আজঃ বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১
শিরোনাম

মহামারিতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির

প্রকাশিত:বুধবার ২১ জুলাই 20২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ জুলাই 20২১ | ৯৯জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বঙ্গভবনে ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। বুধবার (২১ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টায় বঙ্গভবনের হলওয়েতে নামাজ আদায় করেন তিনি।

সীমিত পরিসরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে রাষ্ট্রপতির পরিবারের সদস্য ও বঙ্গভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ঈদুল আজহার জামাতে অংশ নেন। নামাজ শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় মোনাজাত করা হয়। রাষ্ট্রপতি নামাজ শেষে দেশবাসীর উদ্দেশে ঈদের শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন।

শুভেচ্ছা বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি বলেন, আশা করি, সকলেই সরকার নির্ধারিত স্থানে কোরবানি সম্পন্ন করবেন এবং যথাসময়ে কোরবানির বর্জ্য অপসারণে সচেষ্ট থাকবেন।

তিনি বলেন, পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে আমি দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলিম ভাইবোনদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ। মহান আল্লাহর প্রতি গভীর আনুগত্য ও সর্বোচ্চ ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর পবিত্র ঈদুল আজহা।

তিনি বলেন, ঈদুল আজহা উৎসবের সঙ্গে মিশে আছে চরম ত্যাগ ও প্রভুপ্রেমের পরাকাষ্ঠা। কোরবানি আমাদের মাঝে আত্মদান ও আত্মত্যাগের মানসিকতা সঞ্চারিত করে, আত্মীয়স্বজন ও পাড়া-প্রতিবেশীর সাথে আনন্দ-বেদনা ভাগাভাগি করে নেওয়ার মনোভাব ও সহিষ্ণুতার শিক্ষা দেয়।

রাষ্ট্রপতি বলেন, এবার মুসলিম বিশ্ব এমন একটা সময়ে ঈদুল আজহা উদযাপন করছে যখন করোনার ভয়াল থাবায় গোটা বিশ্ব বিপর্যস্ত। বাংলাদেশেও করোনার নেতিবাচক প্রভাব ক্রমান্বয়ে প্রকট হচ্ছে। করোনার কারণে দেশের জনগণের জীবন ও জীবিকা আজ কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। জীবন বাঁচানো প্রথম অগ্রাধিকার হলেও জীবন বাঁচিয়ে রাখতে জীবিকার গুরুত্বও অনস্বীকার্য।

তিনি বলেন, সরকার করোনা মোকাবিলা ও অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে বিভিন্ন প্যাকেজ প্রণোদনা প্রদানসহ বহুমুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। অসচ্ছল ও নিম্ন আয়ের মানুষের দুর্ভোগ লাঘবেও বিভিন্ন সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত আছে। কৃষি ও শিল্পসহ উৎপাদনশীল প্রতিটি খাতের কার্যক্রম অব্যাহত রাখতেও সরকার সর্বাত্মক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে।



আরও খবর



করোনায় রেকর্ড ২৫৮ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ জুলাই ২০২১ | ১০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২৫৮ জন, যা দেশে করোনা মহামারিকালে একদিনে সর্বোচ্চ মৃতের সংখ্যা। এর আগে একদিনে এত মৃত্যু দেখেনি বাংলাদেশ। গতকাল ২৪৭ জনের মৃত্যুর কথা জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদফতর। গতকাল পর্যন্ত এটাই ছিল সর্বোচ্চ। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ২৫৮ জনকে নিয়ে দেশে সরকারি হিসাবে এখন পর্যন্ত মারা গেলেন ১৯ হাজার ৭৭৯ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ১৪ হাজার ৯২৫ জন। তাদের নিয়ে দেশে সরকারি হিসাবে শনাক্ত হলেন ১১ লাখ ৯৪ হাজার ৭৫২ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১২ হাজার ৪৩৯ জন। তাদের নিয়ে দেশে করোনা থেকে মোট সুস্থ হলেন ১০ লাখ ২২ হাজার ৪১৪ জন।

মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনা বিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় রোগী শনাক্তের হার ২৮ দশমিক ৪৪ শতাংশ, আর দেশে এখন পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৮১ শতাংশ। ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৫ দশমিক ৫৮ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যু হার এক দশমিক ৬৬ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মহামারিকালে একদিনে সর্বোচ্চ নমুনা পরীক্ষার রেকর্ড হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫২ হাজার ৪৭৮টি, আর নমুনা সংগৃহীত হয়েছে ৫৫ হাজার ১৫৯টি। দেশে এখন পর্যন্ত করোনার মোট নমুনা করা পরীক্ষা হয়েছে ৭৫ লাখ ৫৮ হাজার ৭১১টি। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা করা হয়েছে ৫৫ লাখ ৫৫ হাজার ২০১টি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা করা হয়েছে ২০ লাখ তিন হাজার ৫১০টি।


আরও খবর
করোনায় আরও ২৩৫ জনের মৃত্যু

মঙ্গলবার ০৩ আগস্ট ২০২১




ঢাবিতে ভর্তি পরীক্ষা পিছিয়ে ১ অক্টোবর

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৩ জুলাই ২০২১ | ১৪৬জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
সভায় সাত কলেজ, অধিভুক্ত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ও গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি

করোনার কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবর্ষে (২০২০-২১) স্নাতক ভর্তি পরীক্ষা পিছিয়ে ১ অক্টোবর সম্ভাব্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনস কমিটির এক জরুরি সভায় পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. রহমতউল্লাহ।

সভায় সাত কলেজ, অধিভুক্ত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ও গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।

সভায় ঢাবি ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তাবিত তারিখগুলো যথাক্রমে ক ইউনিট-১ অক্টোবর, খ ইউনিট-২ অক্টোবর, চ ইউনিট-৯ অক্টোবর, গ ইউনিট-২২ অক্টোবর, ঘ ইউনিট-২৩ অক্টোবর।

এছাড়া অধিভুক্ত সাত কলেজে মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটে ৩০ অক্টোবর, বাণিজ্য ইউনিটে ৫ নভেম্বর এবং অধিভুক্ত প্রযুক্তি ইউনিটের পরীক্ষা ২ অক্টোবর বিকেলে অনুষ্ঠিত হবে। আর গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজে ভর্তি পরীক্ষা হবে ১২ নভেম্বর। ১১ সেপ্টেম্বর থেকে ভর্তিচ্ছু আবেদনকারী শিক্ষার্থীরা প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন।


আরও খবর



খুলনার ৪ হাসপাতালে ২৭ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ জুলাই ২০২১ | ৯৬জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে খুলনার চারটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৪ ঘণ্টায় ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) সকাল সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার (৯ জুলাই) সকাল ৮টা পর্যন্ত তাদের মৃত্যু হয়। যা এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড। শুক্রবার জেলা সিভিল সার্জন এ তথ্য জানান।

খুলনা করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে ১১ জন, গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১০ জন ও জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে পাঁচজন ও আবু নাসের হাসপাতালে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

খুলনা ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালের ফোকালপারসন ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় এ হাসপাতালে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৮৫ জন। এর মধ্যে রেড জোনে ১২৬ জন, ইয়োলো জোনে ১৯ জন, আইসিইউতে ১৯ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ৪৬ জন। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩৯ জন।

গাজী মেডিকেল হাসপাতালের সত্ত্বাধিকারী ডা. গাজী মিজানুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। বেসরকারি এ হাসপাতালের চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরও ১২৯ জন। এর মধ্যে আইসিইউতে রয়েছেন ৮ জন ও এইচডিইউতে আছেন ১০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ৩৬ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২১ জন।

খুলনা জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. কাজী আবু রাশেদ জানান, এ হাসপাতালে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া এ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৭১ জন। এর মধ্যে ৩৪ জন পুরুষ ও ৩৭ জন মহিলা। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ২৩ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৬ জন।

শহীদ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের করোনা ইউনিটে একজনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ৫ জন আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন পাঁচজন।


আরও খবর



২৮ জুলাই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন শুরু

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৯৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রাণঘাতি করোনার ভয়াবহ সংক্রমণের কারণে স্থগিত হওয়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার আবেদনের কার্যক্রম ২৮ জুলাই (বুধবার) থেকে শুরু হবে। ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তির এ আবেদন চলবে আগামী ১৪ আগস্ট পর্যন্ত।

ভর্তিচ্ছু প্রার্থীদের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে আবেদন পূরণ করে ২৫০ টাকা ফি মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দিতে হবে। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে অনলাইনে শুরু হবে প্রথম বর্ষের ক্লাস। শনিবার (২৪ জুলাই) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। একইসঙ্গে ভর্তির নির্দেশিকাও প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

ভর্তি বিজ্ঞপ্তির তথ্য মতে, আগামী ২৮ জুলাই বিকেল ৪টা থেকে স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি আবেদন ফের শুরু হবে। অনলাইনের মাধ্যমে এই আবেদন চলবে আগামী ১৪ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত।

ভর্তিচ্ছু প্রার্থীদের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির ওয়েবসাইটে আবেদন পূরণ করে আগামী ১৬ আগস্টের মধ্যে প্রাথমিক আবেদন ফি বাবদ ২৫০ টাকা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দিতে হবে। ভর্তির সব কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে অনলাইনে শুরু হবে স্নাতক প্রথম বর্ষের ক্লাস।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজে বিগত কয়েক বছরের মতো এবারও এসএসসি ও এইচএসসির ফলের ভিত্তিতে ভর্তি নেওয়া হবে। ফলে এবারও কোনো ভর্তি পরীক্ষা হচ্ছে না।

গত ৮ জুন থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) ও ২৩ জুন থেকে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) প্রফেশনাল শ্রেণির অনলাইন ভর্তি কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনা পরিস্থিতি অবনতি হওয়ায় সরকার কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে। এরপর ৭ জুন বিকেলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ম বর্ষ ভর্তি কমিটির সভায় স্থাতক প্রথম বর্ষের আবেদনের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।



আরও খবর



কঠোর লকডাউন শিথিল, সড়কে চলছে গণপরিবহণ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৫ জুলাই ২০২১ | ৯৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কঠোর লকডাউন শিথিল করায় টানা ১৪ দিন পর সড়ক-মহাসড়গুলোতে চলতে শুরু করেছে গণপরিবহণ।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন রুটে বাস চলতে দেখা গেছে। এছাড়া বিভিন্ন দোকানপাট খুলতে শুরু করেছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে খোলা হবে শপিংমলগুলোও।

জাতীয় পরামর্শক কমিটির পাশাপাশি বিশেষজ্ঞরা বিধিনিষেধ আরও কঠোর করার পরামর্শ দিলেও ঈদ উদযাপন ও দরিদ্র মানুষের রোজগারের স্বার্থে তা শিথিল করেছে সরকার।

তবে ২৩ জুলাই ভোর থেকে ফের ১৪ দিনের কঠোর লকডাউন শুরু হবে। তাতে জরুরি সেবা বাদে শিল্পকারখানাসহ সব ধরনের প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

আজ থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত আসনের অর্ধেক যাত্রী পরিবহনের শর্তে বাস, ট্রেন, লঞ্চসহ সব ধরনের গণপরিবহণ চলবে। স্বাস্থ্যবিধি মানার শর্তে খোলা থাকবে শপিংমল ও মার্কেট।

বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এক পত্রের মাধ্যমে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, এ সময়ে পর্যটন কেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্রে গমন ও জনসমাবেশ হয় এ ধরনের সামাজিক অনুষ্ঠান যেমন: বিবাহোত্তর অনুষ্ঠান (ওয়ালিমা), জন্মদিন, পিকনিক, পার্টি ইত্যাদি এবং রাজনৈতিক ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পরিহার করতে হবে।

করোনা মহামারি রোধে গত ১ জুলাই থেকে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। এই সময়ে গণপরিবহণ, অফিস, শপিংমল বন্ধ রাখা হয়। ঈদের সপ্তাহে সারাদেশে কুরবানির পশুর হাট বসানোরও অনুমতি দেওয়া হয়। 

তবে ২১ জুলাই ঈদ শেষে আবার ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে কঠোর বিধিনিষেধ শুরু হয়ে চলবে ৫ আগস্ট পর্যন্ত। এই সময়ে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র‌্যাব মোতায়েন থাকবে। বন্ধ থাকবে গণপরিবহণ, অফিস, শপিংমল, কলকারখানা।


আরও খবর