আজঃ শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

অ্যান্টিবায়োটিক খাচ্ছেন? জেনে নিন কী কী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জীবন ধারা ডেস্ক

Image

অ্যান্টিবায়োটিক্স বা অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল আসলে এক ধরনের ক্ষমতাশালী ওষুধ, যা ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচায়। তবে এর সমস্যা হচ্ছে এটি এমন কিছু ব্যাকটেরিয়াও ধ্বংস করে দেয়, যা শরীরের জন্য উপকারী। অ্যান্টিবায়োটিক সেবনের ফলে যেসব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেবে সে ব্যাপারে বাড়তি কিছু যত্নেরও প্রয়োজন আছে।

ব্রিটেনের জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় রোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা এ বিষয়ে কী পরামর্শ দিয়েছেন আসুন জেনে নেয়া যাক।

ভালো ব্যাকটেরিয়া, খারাপ ব্যাকটেরিয়া : মানবদেহে প্রায় ৪০ ট্রিলিয়ন ব্যাকটেরিয়া রয়েছে। এর মধ্যে কিছু ভালো ও খারাপ রয়েছে। এই ব্যাকটেরিয়া শরীরকে একটি ভারসাম্যের মধ্যে রাখে। অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করা। এটি ভালো না খারাপ সেটা অ্যান্টিবায়োটিক বুঝতে পারে না। তাই কোনো রোগী অ্যান্টিবায়োটিক নিলে  শরীরের খারাপ  ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হয়। পাশাপাশি ভালো ব্যাকটেরিয়াও নষ্ট হয়ে যায়। এতে শরীর প্রাকৃতিক ভারসাম্য হারায়। ফলে সবচেয়ে সাধারণ যে দু'টি সমস্যা দেখা দেয় তা হলো ডায়রিয়া ও ছত্রাক সংক্রমণ।

ডায়রিয়া : শরীরে যেসব ব্যাকটেরিয়া আছে, বেশিরভাগই আমাদের পাচনতন্ত্রে থাকে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অন্ত্রের ভালো ব্যাকটেরিয়া খাবার হজম করা থেকে শুরু করে ক্ষতিকর ভাইরাস, পরজীবী থেকে শরীরকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। অ্যান্টিবায়োটিক অন্ত্রের ভালো ব্যাকটেরিয়াও মেরে ফেলে এবং বৃদ্ধি বন্ধ করে দেয়। ফলে রোগীর মারাত্মক ডায়রিয়া, বদহজম, বমি বমি ভাব, জ্বর, পেটে ব্যথা, ক্ষুধামন্দা, মাথা ঘোরানো ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়।

যা করতে হবে : অ্যান্টিবায়োটিকের প্রভাবে পেটে সমস্যা দেখা দিলে  প্রোবায়োটিক ও প্রিবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার ভালো কাজ করবে। এসব খাদ্য অন্ত্রে ব্যাকটেরিয়ার সুস্থ ভারসাম্য ফেরাতে, এককথায় পেট সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে বলে জানিয়েছেন পুষ্টিবিদরা। এক্ষেত্রে প্রোবায়োটিক যুক্ত খাবারের উৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে দই। তবে দইটি যেন অবশ্যই রং ও চিনিমুক্ত হয়। এতে হজম প্রক্রিয়া দ্রুত ও কার্যকর হবে। এছাড়া অন্ত্রে ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য ফেরাতে প্রিবায়োটিক যুক্ত খাবারও কাজে দেবে। প্রিবায়োটিক হচ্ছে প্রোবায়োটিকের উল্টো।

প্রিবায়োটিক খাবারে জটিল কার্বোহাইড্রেট থাকে যা সহজে হজম হয় না, সময় লাগে। কাঁচা কলা, ঠান্ডা ভাত, সেদ্ধ ঠান্ডা আলু, আটার রুটি, পাস্তা, ওটস, বিভিন্ন ধরনের ডাল যেমন ছোলা, মসুর, কিডনি বিন। এছাড়া মটরদানা, পেঁয়াজ, রসুন, ভুট্টা, কাজু, পেস্তা বাদাম, ইত্যাদি প্রিবায়োটিক যুক্ত খাবারের উৎস। সেইসঙ্গে বিভিন্ন ফল যেমন তরমুজ, ডালিম, খেজুর, ডুমুর, জাম্বুরা ও শাক, বাঁধাকপি কাজে দেবে। এসব খাবার অন্ত্রের প্রাচীরকে সুগঠিত করে তোলে।

গবেষণায় দেখা গেছে, কিছু অ্যান্টিবায়োটিক অন্ত্রের ওপর দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে। এতে শরীরের ভারসাম্য আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে কিছুটা সময় লাগে। অ্যান্টিবায়োটিকের ফলে যে ক্ষতি হয়েছে সেটা পুনরুদ্ধার করতে অনেকের প্রায় ছয় মাস বা সেটারও বেশি সময় লেগেছে বলে গবেষণায় দেখা গেছে। এছাড়া নিয়মিত ব্যায়াম করা, বিশেষ করে হাঁটাহাঁটি বা দৌড়ানো, অন্ত্রের স্বাস্থ্য ফেরাতে সাহায্য করবে।

ছত্রাক সংক্রমণ : ছত্রাক সংক্রমণ বা ইস্ট ইনফেকশনে প্রধানত নারীরা ভুগে থাকেন। নারীদের যোনিপথে যে ভালো ব্যাকটেরিয়া থাকে, তা ছত্রাকের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে কাজ করে। কিন্তু অ্যান্টিবায়োটিকের প্রভাবে ওই ব্যাকটেরিয়া যখন মরে যায়, তখন সহজেই যোনিতে ছত্রাকের সংক্রমণ দেখা দেয়। এমনটা হলে নারীদের উচিত হবে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া।

ইস্ট ইনফেকশন হলে যোনি এবং এর আশপাশে তীব্র চুলকানি ও জ্বালাপোড়া হয়। বিশেষ করে সহবাস ও প্রস্রাবের সময় ব্যথা ও জ্বালাপোড়া করে। অনেক সময় রক্তও যেতে পারে। সেই সঙ্গে পানির মতো পাতলা বা পনিরের মতো ভারী স্রাব হয়। যোনিপথে ফুঁসকুড়ি ও তলপেটে তীব্র ব্যথা হতে পারে।

করণীয় : অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার মধ্যেই কিংবা ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এ ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসককে জানাতে হবে। সেই সঙ্গে নারীদের উচিত হবে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, নিয়মিত শুকনো সুতির অন্তর্বাস পরা এবং যেটাই পরবেন সেটি যেন শরীরের সঙ্গে লেগে না থাকে, যথেষ্ট ঢিলেঢালা হয়। প্রতিদিন কয়েকবার, বিশেষ করে প্রতিবার টয়লেট শেষে গরম পানিতে যোনিপথ পরিষ্কার করে নিতে হবে।

এছাড়া গোসলের সময় বালতিতে কিংবা বাথটাবে গরম পানি পূর্ণ করে সেখানে কিছুক্ষণ বসে থেকে সেক দেয়া যেতে পারে। দীর্ঘ সময় ধরে ভেজা পোশাকে থাকা যাবে না। যেমন সাঁতারের বা ঘামে ভেজা পোশাক দ্রুত বদলে ফেলতে হবে। তবে কোনও অবস্থাতেই যোনিপথ সাবান পানিতে ধোয়া যাবে না। বাজারে অনেক ধরনের ইন্টিমেট ওয়াশ রয়েছে। চিকিৎসকরা সেগুলো ব্যবহার করতেও মানা করেছেন। সেই সঙ্গে যেসব টিস্যু বা স্যানিটারি প্যাড রঙিন বা সুগন্ধিযুক্ত, সেগুলো ব্যবহার করাও এড়িয়ে যেতে হবে। অ্যান্টিবায়োটিকের প্রভাবে আরও দুটি সমস্যা হয় যা গুটিকয়েকের মধ্যে দেখা যায়।

আলোক সংবেদনশীলতা : অ্যান্টিবায়োটিক ত্বককে সাময়িক সময়ের জন্য সূর্যালোকের প্রতি সংবেদনশীল করে তুলতে পারে। এই অবস্থাকে ফটোসেনসিটিভিটি বলে। ফলে ত্বক অল্প সময়েই রোদের সংস্পর্শে পুড়ে যায়, ত্বক বিবর্ণ হয়ে পড়ে। অনেক সময় ফোস্কা বা প্রদাহ দেখা দিতে পারে। অনেকের রোদে গেলে চুলকানি হয়। এক্ষেত্রে উচিত হবে, যতটা সম্ভব সরাসরি রোদ এড়িয়ে চলা।

কিডনি রোগ : ন্যাশনাল কিডনি ফাউন্ডেশনের মতে, কিডনি শরীরে অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধের অবশিষ্টাংশ ফিল্টার করে বের করে দেয়। যখন সঠিকভাবে কাজ করে না, তখন এই ওষুধগুলো জমা হতে থাকে, যা কিডনিকে আরও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তাই এ রোগে আক্রান্ত রোগীদের অ্যান্টিবায়োটিক দেয়ার আগে চিকিৎসকরা কিডনির কার্যকারিতা পরীক্ষা করে থাকেন। এক্ষেত্রে রোগীদেরও উচিত হবে চিকিৎসককে নিজের জটিলতার সম্পর্কে জানানো।

অন্যান্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া : অ্যান্টিবায়োটিকের প্রভাবে অনেকের গলা, গালে, মুখের তালুতে বা জিহ্বায় সাদা দাগ পড়তে পারে। খাওয়া বা গিলে ফেলার সময় ব্যথা হয় এবং দাঁত মাজার সঙ্গে রক্তপাত হয়। এছাড়া শ্বাসকষ্ট, চুলকানি, ফুসকুড়ি, ঠোঁট/মুখ/জিহ্বা ফুলে যাওয়ার মতো অ্যালার্জিজনিত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও দেখা দেয়।

তবে এ ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়ার আশঙ্কা খুবই কম। তবুও যদি দেখা দেয় বিন্দুমাত্র দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ বন্ধ করে দিলে অর্থাৎ এর কোর্স সম্পন্ন হলে এই সমস্যাগুলো ঠিক হতে শুরু করে। যারা ইতোমধ্যে নানা ধরনের ওষুধ নিচ্ছেন যেমন, গর্ভ-নিরোধক খাচ্ছেন, তাদের অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার আগে বিষয়টি চিকিৎসককে জানানো দরকার।

গবেষণায় দেখা গেছে, অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণের সময় মদপান করলে ওষুধের কার্যকারিতা কমে যায়; সেই সঙ্গে জটিল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়ার আশঙ্কাও বেড়ে যায়।


আরও খবর
২৯ ফেব্রুয়ারি: ইতিহাসের এই দিনে

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

আজকের রাশিফল: বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বরিশালের বিপক্ষে ১৩৫ রানে থামল চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

ফরচুন বরিশালের হয়ে ৪ ওভার করে বল করলেন ৫ জন বোলার। উইকেট পেয়েছেন সবাই। এর মধ্যে প্রত্যেক বোলার রান দিয়েছেন ত্রিশের নিচে। বিপিএলের এলিমিনেটর ম্যাচে বরিশালের বোলারদের সম্মিলিত এমন আক্রমণে ১৩৫ রানেই থামল চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে এই রান তোলে তারা।

হারলেই বাদ; এমন বাস্তবতার ম্যাচে টস জিতে চট্টগ্রামকে ব্যাটিংয়ে পাঠান বরিশাল অধিনায়ক তামিম ইকবাল। মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই চট্টগ্রামকে চেপে ধরে বরিশাল। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৪০ রান তোলে দলটি। রান পাননি তানজিদ হাসান তামিম ও ইমরানুজ্জামানরা। ৮৪ রান তুলতেই ফেরেন আরও ৩ ব্যাটার। জশ ব্রাউন ২২ বলে ৩৪ রান করে আউট হন। তবে টম ব্রুস (১৭) ও সৈকত আলী (১১) উইকেটে সেট হয়েও ইনিংস লম্বা করতে পারেননি।

ছয়ে নামা অধিনায়ক শুভাগত হোম ২৪ রান করলেও বাকিদের ব্যর্থতায় শেষ দিকেও রান করতে পারেনি চট্টগ্রাম। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৩৫ রানে থামে চট্টগ্রাম।

বরিশালের ৩ পেসার কাইল মেয়ার্স, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও ওবেড ম্যাককয় ২টি করে উইকেট তুলে নিয়েছেন। এর মধ্যে মেয়ার্স ও সাইফউদ্দিন ২৮ রান আর ম্যাককয় ২৯ রান দেন। তাইজুল ইসলাম নির্ধারিত ৪ ওভারে মাত্র ২২ রান দিয়ে ১ উইকেট ও জেমস ফুলার সমান ওভারে ২৬ রান দিয়ে একটি উইকেটই নেন।


আরও খবর



নিউইয়র্কে গোলাগুলিতে একজন নিহত, আহত ৫

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির একটি সাবওয়ে স্টেশনে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে একজন নিহত এবং আরও পাঁচজন আহত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শহরটির স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। খবর এএফপি, আল জাজিরা।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, স্থানীয় সময় সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় নিউইয়র্কের একটি সাবওয়ে স্টেশনে বন্দুকধারীর গুলিতে একজন নিহত ও পাঁচজন আহত হয়।

দমকল বিভাগ জানিয়েছে, হামলার ঘটনার পর বিকেল সাড়ে ৪টার পর স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে সতর্ক করা হয়। এই ঘটনায় ছয়জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

নিউইয়র্ক শহরের পুলিশ ট্রানজিট প্রধান মাইকেল কেম্পার বলেন, আমরা বিশ্বাস করি না যে, এটা লক্ষ্যহীন কোনো হামলা। একটি ট্রেনে দুই গ্রুপের মধ্যে বিবাদ থেকেই এই হামলার সূত্রপাত হয়েছে।

তিনি বলেন, দূর্ভাগ্যবশত হামলায় ৩৪ বছর বয়সী এক তরুণ নিহত হয়েছে। এছাড়া আহতদের মধ্যে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরী, ১৫ বছর বয়সী এক কিশোর এবং ৭১ বছর বয়সী এক ব্যক্তি রয়েছেন।

এই ঘটনায় জড়িতদের খুঁজছে পুলিশ। যুক্তরাষ্ট্রে গোলাগুলির ঘটনা যেন সাধারণ ঘটনা হয়ে উঠেছে। যেখানে মানুষের চেয়ে বন্দুকের সংখ্যাই বেশি এবং প্রায় এক তৃতীয়াংশ প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির কাছেই আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য শহরের তুলনায় নিউইয়র্কে বন্দুক হামলায় হত্যার ঘটনা কম। দেশটিতে প্রায় সব ক্ষেত্রেই বেসামরিক নাগরিকদের জনসমক্ষে আগ্নেয়াস্ত্র রাখা বেআইনি।


আরও খবর



নদীর তীরের মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি, ৩ জনের কারাদণ্ড

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
Image

তালতলী(বরগুনা)প্রতিনিধি:

বরগুনার তালতলীতে আন্ধারমানিক নদীর তীর থেকে অবৈধভাবে মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রির দায়ে একজনকে ২ মাস ও দুইজনকে ১৫ দিন করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

শনিবার (১৭ ফেব্রয়ারি) বেলা ১২টার দিকে উপজেলার শারিকখালী ইউনিয়নের আঙ্গারপাড়া এলাকায় আন্ধারমানিক নদীর তীরে এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিফাত আনোয়ার তুমপা।

জানা যায়, তালতলী উপজেলার শারিকখালী ইউনিয়নের আঙ্গারপাড়া এলাকার আন্ধারমানিক নদীর তীর পার্শবর্তী পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার যমুনা ব্রিকসের কাছে প্রতি কাঠা ৩ হাজার টাকা করে বিক্রি করেন স্থানীয় সুজন ও নিপেন রায় নামের দুই ব্যক্তি। পরে যমুনা ব্রিকসের লোকজন ভেকু মেশিন দিয়ে আন্ধারমানিক নদীর তীর কেটে মাটি নিয়ে যায়। নদীর তীর কাটার ফলে গ্রাম রক্ষা বাঁধটি হুমকির মুখে পড়ার শঙ্কায় ঐ এলাকার পরিমল রায় নামের এক ব্যক্তি চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত অভিযোগ দিলেও মাটি কাটা ফেরানো যায়নি। পরে শনিবার সকালে স্থানীয়রা মাটি কাটা বাধা দিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে খবর দেয়। খবব পেয়ে ঐ এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাটি কাটা অবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে তিন জনকে আটক করে বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন-২০১০ এর ৪(গ) ধারার বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার।

যমুনা ব্রিকস এর ম্যানেজার আবুল বাশার বলেন, আমরা নদীর তীরের মাটি ক্রয় করেছি। সেই মাটি ভেকু মেশিন দিয়ে কেটে নিয়ে আসতেছি। নদীর তীরের মাটি ক্রয় কিভাবে করা হলো জানতে চাইলে ফোনের লাইন কেটে দেয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিফাত আনোয়ার তুমপা বলেন, আন্ধারমানিক নদীর তীর কেটে মাটি বিক্রী করার অপরাধে তিন জনকে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মাটি কাটার ভেকু মেশিন ও টার্মিনাল জব্দ করা হয়েছে।


আরও খবর



চিলিতে দাবানলে ৫১ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ চিলিতে বনে ছড়িয়ে পড়া দাবানলে অন্তত ৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট। দেশটির সরকারি সূত্র জানিয়েছে, সারা দেশে ৪৩ হাজার হেক্টরেরও বেশি এলাকা দাবানলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দাবানলে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। প্রেসিডেন্ট গ্যাব্রিয়েল বোরিক বলেছেন, পরিস্থিতি খুবই গুরুতর।

এই দাবানল এখন শহরাঞ্চলের দিকে ছড়িয়ে পড়ছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে অগ্নিনির্বাপক কর্মীরা চেষ্টা করছেন। এতে ব্যবহার করা হচ্ছে হেলিকপ্টার ও ট্রাক।

দাবানলে পর্যটক নগরী ভিনা দেল মার ও আশেপাশের এলাকা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানে ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকটি এলাকায় জরুরি উদ্ধারকর্মীরা পৌঁছতে পারছে না। এ বিষয়ে উপকূলীয় পর্যটন শহর ভিনা ডেল মার মেয়র জানিয়েছেন, দুই শতাধিক বাসিন্দা নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

চিলির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যারোলিনা তোহা বলেন, আমরা যে তথ্য পেয়েছি তাতে নিহতের সংখ্যা অনেক বাড়তে পারে। শুক্রবার থেকে শনিবারের মধ্যে আগুন ৩০ হাজার হেক্টর থেকে ৪৩ হাজার হেক্টরে ছড়িয়ে পড়েছে। উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে- কোথাও কোথাও আগুন শহরের খুব কাছে ছড়িয়ে পড়ছে।

প্রসঙ্গত, চিলিতে গ্রীষ্মকালে উচ্চ তাপমাত্রার সময় প্রায় দাবানলের ঘটনা ঘটে।


আরও খবর



২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষাও হবে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষাও সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে অনুষ্ঠিত হবে। সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ২০২৩ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার মত সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে অনুষ্ঠিত হবে।

গত রোববার (১৮ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ড ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার পরীক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা জাতীয় শিক্ষক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড কর্তৃক প্রণীত ২০২৩ সালের পুনর্বিন্যাসকৃত পাঠ্যসূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে।

২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষা সব বিষয়ে অনুষ্ঠিত হবে। এইচএসসি ও সমমান পর্যায়ে প্রতিটি বিষয় ও পত্রে ৩ ঘণ্টা সময়ে পূর্ণ নম্বরে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

এর আগে গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে ২০২৫ সালের এইচএসসির পরীক্ষার বিষয়ে জানানো হয়েছিল, ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ প্রণীত ২০২৫ সালের পাঠ্যসূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে।

২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা সব বিষয়ে, পূর্ণ সময়ে ও পূর্ণ নম্বরে অনুষ্ঠিত হবে। করোনা মহামারির কারণে ২০২০ সালে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা হয়নি। ২০২১ সাল থেকে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে এ পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে।


আরও খবর
জাবির ‘ডি’ ইউনিটের ফল প্রকাশ

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪