আজঃ মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

প্রধানমন্ত্রী ডাকল ‘আয় আয়’, ছুটে এলো খরগোশের দল

প্রকাশিত:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কণ্ঠ শুনেই ছুটে এলো খরগোশের দল। শনিবার (১৫ জুন) গণভবনে কৃষক লীগের তিন মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযানের উদ্বোধন উপলক্ষে গণভবন প্রাঙ্গণে বৃক্ষ রোপণ শেষে খরগোশের ঘরের সামনে গেলে এমন দৃশ্য দেখা যায়। এসময় প্রধানমন্ত্রী আয় আয় বলে ডাক দিলে ছুটে আসে খরগোশের দল।

এদিকে গণভবনে কৃষক লীগের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, কৃষি অর্থনীতি উন্নত করে আমরা শিল্পায়নে যাব। এজন্য ১০০টা অর্থনৈতিক অঞ্চল করেছি। এর বাইরে যত্রতত্র জমি নষ্ট করে শিল্প করা যাবে না। আমাদের জনসংখ্যা বাড়ছে, ফসল উৎপাদন বাড়াতে হবে। আমরা আমাদের ফসল উৎপাদন করবো, যাতে কারও কাছে হাত পাততে না হয়। আমাদের খুব তিক্ত অভিজ্ঞতা ৭৪ সালের। নগদ টাকায় কেনা খাদ্যও কিন্তু আসতে দেয়নি। কৃত্রিমভাবে সেখানে একটা দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি করা হয়েছিল। সেটা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে যেভাবেই হোক মানুষের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে। সেটাতেও যখন সফল হয়নি, তারপরই তো ১৫ আগস্ট ঘটালো। এখনো কিছু লোকের সেই চেষ্টাটা আছে।

কৃষিতে ভর্তুকির বিষয়ে তিনি বলেন, সারের দাম আমরা কমিয়ে দিয়েছি। এখনো ব্যাপক পরিমাণ ভর্তুকি দিচ্ছি। যেহেতু দেশের মানুষের খাদ্য চাহিদার বিষয়, সে ক্ষেত্রে আমরা কখনো কার্পণ্য করি না, বাজেটে সব সময় আমরা ভর্তুকি দেই।

গাছ লাগানোর গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ জলবায়ুর ক্ষতি করে না। কিন্তু জলবায়ু অভিঘাতে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত। গাছ আমাদের প্রাণ, শ্বাস-প্রশ্বাস দেয়। ফল ও ঔষধি গাছের উপকারিতা অনেক। এজন্য গাছ লাগাতে হবে। নদীর পাড়, উপকূলে এবং ঘরবাড়িতে গাছ লাগান। তবে ফসলি জমি নষ্ট করা যাবে না। শহরে ছাদেও ছোট ছোট গাছ লাগাতে পারেন। উপকূলীয় অঞ্চলে সবুজ বেষ্টনি তৈরি করা। কৃত্রিম উপায়ে বৃক্ষরোপণ করা। ঘূর্ণিঝড়সহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে মানুষকে বাঁচাতে আমাদের ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট করতে হবে।

মাটির গুণ রক্ষায় পরামর্শ দিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, বারবার একই ফসল করতে করতে মাটির গুণ নষ্ট হয়ে যায়। এজন্য মাঝখানে আরেকটা করলে মাটি পুষ্টি ফিরে পায়। যেমন- আমরা বারবার ধান করছি, এটার মাঝখানে আরেকটা করতে পারলে মাটির পুষ্টি বাড়বে।

শেখ হাসিনা বলেন, পেঁয়াজ নিয়ে এত ঝামেলা। আমরা কেন উৎপাদন করি না? ৪০ শতাংশ আমরা জোগান দেই। এটা আরও বাড়বে। পেঁয়াজ উৎপাদন করে কৃষাণী অনেক টাকা আয় করে। ভুট্টাও চাষ হতো না, সেটাও করছি। আগে সবজি শীতকালে পাওয়া যেত, কিন্তু এখন আমরা গবেষণা করে বারোমাসি সবজির জাত উদ্ভাবন করেছি। এখন এটার ফল পাওয়া যাচ্ছে।

কৃষক লীগের সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে কৃষক লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক বিশ্বনাথ সরকার বিটুসহ মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, আওয়ামী লীগের নেতা, সরকারের পদস্থ কর্মকর্তা ও কৃষক লীগের নেতারা অংশ নেন।


আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




জাতীয় রপ্তানি ট্রফির স্বর্ণ পদক পেল দেশের ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটন

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Image

২০২১-২০২২ অর্থবছরে ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিক্স পণ্য রপ্তানিতে বিশেষ অবদানের জন্য জাতীয় রপ্তানি ট্রফির স্বর্ণ পদক পেয়েছে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি। আগের অর্থবছরেও জাতীয় রপ্তানি ট্রফি অর্জন করেছিল বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ রপ্তানিকারক মাল্টিন্যাশনাল এই ইলেকট্রনিক্স প্রতিষ্ঠান। 

দেশে বৈদেশিক মুদ্রা আহরণ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ রোববার (১৪ জুলাই, ২০২৪) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ৩২টি পণ্য খাতের মোট ৭৭টি প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় রপ্তানি ট্রফির স্বর্ণ, রৌপ্য ও ব্রোঞ্জ পদক প্রদান করা হয়। এর মধ্যে ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিক্স পণ্য রপ্তানিতে স্বর্ণ পদক অর্জন করেছে ওয়ালটন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে জাতীয় রপ্তানি ট্রফির স্বর্ণ পদক গ্রহণ করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির সাবেক চেয়ারম্যান ও বর্তমান পরিচালক এস এম নূরুল আলম রেজভী। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি টিপু মুনশি।

পুরস্কার প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক এস এম নূরুল আলম রেজভী বলেন, এক সময়ের সম্পূর্ণ আমদানি নির্ভরতা কাটিয়ে বাংলাদেশ এখন ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স পণ্য বিদেশে রপ্তানি করছে। নিঃসন্দেহে এটা অত্যন্ত গর্বের। এরই স্বীকৃতিস্বরূপ ওয়ালটনকে জাতীয় রপ্তানি ট্রফি প্রদান করায় সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ।

তিনি জানান, ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স পণ্য উৎপাদন শিল্পের টেকসই বিকাশে বাংলাদেশের এক উজ্জ্বল ভবিষ্যত তৈরি করছে ওয়ালটন। বর্তমানে এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা, ইউরোপ ও আমেরিকার ৪০টিরও বেশি দেশে রপ্তানি করছে মেড ইন বাংলাদেশ ট্যাগযুক্ত ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স পণ্য। প্রচুর পরিমান বৈদেশিক মুদ্রার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যাপক সুনাম অর্জন করছে ওয়ালটন। এতে করে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরো উজ্জ্বল হচ্ছে।

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন, এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মাহবুবুল আলম এবং বাণিজ্য সচিব মোহাং সেলিম উদ্দিন।

ওয়ালটনের গ্লোবাল বিজনেস শাখা জানায়, দেশের রপ্তানিমুখী ইলেকট্রনিক্স প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিদেশে বিনিয়োগের সুযোগ দেয়া হলে উন্নত বিশ্বে রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণে পথ আরো সুগম হবে। পাশাপাশি এসব প্রতিষ্ঠানকে সহজ শর্তে সহজ সুদে ব্যাংক ঋণ প্রদান করা হলে দেশের ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স পণ্যের রপ্তানি আয় কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাবে।

বিশ্বের অন্যতম সেরা গ্লোবাল ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে এগিয়ে যাচ্ছে ওয়ালটন। ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়াসহ উন্নত বিশ্বের বাজারে রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণে কাজ করছে। বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও ফিচারের উদ্ভাবনী পণ্যের পাশাপাশি ইউরোপ ও আমেরিকার স্ট্যান্ডার্ড, আবহাওয়া এবং ক্রেতাদের চাহিদা ইত্যাদি বিষয়ে প্রতিনিয়ত গবেষণা চালাচ্ছে ওয়ালটনের রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন  সেন্টারের প্রকৌশলীরা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বড় বড় মেলাতেও অংশ নিচ্ছে ওয়ালটন। ইতোমধ্যে ২০২৩ সালে আমেরিকার লাস ভেগাসে কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক্সের সর্ববৃহৎ মেলা সিইএস ফেয়ার এবং চীনের ক্যান্টন ফেয়ারে অংশ নিয়ে ভালো সাড়া পেয়েছে ওয়ালটন।


আরও খবর



জাতীয় রপ্তানি ট্রফি পেল ৭৭ প্রতিষ্ঠান

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক

Image

২০২১-২২ অর্থবছরে বৈদেশিক মুদ্রা আহরণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অবদান রাখায় এবার ৭৭ প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় রপ্তানি পদক দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৭৬ প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় রপ্তানি পদক এবং একটি প্রতিষ্ঠানকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রপ্তানি ট্রফি দেয় সরকার। রোববার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এসব প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা ও প্রতিনিধিদের হাতে এ ট্রফি ও সম্মাননা তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

অনুষ্ঠানে সব খাত মিলিয়ে সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় অর্জনকারী প্রতিষ্ঠানকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রপ্তানি ট্রফি শিরোনামে ১টি বিশেষ ট্রফির (স্বর্ণ) পাশাপাশি বিভিন্ন খাতে মোট ২৯টি স্বর্ণ, ২৭টি রৌপ্য এবং ২১টি ব্রোঞ্জ ট্রফি দেওয়া হয়। এর মধ্যে রপ্তানিতে ২০২১২২ অর্থবছরে সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রপ্তানি ট্রফি পেয়েছে হামীম গ্রুপের প্রতিষ্ঠান রিফাত গার্মেন্টস লিমিটেড। হামীম গ্রুপের পরিচালক সাজিদ আজাদের হাতে এ ট্রফি তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। তৈরি পোশাক খাতের এ প্রতিষ্ঠান ২০১৮১৯ এবং ২০২০২১ অর্থবছরের রপ্তানির জন্যও বঙ্গবন্ধু রপ্তানি ট্রফি পেয়েছিল।

এবার বিভিন্ন পণ্য ও খাতভিত্তিক জাতীয় রপ্তানি ট্রফি পাওয়াদের মধ্যে হামীম গ্রুপের আরও দুই প্রতিষ্ঠান অ্যাপারেলে গ্যালারি তৈরি পোশাক (ওভেট) ক্যাটাগরিতে রৌপ্য ট্রফি এবং হামীম ডেনিম লিমিটেড টেক্সটাইল ফেব্রিক্সে রৌপ্য ট্রফি ট্রফি পেয়েছে।

জাতীয় রপ্তানি ট্রফির আওতায় তৈরি পোশাকের ওভেন ক্যাটাগরিতে স্বর্ণপদক উইন্ডি অ্যাপারেলস এবং ব্রোঞ্জপদক পেয়েছে চিটাগাং এশিয়ান অ্যাপারেলস। নিটওয়্যার ক্যাটাগরিতে স্বর্ণপদক পায় লিবার্টি নীটওয়্যার। রৌপ্য ডিভাইন ইন্টিমেটস এবং ব্রোঞ্জপদক পেয়েছে ফ্লামিংগো ফ্যাশন। সব ধরনের সুতা ক্যাটাগরিতে স্বর্ণ বাদশা টেক্সটাইলস, রৌপ্য স্কয়ার টেক্সটাইল এবং ব্রোঞ্জপদক পায় কামাল ইয়ার্ন।

টেক্সটাইল ফেব্রিক্সে হামীম ডেনিম লিমিটেডের রৌপ্য পদকের পাশাপাশি স্বর্ণপদক নাইস ডেনিম মিলস এবং ব্রোঞ্জ পেয়েছে ফোর এইচ ডাইং এ্যান্ড প্রিন্টিং। হোম ও স্পেশালাইজড টেক্সটাইল খাতে স্বর্ণ জাবের অ্যান্ড জোবায়ের ফেব্রিক্স, রৌপ্য মমটেক্স এক্সপো এবং ব্রোঞ্জ পদক এসিএস টেক্সটাইলস (বাংলাদেশ)। টেরিটাওয়েলে স্বর্ণ নোমান টেরিটাওয়েল মিলস এবং রৌপ্যপদক পায় এসিএস টাওয়েল। হিমায়িত খাদ্য খাতে স্বর্ণ ছবি ফিস প্রসেসিং ইন্ডাষ্ট্রিজ, রৌপ্য প্রিয়াম ফিস এক্সপোর্ট এবং ব্রোঞ্জপদক পায় এমইউ সী ফুডস।

কাঁচা পাট খাতে স্বর্ণ পপুলার জুট এক্সচেঞ্জ, রৌপ্য তাসফিয়া জুট ট্রেডিং এবং ব্রোঞ্জপদক পেয়েছে মেসার্স ইন্টারন্যাশনাল জুট ট্রেডার্স। পাটজাত দ্রব্যে স্বর্ণ জনতা জুট মিলস এবং রৌপ্যপদক পেয়েছে আকিজ জুট মিলস। চামড়াজাত পণ্যে স্বর্ণপদক পিকার্ড বাংলাদেশ এবং রৌপ্য পায় এবিসি ফুটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রিজ। ফুটওয়্যার খাতে স্বর্ণ বে-ফুটওয়্যার, রৌপ্য এডিসন ফুটওয়্যার এবং ব্রোঞ্জপদক পেয়েছে এফবি ফুটওয়্যার।

কৃষিজ পণ্যে (তামাক ব্যতীত) স্বর্ণপদক ইনডিগো কর্পোরেশন, রৌপ্য মনসুর জেনারেল ট্রেডিং এবং ব্রোঞ্জপদক পায় সিএসএস ইন্টারন্যাশনাল। কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্যে (তামাকজাত পণ্য ব্যতীত) স্বর্ণ হবিগঞ্জ এগ্রো, রৌপ্য প্রাণ ডেইরি এবং ব্রোঞ্জপদক পায় প্রাণ ফুডস। হস্তশিল্পজাত পণ্য খাতে স্বর্ণপদক কারুপণ্য রংপুর, রৌপ্য বিডি ক্রিয়েশন এবং ব্রোঞ্জ পায় ক্ল্যাসিক্যাল হ্যান্ডমেইড প্রোডাক্টস।

মেলামাইন খাতে স্বর্ণপদক পায় ডিউরেবল প্লাস্টিক। প্লাস্টিক পণ্য খাতে স্বর্ণ অলপ্লাষ্ট বাংলাদেশ, রৌপ্য আকিজ বায়াক্স ফিল্মস এবং ব্রোঞ্জপদ পায় বঙ্গ প্লাস্টিক ইন্টারন্যাশনাল। সিরামিকসামগ্রী খাতে স্বর্ণ শাইনপুকুর সিরামিকস, রৌপ্য আর্টিসান সিরামিকস এবং ব্রোঞ্জপদক পেয়েছে প্রতীক সিরামিকস। হালকা প্রকৌশল খাতে স্বর্ণ এম এন্ড ইউ সাইকেলস, রৌপ্য মেঘনা বাংলাদেশ এবং ব্রোঞ্জপদক পায় রংপুর মেটাল ইন্ডাষ্ট্রিজ। ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিকস পণ্য খাতে স্বর্ণ ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ এবং  রৌপ্যপদক পেয়েছে বিআরবি কেবল ইন্ডাস্ট্রিজ।

অন্যান্য শিল্পজাত পণ্য খাতে স্বর্ণপদক মেরিন সেফটি সিস্টেম, রৌপ্য এশিয়া মেটাল মেরিন সার্ভিস এবং ব্রোঞ্জপদক তাসনিম কেমিক্যাল কমপ্লেক্স। ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্যে স্বর্ণপদক পায় বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, রৌপ্য ইনসেপটা ফার্মাসিউটিক্যালস ও ব্রোঞ্জপদক স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস।

কম্পিউটার সফটওয়্যার ক্যাটাগরিতে স্বর্ণ সার্ভিস ইঞ্জিন এবং রৌপ্যপদক পায় গোল্ডেন হার্ভেস্ট ইনফোটেক। ইপিজেডভুক্ত বাংলাদেশি মালিকানাধীন তৈরি পোশাক ক্যাটাগরিতে স্বর্ণ ইউনিভার্সেল জিন্স, রৌপ্য প্যাসিফিক জিন্স এবং ব্রোঞ্জপদক পায় শাশা ডেনিমস। ইপিজেডভুক্ত বাংলাদেশি মালিকানাধীন অন্যান্য পণ্য ক্যাটাগরিতে স্বর্ণ স্টার প্যাকেজিং এন্ড এক্সেসরিজ, রৌপ্য পদ্মা স্পিনিং এন্ড কম্পোজিট এবং ব্রোঞ্জপদক পায় ফারদিন এক্সেসরিজ।

প্যাকেজিং ও এক্সেসরিজ পণ্য খাতে স্বর্ণপদক পায় এম অ্যান্ড ইউ প্যাকেজিং, রৌপ্য মনট্রিমস লিমিটেড এবং ব্রোঞ্জ ইউনিগ্লোরি প্যাকেজিং ইন্ডাষ্ট্রিজ। অন্যান্য প্রাথমিক পণ্যে স্বর্ণপদক পায় হেয়ার স্টাইল ফ্যাক্টরী, রৌপ্য রায় ট্রেড ইন্টারন্যাশানল এবং রৌপ্যপদক পেয়েছে ইকো ফ্রেশ ইন্টারন্যাশনাল। অন্যান্য সেবা খাতে স্বর্ণ এক্সপো ফ্রেইট এবং রৌপ্যপদক পায় মীর টেলিকম। নারী উদ্যোক্তা খাতে স্বর্ণ পাইওনিয়র নিটওয়ার্স, রৌপ্য বীকন নীটওয়্যার এবং ব্রোঞ্জপদক পায় ইব্রাহিম নিট গার্মেন্টস।


আরও খবর



সুপ্রিম কোর্টের নতুন রেজিস্ট্রার জেনারেল আজিজ আহমদ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

চট্টগ্রামের জেলা ও দায়রা জজ আজিজ আহমদ ভূঞাকে সুপ্রিম কোর্টের নতুন রেজিস্ট্রার জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. গোলাম রব্বানীকে চট্টগ্রামের জেলা জজ হিসেবে বদলি করা হয়েছে। সোমবার (১ জুলাই) আইন মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

আজিজ আহমদ ভূঞা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (অনার্স) ও এলএলএম ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ বিসিএস (বিচার) পরীক্ষায় মেধা তালিকায় প্রথম হয়ে জুডিসিয়াল সার্ভিসে যোগদান করেন।

এর আগে ২০০৫ সালে যুক্তরাজ্যের বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফেলোশিপ, ২০০৮ সালে কোরিয়া সিভিল সার্ভিস একাডেমি থেকে জনপ্রশাসনে উচ্চতর প্রশিক্ষণ এবং ২০১৯ সালে অস্ট্রেলিয়ার ওয়েস্টার্ন সিডনি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন ও বিচার বিষয়ে উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। তিনি সম্প্রতি ন্যাশনাল জুডিসিয়াল একাডেমি ভূপাল, ভারতের প্রশিক্ষণে বাংলাদেশ থেকে দলনেতা হিসেবে অংশগ্রহণ করেন।

২০২২ সালের ৪ অক্টোবর হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার (সিনিয়র জেলা জজ) মো. গোলাম রব্বানীকে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এর আগে তিনি হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার ছিলেন।


আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




হালদা মৎস্য প্রজননক্ষেত্র ধ্বংসের জন্য দায়ী মানবসৃষ্ট দূষণ

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

Image

চট্টগ্রামের প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননক্ষেত্র হালদা নদীতে সম্প্রতি বেড়েছে মা মাছ ও ডলফিনের মৃত্যুর ঘটনা। হালদায় দূষণের ফলে গত এক সপ্তাহের মধ্যে ৫টি মৃত মাছ ও ১টি ডলফিন উদ্ধার করা হয়েছে।

সম্প্রতি হালদায় মানবসৃষ্ঠ ধ্বংসাত্মক কর্মকান্ড জন্য মরছে মা মাছ ও ডলফিন বলে জানিয়েছেন হালদা গবেষকরা।

তারা জানায়, হালদা সরাসরি ফেলা হচ্ছে ট্যানারীর বিষাক্ত বর্জ্য ও অন্যান্য শিল্পকারখানার বিষাক্ত বর্জ্য, পোল্ট্রি বর্জ্য, গৃহস্থালী, মানববর্জ্য, হালদা ও শাখা খালে অবৈধভাবে জাল, বঁড়শি ও বিষ ব্যবহার করে মাছ নিধন, অবৈধ বালু উত্তোলন ইত্যাদি। এতে হালদা নদীকে মা মাছ, ডলফিন ও অন্যান্য জলজ প্রাণির নিরাপদ আবাসস্থল দূষিত পানি জন্য প্রায় হাজার একর জমি নষ্ট হয়ে গেছে।

রবিবার (৩০ জুন) হালদা নদীর আজিমারঘাটে একটি মৃত কাতলা মা মাছ ভেসে ওঠে। মাছটির দৈর্ঘ্য ১১৮ সেমি. ও ওজন প্রায় ১৯ কেজি ৩০০ গ্রাম।

হালদা গবেষক ও চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজের জীববিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, গত ২৮ জুন হালদা নদীর উত্তর মাদার্শার কুমারখালী ঘাটে একটি মৃত কাতলা মা মাছ ও সুলতানা বাপের ঘাটে আরেকটি মৃত কাতলা মা মাছ ভেসে ওঠে। বিগত এক সপ্তাহে হালদা নদী থেকে ৫টি মৃত মা মাছ ও ১টি মৃত ডলফিন উদ্ধার করা হয়েছে। যা হালদা নদীর জলজ বাস্তুতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত। এমতাবস্থায় হালদা নদীকে মা মাছ, ডলফিন ও অন্যান্য জলজ প্রাণির নিরাপদ আবাসস্থল করতে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। আগে এক সময় হালদায় প্রতিমাসে কমপক্ষে দুই তিনটি অভিযান হত, যা এখন আর চোখে পড়ছে না।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হালদা রিসার্চ অ্যান্ড ল্যাবরেটরির হিসাব অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে হালদা নদীতে ৪৩টি ডলফিন এবং ২৫-৩০টি বড় মা মাছের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। মা মাছ ও ডলফিনের মৃত্যুর পেছনে মূলত শনাক্ত করা হচ্ছে- আঘাত, শ্বাসকষ্ট ও দূষণ।

এদিকে, হালদা নদীর প্রাকৃতিক দূর্যোগ ও মানবসৃষ্ট দূষণ, বিষ প্রয়োগ, মাছ ডিম ছাড়া নিয়ে তদারকি করা হবে জানিয়েছেন চট্টগ্রামের জেলা মৎস্য কর্মকর্তা চট্টগ্রামের জেলা মৎস্য কর্মকর্তা শ্রীবাস চন্দ্র চন্দ।

তিনি বলেন, হালদা নদীর দূষণ নিয়ে আমরা হাটহাজারী উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ময়েদুজ্জামানকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। এরপর দূষণের কারণ নির্ধারণ করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

হাটহাজারী উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ময়েদুজ্জামানকে বলেন, আমরা সম্প্রতি হালদায় নদীতে মা মাছ ও ডলফিন মৃত্যুর খবর পাচ্ছি। প্রাকৃতিক দূর্যোগ ও মানবসৃষ্ট দূষণে মূলত হালদা নদীতে মাছের মৃত্যু ঘটনা ঘটছে মনে করছি। হালদায় মানবসৃষ্ট জন্য জন্য নদীর পানি দূষণ হচ্ছে।

হালদা নদীর প্রকল্প পরিচালক মিজানুর রহমান বলেন, সম্প্রতি আবারও বেড়েছে মা মাছ ও ডলফিনের মৃত্যুর ঘটনা। গত এক সপ্তাহে নদীতে মৃত মা মাছ  ডলফিন ভেসে উঠেছে, যা উদ্বেগজনক। হালদার দূষণ নিয়ে মৎস্য দপ্তর থেকে থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আমরা সরেজমিনে পরিদর্শন করে তারপর ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রামের প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননকেন্দ্র হালদা নদী। ৯৮ কিলোমিটার দীর্ঘ নদীটির জলজ প্রাণি রক্ষায় সরকার ২০০৭ সালে নদীর কর্ণফুলীর মোহনা থেকে ফটিকছড়ি, নাজিরহাট পর্যন্ত এলাকাকে অভয়াশ্রম ঘোষণা করে। ২০১৮ সালে নদীর সব স্থানে বালুর ইজারা মহাল তুলে নিয়ে বালু উত্তোলন এবং বালুবাহী ড্রেজার, যান্ত্রিক নৌ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। এসব উদ্যোগের কারণে মা মাছের মৃত্যু কমে এসেছিল।


আরও খবর



জামালপুরে যমুনার পানি বিপদসীমার ওপরে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জামালপুর প্রতিনিধি

Image

টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে জামালপুরে যমুনা নদীর পানি বেড়ে বিপদসীমার ৬৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সব নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। নদীতীরবর্তী অঞ্চলের মানুষেরা পানিবন্দী হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক ২৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) দুপুরে যমুনা নদীর বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ৬৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়াও পুরাতন ব্রহ্মপুত্র, ঝিনাই ও জিঞ্জিরামসহ সব নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।

এদিকে জেলার ইসলামপুর, দেওয়ানগঞ্জ ও মাদারগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকেছে। যমুনার পানি দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পাওয়ায় সড়ক ভেঙে ইসলামপুর ও দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের সঙ্গে উপজেলা শহরের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

জামালপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস কার্যালয় ও ইসলামপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, ইসলামপুর উপজেলার ১১টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ১২ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়াও মেলান্দহ উপজেলায় দুই টি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ রয়েছে। দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার ১৫ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে পানি ঢুকেছে। তবে এখন পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়নি। পানি আর একটু বৃদ্ধি পেলে সেগুলো বন্ধ করা হবে।

ইসলামপুর ও দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে যমুনার পানি বাড়তে শুরু করে। রাত থেকে বিভিন্ন খাল, বিল ও যমুনার ছোট ছোট শাখা প্লাবিত হয়। এ সময় পানি লোকালয়ে ঢুকতে শুরু করে। পানি বাড়ায় ইসলামপুর উপজেলার চিনাডুলী, কুলকান্দি, বেলগাছা, নোয়ারপাড়া ও সাপধরী ইউনিয়ন; দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চুকাইবাড়ী, বাহাদুরাবাদ ও চিকাজানী ও মেলান্দহ উপজেলার ঘোষেরপাড়ক, মাহমুদপুর, নাংলা ইউনিয়নের নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চল এবং দুর্গম চরাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে। বিভিন্ন গ্রামের ফসলি মাঠ তলিয়ে গেছে। পানি গ্রামের কিছু বাসিন্দার আঙিনায় যেতে শুরু করেছে। এভাবে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে হাজারো মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়ার শঙ্কা করছেন তারা।

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফাতেমা সুলতানা বলেন, উপজেলার ১৫ টি প্রাথমিক শিক্ষা বিদ্যালয়ের মাঠে পানি ঢুকেছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। শুক্রবার ও শনিবার যেহেতু বন্ধ তাই এখনো বন্ধ ঘোষণা করা হয়নি। তবে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস কার্যালয়ের চারপাশে বন্যার পানি চলে এসেছে।

ইসলামপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা বলেন, বন্যার পানি বিদ্যালয়ে ঢুকে পড়ায় ১২ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

জামালপুর জেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা অবু তারেক মো. রওনাক আখতার বলেন, বন্যার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ইসলামপুর উপজেলায় ১২টি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এবং মেলান্দহ উপজেলায় ২ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম জানান, দেওয়ানগঞ্জের যমুনার বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্টে পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৬৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আরো কয়েকদিন পানি বৃদ্ধির আশংকা রয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: জামালপুর

আরও খবর