ শতাংশ কমেছে। মজুদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৪ লাখ ৭০ হাজার টনে। ২০২১ সালের মার্চের এর এটিই সর্বনিম্ন মজুদ।

সিঙ্গাপুরভিত্তিক পাম অয়েল অ্যানালিটিকসের সহপ্রতিষ্ঠাতা সাথিয়া ভারকা বলেন, সর্বোপরি চাহিদা সরবরাহের তুলনায় তিন গুণ বেশি গতিতে বেড়েছে, যা মজুদ কমে যাওয়ার পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে।

এদিকে গত বছরের অক্টোবরের পর গত মাসে প্রথম অপরিশোধিত পাম অয়েলের উৎপাদন বাড়ে। অনুকূল আবহাওয়া এতে সহায়তা করেছে। উৎপাদন প্রত্যাশাকে ছাড়িয়ে ২৪ শতাংশ বেড়েছে। উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৪ লাখ ১০ হাজার টনে। অন্যদিকে রফতানি ১৪ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ১২ লাখ ৭০ হাজার টনে উন্নীত হয়েছে, যা তিন মাসের সর্বোচ্চ। মূলত ক্রেতারা ইউক্রেন থেকে সূর্যমুখী তেল কিনতে না পারায় মালয়েশিয়ান পাম অয়েলের দিকে ঝুঁকেছে। এ কারণে পণ্যটির ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়। দেশটির পাম অয়েল আমদানি ৪৩ শতাংশ কমেছে। মার্চে আমদানির পরিমাণ দাঁড়ায় ৮৪ হাজার ৮৭১ টনে।

নিউজ ট্যাগ: পাম অয়েল

আরও খবর
ফের বাড়লো স্বর্ণের দাম

মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২




মর্গ ব্যবস্থাপনায় বেহাল দশা, পিবিআই'র ১১ সুপারিশ

প্রকাশিত:বুধবার ২০ এপ্রিল ২০22 | হালনাগাদ:বুধবার ২০ এপ্রিল ২০22 | ৪০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) বলছে, বিভিন্ন মামলার তদন্ত করতে গিয়ে অধিকাংশ মামলার ক্ষেত্রে দেশের মর্গ ব্যবস্থাপনায় বেহাল অবস্থা দেখা গেছে। সম্প্রতি মর্গের এমন দুর্দশার চিত্র তুলে ধরে নির্ভুল ময়নাতদন্তের স্বার্থে পিবিআই কিছু পর্যবেক্ষণ দিয়ে ১১টি সুপারিশ করেছে। অধিকাংশ হত্যা বা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মামলায় থানা পুলিশ চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিলেও আদালতে ঘটনার অধিকতর তদন্তের জন্য দায়িত্ব দেয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই)। পিবিআইয়ের গত দেড় বছরের তদন্তে অনেক গোপন তথ্য বের হয়ে এসেছে। বিভিন্ন আত্মহত্যা মামলার তদন্ত করতে গিয়ে পিবিআই বলছে, অধিকাংশ সময় আত্মহত্যা বলা হলেও ওই সব মামলা তদন্তের পর জানা গেছে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।

পিবিআই জানায়, অধিকাংশ ক্ষেত্রে ত্রিভুজ প্রেমের’ কারণে এসব হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আত্মহত্যার আগে ভিকটিমকে বিভিন্ন ভাবে হতাশার মধ্যে রাখা হয়। পরে ভিকটিম বাধ্য হয়ে আত্মহত্যার মতো ঘটনা ঘটায়। গত দেড় বছরে বিভিন্ন ঘটনার মামলার মধ্যে অন্তত ২৪টি আত্মহত্যার মামলা পেয়েছে তারা, যেগুলোর ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের সঙ্গে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিন্নতাও পাওয়া গেছে।

পিবিআইয়ের একটি তথ্য বলছে, পিবিআই পুলিশ সদরদপ্তরে যে সুপারিশ দিয়েছে সেগুলো ৭২ পৃষ্ঠার। এ প্রতিবেদনে পিবিআই’র পক্ষ থেকে ১২টির ও বেশি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে যা উল্লেখ করেছে পিবিআই: সুপারিশ এর বরাত দিয়ে পিবিআই বলছে, কিছু মামলার ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে চিকিৎসক আত্মহত্যা’ বলে মতামত দিয়েছিলেন। যার ওপর ভিত্তি করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মামলাগুলোর চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছিলেন। কিন্তু আদালতের নির্দেশে পুনঃতদন্ত করতে গিয়ে পিবিআই প্রমাণ পেয়েছে সেগুলো ছিল হত্যাকাণ্ড। তবে, সামান্য কয়েকটি ঘটনা হচ্ছে আত্মহত্যা বা আত্মহত্যার প্ররোচনা। দেশের বর্তমান ময়নাতদন্ত কার্যক্রমের চিত্র তুলে ধরে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, সুরতহাল, ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা কার্যক্রমের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব আছে।

ওই প্রতিবেদনে পিবিআই বলছে, মর্গগুলোতে পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ, আলোর ব্যবস্থা, আধুনিক অবকাঠামো ও বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতির অভাব আছে। বর্তমানে অনেক জেলায় দিনের বেলায়ও মোমবাতি জ্বালিয়ে ময়নাতদন্ত করতে হয়। মর্গে পর্যাপ্ত দক্ষ জনবলের অভাব ও ময়নাতদন্ত বিষয়ে মর্গ সহকারী বা ডোমদের কোনো মৌলিক প্রশিক্ষণ নেই। এছাড়াও ঢাকাসহ ব্যস্ত মর্গগুলোতে ডোম স্বল্পতাও অত্যন্ত প্রকট। লাশ সংরক্ষণের পরিবেশ ও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার অভাব আছে।

মৃতদেহের বিভিন্ন নমুনা বা ভিসেরা সংরক্ষণে মর্গগুলোতে আলাদা কোনো জায়গা নেই। এগুলো সংরক্ষণের জন্য কন্টেইনার বা প্রিজারভেটিভ বা রাসায়নিক সরবরাহ অপ্রতুল, ফলে আলামত নষ্ট হওয়ার প্রবণতা বেশি। সংগৃহীত নমুনা বিভিন্ন ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়। এসব ল্যাবরেটরি থেকে রিপোর্ট আসতেও বিলম্ব হয়। সেখানে সমন্বিত ব্যবস্থাপনার অভাবের কথাও বলছে পিবিআই।

সুপারিশে আরও বলা হয়, বিদেশি নাগরিকদের মৃতদেহ প্রচলিত নিয়মে হিমঘরে সংরক্ষণ করার প্রয়োজন পড়ে। অল্প সংখ্যক মর্গে ফ্রিজিং বা মর্চুয়ারি কুলার সিস্টেম থাকলেও সেগুলো প্রায়ই নষ্ট থাকে, যার কারণে গরমে লাশ দ্রুত পচন ধরে। এ প্রক্রিয়াগুলো রক্ষণাবেক্ষণের কোনো ব্যবস্থা বা তাগাদা নেই। মেডিকেল কলেজগুলোতে ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগে চিকিৎসকদের কাজ করার আগ্রহ কম এবং অধিকাংশ স্থানে জোড়াতালি’ দিয়ে ময়নাতদন্ত করা হয়; যে কারণে চিকিৎসা শিক্ষায় এ শাখাটি অত্যন্ত অবহেলিত বলেও পিবিআই তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে।

পিবিআই তাদের এ সুপারিশমালায় ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন প্রশ্নবিদ্ধ’ হওয়ার নয়টি সম্ভাব্য কারণও উল্লেখ করেছে। এগুলোর মধ্যে আছে- ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকদের একটি বৃহৎ অংশের ফরেনসিক বিষয়ে যথাযথ প্রশিক্ষণ না থাকা। ব্যস্ত মর্গগুলোতে লাশের সংখ্যার আধিক্যের কারণে পর্যাপ্ত সময় না দিয়ে তাড়াহুড়ো করে ময়নাতদন্ত কাজ সম্পাদন করা।

ময়নাতদন্ত সম্পাদনের জন্য আধুনিক যন্ত্রপাতি ও হিমাগারসহ স্থাপনা-অবকাঠামো না থাকা, ময়নাতদন্ত কাজে সহায়তাকারী ডোম স্বল্পতা ও তাদের সুনির্দিষ্ট নিয়োগবিধি না থাকা। ডোমদের মৌলিক প্রশিক্ষণের অভাব ও তাদের ওপর ময়নাতদন্তকারী কর্মকর্তাদের অতিমাত্রায় নির্ভরশীলতা। চাঞ্চল্যকর ও জটিল মৃতদেহের ময়নাতদন্তের ক্ষেত্রে বোর্ড গঠন করে ময়নাতদন্ত না করা, ভিসেরা পরীক্ষার জন্য সংগৃহীত আলামত যথাযথ সংরক্ষণের সুবিধা না থাকাকেও দুর্বল ময়নাতদন্তের কারণ হিসেবে দেখছে পিবিআই।

পিবিআই বলছে, একটি হত্যাকাণ্ডের প্রাথমিক তদন্ত থেকে শুরু করে বিচারকাজ চলা পর্যন্ত ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। একসময় লাশের ময়নাতদন্ত দিনের আলোয় করার বাধ্যবাধকতা ছিল, এখন বৈদ্যুতিক আলোতে তা করা হয়। কিন্তু কার্যক্রমের দিক থেকে বছরের পর বছর লাশকাটা ঘর অন্ধকারে রয়ে গেছে। ময়নাতদন্তের জন্য নির্ধারিত চিকিৎসকদের কোনো বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেই। যেসব জেলা শহরে মেডিকেল কলেজ নেই, সেসব শহরে আরএমও বা মেডিকেল অফিসাররা ময়নাতদন্ত করে থাকেন। যাদের প্রায় সবার এ বিষয়ে পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকে না।

পিবিআই’র সুপারিশ- জেলা হাসপাতালগুলোতে ময়নাতদন্তের কাজ করার জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে বা অন্য কোনো প্রক্রিয়ায় আলাদা পদ তৈরি বা সমন্বয় করে আগ্রহী চিকিৎসকদের বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ দিয়ে ওই পদের বিপরীতে পদায়ন করা যেতে পারে; যারা ময়নাতদন্তের বাইরে হাসপাতালের স্বাভাবিক সেবায় নিয়োজিত থাকবেন এবং সাধারণ নিয়মে পদোন্নতি পাবেন। ময়নাদন্তের চিকিৎসকরা অধিকাংশ সময়ে ডোমদের সহায়তা নিয়ে থাকেন। এ ডোমদের দায়িত্ব মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য প্রস্তুত করে ডাক্তারের কাছে উপস্থাপন করা এবং পুনরায় নির্ধারিত স্থানে মৃতদেহ সংরক্ষণ করা। কিন্তু এ ডোমদের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ নেই। অভিজ্ঞতা দিয়ে তারা কাজ করেন। সরকারি হাসপাতালে ময়নাতদন্তে চিকিৎসকদের সহায়তা করার জন্য দুইটি করে ডোমের পদ আছে। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে তাদের মধ্যে একজন অনুপস্থিত বা ডেপুটেশনে অন্য বিভাগে কর্মরত থাকেন।

পিবিআই বলছে, দেশের মর্গগুলোতে নারী মৃতদেহের ময়নাতদন্ত করার জন্য নারী মর্গ সহকারী নেই। সব ক্ষেত্রেই পুরুষ মর্গ সহকারীদের মাধ্যমে ময়নাতদন্ত হয়, যা নৈতিকতার দৃষ্টিতে আপত্তিকর। ময়নাতদন্ত স্বচ্ছরূপে সম্পাদন ও মৃতদেহ সংরক্ষণের জন্য প্রতিটি হাসপাতালে একজন মর্গ ইনচার্জের নেতৃত্বে নারীসহ পর্যপ্ত মর্গসহকারী ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীর পদ থাকা প্রয়োজন বলে সুপারিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

সড়ক দুর্ঘটনা, পানিতে ডুবে, সাপে কামড়ানো হত্যাদি মৃত্যু ছাড়া ফাঁসি, বিষ প্রয়োগ, আগুনে দগ্ধ ইত্যাদি সন্দেহজনক মৃত্যুর কারণ নির্ধারণে ময়নাতদন্তের ক্ষেত্রে একাধিক বিশেষজ্ঞের সমন্বয়ে বোর্ড গঠন করে ময়নাতদন্ত করারও সুপারিশ করা হয়। যেসব ক্ষেত্রে বাদীর অভিযোগ বা প্রাথমিক তদন্তের ফলাফলের সাথে ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক বা রাসায়নিক পরীক্ষকের মতামত ভিন্নরূপ হয়, সে ক্ষেত্রে বিশেষ বোর্ড স্থাপন করে চূড়ান্ত মতামত দেওয়ারও সুপারিশ করা হয়। এদিকে সুরতহাল প্রতিবেদনে কোন বিষয়গুলো প্রাসঙ্গিক ও গুরুত্বপূর্ণ, কোনগুলো অপ্রাসঙ্গিক সেগুলোর বিষয়ে সুরতহাল প্রস্তুতকারী পুলিশ সদস্যদের প্রাথমিক করণীয়, প্রতিবেদনে ব্যবহৃত শব্দ ও শব্দগুচ্ছের ব্যাখ্যা ইত্যাদি সম্পর্কে মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের মাধ্যমে পুলিশ সদস্যদের নিয়ে নিয়মিত প্রশিক্ষণ বা সেমিনার আয়োজনের সুযোগ সৃষ্টি করার কথাও বলা হয়।

এছাড়া অবকাঠামোগত উন্নয়ন, ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা রিপোর্টের ক্ষেত্রে অভিন্ন নীতিমালা ও কবর থেকে লাশ উত্তোলনের জন্য নীতিমালা প্রণয়ণের সুপারিশ করা হয়। পাশাপাশি আদালতের প্রয়োজনে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের ভার্চুয়াল সাক্ষ্য প্রদানের বিষয়টিও বিবেচনা করার কথা উল্লেখ করে মেডিকেল কলেজগুলোর সঙ্গে আদালতের আইটি বিভাগের সমন্বয় সাধনের পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলা হয় সুপারিশে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) শাখার প্রধান, অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) বনজ কুমার মজুমদার বলেন, হত্যা মামলাসহ বিভিন্ন মামলার তদন্ত করতে গিয়ে অধিকাংশ সময় মর্গের ব্যবস্থাপনার বিষয়টি এসছে। এজন্য আমরা সম্প্রতি ১১টি সুপারিশ করেছি। আমাদের এই সুপারিশগুলো বর্তমানে পুলিশ সদরদপ্তরে রয়েছে। সেখান থেকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। আদালতের নির্দেশে বেশকিছু মামলার অধিকতর তদন্ত করতে গিয়ে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে ত্রুটির প্রমাণ পেয়েছি এবং যেগুলোতে চিকিৎসক আত্মহত্যা বলছে সেগুলো তদন্তে হত্যার প্রমাণ মিলেছে। তাই ময়নাতদন্তের বিষয়টি নিয়ে আমরা অনেক দিন ধরে বলে আসছি। এবার অফিসিয়ালি মতামত দিয়েছি।

২০১১ সালে পুলিশ অ্যাক্ট এর একটি ধারার ক্ষমতাবলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আদেশে পিবিআই গঠিত হয়। বাংলাদেশ পুলিশের একটি আধুনিক ও নিরপেক্ষ তদন্ত সংস্থা হিসাবে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ২০১২ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর ৯৭০ জন জনবল নিয়ে যাত্রা শুরু করে। কার্যক্রম শুরুর পর থেকে পিবিআই এর ইউনিটসমূহ জিআর ও সিআর মামলা সমূহ তদন্ত করে আসছে।

পিবিআই একজন ডিআইজির নেতৃত্বে পরিচালিত হয়। অপারেশনাল কার্যক্রম অনুসারে পিবিআই পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চল এ দুইটি অঞ্চলে বিভক্ত। দুইজন অতিরিক্ত ডিআইজির নেতৃত্বে এ দুটি অঞ্চল পরিচালিত হয়। এছাড়া কাজের সুবিধার্থে সমগ্র বাংলাদেশকে ৮টি অপরাধ বিভাগ ও ৭৪ টি জেলা ও মেট্রোপলিটন এলাকায় বিভক্ত করা হয়েছে। প্রত্যেক ইউনিট একজন পুলিশ সুপার দ্বারা পরিচালিত হয়। পিবিআই হেডকোয়ার্টার্স এর অধীনে এসআই এন্ড ও, ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব, সিটিইউ ও অর্গানাইজড ক্রাইম ইউনিট পরিচালিত হয়।


আরও খবর



স্বর্ণের দাম ভরিতে ১১৬৬ টাকা কমলো

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | ৩৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম নিম্নমুখী থাকায় দেশের বাজারেও কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। ভরিতে সোনার দাম কমানো হয়েছে ১ হাজার ১৬৬ টাকা। ফলে, বাংলাদেশের বাজারে ভালো মানের সোনা প্রতি ভরির দাম কমে দাঁড়াবে ৭৬ হাজার ৫১৬ টাকায়, যা এতদিন ছিল ৭৭ হাজার ৬৮২ টাকা।

মঙ্গলবার (১০ মে) বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এম এ হান্নান আজাদ স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

আগামীকাল বুধবার (১১ মে) থেকে সারাদেশে নতুন দাম অনুযায়ী সোনা কেনাবেচা করা হবে।

বাজুস জানায়, আন্তর্জাতিক বাজার ও স্থানীয় বুলিয়ন মার্কেটে সোনার দাম কমেছে। তাই, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সোনা ও রূপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।


আরও খবর
ফের বাড়লো স্বর্ণের দাম

মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২




ব্যবসায়ী-শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ : পুলিশ বাদী হয়ে মামলা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২১ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২১ এপ্রিল ২০২২ | ৩৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানীর নিউ মার্কেট এলাকায় শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে দুটি মামলা করেছে। দুই মামলায় অজ্ঞাত পরিচয়ে এক হাজার ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

নিউ মার্কেট থানা সূত্রে জানা যায়, বিস্ফোরক আইনে ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে মামলা দুটি করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২১ এপ্রিল) সকালে নিউমার্কেট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শ ম কাইয়ুম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, নিউ মার্কেট এলাকায় শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় ২৪ জনকে এজাহারনামীয় ও অজ্ঞাতনামা এক হাজার জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে। এছাড়া পুলিশ বাদী হয়ে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে আরেকটি মামলা করেছে। সেই মামলায় অজ্ঞাত আসামি ২০০ জন।

তিনি আরও বলেন, দুটি মামলার বাদী নিউমার্কেট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মেহেদী হাসান ও পরিদর্শক (তদন্ত) ইয়ামিন কবির। গতকাল (বুধবার) রাতে মামলা দুটি দায়ের হয়েছে। গুরুত্বসহ মামলা দুটি তদন্ত করে দেখছি।

এদিকে সংঘর্ষের ঘটনায় মোরসালিন (২৬) ও নাহিদ (১৮) নামে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ঢাকা কলেজের এক শিক্ষার্থী আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি আছেন রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে। নাহিদের মৃত্যুর ঘটনায় তার বাবা নিউ মার্কেট থানায় মামলা করেছেন। 


আরও খবর