আজঃ বৃহস্পতিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২১
শিরোনাম

সিনহার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা: নাজমুল হুদার বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | ৬১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
৭ অক্টোবর ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন করে কমিশন। এরপর ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে এ চার্জশিট দাখিল করেন দুদকের পরিচালক মো. বেনজীর আহম্মেদ

সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার (এস কে সিনহা) বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পাল্টা মামলায় সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ করেছেন আদালত।

বুধবার ঢাকার সিনিয়ার স্পেশাল জজ আদালতে বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশ এ চার্জশিট গ্রহণ করেন। একইসঙ্গে মামলাটি বিশেষ জজ আদালত-৯ এ বদলির আদেশ দেন। চার্জগঠন শুনানির জন্য ১৩ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেন।

এদিকে তিনি আত্মসমর্পন করে জামিনের আবেদন করেন। আদালত শুনানি শেষে  ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত জামিন মঞ্জুর করেন।

এর আগে ৭ অক্টোবর ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন করে কমিশন। এরপর ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে এ চার্জশিট দাখিল করেন দুদকের পরিচালক মো. বেনজীর আহম্মেদ।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে নিজের বিরুদ্ধে নিষ্পত্তি হওয়া একটি মামলার রায় বদলে দেওয়া হয়েছে ও উৎকোচ চাওয়া হয়েছে-এস কে সিনহার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করে ২০১৮ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর শাহবাগ থানায় মামলা করেন নাজমুল হুদা।

মামলার অভিযোগে নাজমুল হুদা দাবি করেন, উচ্চ আদালতে ডিসমিস করার পরও প্ররোচিত হয়ে মামলাটির রায় পরিবর্তন করা হয়। মামলাটি ডিসমিস করতে দুকোটি টাকা এবং আরও একটি ব্যাংক গ্যারান্টির অর্ধেক অর্থাৎ এক কোটি ২৫ লাখ টাকা উৎকোচ দাবি করেন সিনহা। তবে দেড় বছরের তদন্তে নাজমুল হুদার এ অভিযোগের কোনো প্রমাণ পায়নি দুদক।

মিথ্যা অভিযোগ করায় গত বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি নাজমুল হুদার বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন। আরেক পরিচালক মো. বেনজীর আহম্মেদকে এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়।

মামলার বিষয়ে তৎকালীন দুদকের সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখত বলেছিলেন, নাজমুল হুদা যে মামলাটি করেছেন, সেটি একেবারেই ভিত্তিহীন। দুদকের অনুসন্ধানেও আমরা সেটা প্রমাণ পেয়েছি

দুদক আইনের ২৮ এর ২ ধারায় বলা হয়েছে, কেউ যদি মিথ্যা তথ্য দিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন আর সেটি যদি তদন্তে বেরিয়ে আসে, তাহলে অভিযোগ দায়েরকারীর বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে।


আরও খবর
আবরার হত্যায় ২০ আসামির মৃত্যুদণ্ড

বুধবার ০৮ ডিসেম্বর ২০২১




টঙ্গী ব্রিজ বন্ধ, রেলপথে বেড়েছে যাত্রীর চাপ

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ নভেম্বর ২০২১ | ৫২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ঢাকা অভিমুখী লেনের টঙ্গী ব্রিজের পলেস্তরা খসে পড়েছে গত মঙ্গলবার (৯ নভেম্বর)। ঝুঁকি এড়াতে বিআরটি প্রকল্পের সংশ্লিষ্টরা বুধবার (১০ নভেম্বর) রাত থেকে ঢাকা অভিমুখী লেনটি বন্ধ করে দেয়। এরপর থেকে সড়কটিতে যানবাহন ও যাত্রীদের চাপ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। ঢাকামুখী যানবাহনগুলো বিকল্প পথে রাজধানীতে প্রবেশ করায় সড়কের টঙ্গী ব্রিজ এলাকায় যানজট অসহনীয় হয়ে উঠছে। এ অবস্থায় সড়কপথের যাত্রীরা রাজধানীতে প্রবেশের জন্য ট্রেন ব্যবহার করায় রেলপথে বেড়েছে যাত্রীর চাপ।

বিআরটি প্রকল্পের (সেতু বিভাগের) পরিচালক মহিরুল ইসলাম বলেন, শনিবার (১৩ নভেম্বর) থেকে ব্রিজটির সংস্কার কাজ শুরু হয়। চলাচল উপযোগী করতে প্রায় দুই সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। মঙ্গলবার গভীর রাতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গী বাজারের পাশে ব্রিজের কিছু অংশের ঢালাই খসে পড়ে। সেখানে লোহার পাটাতন ব্যবহার করা হয়েছিল। কিন্তু তাতেও ঝুঁকি থাকায় ব্রিজের ওপর দিয়ে বুধবার রাত থেকে যানবাহন চালাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে পুরোনো ব্রিজটি ভেঙে নতুন ব্রিজের নির্মাণকাজ শুরু হবে। বিআরটি প্রকল্পের প্রকৌশলীরা ইতোমধ্যে ব্রিজটি পরিদর্শন করে ওইসব মতামত দিয়েছেন।

সরেজমিন দেখা গেছে, ব্রিজের আনুমানিক পাঁচ ফুট দীর্ঘ ও তিন ফুট প্রশস্ত হয়ে পলেস্তরা খসে পড়ে রড বেরিয়ে গেছে। ব্রিজের ওপর থেকে নিচে ড্রেন, পানি সব দেখা যাচ্ছে। এ অবস্থায় বাঁশ ও অন্যান্য উপকরণ দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে যানবাহন বন্ধ থাকলেও সাধারণ হাজার হাজার মানুষ পায়ে হেঁটে ব্রিজের ওপর দিয়েই চলাচল করছে।

গাজীপুরের বোর্ড বাজার এলাকার রাইসুল ইসলাম পলাশ ঢাকার সিঙ্গার কোম্পানির একজন কর্মকর্তা। তিনি জানান, সর্বদা সড়কপথেই যাতায়াত করতেন। অনিশ্চয়তা থাকায় শনিবার থেকে জয়দেবপুর রেলওয়ে জংশন থেকে ট্রেনে যাতায়াত করছেন। উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সেকশন অফিসার জাকির হোসেন বলেন, ঢাকা থেকে সড়কপথে যাতায়াত করতেন। কিন্তু সড়কের সমস্যার কারণে বৃহস্পতিবার থেকে রেলপথে যাতায়াত করছেন।

বিমানবন্দর রেলস্টেশনের মাস্টার হালিমুজ্জামান বলেন, অন্যান্য সময়ের চেয়ে গত তিন দিন ধরে রেলপথে যাত্রীর চাপ কিছুটা বেড়েছে।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) উপ-কমিশনার (ট্রাফিক) আব্দুল্লাহ্ আল-মামুন বলেন, এমনিতেই এক লেন তার ওপর গাড়ির চাপ। আমরা উত্তরবঙ্গের গাড়িগুলো সরাসরি টঙ্গী বাজার বেইলি ব্রিজ দিয়ে ঢাকায় নিচ্ছি। আর ঢাকার গাড়িগুলো কামারপাড়া সড়ক দিয়ে গাজীপুরে প্রবেশ করছে। ফলে ইউটার্নে কিছুটা সময় লাগলেও এতে কিছুটা সুফল পাচ্ছি আমরা। যানজট নিরসনে ট্রাফিক পুলিশের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ সদস্যরাও সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে কাজ করছেন। তবে সাধারণ মানুষ যাতে দুর্ভোগে না পড়েন সেই চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।


আরও খবর
চট্টগ্রামে পাট গুদামে ভয়াবহ আগুন

বৃহস্পতিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২১




দৌলতদিয়ায় পারের অপেক্ষায় ৮০০ গাড়ি

প্রকাশিত:বুধবার ১০ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ নভেম্বর ২০২১ | ৫৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাবাজার-শিমুলিয়া রুটের অতিরিক্ত গাড়ির চাপে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে ৮ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজট তৈরি হয়েছে। অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে তৈরি হচ্ছে যানজট।

বুধবার (১০ নভেম্বর) দুপুরে দৌলতদিয়া ঘাটে এই চিত্র দেখা যায়। দৌলতদিয়ায় ফেরির নাগাল পেতে যানাবহন চালকদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে তিনদিন পর্যন্ত। জানা গেছে, দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে ফেরি পারের অপেক্ষায় রয়েছে প্রায় ৩ শতাধিক যানবাহন। অন্যদিকে এই মহাসড়ক সচল রাখার জন্য রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কে ফেরি পারের অপেক্ষায় রয়েছে প্রায় ৫ শতাধিক যানবাহন।

একাধিক চালক জানান, এই ভোগান্তির জন্য দায়ী ফেরিঘাট কর্তৃপক্ষ। দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে এক সময় ২০টি ফেরি চলাচল করতো।

রাজবাড়ীর ট্রাফিক ইন্সপেক্টর তারক চন্দ্র পাল বলেন, দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে এই মুহূর্তে প্রায় ৩শ এবং গোয়ালন্দ মোড়ে ৫শ ট্রাক আটকে আছে। ফেরি বৃদ্ধি না করা গেলে এ সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে কর্মরত বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিসির) ব্যবস্থাপক মো. জামাল হোসেন বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। আশা করছি বিষয়টি খুব দ্রুতই সমাধান হয়ে যাবে।


আরও খবর



শারুনের বিরুদ্ধে এবার ধর্ষণচেষ্টা মামলা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৫ নভেম্বর ২০২১ | ৪৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ছিনতাই, মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, করোনা ভ্যাকসিন জালিয়াতির মতো ভয়ংকর অপরাধে জড়িত চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার নাজমুল করিম চৌধুরী শারুনের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা হয়েছে। নিজ প্রতিষ্ঠানে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে রাজধানী ঢাকায় এক নারীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে এই মামলা করা হয় ( মামলা নাম্বার-১৫৫/২০২১)। ধর্ষণের ঘটনায় গত ১০ নভেম্বর ঢাকার নারী ও শিশু নির্যতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৮-এ মামলাটি করেন ভুক্তভোগী এক নারী। মামলার বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে অভিযোগ তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) দায়িত্ব দেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারক বেগম মাফরোজা পারভীন। ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ভুক্তভোগী ওই নারীর অভিযোগ, শারুন চৌধুরীর সঙ্গে তাঁর পরিচয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে। ফেসবুকে যোগাযোগের একপর্যায়ে তাঁকে নিজের কম্পানিতে চাকরির প্রলোভন দেন শারুন। নির্দেশনানুযায়ী গত ২ নভেম্বর শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে শারুনের কার্যালয়ে যান তিনি। অভ্যর্থনা কক্ষে যাওয়ার পর তাঁরে সরাসরি শারুনের কক্ষে পাঠানো হয়। সেখানেই জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালানো হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, শারুনের কক্ষে গিয়ে কাগজপত্র দেখাতে চাইলে শারুন এ সবের কোনো প্রয়োজন নেই জানিয়ে বলেন, কাগজপত্রের প্রয়োজন নেই, তুমিই যথেষ্ঠ। এ কথা বলে তাঁকে জড়িয়ে ধরে অশালীন অঙ্গভঙ্গি করার চেষ্টা করেন শারুন চৌধুরী। এ সময় তাঁকে কুপ্রস্তাব দেওয়া হয়। পরিস্থিতি বুঝে তিনি শারুনের হাত থেকে ছাড়া পাওয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। তাঁকে ওই কক্ষের সোফায় ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন শারুন। এ সময় তাঁকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন নাজমুল করিম চৌধুরী শারুন। তাতে ব্যর্থ হয়ে শারীরিক নির্যাতন করা হয়। তবে কোনমতে ওই কক্ষ থেকে প্রাণে বেঁচে ফেরেন তিনি।

বাদীপক্ষের আইনজীবী জানান, এই মামলার আসামী শারুন বাদীনির সঙ্গে প্রতারণা করে ধর্ষণের চেষ্টা করেছেন, যা নারী ও শিশু নির্যতন দমন আইনের ৯(৪)খ ধারা অনুযায়ী অপরাধ। এ অভিযোগ নিয়ে থানায় গেলে তারা আদালতের দারস্থ হওয়ায় পরামর্শ দেয়। ট্রাইব্যুনালে মামলাটি দাখিল করা হয়েছে। নাজমুল করিমের বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার ঘটনা জানার পরে, তার দারা নির্যাতিত অনেক নারীই এখন মুখ খুলতে চাইছেন। কেউ কেউ মামলারও প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

চট্টগ্রামের পটিয়ার নাজমুল করিম চৌধুরী এর আগেও নানা বিতর্কিত কর্মকা-ের কারণে সমালোচিত। এর আগে তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা ও চাঁদাবাজি, বিনামূল্যে দেয়া সরকারি করোনা ভ্যানসিন জালিয়াতি করে বিক্রি, সুদের ব্যবসাসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলাও আছে।  এলাকাবাসীর অভিযোগ, নাজমুল করিমের বাবা বিচ্ছু সামশু টাইপ রাইটার মেশিন চুরি করে চট্টগ্রাম কারেগারে ছিলেন। এলাকার চুরি-ছিনতাইসহ বিভিন্ন অভিযোগে পটিয়ার মানুষ ছিলো অতিষ্ট। সেই বিচ্ছু সামশুর ছেলে বাবার চেয়ে ভয়ংকর হয়ে উঠেছে। ব্যাংকার মোর্শেদ হত্যার নেপথ্যের কারিগর নাজমুল করিম এখন ছিনতাই, চাঁদাবাজি আর মাদক ব্যবসার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। চাকরি দেয়ার নামে নারীদের ধর্ষণ করতেও ছাড়ে না। এই কুলাংগারের বিচার না হলে সে সাধারণ মানুষের আরামের ঘুম হারাম করে ফেলবে। 

পটিয়ার কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতা ক্ষুদ্ধ কণ্ঠে বলেন, শুধু ঢাকাতেই নয়-চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে চট্টগ্রাম এবং পটিয়াসহ বিভিন্ন স্থানে শারুন চৌধুরী ফাঁদে ফেলে অনেক নারীর সর্বনাশ করেছেন। অনেকেই শারুন ও তার ক্যাডার বাহিনীর হুমকিতে মুখ খুলতেও ভয় পান। তবে ঢাকার নির্যাতিত নারীকে স্যালুট জানাই অন্তত সাহস করে শারুনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। শারুনের মতো ছিচকে সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি দাবী করেন তারা।


আরও খবর



জলপথে শিশু পাচার প্রতিরোধে নৌকায় মানববন্ধন

প্রকাশিত:শনিবার ২০ নভেম্বর ২০21 | হালনাগাদ:শনিবার ২০ নভেম্বর ২০21 | ৪২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জবি প্রতিনিধি:

জলপথে শিশু পাচার প্রতিরোধে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে নৌকায় মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করেছে লোকাল এডুকেশন এন্ড ইকোনোমিক ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন - লিডো।

শনিবার (২০ নভেম্বর) রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল সংলগ্ন ওয়াইজঘাটে নৌকায় দাঁড়িয়ে এ মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

এসময় শিশু পাচার রোধে রুখে দাঁড়াবো একসাথে; আইনের হাতে দিবো তুলে শিশু পাচার যারা করে; আমরা কারো দেওয়া কিছু খাব না; আমরা পাচার হব না; পাচার রোধে এক হই স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল এলাকা।

শিশু পাচার বন্ধ করি, সুখি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ি এই প্রতিপাদ্যে লিডো বাংলাদেশে শিশু পাচার প্রতিরোধে ইফেক্টিভ এ্যাওয়ারনেস অন এ্যান্টি ট্র্যাফিকিং প্রোগ্রাম নামক একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করে আসছে। যার মাধ্যমে পাচারের ঝুঁকিতে থাকা শিশুদের সুরক্ষায় সচেতনতা তৈরিতে বিভিন্ন কর্মকান্ড পরিচালনা করা হচ্ছে। উক্ত প্রকল্পের অংশ হিসেবে ব্যতিক্রমী এই মানববন্ধনের আয়োজন করে লিডো।

মানববন্ধনে শিশু পাচার কী এবং কীভাবে হয়, শিশু পাচারের ভয়াবহতা, পাচারকারীদের কীভাবে শনাক্ত করতে পারি এবং পাচারকারীদের থেকে সাবধান থাকার উপায়সহ নৌপথে কর্মরত বিভিন্ন লোকজন যেমন- আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, লঞ্চ পরিবহনে কর্মরত বিভিন্ন কর্মকর্তা ও কর্মচারি, যাত্রী, স্থানীয় লোকজন এবং শিশুদের মাঝে সচেতনতামূলক বার্তা পৌঁছে দেয়া হয়।

এছাড়াও শিশু পাচার প্রতিরোধে সচেতনতামূলক বার্তা সম্বলিত প্রচারপত্র (লিফলেট) বিতরণ করা হয়।

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন সদরঘাট নৌ থানার পক্ষ থেকে এ. এস. আাই সিরাজুল ইসলাম, নায়েক রুহুল আমীন এবং বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন ট্রাফিক ইন্সপেক্টর দিনেশ কুমার সাহাসহ বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিগণ। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন উক্ত আয়োজনের সমন্বয়ক এবং লিডোর তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম, টিএসএসবি প্রকল্প কদমতলী শাখার সিনিয়র সোশ্যাল মোবিলাইজার নাজিরুল ইসলাম অপুসহ কদতমতলী টিম এর সদস্যবৃন্দ।


আরও খবর



করোনায় একদিনে ৬ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৭৭

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৮ ডিসেম্বর ২০২১ | ১৩০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ২৭৭ জন, এই সময়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৬ জন। বুধবার (৮ ডিসেম্বর) এই তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। এর আগে মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) ৫ জনের মৃত্যু ও ২৯১ জন শনাক্তের তথ্য জানিয়েছিল অধিদফতর। সে হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত কমলেও মৃত্যু বেড়েছে।

অধিদফতর জানাচ্ছে, নতুন শনাক্ত হওয়া ২৭৭ জনকে নিয়ে দেশে সরকারি হিসেবে এখন পর্যন্ত মোট শনাক্ত হলেন ১৫ লাখ ৭৮ হাজার ২৮৮ জন। এখন পর্যন্ত মোট মারা গেলেন ২৮ হাজার ১৬ জন।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২৯৬ জন। তাদের নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে মোট সুস্থ হয়ে উঠলেন ১৫ লাখ ৪৩ ২০৪ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার নমুনা সংগৃহীত হয়েছে ২০ হাজার ৬৪৪ টি আর নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২০ হাজার ৫৪৯টি। দেশে এখন পর্যন্ত করোনার মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে এক কোটি ১০ লাখ ৪১ হাজার ৪০৬টি। তার মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ৭৮ লাখ ৩৭ হাজার ৯৩৬টি আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ৩২ লাখ তিন হাজার ৪৭০টি।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাতে রোগী শনাক্তের হার এক দশমিক ৩৫ শতাংশ আর এখন পর্যন্ত রোগী শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ২৯ শতাংশ।

শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ আর শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ৭৮ শতাংশ।

অধিদফতর জানাচ্ছে, ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ছয় জনের মধ্যে পুরুষ ৪ জন আর নারী দুজন। তাদের নিয়ে দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মোট পুরুষ মারা গেলেন ১৭ হাজার ৯২৪ জন। নারী মারা গেলেন ১০ হাজার ৯২ জন। তাদের মধ্যে বয়স বিবেচনায় ২১ থেকে ৩০ বছরের একজন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের একজন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের দুজন আর ৮১ থেকে ৯০ বছরের রয়েছেন দুজন।

মারা যাওয়া ৬ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগের তিনজন আর চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও সিলেট বিভাগের আছেন একজন করে। অধিদফতর জানাচ্ছে, মারা যাওয়া ছয় জনের মধ্যে চার জনের মৃত্যু হয়েছে সরকারি হাসপাতালে আর দুজন মারা গেছেন বেসরকারি হাসপাতালে।


আরও খবর
করোনায় মৃত্যু ও শনাক্ত বেড়েছে

মঙ্গলবার ০৭ ডিসেম্বর ২০২১