আজঃ শনিবার ১৫ জুন ২০২৪
শিরোনাম

দোহারে হাট কাঁপাবে টিসিএল এগ্রো ডেইরী ফার্মের গরু

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | পত্রিকায় প্রকাশিত
নাজনীন শিকদার (দোহার-নবাবগঞ্জ)

Image

আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ঢাকার দোহার উপজেলায় কোরবানি যোগ্য দুই শতাধিক পশু প্রস্তুত করেছে টিসিএল এগ্রো এন্ড ডেইরী ফার্ম।

তাই শেষ সময়ে হাটে তুলতে বিভিন্ন জাতের পশু পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। গরু মোটাতাজা করতে কোন রকম রাসায়নিক জাতীয় ওষুধ প্রয়োগ না করে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক এবং অর্গানিক উপায়ে গরুগুলোর খাদ্য প্রস্তুত করা হয়ে থাকে। এসব পশু দেখতে দূর দূরান্ত থেকে আসছেন ক্রেতারা।

আগে ভাগে অনেকে খামারে গিয়ে কোরবানির পশু পছন্দ করে অগ্রিম টাকা পরিশোধ করে বুকিং দিচ্ছেন ক্রেতারা। আবার অনেকে খামার থেকেই কিনে নিয়ে যাচ্ছেন পছন্দের পশু।

ঢাকার দোহার উপজেলার বানাঘাটা এলাকায় অবস্থিত টিসিএল এগ্রো এন্ড ডেইরী ফার্ম। মাত্র ২টি গরু দিয়ে ২০২০ সালে টিসিএল এগ্রো এন্ড ডেইরী ফাম কর্ণধার তানভীর আহমেদের বাবা ও দাদার কৃষি কাজে জড়িত থাকার অনুপ্রেরণায় শুরু হয় ফার্মটি।

আসন্ন কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে ইতিমধ্যে প্রস্তুত করেছে ছোট, বড় ও মাঝারি আকারের প্রায় দুই শতাধিক ষাঁড় গরু। ক্রেতাদের চাহিদার উপর ভিত্তি করেই শাহীওয়াল, দেশী, ফিজিয়ান, গির ও হলেস্টাইন ফ্রিজিয়ানসহ ৫ জাতের ষাড় এখানে লালন পালন করা হচ্ছে। আর এসব ষাঁড় পরিচর্চায় সার্বক্ষনিক ২ জন প্রতিষ্ঠিত পশু চিকিৎসক, একজন প্রাণিসম্পদ অফিসারসহ ২৫জন অধিক কর্মচারী নিয়োজিত রয়েছেন। সকাল থেকে শুরু হয় তাদের পরিচর্চার কাজ।

টিসিএল এগ্রো এন্ড ডেইরী ফার্মের স্বত্বাধিকারী তানভীর আহমেদ বলেন, আমাদের খামারে ২ শতাধিক কোরবানীর পশু রয়েছে। এরই মধ্যে কিছু গরু বিক্রি হয়ে গেছে। আমাদের খামারে ছোট, বড় ও মাঝারি সব ধরনের গরু রয়েছে। দামও ক্রেতাদের সামর্থের মধ্যে। সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা দামের গরু আছে। সর্বনিম্ন ২ লাখ টাকা। লাইভ ওয়েট ২৫০ কেজি ৮০০ কেজির অধিক।

তিনি বলেন, আশা করছি এবারের ঈদে বিক্রি ভালো হবে। ইতোমধ্যে বেচাকেনা শুরু হয়ে গেছে এবং আমাদের কিছু গরু বুকিং হয়ে গেছে। বাকিগুলোও আশা করছি ঈদের আগে শেষ হয়ে যাবে। প্রতিদিন বিভিন্ন ক্রেতা খামারের শতভাগ মানসম্পন্ন গরু দেখতে এবং বুকিং দিতে ভিজিট করছে।

টিসিএল এগ্রো ফার্মেও স্বার্বখনিক ডাঃ মো. মিজানুর রহমান বলেন, আমাদের এ খামারে বায়োসিকিউরিটি হাইজিন এবং সার্বক্ষণিক পরিচর্চার বিষয়গুলো মনিটরিং করার জন্য আধুনিক সার্ভিলেন্ট সফটওয়ারের মাধ্যমে স্মার্ট সিষ্টেম চালু করা হয়েছে যার মাধ্যমে আমরা সকল পশুগুলো সার্বক্ষণিক তদারকি নিশ্চিত করতে পারছি।

দোহার উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. শামীম হোসেন বলেন, দোহার উপজেলায় ৩ হাজার ৩শ প্রান্তিক খামারি তাদের গবাদি পশু প্রস্তুত করেছেন। চাহিদার তুলনার চেয়েও এবার বেশি গরু প্রস্তুত করা হয়েছে। পশুর কোন ঘাটতি হবে না।


আরও খবর



সরকার সুষম ও টেকসই উন্নয়নে বিশ্বাস করে: আরাফাত

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার সুষম ও টেকসই উন্নয়নে বিশ্বাস করে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

আজ শুক্রবার (২৪ মে) বিকালে রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে দুইদিন ব্যাপী আয়োজিত লিডারশিপ, টেকনোলজি অ্যান্ড ট্রেন্ডজ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন 'ইনফোকম ঢাকা ২০২৪' এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। সার্ক চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি, দি ডেইলি স্টার, আইসাকা ঢাকা চ্যাপ্টার এবং জেসিআই বাংলাদেশ-এর সহযোগিতায় ভারতের এবিপি গ্রুপ এ সম্মেলন আয়োজন করে। সম্মেলনের এবারের থিম নির্ধারণ করা হয়েছে 'সাসটেইনেবল ডিসরাপশন'।

এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোন উন্নয়নই মানবজাতির জন্য উপকারী হতে পারে না, যদি সেটা টেকসই না হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকার টেকসই উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। আমরা শুধু উন্নয়নেই বিশ্বাস করিনা, আমরা সুষম ও টেকসই উন্নয়নে বিশ্বাস করি। এ জন্য জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনের অধিকাংশ সূচকে বাংলাদেশ অনেক দেশের চেয়ে ভালো করেছে। এটিই প্রমাণ করে শেখ হাসিনার সরকার টেকসই উন্নয়নে কতটা গুরুত্ব দেয়।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, প্রযুক্তি দ্রুত পরিবর্তনশীল। কিন্তু পরিবর্তিত প্রযুক্তি সমাজে ইতিবাচক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে কিনা সেটাই মূল বিষয়। এটি জনগণের জীবন উন্নতভাবে গড়ে তুলছে না ধ্বংস করছে সেটিই বিবেচ্য। আমরা এখন ব্যাপকভাবে প্রযুক্তির উপর নির্ভরশীল। তাই প্রযুক্তির মাধ্যমে যেসব ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে সেগুলো আমাদের জন্য সত্যিকার অর্থেই বড় ভাবনার বিষয়ে পরিণত হয়েছে। এমনকি এসব ঝুঁকি মানব সম্প্রদায়ের একত্রিত অস্তিত্বকে হুমকির মুখে ফেলছে। তবে শেষ পর্যন্ত আমরা বিশ্বাস করি প্রযুক্তির ইতিবাচক দিকগুলোই মানব সভ্যতাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

তিনি আরো বলেন, প্রযুক্তির উন্নয়নের মাধ্যমে যে পরিবর্তনগুলো ঘটছে, সেটাকে আমরা এখন টেকসই করার চিন্তা করছি। এটা ভালো একটা বিষয়। প্রযুক্তির মাধ্যমে কোন কিছুর পরিবর্তনের ফলাফল যদি ইতিবাচক হয়, সেটাকে টেকসই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ভাবনা।

তিনি আরো যোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছে এবং বর্তমানে ডিজিটাল বাংলাদেশকে স্মার্ট বাংলাদেশে রূপান্তরের কাজ করে যাচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, প্রযুক্তির বিশ্বে আমাদের ডাটা সুরক্ষায় যদি পর্যাপ্ত প্রস্তুতি না থাকে তাহলে এক্ষেত্রে আমাদের সার্বভৌমত্ব থাকবে না। এ জন্য ডাটা ব্যবস্থাপনাসহ এ সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয়ে পুনরায় চিন্তা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য প্রযুক্তির বিষয়টি মাথায় রেখেই একসাথে সম্পূর্ণ নতুন এক বিশ্ব তৈরির ব্যাপারে নতুন করে ভাবতে হবে। এ বিষয়টি সব ধরণের সিদ্ধান্ত নেয়ার প্রক্রিয়ায় কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে হবে। মানবতা, মানবাধিকার এবং মানুষের কল্যাণই মূল বিষয়। দেশ-রাষ্ট্র নির্বিশেষে ভালো চিন্তার মানুষগুলোকে একত্রিত হতে হবে এবং ভবিষ্যতের জন্য একটি ভালো পৃথিবী গড়ে তোলার জন্য একসাথে চেষ্টা করতে হবে।

তিনি বলেন, যত বেশি আমাদের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা নিয়ে আমরা একসাথে চলতে পারবো, তত ভালো আউটপুট তৈরি সম্ভব হবে এবং আমরা উন্নত বিশ্ব তৈরি করতে পারবো। এর মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের জনগণ উপকৃত হবে। তাই সবকিছুর মূলে জনগণ এবং জনগণের সুবিধা বিবেচনায় নিতে হবে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন এবিপি প্রাইভেট লিমিটেডের সিইও ধ্রুব মুখার্জি। ভারত ও সার্কের পালো আলতো নেটওয়ার্কস এর সিস্টেমস ইঞ্জিনিয়ারিং পরিচালক হুজেফা মতিওয়ালা, সার্ক চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ড্রাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট মো. জসিম উদ্দিন, সার্ক চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রির কাউন্সিল ফর কমিউনিকেশন অ্যান্ড আইটি-এর চেয়ারম্যান শাফকাত হায়দার, জেসিআই বাংলাদেশ এর ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট ইমরান কাদির প্রমুখ অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন।


আরও খবর



ঘূর্ণিঝড় রেমাল’র আঘাতে সারা দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৭

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঘূর্ণিঝড় রেমাল দেশের উপকূলীয় ১৯ জেলায় পুরো শক্তি নিয়ে আঘাত করেছে। এছাড়া দেশের মধ্যভাগেও তাণ্ডব চালিয়েছে ঘূর্ণিঝড়টি। এতে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৯ জেলায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও অনেকেই। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, এই ঘূর্ণিঝড়ে দেশের ১৯ জেলার ৩৭ লাখ ৫৮ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রায় দেড় লাখ ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়ে নিহতদের মধ্যে ঢাকায় ৪ জন, পটুয়াখালীতে ৩ জন, ভোলায় ৩ জন, বরিশালে ২ জন এবং খুলনা, লক্ষ্মীপুর, সাতক্ষীরা, চট্টগ্রাম ও কুমিল্লায় একজন করে মারা গেছেন।

বিস্তারিত প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরে:

ঢাকা: ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে রাজধানীতে দিনভর ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে পৃথক স্থানে চারজনের মৃত্যুর সংবাদ পাওয়া গেছে। সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ৮টা থেকে সাড়ে ৯টার মধ্যে খিলগাঁও, যাত্রাবাড়ী, রামপুরা ও বাড্ডা থানা এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন খিলগাঁও রিয়াজবাগ এলাকার রিকশার গ্যারেজে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়া রাকিব (২৫), খিলগাঁও সিপাহীবাগে রাস্তায় জমে থাকা পানির মধ্যে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়া মরিয়ম বেগম (৪৫), যাত্রাবাড়ীতে টিনের প্রাচীর স্পর্শ করে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়া লিজা আক্তার (১৬) ও অন্যজন বাড্ডার বাসিন্দা। তবে তার নাম-পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

সোমবার তাদের আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

ঢামেক হাসপাতালের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া এসব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সবার মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।

পটুয়াখালী: পটুয়াখালীতে ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে মারা গেছেন তিনজন। এর মধ্যে দুমকি উপজেলায় ঝড়ো হাওয়ায় গাছচাপায় জয়নাল হাওলাদার নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। তিনি উপজেলার পাঙ্গা‌শিয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড নলদোয়া‌নি স্লুইসগেট এলাকার বাসিন্দা।

পটুয়াখালীর বাউফলে ঘূর্ণিঝড় রিমালে মৃত্যু হয়েছে মো. আব্দুল করিম নামে এক পথচারীর। বেলা ১১টার দিকে উপজেলা পরিষদ গেটের সামনে ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তি উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা।

এর আগে রবিবার দুপুরে সৈকত-সংলগ্ন ফুফুর বাড়িতে যাওয়ার সময় সাগরের ঢেউয়ে তলিয়ে যায় মো. শরীফুল ইসলাম (২৪)। এক ঘণ্টা পর ঘটনাস্থলের কাছ থেকে মৃত শরীফুলকে উদ্ধার করেন স্থানীয় মানুষেরা। শরীফুল পটুয়াখালীর কলাপাড়ার ধুলাশ্বর ইউনিয়নের অনন্তপাড়া গ্রামের আবদুর রহিমের ছেলে।

ভোলা: জেলায় ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে নারী ও শিশুসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার ভোররাতের দিকে লালমোহন, দৌলতখান ও বোরহান উদ্দিন উপজেলায় ঘরচাপায় তাদের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন- মনেজা খাতুন (৫৪), মাইসা (৪) ও জাহাঙ্গীর (৫০)।

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কন্ট্রোল রুমের দায়িত্বে থাকা জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন বলেন, গতরাতে লালমোহন উপজেলার চরউমেদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে তীব্র বাতাসে ঘর চাপায় মনেজা খাতুন মারা যান। এছাড়া একই সময় দৌলতখান পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে ঘরের উপর গাছচাপায় মাইশা (৪) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়। বোরহান উদ্দিন উপজেলার সাচরা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের বাথানবাড়ি গ্রামের জাহাঙ্গীর (৫০) এর মৃত্যু হয় ঘরের ওপর গাছ চাপা পড়ে।

বরিশাল: সোমবার (২৭ মে) ভোরে বরিশাল নগরীর রূপাতলী এলাকায় বহুতল ভবনের দেয়াল ধসে দুইজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন একজন। পুলিশ জানিয়েছে, চারজন রেন্টুরেন্টে অবস্থান করছিলেন। বাতাসের তীব্রতায় আকস্মিক পাশের চারতলা ভবনের একটি অংশের দেয়াল ধসে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন হোটেল মালিক লোকমান ও কর্মচারী মোকছেদুল। আহত হন কর্মচারী সাকিব। তাকে শের-ই বাংলা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে।

খুলনা: খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলায় ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে তীব্র বাতাস ও বৃষ্টিতে গাছ উপড়ে ঘরের ওপর পড়ে লালচাঁদ মোড়ল (৩৬) নামের এক যুবক মারা গেছেন। রবিবার রাতে উপজেলার সুরখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের গাওঘরা গরিয়ারডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। লালচাঁদ মোড়ল গরিয়ারডাঙ্গা গ্রামের গহর মোড়লের ছেলে। তিনি কৃষিকাজ করতেন।

লক্ষীপুর: ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে ঘরচাপা পড়ে পুষ্প (৭) নামে এক স্কুলছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৭ মে) বিকেলে উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নের চাঙ্গিরগাঁও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ঘরে থাকা ওই শিশুর নানি হোসনোয়ারা বেগম আহত হয়। তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম: সোমবার সকালে চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ থানার টেক্সটাইল এলাকায় দেয়াল চাপায় মারা যান এক পথচারী। স্থানীয়রা জানায়, ঝড়ের সময় ভারী বৃষ্টি হচ্ছিল। এ সময় একটি দেয়ালের পাশে আশ্রয় নেন সাইফুল ইসলাম হৃদয়। হঠাৎ সীমানা দেয়ালটি ভেঙে পড়লে চাপা পড়ে মারা যান হৃদয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস তার মরদেহ উদ্ধার করে।

সাতক্ষীরা: রবিবার সন্ধ্যায় সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের নাপিতখালি আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার পথে শওকাত মোড়ল নামে ৬৫ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ মারা যান। একইদিন বিকেলে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ধূলাসর ইউনিয়নের কাউয়ারচর এলাকায় ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে প্লা‌বিত এলাকা থেকে বোন ও ফুফুকে রক্ষা করতে গিয়ে স্রোতে ভেসে প্রাণ হারান শরীফ হাওলাদার নামে এক যুবক।

কুমিল্লা: কুমিল্লায় বিদ্যালয়ে ক্লাসরত অবস্থায় পার্শ্ববর্তী নির্মাণাধীন সাততলা ভবনের দেয়াল ধসে সাইফুল ইসলাম সাগর (১২) নামে ৫ম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। সোমবার (২৭ মে) বেলা পৌনে ১১টার দিকে জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার নোয়াগাঁও চৌমুহনী এলাকায় নুর আইডিয়াল স্কুলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সাইফুল ইসলাম সাগর সদর দক্ষিণ উপজেলার শাকতলা গ্রামের অলি হোসেনের ছেলে। সদর দক্ষিণ মডেল থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) খাদেমুল বাহার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিউজ ট্যাগ: ঘূর্ণিঝড় রেমাল

আরও খবর



এবারও বুক চিতিয়ে উপকূলকে রক্ষা করেছে সুন্দরবন

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সুন্দরবন যেন উপকূল এলাকায় প্রকৃতির দেয়াল। আর এই দেওয়ালের কারণে উপকূল এলাকায় বন্যার পানি, দমকা বাতাস ঢুকতে পারে না। ঘূর্ণিঝড় রেমালের ছোবল থেকে উপকূলীয় এলাকা রক্ষায় সুন্দরবন যে ঢাল হিসেবে কাজ করেছে, এমনটাই বলছেন সাতক্ষীরা জেলা জলবায়ু পরিষদের সদস্য সচিব ও পরিবেশবিদ অধ্যক্ষ আশেক-ই এলাহি।

অপরদিকে নিজের পর্যবেক্ষণ থেকে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মতিউর রহমান সিদ্দিকী ও মনে করেন সুন্দরবনের কারণেই বড় ধরনের ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস এর কবল থেকে রক্ষা পেয়েছে সাতক্ষীরা উপকূল। এই সুন্দরবন না থাকলে সাতক্ষীরা উপকূলে ঘূর্ণিঝড় রিমালের কারণে বড় ধরনের তাণ্ডব হতে পারতো বলে তিনি মনে করেন করেন।

আশেক-ই এলাহি বলেন, সাতক্ষীরা উপকূলের জন্য সুন্দরবন যেন একটি দেয়াল। সুন্দরবনের জন্যই প্রতিবছর বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা পায় সাতক্ষীরা উপকূল। তবে এই সুন্দরবন রক্ষার জন্য কারোর কোন মাথাব্যথা নেই। তিনি সুন্দরবন রক্ষায় কর্তৃপক্ষকে পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

রোববার (২৬ মে) রাতে সুন্দরবন সংলগ্ন সাতক্ষীরার শ্যামনগর ও আশাশুনি উপজেলায় আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় রেমাল। এরপর এটি সুন্দরবনের খুলনা, বাগেরহাট ও মংলাসহ কয়েকটি জেলার উপর দিয়ে বয়ে যায়।

তবে প্রবল শক্তির এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব সুন্দরবনের গাছপালার কারণে সাতক্ষীরা উপকূলে সেভাবে পড়েনি। বনে ঘূর্ণিঝড়ের গতিবেগ যেখানে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার ছিল, সেটা বন পার হয়ে লোকালয়ে যেতে যেতে শক্তি হারিয়ে দমকা বাতাসে রূপ নেয় বলছেন বিশেষজ্ঞরা। এ ছাড়া জলোচ্ছ্বাস লোকালয়ে পৌঁছানোর আগে সুন্দরবনে বাধাপ্রাপ্ত হওয়ায় ঢেউয়ের উচ্চতা অনেক কমে যায়। এ কারণে উপকূলীয় এলাকাগুলো প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকি বা ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তেমন থাকে না বলে বলছেন পরিবেশবিদরা।

উপকূলে আঘাত হানার সময় এর গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১২০ কিলোমিটার, কিন্তু সুন্দরবনের গাছপালার কারণে সেটির প্রভাব ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটারের মত অনুভূত হয় বলে বলছেন পরিবেশবিদ অধ্যক্ষ আশেক-ইলাহী।

প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় মূলত সুন্দরবনের উপর দিয়ে দুই ধরনের ধাক্কা যায়। প্রথমত তীব্রগতির বাতাস এরপর জলোচ্ছ্বাস। উপকূলীয় এলাকা থেকে বড় বড় শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ঠেকাতে এর আগেও ঢাল হিসেবে কাজ করেছে সুন্দরবন। বিশেষ করে ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর ঘূর্ণিঝড় সিডর এবং ২০০৯ সালের ২৫ মে ঘূর্ণিঝড় আইলার তাণ্ডব থেকে এই বন উপকূলকে রক্ষা করেছে। যদিও সেই দুর্যোগে বড় ধরনের ক্ষতির শিকার হয়েছিল বনাঞ্চল।

পশ্চিম সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) এ কে এম ইকবাল হোসাইন চৌধুরী ধারণা করছেন, এবারের ঘূর্ণিঝড়ের কারণে গাছপালা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও বন্য প্রাণীদের ওপর বড় ধরনের কোনোন প্রভাব পড়ার আশঙ্কা নেই। কেননা সুন্দরবনে যে সময়টায় জোয়ার হয়, সে সময়ে ঘূর্ণিঝড় আঘাত করেনি। যার কারণে এবার পানির উচ্চতা স্বাভাবিকের চাইতে খুব একটা বেশি ছিল না। তাই প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে, এবারে বন্যপ্রাণীর ক্ষয়ক্ষতি তেমন একটা হয়নি।

তিনি বলেন, তবে ঘূর্ণিঝড়টি প্রবল বেগে সুন্দরবনে আছড়ে পড়ায় বিস্তীর্ণ এলাকায় গাছপালা ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছেন বন কর্মকর্তারা। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সুন্দরবনে জরিপ চালিয়ে সামগ্রিক ক্ষয়ক্ষতি খতিয়ে দেখা হবে বলে তিনি জানান।

বনে যত্রতত্র গাছ কাটা ঠেকাতে ও জীববৈচিত্র রক্ষায় বনের নিরাপত্তা বাড়ানো, সেইসঙ্গে বনায়নের জন্য বেশি বেশি গাছ লাগানোর সুপারিশ করেছেন উপকূলবাসী।

সাতক্ষীরা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুলফিকার আলি বলেন, সোমবার সকাল থেকে আশঙ্কা মুক্ত উপকূলীয় এলাকা। নতুন করে ঘূর্ণিঝড় বা জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবন নেই বলে জানান তিনি।


আরও খবর



ঘুমের মধ্যে দম আটকে যাওয়া কীসের লক্ষণ

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জীবন ধারা ডেস্ক

Image

সারাদিনের ব্যস্ততা শেষে রাতে একটু ঘুমাতে গেলেন, কিন্তু দম আটকে যাওয়ার কারণে আচমকাই জেগে উঠতে হয়। এই সমস্যা অনেকের হয়ে থাকে। কিংবা রাতে লম্বা ঘুম দেয়ার পর বিকেল নামতেই ঝিমুনি। এই সমস্যাগুলো দেখা দিলে হেলাফেলা করা যাবে না। এগুলো স্লিপ অ্যাপনিয়ার লক্ষণ। স্লিপ অ্যাপনিয়ার প্রভাবে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। বিবিসির এক প্রতিবেদনে বিস্তারিত বিভিন্ন তথ্য উঠে এসেছে স্লিপ অ্যাপনিয়া নিয়ে।

স্লিপ অ্যাপনিয়া: স্লিপ অ্যাপনিয়ায় হচ্ছে ঘুমানোর সময় শ্বাসনালি কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যাওয়া। শ্বাসনালি যতক্ষণ বন্ধ থাকে, রোগী নিশ্বাস নিতে পারেন না। এতে বাইরে থেকে বাতাসের মাধ্যমে অক্সিজেন শরীরে প্রবেশ করতে পারে না। এতে মস্তিষ্ক, হার্ট বা অন্যান্য অঙ্গ প্রত্যঙ্গ দিনের পর দিন কিছু সময়ের জন্য অক্সিজেনের ঘাটতির ফলে ধীরে ধীরে ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকে। যার প্রভাবে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

শরীরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ সচল রাখতে অক্সিজেন খাদ্যের মতো কাজ করে। যখন অক্সিজেনের সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়, তখন মস্তিষ্ক সিগন্যাল দিয়ে রোগীকে জাগিয়ে তোলে, যেন তিনি নিশ্বাস নেন এবং তখন সংকুচিত শ্বাসনালি খুলে যায়। এভাবে স্লিপ অ্যাপনিয়ায় আক্রান্ত রোগী বার বার জেগে ওঠেন। বার বার ঘুম ভাঙার কারণে তারা ক্লান্ত থাকেন, ফলে দিনের বেলায় ঝিমুতে থাকেন।

লক্ষণ: জাতীয় নাক কান গলা ইন্সটিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ স্লিপ অ্যাপনিয়ার এমন কিছু লক্ষণের কথা জানিয়েছেন।

স্লিপ অ্যাপনিয়ার কারণে আক্রান্ত ব্যক্তি অস্বাভাবিক নাক ডাকেন। দেখা যায়, তারা কখনো খুব জোড়ে ডাকছেন, আবার থেমে যাচ্ছে, তারপর আবার ভিন্ন স্বরে নাক ডাকছেন।

প্রায় সময় ঘুমের মধ্যে দম বন্ধ হয়ে যাওয়ার অনুভূতি হয়। বিশেষ করে চিত হয়ে ঘুমানোর সময় শ্বাস বন্ধ হয়ে যায়। ঘুমের মধ্যে ঝাঁকুনি দিয়ে জেগে ওঠেন এবং কিছু সময়ের জন্য হৃৎস্পন্দন বেড়ে যায়।

অনেক সময় ঘুমানোর পরও ক্লান্ত লাগে, কাজ করতে গিয়ে বা গাড়ি চালাতে গিয়ে হুট করে ঘুমিয়ে পড়েন।

মেজাজ খিটখিটে থাকে। কারও সাথে কথা বলতে ভালো লাগে না, অবসাদগ্রস্ত লাগে। কাজে মনোযোগ দিতে পারেন না।

ওষুধ খেয়েও রক্তচাপ বা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকছে না।

করণীয়: প্রাথমিক পর্যায়ের স্লিপ অ্যাপনিয়া ধরা পড়লে সেটি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। কিন্তু দীর্ঘদিনেও চিকিৎসা না করলে সমস্যা জটিল আকার নিতে পারে। এতে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কিডনি জটিলতা ও ডিপ্রেশনের ঝুঁকি বেড়ে যাবে; যার প্রভাবে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

স্লিপ অ্যাপনিয়ার সমস্যা খুব বেশি হলে চিকিৎসক রোগীকে কন্টিনিউয়াস পজিটিভ এয়ারওয়ে প্রেশার বা সি প্যাপ নামে একটি যন্ত্রের সাহায্য নিতে বলেন। এই যন্ত্রটি অনেকটা বক্সের মতো এবং এর সঙ্গে মোটা পাইপের সংযোগ দিয়ে একটি মাস্ক বসানো থাকে। রোগীকে প্রতিবার ঘুমের সময় এই মাস্কটি পরতে হয়। এই যন্ত্রটি মূলত ঘুমের মধ্যে রোগীর শ্বাসনালি খোলা রাখতে সাহায্য করে এবং অক্সিজেনের সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখে। ফলে শরীরের অঙ্গগুলোকে আর অক্সিজেনের ঘাটতিতে ভুগতে হয় না। এতে অনেক জটিল রোগের নিরাময় সম্ভব হয়।

তবে যারা সি-প্যাপ ব্যবহার করতে পারবেন না, তাদেরকে বিকল্প চিকিৎসা নিতে হয়। যেমন, গলার টনসিল বা নাকের পেশি বড় হয়ে গেলে তা অপারেশন করা। ম্যান্ডিবুলার অ্যাডভান্সমেন্ট ডিভাইস-ম্যাড ব্যবহার। এটি মুখের নীচের চোয়ালকে সামনে এগিয়ে রাখতে দাঁতের চারপাশে বসানো এক ধরনের যন্ত্র, যা শ্বাসনালি খোলা রাখতে সাহায্য করে।

লেজার অপারেশনের মাধ্যমে শ্বাসনালীর পরিধি বড় করাও একটি প্রক্রিয়া। এছাড়া জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তন আনলেও স্লিপ অ্যাপনিয়া অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আসার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। যেমন, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা, নিয়মিত ব্যায়াম করা, সুষম খাদ্যাভ্যাস, ডায়াবেটিস/রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা, ধূমপান ও মদপান পরিহার, কাত হয়ে ঘুমানো।

নিউজ ট্যাগ: স্লিপ অ্যাপনিয়া

আরও খবর



এমপি আনার হত্যা তদন্ত বাধাগ্রস্ত করতে কোনো চাপ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যা তদন্ত বাধাগ্রস্ত করতে তদবির বা কোনো চাপ নেই। সঠিক পথেই তদন্ত আগাচ্ছে। বুধবার (১২ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের তিনি এসব কথা বলেন।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, আনারের মেয়ে বাবা হত্যার বিচার তিনি চাইবে এটাই স্বাভাবিক। তদন্তে কেউ যাতে পার পেয়ে না যায় তিনি সেই অনুরোধ করেছেন। এই হত্যার তদন্তে কোনো তদবির বা চাপ নেই। কে চাপ দিবে? তদন্তে যা বেরিয়ে আসবে সেভাবেই বিচার প্রক্রিয়া আগাবে।


আরও খবর