আজঃ বৃহস্পতিবার ২৪ জুন ২০২১
শিরোনাম

শুধু টিকা দিয়ে করোনা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয় : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ০৫ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৫ জুন ২০২১ | ১২২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, শুধু টিকা দিয়েই করোনা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়, আমাদের স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মানতে হবে। সবাই মিলে চেষ্টা করলে বাংলাদেশে করোনা নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হবে।

শনিবার দুপুরে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার গড়পাড়া হাইস্কুল মাঠে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের আয়োজনে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, যে দেশে করোনা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে আছে, তাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো আছে। আর যাদের করোনা নিয়ন্ত্রণে নেই, তারা বিধ্বস্ত হয়ে গেছে। কাজেই আমাদের সবাইকে চেষ্টা করতে হবে করোনা নিয়ন্ত্রণে রাখতে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে স্বাস্থ্য বিভাগসহ সব বিভাগ করোনা নিয়ন্ত্রণে কাজ করে যাচ্ছে। যে কারণে আমাদের দেশে ওষুধের অভাব হয়নি, খাদ্যের অভাব হয়নি। আমাদের কৃষি খাত ও শিল্পকারখানা সচল রয়েছে। আমাদের অর্থনীতি অনেক দেশের চেয়ে ভালো।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেনের সভাপতিত্বে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন- জেলা প্রশাসক এসএম ফেরদৌস, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মাহবুবুল ইসলাম, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আফসার উদ্দিন সরকার প্রমুখ।

উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ৫০টি স্টলের উন্নত জাতের গরু, ছাগল, ভেড়া, হাঁস-মুরগি, ঘোড়া, হরিণ, ময়ূর ঘুরে দেখেন।


আরও খবর
করোনায় আরও ৭৬ জনের মৃত্যু

মঙ্গলবার ২২ জুন ২০২১




গত ২৪ ঘণ্টায় নাটোরে ৪ জন মৃত্যু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৫ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৫ জুন ২০২১ | ৪৮জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নাটোরে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে এক নারীসহ ৪ জন মারা গেছেন। এ সময় ১০১ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৬১ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৬০ দশমিক ৩৯ শতাংশ।

মঙ্গলবার (১৫ জুন) জেলার সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সিভিল সার্জন বলেন, করোনাভাইরাসে মৃতদের মধ্যে সিংড়া, বড়াইগ্রামের ১ জন করে এবং সদর উপজেলার ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। জেলায় এ পর্যন্ত করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ২ হাজার ৩২৬ জন। আর মৃত্যু হয়েছে ৩৮ জনের।

নিউজ ট্যাগ: নাটোর

আরও খবর



ভারতে দ্রুত কমছে করোনা শনাক্ত

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ মে ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ৩০ মে ২০২১ | ১৩৪জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ভারতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যু কমেছে। শনিবার (২৯ মে) দেশটিতে দৈনিক আক্রান্ত নেমেছিল ১ লাখ ৭৩ হাজারে। রোববার (৩০ মে) তা আরও কিছুটা কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৬৫ হাজার ৫৫৩ জন। যা গত ছয় সপ্তাহে সবথেকে কম।

একইসঙ্গে কমেছে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যাও। গত ২৪ ঘণ্টায় দৈনিক মৃত্যু সাড়ে ৩ হাজারের নিচে নেমেছে। রোববার ভারতে করোনা আক্রান্ত হয়ে ৩ হাজার ৪৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রোববার (৩০ মে) পর্যন্ত ভারতে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২ কোটি ৭৮ লাখ ৯৪ হাজার ৮০০ জন। এখনও পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ৩ লাখ ২৫ হাজার ৯৭২ জনের।

ভারতে মোট কোভিড সংক্রমণের হার গত ৩ দিন ধরে ৮ দশমিক ১৩ শতাংশই রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণের হার কিছুটা কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে কোভিড সংক্রমণের হার ৮ দশমিক ০২ শতাংশ।

তবে, আশার আলো সুস্থতার হারে। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২ লাখ ৭৬ হাজার ৩০৯ জন। দেশে করোনা থেকে মোট সুস্থ হয়েছেন ২ কোটি ৫৪ লাখ ৫৪ হাজার ৩২০ জন। সুস্থতার হার এক লাফে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯১ দশমিক ২৫ শতাংশ। দেশে মোট টিকা নিয়েছেন ২১ কোটি ২০ লাখ ৬৬ হাজার ৬১৪ জন।

নিউজ ট্যাগ: করোনাভাইরাস

আরও খবর
করোনার ডেল্টা প্লাসে প্রথম মৃত্যু

বৃহস্পতিবার ২৪ জুন ২০২১




ঢাকায় ৭১ চট্টগ্রামে ৫৫ শতাংশ মানুষের দেহে অ্যান্টিবডি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২২ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২২ জুন ২০২১ | ৫৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাস সংক্রমণের মধ্যে ঢাকায় ৭১ ও চট্রগ্রামে ৫৫ শতাংশে মানুষের শরীরে করোনার অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা সংস্থা (আইসিডিডিআরবি)।

মঙ্গলবার (২২ জুন) বেলা ১১টায় বাংলাদেশ হেলথ ওয়াচ ও আইসিডিডিআরবির যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক ভার্চ্যুয়ালি ওয়েবিনারে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

তারা জানিয়েছেন, ৩ হাজার ২২০ জনের মধ্যে পাঁচ মাসের গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। বয়স্ক ও তরুণদের সেরোপজিটিভিটির (অ্যান্টিবডি তৈরির পরিমাণ) হার প্রায় সমান। মহিলাদের মধ্যে সেরোপজিটিভিটির হার ৭০.৬ শতাংশ, যা পুরুষদের (৬৬ শতাংশ) তুলনায় বেশি। যেসব অংশগ্রহণকারীদের (মোট ২২০৯) মধ্যে সেরোপজিটিভিটি পাওয়া গেছে তাদের মধ্যে শুধুমাত্র ৩৫.৫ শতাংশের ক্ষেত্রে মৃদু উপসর্গ দেখা দিয়েছিল।

আইসিডিডিআর,বি সম্প্রতি সার্স-কোভ-২ সংক্রমণের বিস্তার নির্ণয়ের জন্য একটি গবেষণা পরিচালনা করেছে। গবেষণাটি ঢাকা ও চট্টগ্রামের বস্তি এবং বস্তিসংলগ্ন এলাকায় বসবাসকারী সার্স-কোভ-২ এর উপসর্গযুক্ত এবং উপসর্গহীন ব্যক্তিদের ওপর করা হয়েছে। এই সমীক্ষার মাধ্যমে সেরোপজিটিভিটি (রক্তে সার্স-কোভ-২ এর উপস্থিতি) সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় বিশ্লেষণ করা হয়েছে।


আরও খবর
করোনায় আরও ৭৬ জনের মৃত্যু

মঙ্গলবার ২২ জুন ২০২১




শীতলক্ষ্যার ঘাটে ঘাটে ময়লার ভাগাড়

প্রকাশিত:বুধবার ১৬ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৬ জুন ২০২১ | ৯১জন দেখেছেন
Image

শ্রীপুর ( গাজীপুর ) প্রতিনিধি :

পঁচা সবজি ও গৃহস্থালির ময়লা-আবর্জনা স্তূপ হয়ে আছে নদীর পাড়ে। স্তূপে প্লাস্টিকের খালি বোতল থেকে শুরু করে পলিথিন, কলার কাঁদিসহ পরিত্যক্ত নানা সামগ্রী পড়ে আছে। ময়লার স্তূপের পাশেই ঘাট। সেখানে আবর্জনার দুর্গন্ধের মধ্যেই  নদী পাড়াপাড় করছেন স্থানীয় লোকজন।

শ্রীপুরে প্রবহমান শীতলক্ষ্যা নদীর বরমী বাজার খেয়া ঘাটে গিয়ে দেখা গেছে এমন দৃশ্য। শুধু বরমী নয়, শীতলক্ষ্যা কয়েকটি ঘাট ঘুরে একই রকম চিত্র পাওয়া গেছে।

বরমী বাজার খেয়া ঘাটে ময়লা-আবর্জনা সয়লাব হয়ে রয়েছে। শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে ঐতিহ্যবাহী বরমী বাজারের খেয়া ঘাটে নির্বিচারে ফেলা হচ্ছে বর্জ্য। এসব বর্জ্য গড়িয়ে নদীর পানিতে মিশে দূষিত হচ্ছে নদীর পানি ও পরিবেশ। খেয়াঘাটটিকে দেখলে মনে হয় যেন ময়লার ভাগাড়।

বরমী হতে আশপাশের কয়েকটি উপজেলায় যাতায়াতের জন্য নদীপথে লঞ্চ এবং নৌকা এলাকাবাসীর একমাত্র বাহন। আর ব্যবসায়ীদের যাবতীয় মালামাল আনা-নেওয়া করা হয় নৌকায় বা লঞ্চে। খেয়াঘাটে ফেলা ময়লার দূর্গন্ধ এবং নদী দূষণের কারণে নদীপথের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এলাকাবাসী।

স্থানীয় লোকজন জানান, বরমী বাজারে শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে গড়ে উঠা বেসরকারি ক্লিনিকের ও বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা কাঁচা বাজারের ময়লা-আবর্জনা নদীতে ফেলে দেন। এ কারণে নদীর পানি দূষিত হয়ে পড়ছে। নদীতে বর্জ্য ও ময়লার স্তূপ থাকায় দুর্গন্ধে পানির কাছে যাওয়া যায় না। তাঁদের দাবি, ময়লা-আবর্জনা ফেলা বন্ধ করার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

খেয়াঘাটের মাঝি চাঁন মিয়া জানান, শীতলক্ষ্যা আর আগের মতো নেই। ময়লা পচার দুর্গন্ধে নাজেহাল অবস্থায় আছি। এখন যে অবস্থা মাঝিগিরিও ছাইড়া দিতে হবে।

উপজেলার বরমী বাজারে কয়েকটি ক্লিনিকের মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁরা শীতলক্ষ্যা নদীর খেয়া ঘাটে বর্জ্য ফেলার কথা অস্বীকার করেন।

নদী পরিব্রাজক দলের শ্রীপুর উপজেলা শাখার সভাপতি সাইদ চৌধুরী বলেন, নদী রক্ষায় আইন থাকলেও আইনের যথাযথ প্রয়োগের অভাবে শীতলক্ষ্যা এখন দূষণের কবলে। প্রশাসনকে বিষয়টি তাড়াতাড়ি আমলে নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। পানি উন্নয়ন বোর্ড ও পরিবেশবিদরা যদি যথাযথ ব্যবস্থা নেন তাহলে শুধু শীতলক্ষ্যা নদী নয়, বেঁচে যাবে ছোট বড় সকল নদী। তাছাড়া নদী রক্ষায় বিভিন্ন অধিদপ্তরকে এগিয়ে আসতে হবে।

গাজীপুর জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আব্দুস সালাম সরকার বলেন, বিষয়টি আমাদের জানা ছিল না আমরা পরিদর্শনে যাব সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য আমি স্থানীয় প্রশাসনের সাথে কথা বলবো।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)  বলেন, ক্লিনিকের বর্জ্য নদীতে না ফেলার জন্য ক্লিনিক মালিকদের সাথে কথা বলা হবে। তারপরও কেউ ময়লা ফেললে খোঁজ নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



রাজধানীর যে চার কেন্দ্রে দেওয়া হবে ফাইজারের টিকা

প্রকাশিত:বুধবার ০২ জুন 2০২1 | হালনাগাদ:বুধবার ০২ জুন 2০২1 | ১২৪জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানীর চারটি কেন্দ্রে দেওয়া হবে ফাইজারের কোভিড-১৯ টিকা। ম্যাসেঞ্জার আরএনএ (এমআরএনএ) ভিত্তিক এ টিকা তাপ ও আলোর প্রতি অত্যন্ত সংবেদনশীল। আপাতত রাজধানীতেই ফাইজারের টিকা দেওয়া হবে।

ফাইজারের টিকা দেওয়ার জন্য রাজধানীর চারটি কেন্দ্রের প্রস্তাব দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। কেন্দ্রগুলো হলো- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, শেখ রাসেল জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল এবং জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট।

এই টিকা কোনো ভাবেই আলো ও তাপের সংস্পর্শে রাখা যাবে না। এর দুটো ডোজ দেওয়া হবে। প্রতি ডোজে শূন্য দশমিক ৩ এমএল সমপরিমাণ থাকবে, যা ২৮ দিনের ব্যবধানে প্রয়োগ করা হবে।

যেহেতু ফাইজারের টিকা জমানো, জীবাণুমুক্ত, প্রিজারভেটিভ এবং এডজুভেন্ট মুক্ত, মাল্টি-ডোজ কন্সেট্রেট অর্থাৎ ঘনীভূত তাই মানবদেহে প্রয়োগের আগে অবশ্যই সংমিশ্রণ করতে হবে। এক্ষেত্রে এক ভায়ালের সঙ্গে ডাইলুয়েট মিশ্রণের পর ৬ ডোজ টিকা প্রস্তুত হবে। সংমিশ্রণের জন্য দুই এমএলের সিরিঞ্জ ব্যবহার করতে হবে।

যাদের টিকা দেওয়া যাবে না : ফাইজার-বায়োএনটেকের টিকা গর্ভবতী মা এবং দুগ্ধদানকারী মায়েদের দেওয়া যাবে না। এলার্জি প্রতিক্রিয়ার ইতিহাস (অ্যানাফাউল্যাক্সিস) থাকলে সেসব ব্যক্তিদের টিকা দেওয়া যাবে না। প্রথম ডোজ দেওয়ার পরে যদি এলার্জিক প্রতিক্রিয়া হয়ে থাকে তাহলে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া যাবে না। কোনো ব্যক্তির শরীরে জ্বর থাকলে (৩৮.৫) ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের বেশি টিকা দেওয়া যাবে না। এমনকি গ্রহীতার যদি কোভিড-১৯ রোগের লক্ষণ থাকলে সেরে না ওঠা পর্যন্ত টিকা দেওয়া যাবে না। এছাড়া অসুস্থ ও হাসপাতালে ভর্তি ব্যক্তিকেও এ টিকা দেওয়া যাবে না।

সোমবার (৩১ মে) রাতে ১ লাখ ৬২০ ডোজ ঢাকায় এসেছে।


আরও খবর