আজঃ বৃহস্পতিবার ২৪ জুন ২০২১
শিরোনাম

কুষ্টিয়ার চিনিকলের গুদাম থেকে ৫৩ টন চিনি গায়েব

প্রকাশিত:শনিবার ০৫ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৫ জুন ২০২১ | ৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কুষ্টিয়ার চিনিকলের গুদাম থেকে ৫৩ টনের মতো চিনি গায়েব হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (৩ জুন) বিষয়টি টের পাওয়ার পর স্টোর কিপার ফরিদুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়া তদন্তের স্বার্থে কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

আজ শনিবার (৫ জুন) দুপুর ১টার পর বিষয়টি নিশ্চিত করেন মহাব্যবস্থাপক (কারখানা) কল্যান কুমার দেবনাথ।

জানা গেছে, চিনিকলের গুদাম থেকে চিনি গায়েবের ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের জন্য কারখানার মহাব্যবস্থাপককে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কল্যান কুমার দেবনাথ বলেন, কিভাবে চিনি সরানো হলো এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত তা বের করতে ইতোমধ্যেই কাজ শুরু করেছে তদন্ত কমিটি।

ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাকিবুর রহমান খান বলেন, বিভিন্ন সময় এই চিনি সরানো হয়েছে। কীভাবে এই চিনি সরানো হলো এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত তা বের করা হবে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হবে।

নিউজ ট্যাগ: কুষ্টিয়া চিনিকল

আরও খবর



স্বামীকে ৬ টুকরো করার কথা স্বীকার করে স্ত্রীর জবানবন্দি

প্রকাশিত:সোমবার ০৭ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০৭ জুন ২০২১ | ১০২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঢাকার মহাখালী থেকে ময়না মিয়া নামে একজনের হাত-পা ও মাথা-বিহীন মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় নিহতের প্রথম স্ত্রী ফাতেমা খাতুন দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।

রবিবার (৬ জুন) ঢাকা মহানগর হাকিস মাসুদ-উর-রহমানের আদালত তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।

এর আগে গত ১ জুন আসামি ফাতেমাকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে বনানী থানার মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশ পরিদর্শক কাজী শরিফুল ইসলাম আসামির ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তার ৫ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

একই দিন রিমান্ড শেষে আসামি ফাতেমা খাতুনকে আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় ফাতেমা স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হন। তারপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক কাজী শরীফুল ইসলাম ফৌজদারি কার্যবিধি ১৬৪ ধারায় আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

স্বামী খুনের ঘটনায় গত ৩১ মে ফাতেমাকে গ্রেপ্তার করে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। ফাতেমার দেখানো জায়গায় গিয়ে ময়না মিয়ার মাথা উদ্ধার করা হয়। পরে বোরখা, ভিকটিমের রক্তমাখা জামাকাপড়, ধারালো ছুরি, ধারালো দা, বিষাক্ত পেয়ালা, শীল-পাটা উদ্ধার করা হয়।

মামলার সূত্রে জানা যায়, খুনের পরিকল্পনা অনুযায়ী কড়াইল এলাকা থেকে ফাতেমা দুই পাতা ঘুমের ট্যাবলেট কিনে গত ২৮ মে রাতে জুসের সঙ্গে স্বামী ময়না মিয়াকে খাইয়ে দেন। পরে ময়না মিয়া সারারাত-সারাদিন ঘুমে অচেতন থাকলে সন্ধ্যার দিকে কিছুটা জ্ঞান ফিরে পায় এবং স্ত্রীকে গালমন্দ করে আক্রমণ করতে গিয়ে বিছানায় লুটিয়ে পড়েন। একপর্যায়ে ময়না মিয়া পানি পানি বলে আর্তনাদ করলে ফাতেমা আবারও তার মুখে ঘুমের ট্যাবলেট মেশানো জুস ঢেলে দেন।

এক পর্যায়ে ময়না মিয়া নিস্তেজ হয়ে খাটে পড়ে গেলে ফাতেমা তার ওড়না দিয়ে ময়না মিয়ার দুই হাত শরীরের সঙ্গে বেঁধে রাখে এবং মুখ স্কচটেপ দিয়ে আটকে দেয়। এ সময় ময়না মিয়া আর্তনাদ করতে থাকলে ফাতেমা বুকের ওপরে বসে ঘরে থাকা স্টিলের চাকু দিয়ে গলাকাটা শুরু করেন। ধস্তাধস্তি করে ময়না মিয়ে ওড়না ছিঁড়ে তার হাত মুক্ত করে ও ফাতেমার হাতে খামচি এবং মুখ খুলে কামড় দেয়। এতে ফাতেমার রাগ আরও বেড়ে যায়।

পরে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে ময়না ও ফাতেমা খাট থেকে পড়ে গেলে ফাতেমা ভিকটিমের বুকের ওপরে উঠে গলার বাকি অংশ কেটে দেয়। পরে সকালে ফাতেমা মরদেহ গুম করার জন্য ধারালো চাকু দিয়ে ময়নার হাতের চামড়া ও মাংস কাটে এবং ধারালো দাঁ দিয়ে হাড় কেটে খণ্ডিত অংশকে ৩টি ভাগে রাখে। একটি লাল রঙের কাপড়ের ব্যাগে মাথা, শরীরের মূল অংশকে একটি নীল রঙের পানির ড্রামে, কেটে ফেলা দুই পা এবং দুই হাতকে একটি বড় কাপড়ের ব্যাগে ঢুকিয়ে রাখে।

পরে এলাকা থেকে ১৩০০ টাকায় একটি অটোরিকশা ভাড়া করে প্রথমে আমতলী এলাকায় শরীরের মূল অংশ ফেলে দেয়। পরবর্তী সময়ে মহাখালী এনা বাস কাউন্টারের সামনে দুই হাত-দুই পা ভর্তি ব্যাগ রেখে চলে আসে বাসায়। এ সময় বাসায় এসে সেখান থেকে খণ্ডিত মাথার ব্যাগটি নিয়ে বনানী ১১ নম্বর ব্রিজের পূর্বপ্রান্ত থেকে গুলশান লেকে ফেলে দেয়। এরপর বাসায় এসে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে থাকে।

এ বিষয়ে ফাতেমা ভেবেছিলেন, ময়নার মরদেহ কেউ শনাক্ত করতে পারবে না। কিন্তু উদ্ধার করা মরদেহর হাত থেকে আঙুলের ছাপ নিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্রের ডেটাবেইসের সঙ্গে মিলিয়ে পুলিশ জানতে পারে নিহতের নাম ময়না মিয়া, বাড়ি কিশোরগঞ্জে। এরপর মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে শিল্পীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেখানো মতেই ভিকটিমের রক্তমাখা জামা-কাপড়, ধারালো ছুরি ও দা, বিষাক্ত পেয়ালা ও শিল-পাটা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় বনানী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন নিহত ময়না মিয়ার দ্বিতীয় স্ত্রী। এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কি না খতিয়ে দেখছে পুলিশ।


নিউজ ট্যাগ: মরদেহ উদ্ধার

আরও খবর



প্রায় ২ লাখ ফিলিস্তিনীর স্বাস্থ্য সহায়তা প্রয়োজন : ডব্লিওএইচও

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৩ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৩ জুন ২০২১ | ১১১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিওএইচও) সতর্ক করে বলেছে, গত মাসে ইসরাইল ও হামাসের মধ্যকার সংঘাতের পর দখলকৃত ফিলিস্তিন অঞ্চলের প্রায় দুলাখ লোকের স্বাস্থ্য সহায়তা প্রয়োজন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পূর্বাঞ্চলীয় ভূমধ্যসাগরীয় আঞ্চলিক কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে বুধবার এ কথা বলা হয়েছে।

এতে বলা হয়, পশ্চিম তীরসহ দখলকৃত ফিলিস্তিন অঞ্চলে প্রায় দুই লাখ লোকের স্বাস্থ্য সহায়তা প্রয়োজন। আর তা সরবরাহে ডব্লিওএইচও তার তৎপরতা জোরদার করেছে।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, পরিস্থিতি ভয়ংকর। তাই সংস্থাটি প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা সরবরাহ ও এ কাজে যুক্ত লোকজনকে গাজায় অবাধে ঢুকতে দেয়ার আহ্বান জানাচ্ছে।

গতমাসে ইসরাইল অবরুদ্ধ গাজায় বিমান হামলা চালায়। গাজা থেকে হামাস পাল্টা রকেট হামলা চালায়। উভয় পক্ষে ১১ দিনের সংঘাতের পর যুদ্ধবিরতি ঘোষিত হয়। এ সময় ইসরাইলী হামলায় ৬৬ শিশুসহ ২৫৪ ফিলিস্তিনী নিহত হয়। অপরপক্ষে হামাসের ছোঁড়া রকেটে ১২ ইসরাইলী প্রাণ হারায়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিবৃতিতে আরো বলা হয়, সংঘর্ষের কারনে ৭৭ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনী আভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত এবং প্রায় ৩০টি স্বাস্থ্য কেন্দ্র ধ্বংস হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে হামাস গাজার নিয়ন্ত্রণ নেয়ার পর থেকে ইসরাইল এর স্থল ও আকাশ সীমান্ত অবরুদ্ধ করে রেখেছে। ঘনবসতিপূর্ণ এ এলাকায় প্রায় ২০ লাখ ফিলিস্তিনীর বসবাস। বহির্বিশ্বের সাথে গাজার যোগাযোগের একমাত্র পথ রাফা ক্রসিং যা মিশর সুরক্ষা দিয়ে আসছে। এখানে ইসরাইলের কোন নিয়ন্ত্রণ নেই।

সংস্থার রিক পিপারকর্ণ বলেন, ফিলিস্তিনীদের জীবন মান খারাপের দিকে যাচ্ছে। সহিসংতার কারণে অধিকাংশ লোকেরই জরুরি সহয়তা প্রয়োজন। এছাড়া করোনার মতো অন্যান্য স্বাস্থ্য হুমকিও রয়েছে।

সংস্থাটি বলছে, দখলকৃত ফিলিস্তিন অঞ্চলে ৩১ মে পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়েছে ৩ লাখ ৩৭ হাজার ১৯১ জন। মারা গেছে ৩ হাজার ৭ ৬৫ জন। সম্প্রতি গাজায় করোনা শনাক্তের হার বেড়ে গেছে।

ফিলিস্তিন অঞ্চলে স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রম জোরদার করার লক্ষ্যে সংস্থাটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার সহায়তার আবেদন জানালেও পাওয়া গেছে মাত্র ২৩ লাখ মার্কিন ডলার।



আরও খবর
করোনার ডেল্টা প্লাসে প্রথম মৃত্যু

বৃহস্পতিবার ২৪ জুন ২০২১




ঢাকা ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪ কোটি টাকা লুট

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৮ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৮ জুন ২০২১ | ৯৮জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঢাকা ব্যাংকের বংশাল শাখার ভোল্ট থেকে চার কোটি টাকা লুট হয়েছে। এ ঘটনায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ দুই কর্মকর্তাকে পুলিশে সোপর্দ করেছে। তারা হলেন- রিফাত ও ইমরান।

শুক্রবার সকালে বংশাল থানার দায়িত্বরত কর্মকর্তা এসআই মাসুম বিল্লাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার রাতেই টাকা আত্মসাতের বিষয়টি বুঝতে পেরে দুজনকে পুলিশে দিয়েছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

এ ঘটনায় এখনও মামলা হয়নি বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা। 


আরও খবর



সাতক্ষীরায় করোনা শনাক্তের হার ৫২.৬০ শতাংশ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১১ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১১ জুন ২০২১ | ৯৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সীমান্ত জেলা সাতক্ষীরায় করোনা হাসপাতালে করোনা রোগীর সংখ্যা দিনকে দিন বেড়েই চলেছে। বুধবার ও বৃহস্পতিবার করোনা নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ২১১ জনের। যার মধ্যে ১১১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। একই দিনে জেলায় করোনায় আক্রান্তে দুই জন ও উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে আরো চার জনের। নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৫২ দশমিক ৬০ শতাংশ।

বুধবার ও বৃহস্পতিবার করোনা উপসর্গে চার জনের মৃত্যু হয়েছে। মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়। মারা গেছেন সাতক্ষীরার উপজেলার গয়েশপুর গ্রামের রুহুল কদ্দুস (৫৫), পরানদাহ গ্রামের রূপবান বিবি (৫৫), আমতলা গ্রামের রিজিয়া খাতুন (৩৫) ও সাতক্ষীরা শহরেরর মুন্সিপাড়া এলাকার কামরুজ্জামান (৬৪)।

করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে দুই জনের। তারা হলেন, কলারোয়া উপজেলার চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা নারী বিলকিস খাতুন (২৮) ও শ্যামনগরের বিধান চন্দ্র মন্ডল (৩৭)।

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক কুদরত-ই-খোদা জানান, রোগীর সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা ১২০ থেকে  বাড়িয়ে ১৩৫ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির ভার্স্যুয়াল সভায় সাতক্ষীরা ঘোষিত লকডাউন ১৭ই জুন পর্যন্ত বৃদ্ধি করে।


আরও খবর



ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় বিএনপি

প্রকাশিত:শনিবার ১৯ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৯ জুন ২০২১ | ৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিএনপি নানা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশের অগ্রযাত্রা থামিয়ে দিতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সেতুমন্ত্রী বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় বিএনপি। শেখ হাসিনা সরকারের অভুতপূর্ব উন্নয়নের সুফল জনগণ পেতে শুরু করেছে। উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির এই ইতিবাচক ধারা বাধাগ্রস্ত করতেই বিএনপি ও তাদের দোসরেরা আদাজল খেয়ে মাঠে নেমেছে।

ওবায়দুল কাদের আজ শনিবার সকালে চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের ত্রিবার্ষিক ভার্চুয়ালি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। সেতুমন্ত্রী তাঁর রাজধানীর বাসভবন থেকে এই সম্মেলনে যুক্ত হন।

এ সময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় আজ দুই হাজার ২২৭ ডলার, যা কল্পনাও করা যায় না। বাংলাদেশের এই বিশাল উন্নয়ন-অর্জনই বিএনপির গাত্রদাহের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, ১২ বছর আগের পিছিয়ে পড়া বাংলাদেশ আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের মহাসড়ক ধরে আলোর পথে অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। ১২ বছর আগের বাংলাদেশ ও আজকের বাংলাদেশের মধ্যে উন্নয়ন ও অর্জনে আকাশ-পাতাল পার্থক্য।

নিউজ ট্যাগ: ওবায়দুল কাদের

আরও খবর