আজঃ শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

রমজানে পুরো মাস বন্ধ থাকবে মাদরাসা

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

আসন্ন রমজানে স্কুল-কলেজ ১৫ দিন ও প্রাথমিক স্কুল ১০ দিন খোলা থাকলেও পুরো মাস বন্ধ থাকবে মাদরাসা। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাদরাসা ও কারিগরি বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশোধিত শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, পুরো রমজান মাস বন্ধ থাকবে সরকারি ও বেসরকারি (স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি, দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল) মাদরাসা। মন্ত্রণালয়ের মাদরাসা ও কারিগরি বিভাগের উপসচিব হাসিনা আক্তার স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে ২০২৪ শিক্ষাবর্ষের সংশোধিত ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি প্রকাশ করা হয়।

মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. শাহীনুর ইসলাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন বাস্তবায়নের তাগিদ দেয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, আসন্ন রমজানে সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং সরকারি ও বেসরকারি কলেজগুলোতেও শ্রেণি কার্যক্রম সচল রাখার নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ। তবে পুরো রমজান ছুটি পাচ্ছেন মাদরাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

প্রজ্ঞাপনে ৭ মার্চ থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত টানা ৩০ দিন ছুটির কথা উল্লেখ রয়েছে। সে অনুযায়ী, পুরো রমজান মাস ছুটি পাচ্ছে মাদরাসা শিক্ষার্থীরা।

এর আগে বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় ছাড়াও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, আসন্ন রমজানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আংশিক খোলা থাকবে। এরমধ্যে মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুল-কলেজ ও সরকারি-বেসরকারি উচ্চ মাধ্যমিক ও স্নাতক পর্যায়ের কলেজগুলো রমজানের প্রথম ১৫ দিন এবং প্রাথমিক পর্যায়ের স্কুল রমজানের প্রথম ১০ দিন খোলা থাকবে।


আরও খবর
জাবির ‘ডি’ ইউনিটের ফল প্রকাশ

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




দেশ ধ্বংসের মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নে তৎপর বিএনপি: কাদের

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

দেশ ধ্বংসের মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নে তৎপর বিএনপি বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়ার স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তিনি এসব কথা বলেন। একই সঙ্গে গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিবৃতির নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ওবায়দুল কাদের।

বিবৃতিতে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, দেশ ধ্বংসের মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নে তৎপর বিএনপি। দেশের গণতন্ত্র ও নির্বাচনের প্রতি তাদের কোনো আস্থা নেই। সামরিক স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমান অসাংবিধানিক ও অবৈধভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে সেনা ছাউনিতে বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিল। সূচনা লগ্ন থেকেই বিএনপি অত্যাচার- নির্যাতনের স্টিম রোলার চালিয়ে দেশের জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকারের পথ রুদ্ধ করে রাজনীতি করে আসছে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে গণতন্ত্র ও সুশাসনের কথা বেমানান।

ওবায়দুল কাদের বলেন, একুশে আগস্টের ভয়াবহ গ্রেনেড হামলায় নির্বিচারে বিরোধী রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের যারা হত্যা করেছিল; যাদের পৃষ্ঠপোষকতায় জঙ্গি গোষ্ঠী ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট সারাদেশে সিরিজ বোমা হামলা চালিয়েছিল, যারা দশ ট্রাক অস্ত্র আমদানি করেছিল, যারা অগ্নিসন্ত্রাস সৃষ্টি করে শত শত নিরীহ মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করেছে, সেই খুনিদের দল যখন জননিরাপত্তা নিয়ে কথা বলে তখন জনগণ আরও ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে।

তিনি আরও বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কর্তৃক নির্বিচারে কাউকে গ্রেপ্তার করে হয়রানির অভিযোগ ভিত্তিহীন। বিএনপির যে সকল সন্ত্রাসী ও ক্যাডাররা অগ্নিসন্ত্রাস এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও জনগণের উপর হামলার সঙ্গে জড়িত তাদের গ্রেপ্তার করাটা কোনোভাবেই হয়রানিমূলক হতে পারে না। সন্ত্রাসীদের আইন ও বিচারের মুখোমুখি করা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব ও কর্তব্য।


আরও খবর
শপথ নিলেন নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রী

শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪




জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় ভিন্ন চিত্র

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা শুরু হয়েছে আজ। ভর্তি পরীক্ষায় প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের ফলে ক্যাম্পাসে ফিরেছে শৃঙ্খলা, ফলে স্বস্তিতে ভর্তি পরীক্ষা দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।

অন্যদিকে পরীক্ষার আবেদনে বিষয়ভিত্তিক গ্রেড বাড়ানোর কারণে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমেছে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা। ফলে এবছরের ভর্তি পরীক্ষায় দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র।

সরেজমিনে দেখা যায়, পরীক্ষা চলার সময় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা ছাড়া অন্য কোন রিকশা চলাচল করতে দেখা যায় নি। ছাত্রী হল থেকে আসা রিকশাগুলো তারামন বিবি হলের সামনে এসে থামতে দেখা যায়। এছাড়াও ভর্তি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাস অভ্যন্তরে শিট ও ব‌ই বিক্রি নিষিদ্ধ ছিল এবং অস্থায়ী খাবারের দোকানপাট ও ভ্রাম্যমাণ ফেরিওয়ালা দের তেমন দেখা যায় নি।

পরীক্ষা চলাকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুষ্ঠু ও স্বাভাবিক রাখতে ভর্তি পরীক্ষা শৃঙ্খলা রক্ষা ও নিরাপত্তা কমিটির প্রস্তুতি লক্ষ্য করা যায়।এছাড়াও পরীক্ষা চলাকালীন বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ স্থান সমূহে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা (সিসিটিভি) চালু রাখা হয়েছিল।

এছাড়াও গত বছরের তুলনায় এবার ভর্তি পরীক্ষায় পরীক্ষার্থী সংখ্যা কমেছে ২১ শতাংশ। গতবছর ভর্তি পরীক্ষায় একই সংখ্যক আসনের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছিল ২ লাখ ৪৯ হাজার ৮৫৭ টি। এবার আবেদন জমা পড়েছে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৮৫১টি। যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ২১ শতাংশ কম। গত বছর আসন প্রতি প্রতিযোগী ছিল ১৩৪ জন। যা এবার কমে হয়েছে ১০৮ জনে।

মানিকগঞ্জ থেকে পরীক্ষা দিতে আসা শিক্ষার্থী রবিউল হাসান বলেন, ফাস্ট টাইমে পছন্দের সাবজেক্ট না আসায় আমি দ্বিতীয়বারের মতো ভর্তি পরীক্ষা দিচ্ছি। গত বছর এখানে শিট বিক্রেতাদের উপস্থিতি আমাদের বিরক্ত করেছিল কিন্তু এবছর শৃঙ্খলা দেখতে পেয়েছি।

সার্বিক বিষয়ে ভর্তি পরীক্ষার শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা কমিটির আহ্বায়ক এবং প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান বলেন, ভর্তি পরীক্ষার সময় ক্যাম্পাসে সর্বোচ্চ শৃঙ্খলা রক্ষায় আমরা বদ্ধপরিকর। মাঝে মাঝে কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে যায়। এবার তেমন ঘটনা যেন না ঘটে সেজন্য আমরা শুরু থেকেই সতর্কতা অবলম্বন করেছি ।

এদিকে প্রথম শিফটের পরীক্ষা পরিদর্শন শেষে উপাচার্য অধ্যাপক নূরুল আলম বলেন, সুন্দর পরিবেশে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। উপস্থিতির হার ৭০-৮০ শতাংশ। আমরা এ বছর ভাসমান কোনো দোকান বসতে দিইনি। সে জন্য ভিড়ও কম আছে। নির্বিঘ্নে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।


আরও খবর
জাবির ‘ডি’ ইউনিটের ফল প্রকাশ

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




জেল থেকে জ্যাকলিনকে হুমকি দিচ্ছেন তার প্রেমিক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

নিজের নিরাপত্তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ। প্রেমিক সুকেশ চন্দ্রশেখরই নাকি এর জন্য দায়ী।

গেলো দুবছর ধরে আর্থিক তছরুপের কেসে জেলবন্দি জ্যাকলিন ফার্নান্দেজের প্রেমিক সুকেশ চন্দ্রশেখর। এ মুহূর্তে দিল্লির ম্যান্ডোলি জেলে বন্দি রয়েছেন তিনি। জেলে বসেই নাকি প্রতিনিয়ত হুমকি দিচ্ছেন জ্যাকলিনকে। আর তাতেই ভয় রয়েছেন জ্যাকলিন।

এবার সুকেশের বিরুদ্ধে দিল্লি পুলিশ কমিশনর সঞ্জয় অরোরার কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিলেন তিনি। তার অভিযোগের ভিত্তিকে দিল্লি পুলিশের একটি বিশেষ দল প্রাথমিক তদন্ত শুরুও করেছেন।

শোনা যায়, এক সময় নাকি কনম্যান সুকেশের প্রেমে পড়েছিলেন কিক খ্যাত অভিনেত্রী। সম্পর্কে থাকাকালীন সুকেশের কাছ থেকে একাধিক দামি উপহারও পেয়েছেন তিনি। সুকেশের সঙ্গে নাম জড়ানোর জেরে একাধিক বার বিতর্কের মুখে পড়েছেন জ্যাকলিন। প্রতারণাকাণ্ডের তদন্ত চলাকালীন একাধিক বার আদালতে হাজিরা দিতে হয়েছে অভিনেত্রীকে।

শুধু তাই-ই নয়, অভিনেত্রীর বিদেশযাত্রাতেও জারি করা হয়েছিল নিষেধাজ্ঞা। সেই নিষেধাজ্ঞা তোলা হয় গেলো বছর। সম্পর্কের কথা জ্যাকলিন যতই অস্বীকার করুন না কেন সুকেশে ছাড়ার পাত্র নয়। তিনি জেলে বসেই ক্রমাগত প্রেমপত্র লিখে গিয়েছেন অভিনেত্রীকে। তাতেই বিব্রত হয়েছেন জ্যাকলিন। সুকেশের প্রেমপত্র কখনও রয়েছে ভালবাসার কথা, কখনও ছিল প্রচ্ছন্ন হুমকি। অবশেষে দিল্লি পুলিশের দ্বারস্থ হয়ে অভিনেত্রী জানান, দ্রুত সুকেশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে, এবং তার নিরাপত্তার দিকটা সুনিশ্চিত করতে।


আরও খবর
টেইলর সুইফট ইফেক্টে আক্রান্ত সিঙ্গাপুর

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




রোহিঙ্গাদের জোরপূর্বক তুলে নিয়ে সেনাবাহিনীতে নিয়োগ দিচ্ছে জান্তা সরকার

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের গ্রাম ও ক্যাম্প (আইডিপি) থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে সেনাবাহিনীতে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, এসব রোহিঙ্গাকে বিচ্ছিন্নতাবাদী ও গণতন্ত্রপন্থীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করবে দেশটির জান্তা সরকার।

মানবাধিকার কর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দারাদের বরাতে গণমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, রোহিঙ্গা পুরুষদের যুদ্ধবিধ্বস্ত রাজ্যে পাঠাতে জান্তার সামরিক বাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। রাখাইনের গ্রাম ও ক্যাম্প থেকে কমপক্ষে ৪০০ রোহিঙ্গা পুরুষকে দুই সপ্তাহের প্রাথমিক প্রশিক্ষণের জন্য সামরিক ঘাঁটিতে নেওয়া হয়েছে।

ফ্রি রোহিঙ্গা কোয়ালিশনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা নে সান লুইন বলেন, প্রশিক্ষণের সময়কাল মাত্র দুই সপ্তাহ। জান্তা বাহিনী তাদেরকে মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করতে মাত্র দুই সপ্তাহের প্রশিক্ষণ দিয়েছে।

শহরতলীর বাসিন্দা এবং রোহিঙ্গা কর্মীরা জানিয়েছেন, আরাকান আর্মির (এএ) বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য সিতওয়ে ও বুথিদাউং শহরের গ্রাম এবং আইডিপি ক্যাম্প থেকে ইতোমধ্যে অন্তত ৪০০ রোহিঙ্গা পুরুষকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে গিয়ে জান্তা বাহিনীতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

১০ ফেব্রুয়ারি সেনাবাহিনীতে ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী পুরুষদের বাধ্যতামূলক কাজ করার আইন করার পর থেকে জান্তা এই প্রক্রিয়া শুরু করে। সামরিক বাহিনী রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের নেতাদের এবং প্রশাসকদের গ্রাম এবং বুথিডাং, মংডু ও সিতওয়ে আইডিপি ক্যাম্পে পুরুষদের তালিকা তৈরি করার জন্য চাপ দিয়েছে। প্রতিটি ছোট গ্রামের জন্য কমপক্ষে ৫০ পুরুষ এবং প্রতিটি আইডিপি ক্যাম্প ও বড় গ্রাম থেকে কমপক্ষে ১০০ পুরুষের তালিকা তৈরি করার কথা বলা হয়েছে।

নে সান লুইন বলেন, বুধবার আমরা যা নিশ্চিত হতে পেরেছি তা হচ্ছে, সিতওয়ের আইডিপি ক্যাম্প থেকে অন্তত ৩০০ জনের খসড়া করা হয়েছে এবং তারা এখন (সামরিক) প্রশিক্ষণের মাঠে রয়েছে।

জান্তা সেনারা ১৮ ও ১৯ ফেব্রুয়ারি বুথিডাং শহরতলীর চারটি গ্রাম থেকে কমপক্ষে ১০০ জনকে গ্রেফতার করেছে এবং তাদের প্রাথমিক সামরিক প্রশিক্ষণের জন্য নিকটবর্তী একটি সামরিক ঘাঁটিতে পাঠিয়েছে বলে জানান লুইন।

প্রসঙ্গত, নতুন সেনা নিয়োগ আইন শুধুমাত্র মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য। রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয় না।

রাখাইন রাজ্যের রোহিঙ্গা বাসিন্দা এবং মানবাধিকার কর্মীরা জানিয়েছেন, সামরিক জান্তা রোহিঙ্গা পুরুষদের বলেছে যে তারা সেনাবাহিনীতে চাকরি করলে প্রত্যেকে এক বস্তা চাল, একটি নাগরিকত্বের পরিচয়পত্র এবং মাসিক এক লাখ ৫০ হাজার কিয়াট (৪১ ডলার) বেতন পাবে।


আরও খবর



টাঙ্গাইলের শাড়িকে ভারতের শাড়ি দাবি করার প্রতিবাদে মানববন্ধন

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

Image

টাঙ্গাইলে তাঁতের শাড়িকে ভারতের পণ্য দাবি করার প্রতিবাদে এবং বাংলাদেশের পণ্য হিসেবে জিআই স্বীকৃতির দাবিতে মানববন্ধন হয়েছে। শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকালে টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবের সামনে সচেতন নাগরিক সমাজের উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

গেল বৃহস্পতিবার ভারতের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে টাঙ্গাইলের শাড়িকে নিজেদের পণ্য বলে দাবি করে। এতে বলা হয়, পশ্চিমবঙ্গে উৎপাদিত হাতে তৈরি টাঙ্গাইল শাড়ি অনন্য। মসৃণ টেক্সচার, প্রাণবন্ত রঙ এবং জামদানি মোটিফের জন্য বিখ্যাত শাড়িটি এ অঞ্চলের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতীক।

এ পোস্টটি দ্রুত বাংলাদেশি নেটিজেনদের মধ্যে ছড়ি পড়ে। মন্তব্য অংশে অনেকে লিখেছেন, টাঙ্গাইল শব্দটির উৎপত্তিই তো বাংলাদেশের টাঙ্গাইল জেলার নামানুসারে। অবার কেউ কেউ বলছেন, শাড়ির নামের ক্ষেত্রে ভারত ভুল করে থাকতে পারে। বিষয়টিকে সাংস্কৃতিক আধিপত্য বিস্তারের দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন অনেকে।

টাঙ্গাইলে মানবন্ধনে শিশুদের জন্য ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠাতা মুঈদ হাসান বলেন, বাংলাদেশের বিখ্যাত টাঙ্গাইল শাড়ি। এই  শাড়ির স্বীকৃতি ভারত কখনই পেতে পারে না। ভারতের এ দাবি অযৌক্তিক। এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়া উচিত। আমরা এর প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এই শাড়ির জিআই পাওয়ার দাবিদার হচ্ছে বাংলাদেশ। আমরা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যাতে দ্রুত টাঙ্গাইলের শাড়িকে জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

টাঙ্গাইল শাড়ি মালিক সমিতির সভাপতি রঘুনাথ বসাক বলেন, টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী তাঁত শিল্পকে সম্প্রতি ভারত তাদের নিজস্ব পণ্য দাবি করে জিআই স্বত্ব করে নিয়েছে। আমরা এই জিআই কখনও মানব না। সরকারকে বলব, যে কোনো মূল্যে নিজেদের নামে টাঙ্গাইলের শাড়ির জিআই করতে। অন্যথায় টাঙ্গাইলের শাড়ি ব্যবসায়ীরা কঠোর আন্দোলনে যাবে।

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক কায়সারুল ইসলাম জানান, ভারত ২০২০ সালে জিআই আবেদন করে। আর টাঙ্গাইল শাড়ির ব্র্যান্ডিং করা হয়েছে ২০১৭ সালে। এটি টাঙ্গাইলের ঐতিহ্য। গত মঙ্গলবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এই তাঁত শাড়ি জিআই পণ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে সভা অনুষ্ঠিত হয়। টাঙ্গাইল শাড়ি জিআই করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।


আরও খবর