আজঃ বৃহস্পতিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২১
শিরোনাম

তিন ছেলেকে বিষ খাওয়ালেন মাদকাসক্ত বাবা

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ নভেম্বর ২০২১ | ১১৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নেশার টাকা না পেয়ে নিজের তিন শিশুপুত্রকে বিষপান করিয়েছেন আলম শেখ নামে মাদকাসক্ত এক ব্যক্তি। এতে তার ছোট ছেলে হোসেন শেখের (৩) মৃত্যু হয়েছে। বাকি দুই ছেলে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।  

ঘটনাটি ঘটেছে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার খান্দারপাড়া ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামে।চারদিন ধরে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে রবিবার (১৪ নভেম্বর) সকাল ৮টার দিকে ফরিদপুর শেখ মুজিবুর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতা‌লে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হোসেন মারা যায়।

শিশুদের মা সীমা বেগম জানিয়েছেন, তার স্বামী আলম শেখ মাদকাসক্ত। এর আগে বৃহস্প‌তিবার সকালে স্ত্রীর কাছে নেশার টাকা না পেয়ে তাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেন আলম। এরপর তিন ছেলেকে জোর করে বিষ পান করান তিনি। এর চারদিন পর হোসেনের মৃত্যু হয়। বাকি দুই ছেলে সিয়াম শেখ (১০)  ও  হাসান শেখ (৪) ওই হাসপাতা‌লে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। তাদের অবস্থাও সংকটাপন্ন। 

তিনি বলেন, আমি আলম শেখের ফাঁসি চাই। যাতে অন্য কোনো বাবা তার সন্তানদের সঙ্গে এমন কাজ করতে সাহস না পায়। বিষক্রিয়ায় অসুস্থ তিন ভাই ।

মুকসুদপুর থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর মিয়া জানান, বৃহস্পতিবার বিষ দেওয়ার পর প্রথমে শিশু তিনটিকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। তাদের অবস্থার অবনতি হলে ওই দিনই ফরিদপুর শেখ মুজিবুর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। গত শুক্রবার ওই তিন শিশুকে মা সীমা বেগম বাড়িতে নিয়ে আসেন। কিন্তু শনিবার তাদের অবস্থা আবার খারাপ হলে স্থানীয়দের আর্থিক সহায়তায় তাদের ফরিদপুর মেডিক্যালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার সকালে হোসেন মারা যায়। 

তিনি আরো জানান, ওইদিনই (বৃহস্পতিবার) ওই শিশুদের বাবা আলম শেখকে হত্যাচেষ্টার মামলায় গ্রেফতার করা হয়। বর্তমানে তিনি গোপালগঞ্জ জেলা কারাগারে রয়েছে। একটি শিশু মারা যাওয়ায় ওই মামলাকে হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হবে। 


আরও খবর



ডিআরইউ’র সভাপতি মিঠু, সম্পাদক হাসিব

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ৩০ নভেম্বর ২০২১ | ৩৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি-ডিআরইউ কার্যালয়ে ভোট গ্রহণ শুরু হয়, বিরতিহীনভাবে চলে বিকাল ৫টা পর্যন্ত

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি-ডিআরইউর ভোটে (২০২২) সভাপতি নজরুল ইসলাম মিঠু ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম হাসিব নির্বাচিত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) সকাল ৯টা বিকাল ৫টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

এর আগে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি-ডিআরইউ কার্যালয়ে ভোট গ্রহণ শুরু হয়, বিরতিহীনভাবে চলে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। এক ঘণ্টা বিরতি দিয়ে ৬টা থেকে শুরু হয় ভোট গণনা।

পরে ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনার মনজুরুল আহসান বুলবুল।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)- নির্বাচন-২০২২ এর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন প্রবীণ সাংবাদিক ও দি ফিন্যান্সিয়াল হেরাল্ড সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ।

এবারের নির্বাচনে ২১টি পদের বিপরীতে ৪৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তবে দুটি পদে একজন করে প্রার্থী থাকায় ওই দুটি পদে ভোট হয়নি। 


আরও খবর



পিরোজপুরে বঙ্গবন্ধুর নামে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে সংসদে বিল

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ নভেম্বর ২০২১ | ৫৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
পিরোজপুর সদরে এই বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হবে। উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণার জন্য এক বা একাধিক ইনস্টিটিউট স্থাপন করা যাবে। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই নতুন এ আইন করা হচ্ছে

পিরোজপুরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করতে জাতীয় সংসদে বিল তোলা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পিরোজপুর বিল-২০২১ সংসদে উত্থাপন করেন।

পরে বিলটি এক মাসের মধ্যে পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠান হয়।

বিলে বলা হয়েছে, পিরোজপুর সদরে এই বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হবে। উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণার জন্য এক বা একাধিক ইনস্টিটিউট স্থাপন করা যাবে। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই নতুন এ আইন করা হচ্ছে।

খসড়া আইনে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য রাষ্ট্রপতি চার বছর মেয়াদের জন্য দুজন উপ উপাচর্য নিয়োগ করবেন। যাদের একজন অ্যাকাডেমিক এবং আরেকজন প্রশাসনিক কার্যক্রম দেখবেন।

নিউজ ট্যাগ: পিরোজপুর

আরও খবর



বিবাহ বিচ্ছেদ হচ্ছে অনুপম রায়ের

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১১ নভেম্বর ২০২১ | ৮৩০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

টুইট করে বিবাহ বিচ্ছেদের কথা ঘোষণা করলেন সঙ্গীতশিল্পী অনুপম রায়। জানালেন, স্বামী-স্ত্রী নয়, পিয়া চক্রবর্তীর সঙ্গে বন্ধু হিসেবেই থাকবেন। তিনি জানান, পিয়ার সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ দিনের সম্পর্ক মনে রাখার মতোই ছিল। কিন্তু ব্যক্তিগত মতানৈক্য এবং ভাবনার ফারাকের জন্য স্বামী-স্ত্রী হিসাবে তাঁরা আর থাকতে পারছেন না।

ঘটনাচক্রে এটি অনুপমের দ্বিতীয় বিবাহবিচ্ছেদ। টুইটে অনুপম কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন, বন্ধু, পরিবার এবং শুভানুধ্যায়ীদের যাঁরা বরাবর পিয়া এবং তাঁর পাশে থেকেছেন এবং তাঁদের প্রত্যেকটি পদক্ষেপকে সমর্থন জানিয়েছেন। সেই সমানুভূতি এবং সমর্থন যাতে ভবিষ্যতেও থাকে, তার জন্য তিনি অনুরোধ জানিয়েছেন। এই বিবাহবিচ্ছেদকে সম্মানের সঙ্গে দেখার কথাও বলেছেন।

টুইটে বিবাববিচ্ছেদের খবর জানানো অবশ্য নতুন কোনও বিষয় নয়। সাম্প্রতিক অতীতে এমনই বিবৃতি দিয়ে নিজেদের আলাদা করে পথে চলার কথা ঘোষণা করেছিলেন, আমির খান এবং কিরণ রাও। আমিরও লিখেছিলেন, বন্ধু এবং সহকর্মী হিসাবে কিরণের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক থাকবে। এই পথে হাঁটলেন অনুপমও।

বৃহস্পতিবার দুপুরে অনুপমের এই ঘোষণার প্রায় আধঘণ্টা বাদে পিয়াও ইনস্টাগ্রামে বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে হুবহু একই বক্তব্য প্রকাশ করেন। যদিও কিছু দিন আগে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে কোনও আভাস পাওয়া যায়নি। নেটমাধ্যমে ১৪ অক্টোবর প্রিয় লিখে অনুপমকে নিয়ে পিয়া পরিবার এবং বন্ধুদের সঙ্গে ছবি দিয়েছিলেন। সেখানে পুজোর মেজাজেই তাঁদের দুজনকে দেখা গিয়েছিল। হয়তো পিয়া-অনুপমের গভীর বন্ধুত্বই এই বিচ্ছেদকে সহজ করেছে।

৬ ডিসেম্বর ২০১৫ সালে পিয়াকে বিয়ে করেন অনুপম। প্রায় ৬ বছরের মাথায় বিয়ে ভাঙল। অনুপমের স্ত্রী পিয়া নৃবিজ্ঞানে পিএইচডি করেছেন গ্রেটার নয়ডার শিব নাডার বিশ্ববিদ্যালয়ে। কলেজে পড়ার সময় অনুপমের সঙ্গে বন্ধুত্ব হয়েছিল তাঁর। এই বন্ধুত্ব পরবর্তীতে এসে গড়ায় ভালবাসার সম্পর্কে। তার পরই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। তত দিনে অনুপমের প্রথম বিচ্ছেদ হয়ে গিয়েছে।

পিয়ার সঙ্গে বিয়ের পর অনুপমের পেশাদার জীবন কিংবা ব্যক্তিগত জীবনে কোনও বদল আসেনি। একাধিক জনপ্রিয় ছবিতে গান গেয়েছেন, সুরারোপ করেছেন অনুপম। প্রকাশিত হয়েছে কবিতার বই। অন্য দিকে, পিয়া পড়াশোনার সঙ্গে নানা সামাজিক কাজকর্মে নিজেকে জড়িয়ে রেখেছিলেন। এমনকী অনুপমের পরিচালনায় রবীন্দ্রনাথের গানের একক একটি অ্যালবামও প্রকাশিত হয়েছিল পিয়ার।

নিউজ ট্যাগ: অনুপম রায়

আরও খবর
অদ্ভুত অনুভূতি রেখেই শেষ হলো ‘মানি হাইস্ট’

বৃহস্পতিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২১

সায়ন্তিকার গাড়িতে ট্রাকের ধাক্কা

বৃহস্পতিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২১




লালশাক এর ১০টি উপকারিতা

প্রকাশিত:সোমবার ২২ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২২ নভেম্বর ২০২১ | ৩৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ধোঁয়া ওঠা গরম ভাতে লালশাক ভাজা খাওয়ার মজাই যেন আলাদা। তবে সবজি যাঁদের না-পসন্দ, এর উপকারিতা জানলে খেতে ইচ্ছে করবেই।

পুষ্টিবিদদের মতে, শীতকালের একটি সুপারফুড হল লালশাক। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর লালশাক বহু রোগের জন্য উপকারী। ১০০ গ্রাম লালশাকের মধ্যে ক্যালসিয়াম আছে ৩৭৪ মিলিগ্রাম। প্রোটিন আছে ৫.৩৪ গ্রাম। প্রতিদিন খেলে শরীর সতেজও থাকে। তাছাড়াও এর বহু উপকারিতা রয়েছে। যেমন,

১. কোলেস্টেরলের সমস্যায় যাঁরা চিন্তিত, তাঁদের রোজ লালশাক খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এটি হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

২. লালশাকে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। তাছাড়াও অ্যান্টি ক্যানসার গুণাবলীও রয়েছে এর মধ্যে।

৩. ভিটামিন এ-তে ঠাসা লালশাক রেটিনার কার্যক্ষমতা বাড়ায়। দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধির জন্য এটি ভীষণ উপকারী।

৪. লালশাকে প্রচুর আয়রন রয়েছে। ফলে অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতার মতো সমস্যায় যাঁরা ভোগেন, তাঁরা রোজ খান লালশাক।

৫. রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে লালশাক। ফলে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীরা খেলে উপকার পাবেন।

৬. লালশাকে ক্যালোরির পরিমাণ অত্যন্ত কম। ফলে রোজ খেলেও ওজন বেড়ে যাওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। বরং এটি পেট ভর্তি রাখে। চটজলদি খিদেও পায় না। এবং ওজন কমে।

৭. লালশাকে প্রচুর ফাইবার রয়েছে। ফলে খাবার চটজলদি হজম হয়। কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যার সমাধান করতেও এর জুড়ি মেলা ভার।

৮. অ্যামাইনো অ্যাসিড, ফসফরাস, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম এবং ভিটামিন সি, ভিটামিন ই রয়েছে লালশাকে। এই উপাদানগুলো শরীরের দূষিত পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে। ফলে কিডনি পরিষ্কার রাখে।

৯. লালশাকে ক্যালসিয়াম রয়েছে অনেকখানি। যা গর্ভাবস্থায় মেয়েদের জন্য খুবই উপকারী।

১০. লালশাক দাঁতের স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ উপকারী। শরীরে শক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে এটি। 


আরও খবর
করোনায় মৃত্যু ও শনাক্ত বেড়েছে

মঙ্গলবার ০৭ ডিসেম্বর ২০২১




আজ জীবননগর মুক্ত দিবস

প্রকাশিত:শনিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২১ | ৩১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
১৯৭১ সালের ২৬ নভেম্বর জীবননগরে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর পতন ঘটলেও চুড়ান্ত বিজয় আসে ৪ ডিসেম্বর

চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর মুক্ত দিবস আজ ৪ ডিসেম্বর। ১৯৭১ সালের এ দিনে ভারতীয় সীমান্ত ঘেঁষা চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলা হানাদার মুক্ত হয়। এ দিন মুক্তিযোদ্ধা ও ভারতীয় মিত্র বাহিনীর তুমুল প্রতিরোধের মুখে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর জীবননগর ছেড়ে ঝিনাইদহ্ অভিমুখে পালিয়ে যায়।

জীবননগর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মো. নিজামউদ্দীন জানান, ১৯৭১ সালের ২৬ নভেম্বর জীবননগরে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর পতন ঘটলেও চুড়ান্ত বিজয় আসে ৪ ডিসেম্বর। এদিন প্রত্যুষে ভারতীয় মিত্র বাহিনীর কমান্ডার মেজর দত্ত ও ৮ নং সেক্টরের সাব-সেক্টর কমান্ডার ক্যাপ্টেন মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধা ও মিত্র বাহিনী যৌথভাবে জীবননগর উপজেলার ধোপাখালী সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করে জীবননগর, দত্তনগর, হাসাদহ ও সন্তোষপুরে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর উপর অতর্কিতভাবে ঝাপিয়ে পড়ে। শুরু হয় রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের।

মো. নিজামউদ্দীন জানান, ৪ ডিসেম্বর এ যুদ্ধে পাকহানাদার বাহিনীর ২৯ বেলুচ রেজিমেন্টের সৈন্যরা যৌথ বাহিনীর কাছে পরাজিত হয়ে পার্শ্ববর্তী জেলা ঝিনাইদহের দিকে পালিয়ে যায়। এ সময় থানায় ফেলে যাওয়া পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর ক্যাপ্টেন নারী ধর্ষণকারী ও অমানুষিক নির্যাতনকারী হিসেবে চিহ্নিত মুনছুর আলীর ব্যবহৃত জিপ গাড়িতে মুক্তিযোদ্ধারা আগুন ধরিয়ে দেয় এবং থানার মালখানা থেকে উদ্ধার করে পাশবিক নির্যাতনের পর সদ্য হত্যা করা ৭-৮ জনের অজ্ঞাত পরিচয় যুবতীর লাশ। এ দিন স্বতঃস্ফুর্ত মুক্তিপাগল মুক্তিযোদ্ধারা জীবননগরের মাটিতে প্রথম উত্তোলন করে স্বাধীন বাংলার পতাকা। শুরু হয় প্রশাসনিক কর্মকান্ড।

মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রসুলকে প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও মজিবর রহমানকে থানা ইনচার্জ করে বে-সামরিক প্রশাসন ব্যবস্থা চালু করা হয়। সে দিনের সেই ৪ ডিসেম্বর জীবননগর মুক্ত দিবস হিসেবে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ আজও এ দিনটি পালন করে আসছে।  


আরও খবর
আজ চাঁদপুর মুক্ত দিবস

বুধবার ০৮ ডিসেম্বর ২০২১