আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১
শিরোনাম

পিরিয়ডের সময় করোনার টিকা নেয়ার বিষয়ে কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

প্রকাশিত:রবিবার ০২ মে 2০২1 | হালনাগাদ:রবিবার ০২ মে 2০২1 | ১০৬জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
টেক্সাসের বোর্ড সার্টিফায়েড প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ড্যানিয়েল জোন্স বলেছেন, হালকা কিংবা ভারী, অনিয়মিত এবং যন্ত্রণাদায়ক পিরিয়ডের সঙ্গে করোনার টিকার সম্পৃক্তার কোনো তথ্য বা গবেষণা এখনো পাওয়া যায়নি

মাসিক ঋতুস্রাব বা পিরিয়ড চলাকালীন সময় নারীরা মহামারি করোনাভাইরাসের টিকা নিতে পারবে কিনা- এ নিয়ে অনেকের প্রশ্ন রয়েছে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বেশ কথা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। তাদের মতে নারীরা পিরিয়ডের সময় করোনার টিকা নিতে পারবে। এ নিয়ে ভয়ের কিছু নেই।

ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগের গবেষক অ্যালিস লু কুলিগান এবং র‌্যান্ডি হাটার এপিস্টেন এ বিষয়ে জানিয়েছেন, টিকা নেয়ার ফলে পিরিয়ডে অস্বাভাবিকতা বা সমস্যা হয়েছে তার কোনো তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এ কারণে নিশ্চিত হয়ে বলা যাচ্ছে না যে করোনার টিকা নেয়ার জন্য পিরিয়ডে সমস্যা হয়েছে।

টেক্সাসের বোর্ড সার্টিফায়েড প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ড্যানিয়েল জোন্স বলেছেন, হালকা কিংবা ভারী, অনিয়মিত এবং যন্ত্রণাদায়ক পিরিয়ডের সঙ্গে করোনার টিকার সম্পৃক্তার কোনো তথ্য বা গবেষণা এখনো পাওয়া যায়নি। তবে যে সকল নারীদের সমস্যা হয়েছে তা ঠিক কি জন্য হয়েছে সে বিষয়ে বলা কঠিন। পিরিয়ড খুবই জটিল একটি প্রক্রিয়া। স্ট্রেস, ঘুম, ওষুধ এবং পরিবেশগত কারণে প্রভাব পড়তে পারে পিরিয়ডে। করোনার টিকা যদি নারীদের পিরিয়ডে প্রভাবও ফেলে সেক্ষেত্রে অবাক হওযার কিছু নেই। তবে এই বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে কিছু বলার জন্য আরও বিস্তর গবেষণার পরই বলা যাবে।

প্রসঙ্গত, করোনার টিকা নেয়ায় পিরিয়ডে প্রভাব পড়ার মতো গুজব ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোয়। তাতে বলা হয়, পিরিয়ডের পাঁচ দিন আগে-পরে টিকা নেয়া উচিত নয়। এই সময় নারীদের সতর্ক থাকা উচিত। ওই সময় নারীদের টিকা না নিলেই ভালো। এছাড়া কারণ হিসেবে বলা হয়েছ পিরিয়ডের সময় নারীদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা স্বাভাবিক সময়ের থেকে কম থাকে। তাই এ সময় টিকা নিলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।

এদিকে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তথ্যটি একদমই গুজব। এর কোনো সত্যতা নেই। অযথাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এভাবে কাউকে গুজব না ছড়ানোর জন্যও বলেছেন বিশেষজ্ঞরা।


আরও খবর



পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ মে ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৯ মে ২০২১ | ৭৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
পাটুরিয়া ঘাট ম্যানেজার মহিউদ্দিন রাসেল জানান, নৌমন্ত্রণালয়ের নির্দেশে দিনের বেলা ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। শুধু একটি ছোট ফেরি দিয়ে মরদেহ ও রোগীবাহী

আবারো বন্ধ পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটের ফেরি চলাচল। আজ রবিবার (৯ মে) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এর আগে শনিবার (৮ মে) সন্ধ্যা ৬টা থেকে রবিবার সকাল ৭টা পর্যন্ত স্বাভাবিক থাকে ফেরি চলাচল।

সরেজমিন পাটুরিয়া ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, সকাল ৭টার দিকে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে যাত্রীরা চরম বিপাকে পড়েন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ঘাটে কয়েকশ যাত্রী পারাপারের অপেক্ষায় আছেন।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিসি) পাটুরিয়া ঘাট ম্যানেজার মহিউদ্দিন রাসেল জানান, নৌমন্ত্রণালয়ের নির্দেশে দিনের বেলা ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। শুধু একটি ছোট ফেরি দিয়ে মরদেহ ও রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্স পারাপার করা হবে।

উল্লেখ্য, করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে শনিবার (৮ মে) থেকে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া, শিমুলিয়া-বাংলাবাজারসহ সকল ফেরিঘাটে দিনের বেলায় সব ধরনের ফেরি চলাচল বন্ধের ঘোষণা দেয়া হয়। শুধু রাতের বেলায় পণ্যবাহী পরিবহন পারাপারের জন্য ফেরি চলাচল করতে পারবে বলে জানানো হয়।



আরও খবর



বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১৬ কোটি ১০ লাখ ছাড়িয়েছে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১ | ১৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির সংখ্যা কোনোভাবেই কমছে না। সবশেষ করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ কোটি ১০ লাখ ৮০ হাজার ৬১৬ জন। আর এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিশ্বে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৩ লাখ ৪৫ হাজার ১৮ জনে। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছে ১৩ কোটি ৮৮ লাখ ৬৩ হাজার ৫১৮ জন।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটার থেকে বৃহস্পতিবার (১৩ মে) সকালে এই তথ্য জানা গেছে।

ওয়ার্ল্ডওমিটারের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, করোনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশ যুক্তরাষ্ট্রে। তালিকায় শীর্ষে থাকা দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৩ কোটি ৩৫ লাখ ৮৬ হাজার ১৩৬ জন আর ৫ লাখ ৯৭ হাজার ৭৮৫ জন মারা গেছেন।

করোনায় আক্রান্তের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে প্রতিবেশী দেশ ভারত। তবে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের তালিকায় দেশটির অবস্থান চতুর্থ। দেশটিতে মোট আক্রান্ত ২ কোটি ৩৭ লাখ ২ হাজার ৮৩২ জন এবং মারা গেছেন ২ লাখ ৫৮ হাজার ৩৫১ জন।

লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিল করোনায় আক্রান্তের দিক থেকে তৃতীয় ও মৃত্যুর সংখ্যায় তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগী ১ কোটি ৫৩ লাখ ৬১ হাজার ৬৮৬ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৪ লাখ ২৮ হাজার ২৫৬ জনের।

দেশে করোনাভাইরাসের আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। এখন পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১২ হাজার ৪৫ জনে। এছাড়াও এখন পর্যন্ত দেশে মোট শনাক্তের সংখ্যা ৭ লাখ ৭৭ হাজার ৩৯৭ জন।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীন থেকে সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী ছড়িয়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। গত বছরের ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।



আরও খবর



সিঙ্গাপুর ও মধ্যপ্রাচ্যে শিগগিরই বিশেষ ফ্লাইট চালু

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৪ এপ্রিল ২০২১ | ১১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), ওমান, কাতার ও সিঙ্গাপুরের জন্য শিগগিরই বিশেষ ফ্লাইট চালু করা হতে পারে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা নিশ্চিত করবে।

জানা গেছে, রিক্রুটিং এজেন্সিসমূহ বিদেশগামী যাত্রীদের করোনা নেগেটিভ সনদসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে এয়ারপোর্টে আনার দায়িত্ব পালন করবে।

প্রবাসী কর্মীরা কেবল জরুরি প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ মিশনের ছাড়পত্র গ্রহণ করে এবং দেশে প্রযোজ্য কোয়ারেন্টাইনের শর্ত মেনে কোভিড নেগেটিভ সনদ নিয়ে দেশে আসতে পারবেন।

বুধবার (১৪ এপ্রিল) পররাষ্ট্র সচিবের সভাপতিত্বে লকডাউনকালে বিদেশগামী কর্মীদের গন্তব্য দেশে যাওয়া বিষয়ে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

সভায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিবরা, সিভিল অ্যাভিয়েশনের চেয়ারম্যান, বিমানের এমডিসহ পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



আহমেদ আকবর সোবহানের মামলা দ্রুত শেষ করতে চেষ্টা করছে দুদক

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ এপ্রিল ২০২১ | ৮২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
দুদক অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে এবং খুবই গুরুত্ব দিয়ে ওইসব দুর্নীতির মামলাগুলো চলমান রেখেছে, বিচারিক আদালতে সাক্ষ্য গ্রহণ চলছে। লকডাউনের কারণে একটু সময় লাগছে। দুদক অত্যন্ত দ্রুতগতিতে মামলাটি এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে

বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান শাহ আলমের বিরুদ্ধে চলমান দুটি মামলা দ্রুত শেষ করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সরকারি ১৮টি পরিত্যক্ত বাড়ি বরাদ্দে অনিয়ম ও দুর্নীতিসংক্রান্ত এবং হুমায়ুন কবীর সাব্বির হত্যার ঘটনা ধামাচাপা দিতে ঘুষ দেওয়ার ঘটনায় এ দুটি মামলা করে দুদক। বুধবার (২৮ এপ্রিল) দুদক আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান এসব তথ্য জানিয়েছেন।

মো. খুরশীদ আলম খান বলেন, আহমেদ আকবর সোবহানের বিরুদ্ধে সরকারি ১৮টি বাড়ি বরাদ্দে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে দুটি মামলা চলছে। এখন সাক্ষ্য গ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে। মামলাগুলো দীর্ঘদিন ধরে চলছে। এগুলো হাইকোর্টে এসেছিল। পরে সর্বোচ্চ আদালত আপিল বিভাগে যায়। মামলা দুটির বিচারিক আদালতে সাক্ষ্য গ্রহণ চলছে। এছাড়াও তিনি (আহমেদ আকবর সোবহান) সাব্বির হত্যায় ঘুষের মামলা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন। কিন্তু হাইকোর্ট সে আবেদন খারিজ করে দেন। সেটিও হাইকোর্টের নির্দেশনার পর বিচারিক আদালতে সাক্ষ্য গ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে।

মামলাগুলোর অগ্রগতি প্রসঙ্গে দুদক আইনজীবী বলেন, দুদক অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে এবং খুবই গুরুত্ব দিয়ে ওইসব দুর্নীতির মামলাগুলো চলমান রেখেছে, বিচারিক আদালতে সাক্ষ্য গ্রহণ চলছে। লকডাউনের কারণে একটু সময় লাগছে। দুদক অত্যন্ত দ্রুতগতিতে মামলাটি এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে।

প্রসঙ্গত, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে রাজধানীর অভিজাত এলাকায় সরকারি ১৮টি পরিত্যক্ত বাড়ি সাজানো দরপত্র ডেকে অস্বাভাবিক কম দামে বিক্রির অভিযোগে ২০০৭ সালের মার্চে সাবেক মন্ত্রী মির্জা আব্বাসসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে মতিঝিল থানায় মামলা করে দুদক। মামলায় ওই বছরের ২০ সেপ্টেম্বর অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। এই মামলার অন্যতম আসামি ছিলেন আহমেদ আকবর সোবহান।

এছাড়াও বসুন্ধরা কমিউনিকেশন্সের কর্মকর্তা সাব্বির ২০০৬ সালের ৪ জুলাই গুলশানের একটি অ্যাপার্টমেন্টে খুন হন। ৫ জুলাই তার লাশ উদ্ধারের পর ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করা হয়। কিন্তু ঘটনা প্রকাশ হয়ে গেলে তা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরকে ২০ কোটি টাকা ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এরপর ২০০৭ সালে বসুন্ধরা চেয়ারম‌্যান আহমেদ আকবর সোবহান, তার দুই ছেলে আনভীর ও সাদাত, বসুন্ধরার সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইস্টওয়েস্ট প্রপার্টি ডেভেলপমেন্টের পরিচালক আবু সুফিয়ানের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।

পরে ওই মামলায় তারেক রহমান, তার ব্যক্তিগত সহকারী নূরউদ্দীন অপু, তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামালকেও আসামি করা হয়। মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, সাব্বির হত্যার ঘটনা ধামাচাপা দিতে তারেক রহমান ও লুৎফুজ্জামান বাবরের সঙ্গে বাবরের বেইলি রোডের বাড়িতে আহমেদ আকবর সোবহান বৈঠক হয়েছিল। এই হত্যার ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য তারেক ও বাবরের সঙ্গে শাহ আলমের ৫০ কোটি টাকার চুক্তি হয়


আরও খবর



মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন সচিব

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৪ এপ্রিল ২০২১ | ১২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনা পরিস্থিতিতে সরকার ঘোষিত বিধি-নিষেধ চলাকালে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সারাদেশে ন্যায্যমূল্যে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম ও বিভিন্ন প্রাণিজাত পণ্যের ভ্রাম্যমান বিক্রয় কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্র থেকে সাধারণ মানুষ ব্যাপক আগ্রহ নিয়ে তাদের প্রয়োজনীয় পণ্য ক্রয় করছেন। খামারিরাও উৎপাদিত পণ্য ন্যায্যমূল্যে ভোক্তাদের কাছে সরাসরি বিক্রয় করতে পারছেন।

আজ বুধবার (১৪ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর খামারবাড়িতে ভ্রাম্যমান বিক্রয় কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডাঃ শেখ আজিজুর রহমান, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের লাইভস্টক ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক মোঃ আব্দুর রহিম, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডাঃ মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদা, ঢাকা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ কাজী রফিকুজ্জামান, ডেইরি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইমরান হোসেন ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

করোনা পরিস্থিতিতে ও পবিত্র রমজান মাস সামনে রেখে জনসাধারণের প্রাণিজ পুষ্টি নিশ্চিতকরণে গত ০৫ এপ্রিল থেকে দেশের ৮টি বিভাগের ৬৪ জেলায় মাছ, মাংস, দুধ, ডিম ও বিভিন্ন প্রাণিজাত পণ্যের ভ্রাম্যমান বিক্রয় শুরু হয়েছে। গতকাল ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত সারাদেশে ৯৫ কোটি ১৬ লক্ষ ৬৯ হাজার ৩১৯ টাকা মূল্যের মাছ, মাংস, দুধ, ডিম, পোল্ট্রি ও বিভিন্ন প্রাণিজাত পণ্য বিক্রয় হয়েছে।

এ বছর জেলা প্রশাসনকে সম্পৃক্ত করে সংশ্লিষ্ট জেলার মৎস্য দপ্তর ও প্রাণিসম্পদ দপ্তরের ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় ডেইরি ও পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। করোনা পরিস্থিতিতে গতবছরও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় ব্যবস্থায় প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা মূল্যের মাছ, মাংস, দুধ ও ডিম বিক্রয় করা হয়েছে।


আরও খবর