আজঃ মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

নিম্নচাপ নিয়ে তিন নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তি আবহাওয়া অধিদপ্তরের

প্রকাশিত:শনিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২3 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২3 | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত নিম্নচাপ নিয়ে তিন নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয় জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত নিম্নচাপটি আরও পশ্চিম- উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছে। নিম্নচাপটি শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৫১৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৪৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে এক হাজার ৪৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৪২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও পশ্চিম- উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘণীভূত হতে পারে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়োহাওয়ার আকারে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিম্নচাপ কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে।

এ অবস্থায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।


আরও খবর
সারা দেশে কমতে পারে রাতের তাপমাত্রা

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




জাবিতে স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনায় আটক ৪

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে এক ব্যক্তিকে আটকে রেখে তার স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমানসহ চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।

আটক অন্যরা হলেন- আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ৪৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী হাসান, ৪৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মোস্তফা মনোয়ার সিদ্দিকী সাগর, উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের ৪৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সাব্বির হোসেন সাগর। রোববার সকাল ৬টার দিকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাদের আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।

আর সকাল ৮টার দিকে সাভার মডেল থানায় আত্মসমর্পণ করেন মূল অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমান। তবে তার সহযোগী মামুন (বহিরাগত) এখনো পলাতক রয়েছেন।

শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মশাররফ হোসেন হলসংলগ্ন জঙ্গলে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

এদিকে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, শনিবার দিনগত রাত ১২টার দিকে মূল অভিযুক্ত মোস্তাফিজুর রহমান মীর মশাররফ হোসেন হলের রান্নাঘরের তালা ভেঙে পালিয়ে যান। তাকে পালিয়ে যেতে সাহায্য করার অভিযোগে শিক্ষার্থী হাসান, মোস্তফা মনোয়ার সিদ্দিকী সাগর ও সাব্বির হোসেন সাগরকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আ.স.ম ফিরোজ-উল-হাসান বলেন, মূল অভিযুক্ত মোস্তাফিজুর রহমান থানায় আত্মসমর্পণ করেছে। বাকি তিনজনকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। বহিরাগত মামুন পলাতক।

অভিযুক্ত মোস্তাফিজুর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ৪৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক‌ এবং শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আক্তারুজ্জামান সোহেলের অনুসারী।

জানা গেছে, ওই দম্পতির বাড়িতে ভাড়া থাকেন অভিযুক্ত মামুন। শনিবার সন্ধ্যায় ভুক্তভোগীর স্বামীকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ডেকে নিয়ে আসেন তিনি। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের আসলে তাকে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মশাররফ হোসেন হলের ব্লকের ৩১৭ নম্বর কক্ষে আটকে রাখেন অভিযুক্তরা। এরপর তার স্ত্রীকে দিয়ে নিজের রেখে আসা জিনিসপত্র আনতে বলেন মামুন। তার পরিপ্রেক্ষিতে মামুনের জিনিসপত্র নিয়ে ক্যাম্পাসে আসেন ভুক্তভোগী নারী। পরে জিনিসপত্র নিয়ে মামুন হলের ভেতরের ওই কক্ষে রেখে আসেন। এরপর তার স্বামী অন্যদিক থেকে আসবে বলে ওই নারীকে হল সংলগ্ন জঙ্গলে নিয়ে যান অভিযুক্তরা। পরে সেখানে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ওই নারী।

ভুক্তভোগী ওই নারী বলেন, মামুন ভাই আমাদের বাসায় ভাড়া থাকতো। তিনি আমার স্বামীর মাধ্যমে ফোন দিয়ে আমাকে তার রেখে যাওয়া জিনিসপত্র নিয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে বলেন। আমি তার জিনিসপত্র নিয়ে ক্যাম্পাসে যাই। তখন তিনি আমাদের বাসায় থাকবেন না বলে জানান। এছাড়া তিনি মীর মশাররফ হোসেন হলের মোস্তাফিজ ভাইয়ের কাছে থাকবে বলেও জানান।

ওই নারীর অভিযোগ, এরপর মামুন আমার কাছ থেকে তার জিনিসপত্রগুলো নিয়ে হলে রেখে আসে। পরে আমার স্বামী অন্যদিকে থেকে আসবে বলে আমাকে হলের সামনে থেকে পাশের জঙ্গলের মধ্যে নিয়ে যায়। তার সঙ্গে মোস্তাফিজ ভাইও ছিলো। তখন তারা আমাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।

এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান লিটন বলেন, সে একটি জঘন্যতম কাজ করেছে। এটি কোনোভাবেই কাম্য নয়। আমরা এ ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।

শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আকতারুজ্জামান সোহেল বলেন, মোস্তাফিজের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। এছাড়া স্থায়ী বহিষ্কারের জন্য কেন্দ্রে সুপারিশ করা হবে।


আরও খবর



হামদর্দের উদ্যোগে বিশ্ব ইউনানী দিবস উদযাপিত

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Image

বিশ্ব ইউনানী দিবস উপলক্ষে হামদর্দ ল্যাবরেটরীজ (ওয়াক্ফ) বাংলাদেশের উদ্যোগে রাজধানীর বাংলামোটরে প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ের মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ধর্মমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান এমপি। গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা। সভাপতিত্ব করেন হামদর্দ ল্যাবরেটরীজ (ওয়াক্ফ) বাংলাদেশের চিফ মোতাওয়াল্লী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. হাকীম মো. ইউছুফ হারুন ভূঁইয়া।

বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদ সদস্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি, হামদর্দ ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য অধ্যাপক ডা.প্রাণ গোপাল দত্ত, জাতীয় অধ্যাপক ও হামদর্দ বোর্ড অব ট্রাস্টিজের  ভাইস-চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ খান, ওয়াক্ফ প্রশাসক আবু সালেহ মহিউদ্দিন খাঁ, হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের ভিসি অধ্যাপক ড. ফারুক-উজ-জামান চৌধুরী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন হামদর্দ বাংলাদেশের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাকীম মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন রাসেল। কীনোট উপস্থাপন করেন হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের একাডেমিক ইউনানী চেয়ার অধ্যাপক ডা. মনোয়ার হোসেন কাজমী। হামদর্দের ইউনানী বিষয়ক তৎপরতা তুলে ধরেন প্রতিষ্ঠানের পরিচালক বিপণন মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন পরিচালক তথ্য ও গণসংযোগ আমিরুল মোমেনীন মানিক।

এ সময় প্রধান অতিথি ধর্মমন্ত্রী মো.ফরিদুল হক খান এমপি বলেন, বিকল্প চিকিৎসা ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশেষভাবে উদ্যোগী হয়েছেন। তাঁর উৎসাহে বাংলাদেশের শহর বন্দর নগর, এমনকি প্রত্যন্ত জনপদেও বিকল্প চিকিৎসা ও শিক্ষা ব্যবস্থাকে ছড়িয়ে দেওয়ার কাজ চলছে। এর মধ্যে হামদর্দ বাংলাদেশের নাম উল্লেখ করার মতো। হামদর্দ সারা বাংলাদেশে ৩০০টি চিকিৎসা সেবা কেন্দ্রের মাধ্যমে ফ্রি চিকিৎসাপত্র দিচ্ছে। পাশাপাশি অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে মানব সেবা করে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানের গেস্ট অব অনার ঢাকাস্থ ভারতীয় হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা হামদর্দের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, বাংলাদেশে ইউনানী-আয়ুর্বেদিক স্বাস্থ্য ও শিক্ষাসেবা বিস্তারে বিপ্লব করেছে হামদর্দ। এ সময় হামদর্দের মতো আরও অনেক প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, ভারত সবসময় বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশকে সহায়তা করতে প্রস্তুত রয়েছে।

সভাপতির বক্তব্যে ড. হাকীম মো.ইউছুফ হারুন ভূঁইয়া বলেন, ইউনানী আয়ুর্বেদিক শিক্ষা ও চিকিৎসা সেবা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে হারবাল মেডিসিনকে অন্তর্ভূক্তকরাসহ নানা ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করে অবিরাম প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে তাগাদা দিচ্ছেন। ইউনানী আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা শিক্ষার জন্য ব্যাচেলর পর্যায়ে সমগ্র বাংলাদেশে সর্বসাকুল্যে চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে সরকারি ইউনানী আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল মিরপুর ছাড়া বাকি তিনটিই হামদর্দ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত। হামদর্দের এই ৩টি প্রতিষ্ঠান হলো: চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভূক্ত এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক অনুমোদিত রওশন জাহান ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল লক্ষ্মীপুর, রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভূক্ত হামদর্দ ইউনানী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল বগুড়া এবং হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ ক্যাম্পাসে স্থাপিত হামদর্দ ইনস্টিটিউট অব ইউনানী অ্যান্ড আয়ুর্বেদিক মেডিসিন।

ড. হাকীম মো. ইউছুফ হারুন ভূঁইয়া আরও বলেন, ইউনানী আয়ুর্বেদিক শিক্ষা সম্প্রসারণ ও ব্যাপক উন্নয়নে ভারতের ন্যায় বাংলাদেশেও একটি আলাদা মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করতে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি। ইউনানী আয়ুর্বেদিক শিক্ষায় ব্যাচেলর ডিগ্রীপ্রাপ্তদের দেশের বিভিন্ন সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়োগ প্রদানের সুযোগ দেওয়ায় সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ড. ইউসুফ হারুন ভূঁইয়া নিয়োগকৃত ইউনানী আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকদের যথাযথ পদমর্যাদাসহ অন্যান্য সিস্টেমের মতো সুযোগ সুবিধা প্রদান করতে জোর দাবি জানান। 

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের নিউরো সার্জন অধ্যাপক ডা. ফজলে এলাহী মিলাদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিন্দি বিভাগের প্রধান ও একাডেমিক চেয়ার পুনম গুপ্তা, সরকারি ইউনানী আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল মিরপুরের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডা. তৈয়বুর রহমান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা. হাসান ইমামসহ হামদর্দের পরিচালকবৃন্দ।


আরও খবর



মাতৃগর্ভের শিশুর লিঙ্গ প্রকাশ করা যাবে না

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

মাতৃগর্ভে থাকাবস্থায় অনাগত শিশুর লিঙ্গ প্রকাশ করা যাবে না উল্লেখিত স্বাস্থ্য অধিদফতরের গঠিত কমিটির প্রতিবেদন হাইকোর্ট দাখিল করা হয়েছে।

সোমবার (২৯ জানুয়ারি) বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ নীতিমালা দাখিল করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

ন্যাশনাল গাইডলাইন রিগারডিং প্যারেন্টাল জেন্ডার সিলেকশন ইন বাংলাদেশ নামে নীতিমালাতে বলা হয়েছে, অনুযায়ী কোনও ব্যক্তি, হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ল্যাবরেটরি কোনও লেখা বা চিহ্ন বা অন্য কোনও উপায়ে শিশুর লিঙ্গ প্রকাশ করতে পারবে না।

নীতিমালাতে আরও বলা হয়েছে

১. কোনও ব্যক্তি, হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ল্যাবরেটরি কোনও লেখা বা চিহ্ন বা অন্য কোনও উপায়ে শিশুর লিঙ্গ প্রকাশ করতে পারবে না।

২. এ বিষয়ে কোনরকম বিজ্ঞাপন দিতে পারবে না।

৩. সরকারের মন্ত্রণালয়গুলো ডাক্তার, নার্স, পরিবার পরিকল্পনা কর্মী, টেকনিশিয়ান কর্মীদের নেতিবাচক ফলাফল সম্পর্কে ট্রেনিং দেবে এবং নৈতিকতা ও পেশাগত আচরণ বিষয়ে ট্রেনিং দেবে।

৪. হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টারসহ মেডিক্যাল সেন্টারগুলো এ সংক্রান্ত সব ধরনের টেস্টের ডাটা সংরক্ষণ রাখবে; এবং

৫. হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টারসহ মেডিক্যাল সেন্টারগুলো ডিজিটাল ও প্রিন্ট মাধ্যমে লিঙ্গ সমতা এবং কন্যাশিশুর গুরুত্ব তুলে ধরে বিভিন্ন মেসেজ প্রচার করবে।

আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশগুপ্ত।

পরে আদালত নীতিমালার ওপর শুনানির জন্য আগামীকাল মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) দিন ধার্য করেছেন।

এর আগে ২০২০ সালের ২৬ জানুয়ারি গর্ভের শিশুদের লিঙ্গ পরিচয় জানার উদ্দেশ্যে পরীক্ষা ও লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে জনস্বার্থে রিট দায়ের করেন অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান।

রিট আবেদনে বলা হয়, ভারতে আইন করে গর্ভজাত সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। গর্ভের শিশুর লিঙ্গ নির্ধারণ করা হলে প্রসূতি মায়ের মানসিক চাপ তৈরি হয়। অনেক ক্ষেত্রে পারিবারিক চাপে গর্ভপাত করার ঘটনাও ঘটে।

ওই রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ২০২০ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি মাতৃগর্ভে থাকা অবস্থায় অনাগত শিশুর লিঙ্গ পরিচয় রোধে নীতিমালা তৈরি করতে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

রুলে অনাগত শিশুর লিঙ্গ পরিচয় রোধে নীতিমালা বা নির্দেশনা তৈরি করতে বিবাদীদের ব্যর্থতা কেন অবৈধ ও আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না এবং অনাগত শিশুর লিঙ্গ পরিচয় নির্ধারণে নীতিমালা তৈরি করতে বিবাদীদের কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চান হাইকোর্ট।

বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত তৎকালীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেছিলেন। হাইকোর্টের ওই রুলের পর নীতিমালা তৈরির জন্য কমিটি গঠন করে স্বাস্থ্য অধিদফতর।


আরও খবর



রয়্যাল এনফিল্ডের মডেলগুলোতে কী কী ফিচার পাবেন মোটরসাইকেলপ্রেমীরা

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রাচীনতম ব্রিটিশ টু-হুইলার ব্র্যান্ড রয়্যাল এনফিল্ড-৩৫০-এর মাধ্যমে মোটরসাইকেলের ইঞ্জিন ক্ষমতার নতুন মাত্রায় পৌঁছতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ২০২৩ সালের ৭ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত ৩৭৫ সিসির (কিউবিক সেন্টিমিটার) মাইলফলকের দিকে এই যুগান্তকারী পদক্ষেপটি সম্পন্ন হতে যাচ্ছে চলতি বছরের জুলাইতে। স্থানীয়ভাবে ইফাদ মোটরস নামক একটি মোটরসাইকেল কারখানাজাত প্রতিষ্ঠান দেশের বাজারে চালু করবে রয়্যাল এনফিল্ড

ইতোমধ্যে জানানো হয়েছে যে, বিশ্ব বাজারে এর নামকরা ক্লাসিক, বুলেট, হান্টার ও মিটিওর সিরিজগুলো দেশের ভেতরেই প্রস্তুত করা হবে। কী কী ফিচার পাওয়া যাবে রয়্যাল এনফিল্ড-৩৫০ মোটরসাইকেলের মডেলগুলোতে? আর কতটুকু নাগালের মধ্যে থাকতে যাচ্ছে এগুলোর দাম। চলুন জেনে নেওয়া যাক।

নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তির এক সঙ্গত সংমিশ্রণ রয়্যাল এনফিল্ড ক্লাসিক ৩৫০। বাতাস চলাচলের মাধ্যমে শীতলীকরণ প্রক্রিয়া সমৃদ্ধ একক সিলিন্ডার ও ৩৪৯ সিসির ইঞ্জিন একটি আদর্শ মোটরসাইকেল হিসেবে মডেলটিকে ন্যায্যতা দেয়।

৬,১০০ আরপিএম (ইভোলিউশন পার মিনিট)-এর সঙ্গে রয়েছে ২০.২ বিএইচপির (ব্রেক হর্সপাওয়ার) হর্সপাওয়ার এবং চার হাজার আরপিএমের সঙ্গে প্রতি ফুট দূরত্বে ১৯ পাউন্ডের টর্ক। তাই শহুরে যানজট বা খোলা-রাস্তা উভয় ক্ষেত্রেই চালনায় ভারসাম্য নিয়ে কোনো চিন্তা নেই।

রয়্যাল এনফিল্ড ক্লাসিক ৩৫০ : এনফিল্ড ঐতিহ্যের সমগ্র নান্দনিকতার ছোঁয়া পড়েছে নকশায়। স্টিলের ফ্রেমটি চালক ও যাত্রী উভয়ের জন্যই স্বাভাবিক হ্যান্ড গ্রিপ্স, হ্যান্ডেলবার ও সামঞ্জস্যপূর্ণ ফুট পেগ নিশ্চিত করে। বাইক চড়ার মুহূর্তগুলোকে আরামদায়ক করার জন্য সামনের সাসপেনশনে রয়েছে ৪১ মিলিমিটার টেলিস্কোপিক ফর্ক আর পেছনেরটাতে একটি টুইন সাইড সুইং আর্ম। যথাযথ নিরাপত্তার স্বার্থে এবিএস (অ্যান্টি-লক ব্রেকিং সিস্টেম) হিসেবে কাজ করবে সামনে এবং পিছনে উভয় দিকের হাইড্রোলিক ডিস্ক ব্রেক। সতর্ক সংকেত দেওয়ার জন্য যন্ত্রাংশ প্যানেলে রয়েছে চিরাচরিত স্পিডোমিটার ও একটি ফুয়েল লেভেল লাইট।

এছাড়াও সঙ্গে বহন করার জন্য আছে হার্ডসাইড কেস, পেছনের র‍্যাক ও ব্যাগ লাইনারসহ আনুষঙ্গিক নানাবিধ সংযোজনের ব্যবস্থা।

রয়্যাল এনফিল্ড বুলেট ৩৫০ : বুলেট মডেলকে রয়্যাল এনফিল্ড ঐতিহ্যের প্রতীক বলা যেতে পারে। ক্লাসিকের মতো এটাতেও রয়েছে ৩৪৯ সিসির জে-সিরিজ ইঞ্জিন ও ৬,১০০ আরপিএম-এ ২০.২ বিএইচপি হর্সপাওয়ার। পাশাপাশি এটি চার হাজার আরপিএম-এ প্রতি ফুট দূরত্বে ১৯.৯ পাউন্ড টর্ক দিতে সক্ষম। অর্থাৎ উচ্চগতির জন্য নয়; এটি বরং প্রতি ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ মাইল যাত্রার জন্য উত্তম।

সিরিজটি ইতিহাসের সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী মোটরসাইকেল ডিজাইন। ১৯৫৫ সালে মূল প্রতিষ্ঠান এনফিল্ড সাইকেল কোম্পানি ভারতের মাদ্রাজ মোটরসের সঙ্গে অংশীদারিত্বে গঠন করেছিল এনফিল্ড অব ইন্ডিয়া। মাদ্রাজ (বর্তমানে চেন্নাই) কেন্দ্রিক এনফিল্ড সাইকেলের উত্তরসূরি তাদের কার্যক্রম শুরু করেছিল এই রয়্যাল এনফিল্ড বুলেট অ্যাসেম্বলির মাধ্যমেই। বুলেটের চিত্তাকর্ষক নকশায় এখনও সেই ঐতিহাসিক ছাপ বিদ্যমান, যা অনায়াসেই যেকোনো মোটরসাইকেল চালকের মন জয় করে নেয়। বুলেটের ভিনদেশী নকশা এবং ইউএসবি চার্জিং পোর্ট বিশেষভাবে নজর কাড়ে।

স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ হ্যান্ডলিং, সাসপেনশন, এবং ডুয়্যাল সিট সেটআপ একা একা বা কাউকে সঙ্গে নিয়ে চালানো উভয় ক্ষেত্রে ন্যাভিগেশনটা চালকের জন্য সহজাত করে তোলে। সিটটি মোটা-প্যাডের হওয়ায় তা ৮০৫ মিলিমিটার উচ্চতায় চালক ও যাত্রী দুইজনের জন্যই বেশ সহজসাধ্য এবং আরামপ্রদ। ১৩ লিটার ধারণক্ষমতার জ্বালানি ট্যাঙ্ক একবার ভরে নিলে ৩০০ মাইলেরও বেশি নিশ্চিন্তে ভ্রমণ করা যাবে।

রয়্যাল এনফিল্ড হান্টার ৩৫০ : উন্নত প্রযুক্তিতে সুসজ্জিত হওয়ায় রয়্যাল এনফিল্ড পরিবারের সবচেয়ে আধুনিক সদস্য হচ্ছে হান্টার। অবশ্য ক্লাসিক মডেলের ধারা অব্যাহত রেখে এর একক সিলিন্ডার ও ৩৪৯ সিসির ইঞ্জিনের ক্ষমতা একই রাখা হয়েছে। অর্থাৎ ৬,১০০ আরপিএমে ১৪.৮৭ কিলোওয়াট এবং চার হাজার আরপিএমে ২৭ এনএম টর্ক।

সামগ্রিক নকশা অনুসারে এই সিরিজ শহুরে পরিবেশের জন্য উপযুক্ত। স্টিলের ফ্রেমটি ন্যাভিগেশন এবং চালক ও যাত্রী দুজনের ফুটপেগের সহায়ক। এখানেও আছে সামনের সাসপেনশনে টেলিস্কোপিক ফর্ক এবং পেছনের সাসপেনশনে টুইন সাইড সুইং আর্ম।

এর আকার ও সর্বোচ্চ ১৮১ কেজি ওজন শামাল দিতে কোনো প্রাপ্তবয়স্ক মোটরসাইকেল চালককে হিমশিম খেতে হয় না। ৩১.১ ইঞ্চি বা ৭৯০ মিলিমিটারের উচ্চতায় বসার জায়গাটি যেকোনো চালক ও যাত্রীর জন্য স্বাভাবিক। তাছাড়া চলন্ত অবস্থায় সুরক্ষার জন্য সামনে এবং পিছনে এবিসসহ হাইড্রোলিক ডিস্ক ব্রেক তো থাকছেই। হান্টার-৩৫০-এর যন্ত্রাদি ডিজিটাল হওয়ায় পাওয়ার আউটলেট, হার্ডসাইড কেস এবং স্টোরেজ কভারের সুবিধা আছে। অ্যালুমিনিয়ামের চাকাগুলোতেও লাগানো আছে টিউবলেস টায়ার।

অন্যান্য সিরিজগুলোর সঙ্গে খুব একটা তারতম্য নেই রয়্যাল এনফিল্ড মিটিওর ৩৫০-এর। ৩৪৯ সিসির একক সিলিন্ডার ইঞ্জিনে অপরিবর্তিত আছে চার হাজার আরপিএমে ২৭ এনএম (নিউটন-মিটার) টর্ক এবং ৬,১০০ আরপিএমে ২০.২ বিএইচপির ক্ষমতা। টেকসই ও পালিশ করা সর্বাঙ্গে জেনুইন মোটরসাইকেল এক্সেসরিজের (জিএমএ) বিশাল বহর। ইঞ্জিন এবং গিয়ারের মাঝে সুষ্ঠু যোগসাজশ এক মসৃণ রাইডিং অভিজ্ঞতা দেয়। প্রতি ঘণ্টায় গতি ৯০ থেকে ১১০ কিলোমিটার ছাড়িয়ে গেলেও কম্পন অনুভূত হবে না।

মিটিওর-৩৫০ ও সমস্বরে জানান দেয় স্টিল ফ্রেম এবং সামনের ও পেছনের সাসপেনশনে যথাক্রমে টেলিস্কোপিক ফর্ক ও টুইন সাইড সুইং আর্মের উপস্থিতি। গ্রাউন্ড থেকে ৩০.১ ইঞ্চি বা ৭৬৪.৫ মিলিমিটারের উচ্চতায় ডুয়্যাল সিট এবং সামনের-পেছনের দুই চাকাতে এবিএসের হাইড্রোলিক ডিস্ক ব্রেক পূর্ণ নিরাপত্তার পরিপূরক। স্পিডোমিটার, ট্যাকোমিটার, ট্রিপ ওডোমিটার, কম্পাস এবং ন্যাভিগেশন সিস্টেমের ডিজিটাল যন্ত্রাংশ বিশ্বমানের সুবিধা হিসেবে আলাদা আকর্ষণ রাখে।

রয়্যাল এনফিল্ড-৩৫০ এর সম্ভাব্য মূল্য : পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে বিচিত্র রঙ ও এবিএস চ্যানেল ভেদে ক্লাসিক সিরিজের দাম চলছে এক লাখ ৯৩ হাজার ৮০ রুপি থেকে দুই লাখ ২৪ হাজার ৭৫৫ রুপি পর্যন্ত। যেটি বাংলাদেশি টাকায় আড়াই লাখ থেকে দুই লাখ ৯৭ হাজার ৩৬ টাকা (১ ভারতীয় রুপি = ১.৩২ বাংলাদেশি টাকা)। বেশকিছু নতুন রঙের ভার্সন সংযোজন হয়ে বুলেট মডেলগুলোর মূল্য দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৭৩ হাজার ৫৬২ থেকে এক লাখ ৯৭ হাজার ৪৩৬ রুপি, যা প্রায় দুই লাখ ২৯ হাজার ৩৭৯ টাকা থেকে দুই লাখ ৬০ হাজার ৯৩১ টাকার সমপরিমাণ।

এক লাখ ৪৯ হাজার ৯০০ থেকে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৬৫৫ রুপি (প্রায় এক লাখ ৯৮ হাজার ১০৭ থেকে দুই লাখ ৩০ হাজার ৮২৩ টাকা) দামে ভারতীয় গ্রাহকদের নিকট পরিবেশিত হচ্ছে বর্ণীল হান্টারগুলো। আর দুই লাখ পাঁচ হাজার ৯০০ থেকে দুই লাখ ২৯ হাজার ৯০০ রুপি (প্রায় দুই লাখ ৭২ হাজার ১১৭ টাকা থেকে তিন লাখ তিন হাজার ৮৩৫ টাকা) দামের পরিধি নিয়ে মোটরসাইকেল চালকদের নজর কেড়েছে অবকাশ রাইডিংয়ের মিটিওর-৩৫০ ক্রুজগুলো।

বাংলাদেশে মোটরসাইকেলগুলোর দাম নির্ভর করছে উদ্বোধনকালীন বাজার পরিস্থিতি এবং ডলার মূল্যের ওপর। ইফাদ মোটরসের তথ্যমতে, ডলার রেট প্রায় ১২৫ (বাংলাদেশি) টাকা হলে রয়্যাল এনফিল্ড-৩৫০ সিরিজগুলোর দাম হতে পারে প্রায় পাঁচ থেকে ছয় লাখ টাকা।

পরিশিষ্ট : রয়্যাল এনফিল্ড-৩৫০ এর চারটি সিরিজই প্রতিনিধিত্ব করছে বিশ্বমানের মোটরসাইকেল শিল্পকে। তবে বাংলাদেশের প্রতিক্রিয়ায় বৈচিত্র্য আসতে পারে মোটরসাইকেলপ্রেমীদের ভিন্ন চাহিদার ভিত্তিতে। বয়সের সীমারেখা নির্বিশেষে ঐতিহ্যবাহী মোটরসাইকেল চালকরা তাদের নস্টালজিয়া অনুশীলনে সাদরে গ্রহণ করে নিতে পারেন ক্লাসিক মডেলটিকে। সাবলীলতা ও নির্ভরযোগ্যতায় ব্যবহারের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া শ্রেণির প্রথম পছন্দ হতে পারে বুলেট সিরিজ। শহুরে চালকদের বিশেষ করে স্বল্প বয়সীদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষস্থানটি দখল করতে পারে হান্টার ও মিটিওর। তবে এবিএস থাকলেও এগুলোর উচ্চগতি বাংলাদেশের মহাসড়কগুলোতে সতর্কতার দাবি রাখে। আর খারাপ সড়ক বা গ্রাম্য পথে দূর পাল্লায় হান্টারকে পরখ করে দেখা মোটেই উচিত হবে না।

নিউজ ট্যাগ: রয়্যাল এনফিল্ড

আরও খবর
হ্যালোইন কী, কেন পালিত হয় এ উৎসব?

বুধবার ০১ নভেম্বর ২০২৩




যুক্তরাষ্ট্রের ভেটোর পর গাজায় ইসরায়েলের ব্যাপক বোমা হামলা

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ভেটো প্রদানের পরপরই গাজায় ইসরায়েল নির্বিচারে বোমা হামলা চালিয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) গাজায় চলমান হামাস-ইসরাইল যুদ্ধে মানবিক যুদ্ধবিরতির জন্য জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে একটি প্রস্তাবে আবারও ভেটো দেয় যুক্তরাষ্ট্র। সমর্থন জানিয়ে প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয় ১৩টি দেশ। তবে নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্যের মধ্যে ভোটদানে বিরত থাকে যুক্তরাজ্য।

বৈশ্বিক শক্তিগুলো আবর্তিত ভয়ংকর সহিংসতার সংকট থেকে দ্রুততার সাথে বেরিয়ে আসার উপায় খোঁজার চেষ্টা করছে এবং মধ্যস্থতাকারীদের প্রচেষ্টা এখনও পর্যন্ত একটি যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে।

গাজার দুর্দশা বর্ণনা করে জাতিসংঘের খাদ্য সংস্থা মঙ্গলবার বলেছে, সম্পূর্ণ বিশৃঙ্খলা ও সহিংসতার’ মুখোমুখি হওয়ার পরে সংস্থাটি অঞ্চলের উত্তরে নিদারুণভাবে প্রয়োজনীয় সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে। হামাস জাতিসংঘ সংস্থার এই সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়েছে।

বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি শুধুমাত্র রবিবার সরবরাহ আবার শুরু করেছিল। কিন্তু সেখানে খাদ্যবাহী যানের বহরে গুলি চালানো হয়েছে ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এমনকি ট্রাক চালককে মারধরও করা হয়েছে।

হামাসের সরকারি মিডিয়া অফিস মঙ্গলবার রাতে বলেছে, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি স্থগিত করার এই সিদ্ধান্তে আমরা হতবাক। উত্তর গাজায় খাদ্য সহায়তা বিতরণ বন্ধের অর্থ এক মিলিয়নের তিন-চতুর্থাংশ লোকের মৃত্যু।

সংস্থাটিকে অবিলম্বে তার বিপর্যয়কর সিদ্ধান্তটি প্রত্যাহার করার আহ্বান জানিয়ে হামাস বলেছে, আমরা এই পরিস্থিতির জন্য জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দায়ী বলে মনে করি।

ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে গাজা খাদ্য সংকটে নিমজ্জিত। সেখানে বাইরের সাহায্য কঠোরভাবে সীমাবদ্ধ।

জাতিসংঘ বারবার ভয়ঙ্কর মানবিক বিপর্যয়ের সতর্কবার্তা দিয়ে বলেছে, খাদ্য ঘাটতির কারণে সেখানে শিশু মৃত্যুর একটি বিস্ফোরক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

চার মাসেরও বেশি সময় অবিরাম যুদ্ধে গাজা প্রায় বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে। অঞ্চলটির ২.২ মিলিয়ন মানুষকে চরম দুর্ভিক্ষের দিকে ঠেলে দিয়েছে।


আরও খবর
পেট্রোল রপ্তানি নিষিদ্ধ করল রাশিয়া

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

বাড়িঘর পুড়িয়ে ছাই করে দিচ্ছে জান্তা সরকার

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪