আজঃ মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটি গঠন করে প্রজ্ঞাপন

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ নভেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনপূর্ব অনিয়ম নিষ্পত্তি করতে ৩০০ বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা নিয়ে নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটি গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে আইন মন্ত্রণালয়।

নির্বাচন কমিশনের আদেশক্রমে বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) এ প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন মন্ত্রণালয়। শনিবার (২৫ নভেম্বর) গণমাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) বিধান মতে, বিচার বিভাগের কর্মকর্তাদের দিয়ে দেশের প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় একটি করে মোট ৩০০টি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়।

এতে বলা হয়, কমিটিকে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, আচরণবিধি ও ভীতি, বাধা, দমন বা মিথ্যা তথ্য প্রকাশসহ অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনায় বাধাগ্রস্ত করে এমন বিষয়গুলো অনুসন্ধানসহ সুপারিশ করে তিন দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে প্রতিবেদন পাঠাতে হবে। অনুসন্ধান কমিটির দায়িত্ব পালন সংক্রান্ত জ্বালানি ও আপ্যায়ন ব্যয়সহ বিভিন্ন ব্যয় নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দেয়া হবে। অনুসন্ধান কার্য পরিচালনার ব্যাপারে কমিটির চাহিদা অনুসারে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক, পুলিশ কমিশনার, পুলিশ সুপার, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা, সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা/ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও উপজেলা/ থানা নির্বাচন কর্মকর্তারা প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবেন।

এতে আরও বলা হয়, দায়িত্বপ্রাপ্ত অনুসন্ধান কমিটির কর্মকর্তারা নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনে ন্যস্ত থাকবেন এবং প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ হতে ওই কর্মকর্তারা নিজ দপ্তর থেকে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত বলে গণ্য হবেন। নির্বাচনের ফলাফল সরকারি গেজেটে প্রকাশের সময় পর্যন্ত নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির কর্মকর্তারা সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় উপস্থিত থেকে সার্বক্ষণিক নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবেন।

এছাড়া দায়িত্ব পালনকালে নির্বাচন পূর্ব অনিয়ম সংঘটিত হলে তা অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে প্রেরণ করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ওই অনুসন্ধান প্রতিবেদন সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিবালয় বরাবর প্রেরণ করবেন এবং ওই প্রতিবেদন পিডিএফ ফরমেটে অত্র সচিবালয়ের আইন অনুবিভাগের উপসচিব ও সিনিয়র/সহকারী সচিবের ইন্টারনাল একাউন্টে প্রেরণ করবেন।


আরও খবর



সিলেট বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জয়িতা সম্মাননা প্রদান সম্পন্ন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
সিলেট প্রতিনিধি

Image

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ও বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় সিলেটের উদ্যোগে তৃণমূলের সংগ্রামী নারীদের উজ্জীবিত ও অনুপ্রাণিত করার লক্ষ্যে প্রতিবছর জীবনযুদ্ধে জয়ী নারীদের স্বীকৃতি প্রদানের জন্য জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ শীর্ষক কার্যক্রমের ধরাবাহিকতায় সিলেটে বিভাগীয় পর্যায়ে নির্বাচিত ৫ জন শ্রেষ্ঠ জয়িতাদের সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে নগরীর পূর্ব শাহী ঈদগাহস্থ জেলা শিল্পকল্পা একাডেমিতে আয়োজিত সিলেট বিভাগীয় পর্যায়ে জয়িতা সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ঢাকার মহাপরিচালক (গ্রেড-১) কেয়া খান।

সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার আবু আহমদ ছিদ্দীকী এনডিসির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি শাহ মিজান শাফিউর রহমান বিপিএম-বার, পিপিএম, এসএমপি সিলেটের পুলিশ কমিশনার মোঃ জাকির হোসেন খান পিপিএম, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ঢাকার পরিচালক (যুগ্ম সচিব) জাকিয়া আফরোজ, অতিরিক্ত পরিচালক (যুগ্ম সচিব) ও জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ কর্মসূচির পরিচালক সালেহা বিনতে সিরাজ, সিলেটের জেলা প্রশাসক শেখ রাসেল হাসান, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, সাবেক এমপি, রোকেয়া পদকপ্রাপ্ত সৈয়দা জেবুন্নেছা হক।

সিলেটের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) দেবজিৎ সিংহ এর স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যম সূচিত অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বক্তব্য রাখেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর সিলেটের উপ-পরিচালক শাহিনা আক্তার।

সিলেট জেলা কালচারাল অফিসার অসিত বরণ দাশ গুপ্ত এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণলয়ের এপিসি প্রকল্পের চাইল্ড রাইটস্ ফ্যাসিলিটেটর প্রিয়াংকা দাস রায় এর যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠানে জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ শীর্ষক কার্যক্রমের আওতায় ৫টি ক্যাটাগরিতে সিলেট বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জয়িতা যথাক্রমে অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী সিলেটের আছমা কামালী শান্তা, শিক্ষা ও চাকুরী ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী সিলেটের অধ্যাপক ডাঃ শামসুন নাহার বেগম, সফল জননী মৌলভীবাজারের কমলী রবিদাশ, নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন উদ্যমে নতুন জীবন শুরু করেছেন যে নারী হবিগঞ্জের নাজমা আক্তার, সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রেখেছেন যে নারী হবিগঞ্জের স্বপ্না রাণী দেব বর্মা-কে  উত্তরীয়, ক্রেস্ট, সম্মাননা চেক ও সনদপত্র প্রদান করেন প্রধান অতিথি সহ অতিথিবৃন্দ।

বিভাগীয় পর্যায়ে রানার্স জয়িতা- সুফিয় রহমান, মোছাম্মত সেলিনা বেগম, বেগম হাজেরা হাশেম ও বিনতা দেব-কে উত্তরীয় ও সনদপত্র প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে জয়িতা তোমরাই বাংলাদেশের বাতিঘর শীর্ষক স্মারকগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ঢাকার মহাপরিচালক কেয়া খান বলেন, দেশ-জাতি, সমাজের উন্নয়ন সহ সর্বক্ষেত্রে মায়েদের আবাদন বেশি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নারী থাকার কারণে আজ নারী সমাজ শিক্ষা, চিকিৎসা, চাকুরী, উদ্যোক্তা, সমাজসেবা সহ সর্বক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছেন। নারীরা এখন আর পিছিয়ে নেই। দক্ষতার সাথে তারা দেশের উন্নয়নে নিরলস ভাবে ভূমিকা রাখছেন। সমাজে প্রতিকূলতা অতিক্রম করে যে নারী তাঁর কাজের মাধ্যমে উজ্জীবিত তাঁদের সম্মান ও স্বীকৃতি প্রদানের জন্য জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ কার্যক্রমটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এতে নারী সমাজের সম্মান বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ছিল সকলক্ষেত্রে নারীদের অবদান নিশ্চিত করা।

পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী কাজ করায়, নারীর উন্নয়নের পাশাপাশি বাংলাদেশ বহির্বিশ্বে সুনামের সাথে পরিচিত লাভ করেছে। তিনি বাল্য বিবাহ রোধে কাজ করার পাশাপাশি জয়িতা সম্মাননা পাওয়ার ক্ষেত্রে নারীদের উৎসাহিত করে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে নারী পুরুষ সমতার মাধ্যমে সবাইকে এক যুগে কাজ করার আহবান জানান।

নিউজ ট্যাগ: সিলেট

আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




কলকারখানা ছাড়া কোথাও গ্যাস দেওয়া হবে না : গণপূর্তমন্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | হালনাগাদ:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
মোঃ রাসেল আহমেদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

Image

পাইপলাইনে বাসাবাড়িতে আর গ্যাস দেওয়া হবে না। গ্যাস যা পাওয়া যাবে তা শিল্পায়ন, সারকারখানা ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী র. আ. ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী।

শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলা পরিষদ মাঠে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান। মোকতাদির চৌধুরী গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী নিযুক্ত হওয়ায় তাকে সংবর্ধনা দেয় বিজয়নগর উপজেলা আওয়ামী লীগ।

গণপূর্তমন্ত্রী বলেন, সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে কলকারখানা ছাড়া কোথাও গ্যাস দেওয়া হবে না। পাইপলাইনের গ্যাস আর সিলিন্ডারের গ্যাস ব্যবহার একই। পার্থক্য শুধু দামে। ঘরে-ঘরে গ্যাস আমরা দিয়ে দিয়েছি। সিলিন্ডার কিনেন এবং গ্যাস ব্যবহার করেন। ভবিষ্যতে আমরা যা গ্যাস পাব তা শিল্পায়ন ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার করব।

জিয়াউর রহমান ও এরশাদের শাসনামলে রেল প্রায় উঠিয়ে দেয়া হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা সরকার আসার পর সারাদেশে রেলের ব্যাপ্তি হয়েছে। আগে আমরা পড়তাম রেলপথ নেই কোন জেলায়। এটি আর এখন হবে না। সব জেলায় রেলপথ আছে।

বিজয়নগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জহিরুল ইসলাম ভূইয়ার সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জেলা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল বারী চৌধুরী এবং মন্ত্রীর স্ত্রী ও ইউনিভার্সিটি অব ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ট্রেজারার ফাহিমা খাতুন প্রমুখ।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




শেষ ছুটির দিনে জমজমাট বইমেলা

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

শনিবার ছিল এবারের বইমেলার শেষ ছুটির দিন। এদিন জমজমাট বইমেলায় শিশু প্রহর ছিল আগ্রহের অন্যতম কেন্দ্র। সিসিমপুরের পরিবেশনা শেষে বিভিন্ন স্টল ঘুরে বই কেনে ক্ষুদে পাঠকরা। অভিভাবকরা বলছেন, প্রযুক্তিনির্ভর সময়ে শিশুদের বই পড়ায় আগ্রহী করে তুলতে বইয়ে নতুনত্ব আনা প্রয়োজন।

কয়েক বছর ধরেই বইমেলায় শিশু প্রহর নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ শিশুদের। সিসিমপুরের জনপ্রিয় চরিত্র হালুম, ইকরি, শিকু ও টুকটুকির সাথে হৈ-হুল্লোড়ে মাতে শিশুরা। এবারের মেলার শেষ শিশুপ্রহরেও ব্যতিক্রম দেখা যায়নি।

শিশু চত্বরে নানা রঙের বইয়ের পসরা সাজিয়েছেন প্রকাশকেরা। হাজারো রঙিন বইয়ের মধ্যে সন্তানকে কী বই পড়তে দেবেন, তা নিয়েও কিছুটা বিভ্রান্তিতে অভিভাবকরা।

কোনো কোনো অভিভাবক প্রশ্ন তুলছেন বইয়ের মান নিয়ে। তারা বলছেন, চমকপ্রদ মলাটে বই ছাপালেও খুব একটা বৈচিত্র্য নেই, বইয়ের বিষয়বস্তুতেও নেই নতুনত্ব।

তাদের মতে, বর্তমানে শিশুরা দৃশ্যনির্ভর জগতে বাস করে। তাই যুগের সাথে তাল মিলিয়ে বৈচিত্র্যপূর্ণ বই প্রকাশ করতে প্রকাশকদের প্রতি আহ্বান তাদের।

বেশিরভাগ স্টলেই দেখা গেছে কমিকস বই, বর্ণমালা, ধারাপাত, রূপকথা বা গোয়েন্দা গল্পের বইয়ের প্রাধান্য। এদিকে প্রতিবারের মতো এবারও তরুণ লেখকদের গল্প, কবিতা, উপন্যাস, বিজ্ঞান, অনুবাদ সাহিত্যসহ বিভিন্ন বইমেলায় সাড়া ফেলেছে।

জমে উঠেছে বাঙালির প্রাণের মেলা অমর একুশে বইমেলা। যেখানে একটা বড় অংশ জুড়েই থাকেন তরুণ পাঠক ও সাহিত্যিকরা। বরাবরের মতোই এবারও তরুণ লেখকদের উল্ল্যেখযোগ্য বই এসেছে।

প্রকাশকরা বলছেন, তরুণদের বইও ভালো বিক্রি হচ্ছে। তবে লেখার মান উন্নয়নে তাগিদ দিচ্ছেন তারা। তরুণ লেখকদের অভিযোগ-অনেক ক্ষেত্রে সুযোগ পাচ্ছেন তারা। লেখার গুনগন মান যাচাইয়ে প্রকাশকদের কাছে সহাযোগিতা চান নবীনরা।

এর আগে ১৫ ফেব্রুয়ারি দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও টানাপোড়েনের পর উদ্বোধন করা হয় ৩৮তম অমর একুশে বইমেলার। ওই দিন বিকেলে গণভবন থেকে ভার্চ্যুয়ালি বইমেলার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উদ্বোধনের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২১ প্রদান করেন।

এবারের অমর একুশে বইমেলা২০২২ এর মূল প্রতিপাদ্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ এবং স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় মেলাকে ভিন্ন মাত্রা দিয়েছে।


আরও খবর



বিশ্ব ইজতেমায় কে, কখন বয়ান করবেন?

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | হালনাগাদ:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
ধর্ম ও জীবন

Image

আলমী শূরার বিশ্ব ইজতেমা শুরু হবে শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) বাদ ফজর আম বয়ানের মাধ্যমে। বিশ্ব ইজতেমার মূল কার্যক্রম শুক্রবার শুরু হলেও মঙ্গলবার রাত থেকে ইজতেমা ময়দানে আসতে শুরু করেছেন তাবলিগ জামাতের সাথীরা।

ইজতেমা শুরুর আগেই কানায় কানায় পূর্ণ হয়েছে ময়দান। আগত তাবলিগের সাথীদের উদ্দেশ্যে বুধবার (৩১ জানুয়ারি) থেকে বয়ান করছেন আলমী শূরার প্রসিদ্ধ আলেমরা।

বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বাদ ফজর বয়ান করেছেন ভারতের মাওলানা আহমদ লাট। এদিন বাদ জোহর বয়ান করেছেন বাংলাদেশের মাওলানা রবিউল হক।

ইজতেমার মূল কার্যক্রমের তিন দিনই করা হবে গুরুত্বপূর্ণ বয়ান, তাবলিগের কোন মুরব্বি আলেম কখন বয়ান করবেন এ বিষয়ে জানিয়েছেন আলমী শূরার মিডিয়া সমন্বয়কারী মুফতি জহির ইবনে মুসলিম। তার দেওয়া তথ্যমতে আজ বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বাদ আসর বয়ান করবেন, বাংলাদেশের মাওলানা ফারুক, বাদ মাগরিব বয়ান করবেন ভারতের মাওলানা ইব্রাহিম দেওলা।

শুক্রবার (২ফেব্রুয়ারি) বাদ ফজর বয়ান করবেন পাকিস্তানের মাওলানা আহমদ বাটলা। সকাল সকাল ১০টায় তালিমের আমল করবেন পাকিস্তানের মাওলানা জিয়াউল হক।

বাদ জুমা বয়ান করবেন জর্ডানের মাওলানা ওমর খতিব। বাদ আছর বয়ান করবেন বাংলাদেশের হাফেজ মাওলানা জুবায়ের। শুক্রবার বাদ মাগরিব বয়ান করবেন ভারতের মাওলানা আহমদ লাট।

শনিবার ইজতেমার ময়দানের আলেম, মাদরাসা ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ বয়ানের ব্যবস্থা রয়েছে। এদিন বাদ আসর ইজতেমা মাঠের মূল মঞ্চের পাশে যৌতুকবিহীন গণ বিয়ের আয়োজন করা হবে। ইজতেমার মাঠের গণবিবাহের আয়োজনে ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে তাবলিগের সাথীদের।

এর আগে গত বছর আলমী শূরার বিশ্ব ইজতেমায় নগদ দেন মোহরে শতাধিক যৌতুকবিহীন বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বিয়ে অনুষ্ঠিত হওয়ার আগে তাবলিগের মুরব্বিরা ইসলামি নিয়মে বিয়ের বিধান নিয়ে প্রথমে বয়ান করেন। বয়ান শেষে বর-কনের অভিভাবকদের সম্মতিতে বরের উপস্থিতিতে এ বিয়ে পড়ানো হয়। বিয়ে শেষে উপস্থিত দম্পতিদের স্বজন ও মুসল্লিদের মধ্যে খুরমা খেজুর বিতরণ করা হয়।

নিউজ ট্যাগ: বিশ্ব ইজতেমা

আরও খবর
শবে বরাত সম্পর্কে হাদিসে যা বলা হয়েছে

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সুখসাগর পেঁয়াজ চাষে ঝুঁকছেন মেহেরপুরের চাষিরা

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আব্দুল আলিম, মেহেরপুর

Image

অনুকুল আবহাওয়া আর দাম ভাল পাওয়ায় উচ্চ ফলনশীল জাতের সুখসাগর পেঁয়াজ চাষে ঝুকে পড়েছেন মেহেরপুরের চাষিরা। বিগত ১৮ বছর ধরে এ জাতের পেয়াজ চাষ করছেন তারা। চাষিরা বলছেন- অন্যান্য জাতের পেয়াজের চেয়ে সুখসাগর জাতের পেয়াজে ফলন বেশি ও উৎপাদন খরচ কম। কৃষি বিভাগ বলছে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

মেহেরপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, জেলায় পেঁয়াজের চাষ হয়েছে ৩ হাজার ৫শ ৩৬ হেক্টর জমিতে। যার অধিকাংশই সুখসাগর পেঁয়াজ। প্রতি বিঘা জমির পেঁয়াজ চাষে খরচ ৮০-৯০ হাজার টাকা। এক বিঘা জমিতে সুখসাগর পেঁয়াজ উৎপাদন হয় ১০০ -১৫০ মণ পর্যন্ত। গেল বছর সুখসাগর পেঁয়াজ উত্তোলনের ভরা মৌসুমে বিক্রি হয়েছে ৫ থেকে ৬শ টাকা মণ দরে।

এবছর এখন বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা মণ দরে। এলসির মাধ্যমে দেশে পেঁয়াজ আমদানি না করা হলে এই দাম অক্ষুন্ন থাকবে। সুখসাগর পেঁয়াজ উত্তলনের ভরা মৌসুমে এর দাম কমে যায়। তারপরেও এক হাজার থেকে ১২শ টাকা মণ দরে বিক্রি করতে পারলেও দেড় থেকে দুই লক্ষ টাকার পেঁয়াজ বিক্রি করা সম্ভব হবে বলে মনে করে চাষী।

মুজিবনগর উপজেলার শিবপুরের পেঁয়াজ চাষী সালাম জানান, তিনি গত ৫ বছর যাবত পেয়াজ চাষ করছেন। এখানকার মাটি ও আবহাওয়া পেয়াজ চাষের জন্য উপযোগি। এবার দুই বিঘা পেয়াজ চাষ করেছেন। পেঁয়াজ চাষে বিঘা প্রতি প্রায় ৮০ থেকে ৯০ হাজার টাকা খরচ হয়। এলসি পেয়াজ আমদানী না হলে দ্বিগুণ লাভ হয়। আগামীতে আরো দুই বিঘা পেয়াজ আবাদ করবেন বলেও জানান তিনি।

গাংনীর সাহারবাটি গ্রামের পেয়াজ চাষি সাইফুল জানান, সুখসাগর পেঁয়াজ চাষে লোকসান পুষিয়ে নিতে অনেক চাষী এখন সাথী ফসল হিসেবে পোঁয়াজের সাথে কলার চাষ করে আসছে। তারপরেও পেঁয়াজ উত্তোলনের ভরা মৌসুমে এলসির মাধ্যমে দেশে পেঁয়াজ আমদানি না করার দাবী জানায় চাষিরা।

মেহেরপুর কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক বিজয় কৃষ্ণ হালদার জানান, সুখ সাগর পেঁয়াজের জাত উন্নত মানের। ফলনও বেশ ভাল। চাষিদেরকে এ জাতের পেঁয়াজ চাষে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। এ ছাড়াও বেশ কয়েকটি উন্নত জাতের পেঁয়াজ চাষের পরামর্শ দেয়া হয়েছে। উৎপাদনও ভাল এতে চাষিরা লাভবান হচ্ছেন।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪