আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১
শিরোনাম

২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা সংক্রমণ বেড়েছে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ মে ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ মে ২০২১ | ১৩৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিশ্বব্যাপী তাণ্ডব চালানো মহামারি করোনাভাইরাসে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরও ৬১ জন। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৭০৫ জনে। একই সময়ে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছেন আরও ১ হাজার ৯১৪ জনের দেহে। এ নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৯৬ জনে।

করোনাভাইরাস নিয়ে মঙ্গলবার (৪ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও ৩ হাজার ৮৭০ জন। এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৬ লাখ ৯৫ হাজার ৩২ জন।

এর আগে সোমবার (৩ মে) দেশে করোনায় ৬৫ জন মারা যান, আর নতুন করে শনাক্ত হয় ১ হাজার ৭৩৯ জন।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, মঙ্গলবার (৪ মে) সকাল পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে মারা গেছেন আরও ১০ হাজার ৪৭৮ জন এবং নতুন করে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে ৬ লাখ ৬৯ হাজার ৬৮৯ জনের শরীরে। এ নিয়ে বিশ্বে মোট করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৩২ লাখ ২৬ হাজার ৮৭৫ জনের এবং আক্রান্ত হয়েছেন ১৫ কোটি ৪১ লাখ ৭৮ হাজার ২৪৪ জন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৩ কোটি ১৫ লাখ ৭৩ হাজার ৮৫৮ জন।

করোনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশ যুক্তরাষ্ট্রে। তালিকায় শীর্ষে থাকা দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৩ কোটি ৩২ লাখ ৩০ হাজার ৫৬১ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫ লাখ ৯১ হাজার ৫১৪ জনের।

আক্রান্তে দ্বিতীয় ও মৃত্যুতে তৃতীয় অবস্থানে থাকা ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বের সর্বোচ্চ ৩ লাখ ৫৫ হাজার ৮২৮ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এখন পর্যন্ত দেশটিতে মোট সংক্রমণ হয়েছেন ২ কোটি ২ লাখ ৭৫ হাজার ৫৪৩ জন। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে রেকর্ড সংখ্যক ৩ হাজার ৪৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ভারতে এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যু হয়েছে ২ লাখ ২২ হাজার ৩৮৩ জনের।

আক্রান্তে তৃতীয় এবং মৃত্যুতে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ব্রাজিল এখন পর্যন্ত করোনায় এক কোটি ৪৭ লাখ ৯১ হাজার ৪৩৪ জন সংক্রমিত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ৪ লাখ ৮ হাজার ৮২৯ জনের।

আক্রান্তের দিক থেকে চতুর্থ স্থানে রয়েছে ফ্রান্স। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫৬ লাখ ৫৬ হাজার ৭ জন। ভাইরাসটিতে মারা গেছেন এক লাখ ৫ হাজার ১৩০ জন।

এই তালিকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছে তুরস্ক। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৪৯ লাখ ১২১ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ৪১ হাজার ১৯১ জন।

এদিকে আক্রান্তের তালিকায় রাশিয়া ষষ্ঠ, যুক্তরাজ্য সপ্তম, ইতালি অষ্টম, স্পেন নবম এবং জার্মানি দশম স্থানে রয়েছে। এই তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ৩৩তম।


আরও খবর



কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক গুলিবিদ্ধ

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ এপ্রিল ২০২১ | ১৪৮জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান নুরনবী চৌধুরী (৬৬) গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তিনি সিরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং একই এলাকার মৃত ফজলের রহমানের ছেলে।

সোমবার (১৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বসুরহাট পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাস্টার পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

সেতুমন্ত্রীর ভাগনে উপজেলা আ.লীগ সমর্থিত বলয়ের নেতা ফখরুল ইসলাম রাহাত আহত নুরনবী চৌধুরীর উদ্ধৃতি দিয়ে জানান, কাদের মির্জার নির্দেশে তার অনুসারী বসুরহাট পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সন্ত্রাসী কেচ্ছা রাসেল আজ সকালে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে পৌরসভার মাস্টার পাড়া এলাকায় ওঁৎ পেতে ছিল। নুরনবী চৌধুরী মোটরসাইকেল যোগে নিজ বাড়ি থেকে কয়েকজন অনুসারী নিয়ে বসুরহাট বাজারে আসার পথে পৌরসভার মাস্টার পাড়া এলাকায় পৌঁছলে আগে থেকেই ওঁৎ পেতে থাকা কেচ্ছা রাসেল ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়লে তিনি দুই পায়ে গুলিবিদ্ধ হন। পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় সন্ত্রাসী কেচ্ছা রাসেল ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা তাকে পিটিয়ে দুই পা ভেঙ্গে দেয়। এক পর্যায়ে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পাঠানো হয়েছে।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. সেলিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তিনি ডান পায়ের এবং বাম পায়েল হাটুর নিচে দুই জায়গায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। গুলির আঘাতের চিহ্ন অনেক ভিতরে চলে গেছে।

নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামীম আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে।


আরও খবর



ভারতে ২৪ ঘণ্টায় করোনা সংক্রমণের হার ২১.৬৪ শতাংশ

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ মে ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৯ মে ২০২১ | ৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে আক্রান্ত হয়েছেন ৪ লাখ ৩ হাজার ৭৩৮ জন। দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যাও ৪ হাজারের বেশি। তবে শনিবারের তুলনায় তা সামান্য কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৪ হাজার ৯২ জনের

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে নাস্তানাবুদ দেশ প্রতিবেশী ভারতে একদিনে আবারও ৪ লাখের বেশি মানুষ এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে পর পর ৪ দিন আক্রান্তের সংখ্যা ৪ লাখ ছাড়িয়ে যাচ্ছে।

রবিবার দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয় জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে আক্রান্ত হয়েছেন ৪ লাখ ৩ হাজার ৭৩৮ জন। দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যাও ৪ হাজারের বেশি। তবে শনিবারের তুলনায় তা সামান্য কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৪ হাজার ৯২ জনের।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রবিবার (৯ মে) পর্যন্ত ভারতে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২ কোটি ২২ লাখ ৯৬ হাজার ৪১৪ জন। এখনও পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ২ লাখ ৪২ হাজার ৩৬২ জনের। দেশে কোভিড সংক্রমণের হার প্রতিদিন বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এই সংক্রমণের হার ২১.৬৪ শতাংশ। এখনও পর্যন্ত দেশে মোট সংক্রমণের হার ৭.৩৮ শতাংশ।

তবে আক্রান্তের সঙ্গে সঙ্গে সুস্থতার সংখ্যাও বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩ লাখ ৮৬ হাজার ৪৪৪ জন। এখনও পর্যন্ত মোট ১ কোটি ৮৩ লক্ষ ১৭ হাজার ৪০৪ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। অর্থাৎ এই মুহূর্তে দেশে মোট সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৩৭ লাখ ৩৬ হাজার ৬৪৮ জন।


আরও খবর



মামুনুলের বিরুদ্ধে যত মামলা

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ এপ্রিল ২০২১ | ৯৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
মামুনুলের বিরুদ্ধে ডিবির মতিঝিল বিভাগে তদন্তাধীন আটটি মামলা, লালবাগ বিভাগে তদন্তাধীন দুটি মামলা এবং তেজগাঁও বিভাগে তদন্তাধীন একটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মামুনুল হক

হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে শুধু ঢাকাতেই ১৭টি মামলা আছে। ২০১৩ সালের ৫ মে মতিঝিল শাপলা চত্বরে হেফাজতের তাণ্ডবের ঘটনায় ১৫টি এবং পরবর্তী সময়ে আর দুটি মামলা হয়। এছাড়াও ঢাকার বাইরে তার বিরুদ্ধে আরও একাধিক মামলা রয়েছে। সবগুলো মামলায় ধারাবাহিক গ্রেপ্তার দেখানো হবে। আজ সোমবার মামুনুলকে আদালতে তোলা হবে।

এর আগে গতকাল রবিবার (১৮ এপ্রিল) মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসা থেকে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগ মামুনুল হককে গ্রেপ্তারের পর তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হারুন অর রশিদ বলেন, ২০২০ সালে মোহাম্মদপুরে একটি ভাঙচুরের মামলায় মামুনুলকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলা আছে মতিঝিল, পল্টন ও নারায়ণগঞ্জে। পরে সেসব সমন্বয় করা হবে।

মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ২০১৩ সালের মামলার নথিতে জানা গেছে, মতিঝিল থানায় দুটি বিস্ফোরক মামলায় ১২৭ ও ১৭২ নম্বর এবং পল্টন থানায় তিনটি মামলায় ১৯, ৩৩ ও ৩৬ নম্বর আসামি হিসেবে মামুনুল হকের নাম উল্লেখ আছে।

সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালে মোহাম্মদপুরের চাঁন মিয়া হাউজিংয়ের বাসিন্দা জি এম আলমগীর শাহীন বাদী হয়ে মামলাটি করেছিলেন। তবে ওই মামলায় সাত নম্বর আসামি মামুনুল হক। মামলার প্রাথমিক তথ্যবিবরণীতে তার বাবার নাম ও ঠিকানা অজ্ঞাত লেখা আছে। সেখানে এলোপাতাড়ি মারধর, হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত করে গুরুতর জখম, চুরি, হুমকি দেওয়া, ধর্মীয় কাজে ইচ্ছাকৃতভাবে গোলযোগ সৃষ্টি ও প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ এনেছেন। ওই সময় একটি মুঠোফোন, ৭ হাজার টাকা, ২০০ ডলার এবং ব্র্যাক ব্যাংকের ডেবিট কার্ড চুরি হয়েছে বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

এছাড়াও মামুনুলের বিরুদ্ধে ডিবির মতিঝিল বিভাগে তদন্তাধীন আটটি মামলা, লালবাগ বিভাগে তদন্তাধীন দুটি মামলা এবং তেজগাঁও বিভাগে তদন্তাধীন একটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মামুনুল হক। মতিঝিল থানায় তদন্তাধীন একটি এবং পল্টন থানায় তদন্তাধীন চারটি মামলায় তার নাম রয়েছে।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকায় সফরকে কেন্দ্র করে গত ২৬ মার্চ বায়তুল মোকাররম মসজিদে জুমার নামাজের পর পুলিশ এবং আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে ধর্মভিত্তিক দলের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়। সর্বশেষ ওই ঘটনায় মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ৫ এপ্রিল মামলা হয়। এই মামলা করেছেন ঢাকা মহানগর যুবলীগের (দক্ষিণ) উপদপ্তর সম্পাদক খন্দকার আরিফ উজ জামান। এই মামলার এক নম্বর আসামি মামুনুল হক।

ঢাকা বাদেও মামুনুল হকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন জেলায় অনেকগুলো মামলা রয়েছে। জেলার মামলার বিষয়গুলো নিয়েও মামুনুল হকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার দেখানো হতে পারে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।


আরও খবর



মেয়েটাকে ভুত'ই মেরেছে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ এপ্রিল ২০২১ | ১২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
তো, দেশের নামকরা পত্রিকা গুলো পড়ে প্রায় নিশ্চিত হয়ে গিয়েছি- মেয়েটাকে ভুত'ই মেরেছে! তাই ভুতের হদিস পাওয়া যাচ্ছে না। যদিও তারা মেয়ের পরিবারের কে কোথায় থাকে। কে, কি করে এইসব হদিস'ই পেয়ে গিয়েছে। অবশ্য মেয়েটি তো মানুষ

আমিনুল ইসলাম

মেয়েটিকে নিয়ে আমি কিছু লিখবো না। মেয়েটির বয়েস কম ছিল। কলেজে পড়ছিল। কতো হবে বয়েস?  ১৫-১৬? কিংবা সর্বোচ্চ ১৭? এর বেশি তো কোন ভাবেই নয়। এতটুকু মেয়ে ভুল করছিল না সঠিক কাজ করছিল; এই নিয়ে যারা লিখছেন; তাদের চিন্তার দৈন্যতা নিয়ে বরং আলোচনা হতে পারে।

দেশের নামকরা পত্রিকা গুলো পড়ে যা জানলাম, তাতে অবশ্য মনে হচ্ছে মেয়েটি মারা গিয়েছে কোন এক ভুতের সাথে সম্পর্ক থাকার কারণে! কেউ তাদের নাম বলছে না। পরিচয় প্রকাশ করছে না। এই হচ্ছে আমাদের নামকরা সংবাদ মাধ্যম গুলো দৌড়!

অবশ্য ভুতের বাবার যদি নিজের'ই দুই-চারটা পত্রিকার মালিকানা থাকে। দুই-চারটা টেলিভিশন চ্যানেল থাকে। বিরাট শপিং মল আর একটা আস্ত শহরের বিশাল অংশের জমির মালিকানা থাকে; তাহলে এমন দুই চারটা "মানুষ" মেরে ফেলা যায়। এতে কোন সমস্যা নেই।

তাছাড়া শুনেছি ভুত সমাজের নাকি মানুষ খেতে ভালো লাগে। মানুষের মাংসের স্বাদ নাকি একটু বেশি'ই!

তো, দেশের নামকরা পত্রিকা গুলো পড়ে প্রায় নিশ্চিত হয়ে গিয়েছি- মেয়েটাকে ভুত'ই মেরেছে! তাই ভুতের হদিস পাওয়া যাচ্ছে না। যদিও তারা মেয়ের পরিবারের কে কোথায় থাকে। কে, কি করে এইসব হদিস'ই পেয়ে গিয়েছে। অবশ্য মেয়েটি তো মানুষ! কেবল ভুতের পরিচয় পাওয়া যায়নি! অবশ্য মানুষ হয়ে ভুতের পরিচয় পাওয়া কি আর এতো সহজ নাকি!

শেষমেশ নাম না জানা সাধারণ অন-লাইন পত্রিকা গুলো পড়ে জানতে পারলাম- ভুত না; বসুন্ধরা গ্রুপের মালিকের ছেলের (সায়েম বোধকরি নাম) সাথে ওই মেয়ের সম্পর্ক ছিল।

মেয়েটার বাড়ি কুমিল্লায়। সে কলেজে পড়তে ঢাকা এসছিল। মাস তিনেক হয় গুলশানের ওই ফ্ল্যাটে থাকতো। সেই ফ্ল্যাটের ভাড়া মাসে লাখ টাকারও বেশি। ওই ফ্ল্যাটে মেয়েটা একা'ই থাকতো। আর ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েছিল ওই মালিকের ছেলে। যে নিজেও বসুন্ধরা গ্রুপের একজন এমডি।  সে-ই ওই ফ্ল্যাটের ভাড়া দিত।

মৃত্যুর আগের দিন ওই মেয়ে তার বোনকে বলেছিল- সে বিপদে পরেছে। এরপর তার বোন কুমিল্লা থেকে ঢাকায় এসে দেখে তার বোনের মৃত দেহ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছে।

এখন নামকরা পত্রিকা গুলো লিখছে- এই মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। এই মেয়ে যে আত্মহত্যা করেছে; আপনারা কি করে নিশ্চিত হলেন? অবশ্য ভুতের সাথে সম্পর্ক ছিল বলে কথা। ভুত সমাজ তো আবার চাইলে যে কাউকে উধাও করে দিতে পারে। ভুত ভলে কথা। একটা ফুঁ দিলেই উধাও!

এই পর্যন্ত লিখেই ভেবেছিলাম লেখাটা শেষ করবো।

আগেই বলেছি মেয়েটাকে নিয়ে আমি কিছু লিখবো না। অতটুকু মেয়ে ভুল করছিল নাকি ভালো করছিল; সেটা বুঝার হয়ত বয়েস'ই তার হয়নি। এই বয়েসে সবার কাছেই সব কিছু রঙিন মনে হয়। অতি সাধারণ জিনিসকেও মনে হয় বিশাল কিছু। আমরা সবাই এই বয়েস পার করে এসছি। সুতরাং এই বিষয় গুলো আমাদের জানা।

তাহলে আমরা কেন ভুল পথে যাইনি?

কারণ আমাদের পরিবারের সদস্যরা সব সময় আমাদের সঠিক পথ'টা দেখিয়ে দিতেন। বাবা-মা; বড় ভাই-বোনদের দায়িত্ব হচ্ছে- ছোটরা যদি কোন ভুল করে থাকে; কিংবা ভুল পথে যায়; তাহলে তাদেরকে সঠিক পথটা দেখিয়ে দেয়া।  এই মেয়েটা ঢাকা শহরে গুলশানের মতো একটা জায়গায় এতো বিশাল ফ্ল্যাটে থাকতো। যার ভাড়া'ই হচ্ছে এক লাখ টাকার উপর। আমি মোটামুটি নিশ্চিত- এক জীবনে আমার নিজের অন্তত এই সামর্থ্য হবে না।

তো, এই মেয়েটা এমন একটা অভিজাত এলাকায় এতো দামী একটা ফ্ল্যাটে থাকছিল; তার বড় বোন এবং পরিবারের অন্য সবাই সেটা জানত। এর দুটো ব্যাখ্যা হতে পারে। প্রথম ব্যাখ্যা হচ্ছে- পরিবারের সবাই জানত ওই ছেলের সাথে এই মেয়ের সম্পর্ক আছে। এবং হয়ত এই সম্পর্কটা পরিবারের সবাই মেনে নিয়েছে। অন্য ব্যাখ্যা হতে পারে- কেউ কিছু জানত'ই না।

দ্বিতীয় ব্যাখ্যাটা গ্রহণযোগ্য হবার কথা নয়। কারণ মেয়েটা ওই ফ্ল্যাটে তিন মাসের মতো থাকছিল এবং তার বড় বোন অন্তত ওই বাসাটা চিনত।

ভালোবাসা জাত মানে না। ভালোবাসা শ্রেণী মানে না। ভালোবাসা কোন কিছুই মানে না। তাদের মাঝে যদি ভালোবাসার সম্পর্ক থেকে থাকে; তাহলে আমার কিছু বলার নেই। কিন্তু তাদের মাঝে যদি ভালোবাসার সম্পর্ক থেকে না থাকে; তাহলে মেয়েটা ভুল করছিল। সেই ভুলটা ধরিয়ে দেয়ার দায়িত্ব ছিল পরিবারের বড়'দের।  এমনকি ভালোও যদি বেসে থাকে; এরপরও পরিবারের দায়িত্ব ছিল মেয়েটাকে সতর্ক করা। কারণ মেয়েটা পরিণত বয়েসের ছিল না।

ভুতের সাথে মানুষের সম্পর্ক হয় না।

ভুতের কাজ ভুত করেছে; মাঝখান থেকে মানুষটা হারিয়ে গিয়েছে। ভুতেদের বিচার হয় না। কারণ তারা অস্পৃশ্য। তাদের দেখা যায় না। ছোঁয়া যায় না। তারা ইচ্ছে হলে মানুষের মাংস খায়। মাঝখান থেকে দোষ হয় ওই মানুষটার- কেন সে ভুতের সামনে হাজির হলো। তাই নিজেদেরই সতর্ক হতে হবে। সেই শিক্ষা পরিবারকেই দিতে হবে।


আরও খবর



ঈদের ছুটির দাবিতে পোশাক শ্রমিকরা রাস্তায়

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৮ মে ২০২১ | ১০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

তিন দিন নয়, ঈদ উপলক্ষে ১০ দিনের ছুটির দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন পোশাকশ্রমিকেরা। রাজধানীর মিরপুর ১০ থেকে ১৪ নাম্বার সড়ক পর্যন্ত রাস্তায় বিক্ষোভ করছেন তাঁরা। এতে রাস্তায় যানজট সৃষ্টি হয়। চলাচল বন্ধ না হলেও ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে চলাচলকারীদের।

আজ শনিবার সকাল থেকে শ্রমিকেরা এই বিক্ষোভ শুরু করেন। তারপর থেকে রাস্তায় অবস্থান নিয়েছে কাফরুল থানা পুলিশ। পুলিশ বলছে, তারা শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেছে এবং মালিক পক্ষের সঙ্গেও কথা বলার চেষ্টা করছে।

আন্দোলনরত শ্রমিকেরা বলছেন, ঈদের বাকি আর মাত্র চার-পাঁচদিন। এখনও বেতন হয়নি, বোনাস হয়নি। দ্রুত বেতন-বোনাসের দাবিসহ তিন দিনের পরিবর্তে ১০ দিন ঈদের ছুটি চান শ্রমিকেরা। তাঁরা বলছেন, এত কম ছুটিতে বাড়ি গিয়ে ফিরতে অসুবিধা হবে তাঁদের। এসব দাবিতে রাস্তায় আন্দোলন করছেন শ্রমিকেরা। তাঁরা আমাদের দাবি মানতে হবেসহ নানা ধরনের স্লোগান দিচ্ছেন।

কাফরুল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু আজিজ বলেন, সকাল থেকেই শ্রমিকেরা রাস্তায় নেমেছেন। তারপর আমরা তাঁদের সঙ্গে কথা বলি। তাঁদের দাবি, তিন দিনের স্থলে তাঁদের ১০ দিনের ছুটি দিতে হবে। তাঁরা বলছেন, তাঁদের তিন দিনের ঈদের ছুটি দেওয়া হয়েছে। এই ছুটির মেয়াদ না বাড়ালে তাঁরা সড়ক ছাড়বেন না।

কেন শ্রমিকেরা ১০ দিনের ছুটি দাবি করছেন, তাঁরা কি কিছু জানিয়েছেন এ ব্যাপারে- এমন প্রশ্নে আবু আজিজ বলেন, শ্রমিকদের দাবি, করোনা পরিস্থিতিতে তাঁরা অনেকদিন গ্রামের বাড়িতে যান না। এদিকে এখন দূরপাল্লার বাস চলছে না। ফলে যাঁদের গ্রামের বাড়ি দূরে, তাঁদের তিন দিনের মধ্যে বাড়িতে যেতে-আসতে সমস্যা হবে। ফলে ছুটি বেশি দেওয়ার দাবি তাঁদের।

থানার পরিদর্শক (অপারেশন) জাহানুর আলম বলেন, ১০ দিনের ছুটি না দিলে তাঁরা বিক্ষোভ করেই যাবেন বলে বলছেন। কাফরুল এলাকার হামিম গার্মেন্টসহ কয়েকটি গার্মেন্ট শ্রমিকেরা এই বিক্ষোভ করছেন। এ ছাড়া তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ দ্রুত বেতন-বোনাস দেওয়ারও দাবি জানাচ্ছে। এখন রাস্তা মোটামুটি ক্লিয়ার আছে। যদিও শ্রমিকেরা এখনও রাস্তায় অবস্থান করছেন।

নিউজ ট্যাগ: পোশাক শ্রমিক

আরও খবর