আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

যুদ্ধবিরতির মধ্যে পশ্চিম তীরে ছয় ফিলিস্তিনিকে হত্যা

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ নভেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

চলমান চারদিনের যুদ্ধবিরতির মধ্যেই অধিকৃত পশ্চিম তীরের জেনিন শহরে ৬ জন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়, শনিবার জেনিন শহরে অনুপ্রবেশের সময় ইসরায়েলি গুলিতে চার ফিলিস্তিনি নিহত হন। এইদিনে ভোরে জেনিনের নিকটবর্তী একটি বাড়ি ঘেরাও করে শক্তিশালী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা করে ইসরায়েলি বাহিনী। এসময় নিজ বাড়ির বাইরে ২৫ বছর বয়সী এক চিকিৎসক এবং রামাল্লার কাছে এল-বিরেহ এলাকায় আরেক ফিলিস্তিনি নিহত হন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, শহরে প্রবেশরত সামরিক যানবাহনের উপর দিয়ে হেলিকপ্টার উড়ছে।

এদিকে, ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান চারদিনের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও বাড়তে পারে। শনিবার (২৫ নভেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছেন মিসরের স্টেট ইনফরমেশন সার্ভিসের (এসআইএস) প্রধান দিয়া রাশওয়ান।

তিনি বলেছেন, যুদ্ধের সব পক্ষের কাছ থেকে এ ব্যাপারে ইতিবাচক সংকেত পেয়েছেন তারা। যদি যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধি পায় তাহলে সেটি এক অথবা দুইদিন হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন>> গাজায় ৫০ দিনে অন্তত ৬৭ সাংবাদিক নিহত

শনিবার প্রকাশ করা বিবৃতিতে স্টেট ইনফরমেশন সার্ভিসের প্রধান আরও বলেছেন, মিসর যুদ্ধের সব পক্ষের সঙ্গে ব্যাপক আলোচনা চালাচ্ছে যেন যুদ্ধবিরতির মেয়াদ এক অথবা দুইদিন বাড়ানো হয়। যার অর্থ যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়লে গাজা থেকে আরও জিম্মি এবং ইসরায়েলি কারাগার থেকে আরও ফিলিস্তিনি মুক্তি পাবেন।

গত ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ গোষ্ঠী হামাসের আন্তঃসীমান্ত আক্রমণের পর থেকে হাসপাতাল, বাসস্থান এবং উপাসনালয়সহ গাজা উপত্যকার বিভিন্ন স্থাপনায় টানা বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে আসছে ইসরায়েল। ইসরায়েলের নির্বিচার হামলায় উপত্যকায় ফিলিস্তিনিদের প্রাণহানির সংখ্যা ১৪ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। তাদের বেশিরভাগই নারী এবং শিশু।

আর হামাসের হামলায় ইসরায়েলিদের প্রাণহানি এক হাজার ২০০ জনে পৌঁছেছে বলে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে। যদিও প্রথমে হামাসের হামলায় ১ হাজার ৪০০ নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছিল ইসরায়েল।


আরও খবর



খুব শিগগিরই দলে দলে বিদেশি রোগী মেডিকেল ভিসায় দেশে আসবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বিদেশ থেকে খুব শিগগিরই দলে দলে মানুষ বাংলাদেশে চিকিৎসা নিতে আসবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সামন্ত লাল সেন। আজ সকালে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভুটান থেকে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর সফল অস্ত্রোপচার শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের চিকিৎসকদের মান বিশ্বের কোনো দেশের তুলনায় কম নয়। শুধু সুযোগের অভাবে চিকিৎসকেরা সেটি তুলে ধরতে পারেন না। বাংলাদেশের চিকিৎসকদের বিশ্বের অন্যান্য উন্নত দেশের মত সুযোগ দেওয়া গেলে এই চিকিৎসকেরাই তাদের যোগ্যতা বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে পারবেন। নাকে ক্যানসার আক্রান্ত হয়ে ভুটানের ২৩ বছর বয়সী মেয়ে কার্মডেমার সফল চিকিৎসায় বাংলাদেশি চিকিৎসকেরা প্রমাণ করে দিয়েছে। বিদেশ থেকেও খুব শিগগিরই দলে দলে মানুষ বাংলাদেশে চিকিৎসা নিতে আসবে এবং বিদেশিদের উপযুক্ত চিকিৎসা সেবা দেওয়ার সেই সক্ষমতা বাংলাদেশের আছে।

তিনি করেন, বিদেশে আমাদের দেশের মানুষ নিয়মিতই চিকিৎসা নিতে যাচ্ছেন। অনেক টাকা খরচ করে কেউ কেউ নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছেন। অথচ আমরা আজ ভুটান থেকে চিকিৎসা নিতে আসা কার্মাডেমা নামের যে রোগীকে চিকিৎসা করালাম, সফলভাবে চিকিৎসা নিয়ে রোগী স্বাভাবিক অবস্থায় চলে এসেছে। ভারত ও অন্যান্য অনেক দেশ থেকে বলে দিয়েছিল তার এই চিকিৎসা সম্ভব নয়। অথচ আমরা বাংলাদেশ থেকে তার চিকিৎসা সফলভাবে সম্পন্ন করতে সক্ষম হলাম। রোগী সুস্থ অবস্থায় এখন ভুটান চলে যেতে পারবেন।

ভুটানের ২৩ বছর বয়সী রোগী কার্মডেমার চিকিৎসার জটিলতা সম্পর্কে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, এই রোগীর চিকিৎসা করা ছিল অত্যন্ত কঠিন ও জটিল কাজ। এর আগে ভারতে ও ভুটানে তার অপারেশন হয়েছিল, থাইল্যান্ডেও সে চিকিৎসা নিয়েছিল। কিন্তু এর আগে তার অপারেশনগুলো সাকসেসফুল না হওয়ায় পরবর্তী অপারেশন করাটা ছিল ভীষণ জটিল, ঝুঁকিপূর্ণ ও সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। এ কারণে অনেক দেশই তার জন্য নতুন করে আরেকটি অপারেশন করার সাহস করতে পারেনি। আমরা এটিকে দেশের ভাবমূর্তির প্রশ্ন ধরে নিয়ে, চিকিৎসা বোর্ড করে এই অপারেশন কাজে হাত দেই।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, দীর্ঘ সময় নিয়ে শরীরের অন্য জায়গা থেকে রক্তসহ মাংস, হার কেটে নাকে লাগিয়ে দেওয়া এবং নাকের রক্ত সঞ্চালন ঠিক রাখাটা ছিল রীতিমতো চ্যালেঞ্জের কাজ। সেই কঠিন কাজটি আমাদের চিকিৎসকেরা সফলতার সঙ্গে করে দেখিয়েছেন। নিঃসন্দেহে এটি আমাদের দেশের চিকিৎসা সেবার জন্য বিরাট এক অর্জন।

তিনি বলেন, এখন এ রকম সফলতার পর ভুটানেও ১৫ শয্যার বার্ন ইনস্টিটিউট করার ব্যাপারে আমাদের সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে। নেপালসহ অন্যান্য সার্কভুক্ত দেশগুলোতেও এ রকম জটিল চিকিৎসা সেবা আমাদের চিকিৎসকদের মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়াসহ দেশের হাসপাতালে বিদেশি রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া নিয়ে আলাপ আলোচনা করা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে ভুটানের রাষ্ট্রদূত মি রিং চেং কুইং সিল বলেন, বিশ্বের অন্য দেশ যা পারেনি, এই জটিল অপারেশন সফলভাবে সম্পন্ন করে বাংলাদেশ সেটিই করে দেখিয়েছে। বিশ্বের অন্য দেশগুলো যখন বলেছিল-এই অপারেশন সম্ভব নয়, তখন বাংলাদেশ বলেছিল সেটি সম্ভব এবং বাংলাদেশ সেই অসম্ভব কাজকে সম্ভব করেছে। এ জন্য আমরা বাংলাদেশের জনগণ, সরকার ও চিকিৎসকদের কাছে কৃতজ্ঞ।

চিকিৎসা গ্রহীতা কার্মডেমা বলেন, যখন আমি সব আশা ছেড়ে দিয়েছিলাম, তখন বাংলাদেশের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট ও বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী আমাকে আশ্রয় দিয়েছেন এবং সফল চিকিৎসা দিয়েছেন। এ জন্য আমি বাংলাদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের কাছে চির কৃতজ্ঞ।

উল্লেখ্য, নাকে ক্যানসার আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশে আসেন ভুটানের ২৩ বছর বয়সী মেয়ে কার্মডেমা। গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর মেডিকেল ভিসায় চিকিৎসা নিতে দেশে আসেন তিনি। চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে সফলভাবে তাঁর অপারেশন সম্পন্ন করা হয়। তিনি বর্তমানে সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন এবং দু-এক দিনের মধ্যেই তিনি ভুটানে চলে যেতে পারবেন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেনের সঙ্গে ভুটানের রাষ্ট্রদূত মি. রিং চেং কুইং সিল, শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের পরিচালক রায়হানা আওয়াল ও ভুটানের রোগী কার্মডেবা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেনশেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের উপপরিচালক ডা. মোহাম্মদ মামুন খান।


আরও খবর
করোনার কিছু টিকায় সমস্যা বেড়েছে: গবেষণা

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বিপত্তি, যুবকের পা কামড়ে দিল হাঙর

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে ঘটলো বিপত্তি। হাঙরের হামলায় অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন এক যুবক। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের মহারাষ্ট্রের পালঘরে বৈতরণ নদীতে। নদীটি নাসিক ও পালঘর জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পশ্চিম দিকে আরব সাগরে পতিত হয়েছে।

খবর অনুসারে, ভিকি গোয়ারি মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) মাছ ধরার জন্য কিছু লোকের সাথে উপসাগরে প্রবেশ করেন। কিন্তু তাদের অবাক করে দিয়ে উপসাগরে একটি হাঙর উপস্থিত হয় এবং ভিকির পায়ে কামড় দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।

লোকটি বেঁচে গেলেও তার বাম হাঁটুর নিচের প্রায় অর্ধেক পা হাঙরের আঘাতে কেটে যায় এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন।

ভিকিকে দ্রুত মনোরের একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং তাকে দেখতে তীরের কাছে ভিড় জমে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় এক ব্যক্তির তোলা ভিডিওতে দেখা যায়, হাঙরটি পানি থেকে উঠে এসে লেজ নাড়ছে। স্থানীয়রা জাল ব্যবহার করে মাছটি ধরে তীরে নিয়ে আসে। পানিতে আরও হাঙর আছে কিনা তা স্পষ্ট নয়।


আরও খবর



ইসলাম ও মুসলমানদের খেদমতে আ.লীগ সবচেয়ে বেশি কাজ করেছে: ধর্মমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

ধর্মমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান বলেছেন, আওয়ামী লীগ সবসময়ই ইসলামের খেদমত ও উন্নয়নে কাজ করেছে। সরকারের সময়োচিত নানা পদক্ষেপের ফলে বাংলাদেশে ইসলাম চর্চার ক্ষেত্র প্রসারিত হয়েছে।

বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনই আওয়ামী লীগ সরকারের একমাত্র লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য অর্জনেই কাজ করে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ সরকার।

শনিবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে লোহাগাড়ায় বাইতুশ শরফ আনজুমানে ইত্তেহাদ বাংলাদেশ আয়োজিত বার্ষিক ইছালে সাওয়াব মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মো. ফরিদুল হক খান বলেন, আদর্শ সমাজ ও শান্তিপূর্ণ দেশ গঠনে সবাইকে যার যার অবস্থান থেকে অবদান রাখতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে ইসলামের খেদমতের কথা চিন্তা করেন সেভাবে পূর্বে কোন রাষ্ট্রনায়ক চিন্তাও করেন নি। সারাদেশে নির্মাণাধীন মডেল মসজিদগুলোর সুযোগ- সুবিধা দেখলে বোঝা যায়, তিনি কতটা সুনিপুণভাবে ইসলামের খেদমত করে যাচ্ছেন। এদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে ইসলামের প্রতি শেখ হাসিনার খেদমতের অমরগাঁথা।

ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহর খেদমতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানের কথা উল্লেখ করে ধর্মমন্ত্রী আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু যেমন একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের স্থপতি, তেমনি এদেশে ইসলামের প্রচার-প্রসারেরও পথিকৃৎ। তাঁর শাসনামলে ইসলামের খেদমতে এদেশে অনেক যুগান্তকারী কার্যক্রম গৃহীত ও বাস্তবায়িত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য এম এ মোতালেব এমপি, লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইনামুল হোসেন, লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি খোরশেদ আলম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন হিরু ও লোহাগাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল ইসলামসহ বায়তুশ শরফের অসংখ্য অনুসারী উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



চিলিতে দাবানলে ৫১ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ চিলিতে বনে ছড়িয়ে পড়া দাবানলে অন্তত ৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট। দেশটির সরকারি সূত্র জানিয়েছে, সারা দেশে ৪৩ হাজার হেক্টরেরও বেশি এলাকা দাবানলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দাবানলে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। প্রেসিডেন্ট গ্যাব্রিয়েল বোরিক বলেছেন, পরিস্থিতি খুবই গুরুতর।

এই দাবানল এখন শহরাঞ্চলের দিকে ছড়িয়ে পড়ছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে অগ্নিনির্বাপক কর্মীরা চেষ্টা করছেন। এতে ব্যবহার করা হচ্ছে হেলিকপ্টার ও ট্রাক।

দাবানলে পর্যটক নগরী ভিনা দেল মার ও আশেপাশের এলাকা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানে ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকটি এলাকায় জরুরি উদ্ধারকর্মীরা পৌঁছতে পারছে না। এ বিষয়ে উপকূলীয় পর্যটন শহর ভিনা ডেল মার মেয়র জানিয়েছেন, দুই শতাধিক বাসিন্দা নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

চিলির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যারোলিনা তোহা বলেন, আমরা যে তথ্য পেয়েছি তাতে নিহতের সংখ্যা অনেক বাড়তে পারে। শুক্রবার থেকে শনিবারের মধ্যে আগুন ৩০ হাজার হেক্টর থেকে ৪৩ হাজার হেক্টরে ছড়িয়ে পড়েছে। উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে- কোথাও কোথাও আগুন শহরের খুব কাছে ছড়িয়ে পড়ছে।

প্রসঙ্গত, চিলিতে গ্রীষ্মকালে উচ্চ তাপমাত্রার সময় প্রায় দাবানলের ঘটনা ঘটে।


আরও খবর



পঞ্চগড়ে ফের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮.৮ ডিগ্রি

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

উত্তর থেকে বয়ে আসা হিমেল হাওয়া, রাতভর বৃষ্টির মতো ঝড়তে থাকা ঘন কুয়াশায় পঞ্চগড়ের তাপমাত্রা নেমে এসেছে ৮ ডিগ্রির ঘরে। পাশাপাশি রাতে অনবরত ঠান্ডা বাতাসের কারণে শীতার্ত মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে দুর্ভোগে পড়েছেন অসহায় ছিন্নমূল মানুষ।

শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল শুক্রবার ভোর ৬টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ১০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সকালে তাপমাত্রা রেকর্ডের তথ্যটি জানান জেলার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যাবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ। 

আরও পড়ুন>> বিশ্ব ইজতেমায় দ্বিতীয় দিনের বয়ান চলছে

জেলার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যাবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ বলেন, গতকালের পর আবার তাপমাত্রা নিম্নমুখী হয়েছে। দুইদিন ১০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ডের পর শনিবার ভোর ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মাঘ মাস পর্যন্ত তাপমাত্রা উঠানামা করতে পারে বলে জানান তিনি।


আরও খবর