আজঃ শনিবার ১৫ জুন ২০২৪
শিরোনাম

ঈদে এটিএম বুথে পর্যাপ্ত টাকা রাখার নির্দেশ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

জিলহজ মাসের ১০ তারিখ, অর্থাৎ ১৭ জুন বাংলাদেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদ্‌যাপিত হবে। ঈদের ছুটির সময় গ্রাহকের নির্বিঘ্নে লেনদেন নিশ্চিত করতে ব্যাংকের এটিএম বুথে পর্যাপ্ত টাকা সরবরাহের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। একই সঙ্গে পয়েন্ট অব সেল (পিওএস), ই-পেমেন্ট গেটওয়ে, মোবাইল ফিন্যানসিয়াল সার্ভিসসহ (এমএফএস) সব ডিজিটাল সেবায় নিরবচ্ছিন্ন লেনদেন নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট দেশের তফসিলি ব্যাংকগুলোকে এই নির্দেশনা দিয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়, এটিএম বুথ, পয়েন্ট অব সেল (পিওএস), ইন্টারনেট ব্যাংকিং, ই-পেমেন্ট গেটওয়ে, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন লেনদেন নিশ্চিত করতে হবে। এসব লেনদেনে কোনোভাবেই গ্রাহক যেন হয়রানির শিকার না হয় সে বিষয়ে ব্যাংকগুলোকে বিশেষ ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

সার্বক্ষণিক এটিএম সেবা চালু রাখা, বুথের কারিগরি ত্রুটি দ্রুততম সময়ে সমাধান করা এবং বুথে সার্বক্ষণিক পাহারাদারদের সতর্ক অবস্থানসহ অন্যান্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সার্বক্ষণিক পিওএস সেবা নিশ্চিত করা, জাল-জালিয়াতি রোধে মার্চেন্ট ও গ্রাহককে সচেতন করতেও ব্যাংকগুলোকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

এছাড়া, ই-পেমেন্ট গেটওয়ের ক্ষেত্রে কার্ডভিত্তিক কার্ড নট প্রেজেন্ট এবং অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে লেনদেনের ক্ষেত্রে টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন ব্যবস্থা চালু রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বিকাশ, রকেট ও নগদের মতো মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রদানকারী সব ব্যাংক এবং তাদের সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে নিরবচ্ছিন্ন লেনদেন নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে যে কোনো অঙ্কের লেনদেনের তথ্য এসএমএস অ্যালার্ট সার্ভিসের মাধ্যমে গ্রাহককে জানাতে হবে।


আরও খবর



চীনের জনপ্রিয় সেই নারী সাংবাদিকের কারাদণ্ড

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

চীনে মি-টু আন্দোলনের জন্য জনপ্রিয় এক নারী সাংবাদিককে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির একটি আদালত। একইসঙ্গে তার পুরুষ সঙ্গীকে দেওয়া হয়েছে সাড়ে ৩ বছরের কারাদণ্ড। রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধে তাদের ওই সাজা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে চীনা কর্তৃপক্ষ।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- সোফিয়া হুয়াং জুয়েনকিন এবং শ্রম অধিকারকর্মী ওয়াং জিয়ানবিং। খোলাসা করে না বললেও, তাদেরকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার বিরুদ্ধে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে বলেই কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।  শুক্রবার আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোফিয়া হুয়াং জুয়েনকিন নামে ওই নারী সাংবাদিককে শুক্রবার দক্ষিণ গুয়াংডং প্রদেশের গুয়াংজু ইন্টারমিডিয়েট কোর্ট দোষী সাব্যস্ত করে এবং সাজা দেন। এক হাজার দিন আটক থাকার পর তার এই সাজা হলো। অন্যদিকে হুয়াংয়ের সঙ্গে বিচারে থাকা শ্রম অধিকারকর্মী ওয়াং জিয়ানবিংকে সাড়ে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

৩৬ বছর বয়সি হুয়াং চীনে মি-টু আন্দোলনের অন্যতম কণ্ঠস্বর ছিলেন। তিনি যৌন নিপীড়নের শিকারদের নিয়ে চাঞ্চলকর সব খবর প্রকাশ করেন। অফিসকক্ষে নারী বিদ্বেষ ও যৌন নিপীড়নের মুখোমুখি হওয়া নিয়েও সোচ্চার ছিলেন তিনি। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে যুক্তরাজ্যে পড়াশোনা করতে যাওয়ার সময় গুয়াংজু থেকে হুয়াং জুয়েনকিন ও ওয়াং জিয়ানবিংকে আটক করা হয়।

হুয়াং বেইজিংয়ে চীনের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অন্যতম একটিতে প্রথম #MeToo আন্দোলন শুরু করেন। যৌন হয়রানির বিষয়ে রিপোর্ট করার জন্য তিনি একটি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মও তৈরি করেন।  ২০১৯ সালে হংকংয়ে সরকার বিরোধী বিক্ষোভের সময়ও কর্তৃপক্ষ তাকে আটক করে। সেসময় তার বিরুদ্ধে ঝামেলা উস্কে দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছিল।

হুয়াং ২০১৮ সাল থেকে তার ব্যক্তিগত ব্লগে সামাজিক সমস্যাগুলো নিয়ে লেখালেখি করতেন। এর আগে তিনি চীনা-ভাষার আউটলেট Xinquaibao এবং Southern Metropolis Weekly-তে একজন অনুসন্ধানী প্রতিবেদক হিসেবে কাজ করতেন।

তার সমর্থকরা বলছেন, সামাজিক সমস্যা নিয়ে আলোচনা জন্য তরুণদের নিয়ে নিয়মিত সভা ও ফোরাম আয়োজন করায় তাদের আটক করা হয়েছিল।

হুয়াং জুয়েকিন ও ওয়াং জিয়ানবিংকে অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানিয়েছে রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস নামে বিশ্বব্যাপী সাংবাদিকদের একটি অ্যাডভোকেসি গ্রুপ। গ্রুপটি জানায়, শুক্রবার যে আদালতে তাদের সাজা দেওয়া হয়, সেখানে বেশ বড় ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল এবং তাদের সদস্যরা ব্যাপক বাধার সম্মুখীন হয়েছে। এদিকে সাংবাদিক হুয়াং জুয়েকিন এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন। 


আরও খবর



কোটা পুনর্বহালের প্রতিবাদে রাবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আসিক আদনান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

Image

বাংলাদেশে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা ব্যবস্থা পুনর্বহালের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (৬ জুন) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে আন্দোলনে সমবেত হন শত শত শিক্ষার্থী। এসময় কোটাবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেয় তারা।

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী মারুফের সঞ্চালনায় আইন বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী সানজিদা বলেন, আমি একজন নারী এবং আমার ১ম শ্রেণির কোটা থাকা সত্ত্বেও আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। কারণ আমি বিশ্বাস করি আমার মধ্যে যদি মেধা থেকে থাকে, দক্ষতা থাকে তবে আমি আমার মেধা, দক্ষতা দিয়ে প্রথম শ্রেণির চাকরি অর্জন করতে পারব। আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের প্রতিটা মেয়েরই এই সক্ষমতা আছে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী যখন প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন তার জন্য কোনো কোটার দরকার হয়েছিল? নিশ্চয়ই হয়নি। তাই আমরা যারা মেয়েরা আছি আমাদেরও কোনো কোটা দরকার নেই।

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী আল আমিন বলেন, শারীরিক প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও আমি আমার মেধার জোরে চান্স পেয়েছি। কোটায় সাবজেক্ট আসা সত্ত্বেও আমি ভর্তি হয়নি। আমার মেধার ভিত্তিতে যে সাবজেক্ট এসেছে সেটায় ভর্তি হয়েছি। আমি এই কোটা সংস্কৃতির তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সাথে সাথে প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি জানাচ্ছি সাধারণ শিক্ষার্থীদের মেধার ভিত্তিতে বিবেচনা করা হোক। আমরা মুক্তিযোদ্ধাদের  বিরুদ্ধে নয়। তবে কোনো বৈষম্যমূলক সিদ্ধান্ত আমরা মেনে নিব না।

পপুলেশন সাইন্সের শিক্ষার্থী আমানুল্লাহ আমান বলেন, আজকে এই আন্দোলনের মানে আমাদের দাবি আদায় হয়ে গেছে এমন নয়। যতদিন না আমাদের দাবি আদায় হবে ততদিন পর্যন্ত আমরা আন্দোলন করে যাব। পরবর্তীকালে আমরা রাবি মেইন গেটে দাঁড়াব। যেহেতু শিক্ষার্থীরা বাসায় চলে যাবে আমরা কবিতা, গান, কথা, লেখার মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বুদ্ধিবৃত্তিক আন্দোলন গড়ে তুলব। এজন্য তিনি সকল সাধারণ শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

এসময় 'কোটা বৈষম্য নিপাত যাক, মেধাবীরা মুক্তি পাক', 'কোটা দিয়ে কামলা নয়, মেধা দিয়ে আমলা চায়'- স্লোগানে দিতে শোনা যায়। আন্দোলন বিভিন্ন বিভাগের সহস্রাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



প্রশ্ন ফাঁস কাণ্ডে সমালোচিত সেই অধ্যক্ষকে অবশেষে বরখাস্ত

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নরসিংদী প্রতিনিধি

Image

নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের অডিও ভাইরাল কাণ্ডে অবশেষে নরসিংদীর পলাশের ইছাখালী ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসার সমালোচিত সেই অধ্যক্ষ আ.ক.ম. রেজাউল করিমকে বরখাস্ত  করা হয়েছে। শনিবার (১৮মে) জেলা প্রশাসন নরসিংদীর চিঠির আলোকে মাদ্রাসার পরিচালনা পর্ষদের মিটিংয়ের সিদ্ধান্তে তাকে বরখাস্ত  করা হয়। সেই সাথে বিতর্কিত পরীক্ষার নিয়োগ প্রাপ্তদের নিয়োগ স্থগিত করা হয়। পদমর্যাদার ভিত্তিতে অত্র মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল আমজাদ হোসেনকে নতুন ভারপ্রাপ্ত  অধ্যক্ষ হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন অত্র মাদ্রাসার সভাপতি আল- মুজাহিদ হোসেন তুষার।

গভনিং বোর্ডের একাধিক সদস্য জানান, আগের সভাপতি পদত্যাগ করায় এতো দিন এ  বিষয়ে  সিদ্ধান্ত  নেওয়া যায়নি। আজকের সভায় জেলা প্রশাসনের চিঠির আলোকে সর্বসম্মতিক্রমে অধ্যক্ষকে বরখাস্ত  করা হয়েছে। সেই সাথে  বিতর্কিত পরীক্ষার নিয়োগ প্রাপ্তদের নিয়োগ স্থগিত  করা হয়েছে।

মাদ্রাসার সভাপতি ও ঘোড়াশাল পৌরসভার মেয়র আল মুজাহিদ হোসেন তুষার জানান, জেলা প্রশাসনের চিঠির আলোকে সর্বসম্মতিক্রমে আজকের সভায়   অধ্যক্ষকে বরখাস্ত করা হয়েছে। সেই সাথে  বিতর্কিত পরীক্ষার নিয়োগ প্রাপ্তদের নিয়োগ স্থগিত করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের চিঠির আলোকে ব্যবস্থা গ্রহণ করায় অত্র মাদ্রাসার পরিচালনা পর্ষদের সভাপতিসহ সকল সদস্যবৃন্দের প্রতি শিক্ষক -শিক্ষার্থী অভিভাবকসহ  সচেতন মহল সন্তুষ্টি  প্রকাশ করেছেন। এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উৎসক জনতা এলাকায়  মিষ্টি বিতরণ করেন।

এর আগে গত ১৩, ১৪ ও ১৫ মে  নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস কাণ্ডে আড়াই মাসেও স্ব-পদে বহাল অভিযুক্ত অধ্যক্ষ শিরোনামে দেশের একাধিক জাতীয় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়। সংবাদে বিতর্কিত পরীক্ষার নিয়োগপ্রাপ্তরা মাদ্রাসায় যোগদান করে নিয়মিত চাকরি ও করছেন।  প্রশ্ন ফাঁস কাণ্ডে ব্যবস্থা নিতে আড়াই মাসে ও জেলা প্রশাসনের চিঠি ও স্থানীয় সংসদ সদস্যর নির্দেশনা  কার্যকর হয়নি তা সংবাদে তুলে ধরা হয়। আর এসব বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের  ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিসহ সদস্যবৃন্দের কার্যকরী ভূমিকা কি তা জানতে চাওয়া হয়। 

এর আগে, গত ২৯ ফেব্রুয়ারি অধ্যক্ষ আ. ক. ম রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে নিয়োগ পরিক্ষার প্রশ্ন ফাঁস ঘটনার ব্যবস্থা নিতে  তৎকালীন সভাপতি সরকার   কাউছার আহম্মদকে জেলা প্রশাসন নরসিংদী থেকে একটি চিঠি ইস্যু করা হয়। চিঠিতে অধ্যক্ষ আ.ক. ম রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারপূর্বক অসদাচরণের দায়ে ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়। চিঠিতে বলা হয়, নিয়োগ প্রার্থীদের চাকরি প্রধানের প্রলোভন দেখিয়ে আর্থিক লেনদেনের ভিত্তিতে  প্রশ্ন ফাঁসের সাথে জড়িত মর্মে অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। যা প্রকাশিত অডিও ক্লিপের কথোপথনের  মাধ্যমে  সু-স্পষ্ট  ভাবে  প্রতীয়মান। এরপর পর সভাপতি  সরকার কাউসার আহমেদ পদত্যাগ করায়  গত ১২ মে  নতুন সভাপতি আল মুজাহিদ হোসেন তুষারকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসন নরসিংদী থেকে আর ও একটি চিঠি ইস্যু করা হয়।

উল্লেখ, গত ১৪ ডিসেম্বর তিনটি শূন্য পদের বিপরীতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। বিজ্ঞপ্তিতে ইবতেদায়ী শাখার প্রধান, কম্পিউটার অপারেটর ও ল্যাব সহকারী পদের জন্য আবেদন চাওয়া হয়।

এরপর ২৩ ফেব্রুয়ারি নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সেদিন বিকেলে কম্পিউটার অপারেটর পদে পলাশ উপজেলার তানভীর আহমেদ ও ল্যাব সহকারী পদে শিবপুর সাধারচর এলাকার ইতি আক্তারকে নির্বাচিত করা হয়।

এরপর, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে, নিয়োগ পরীক্ষার অন্য আবেদনকারীর সঙ্গে অভিযুক্ত অধ্যক্ষের ফোনে প্রশ্ন ফাঁস সংক্রান্ত কথোপকথনের অডিও ভাইরাল হলে দেশের বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় ফলাও করে সংবাদ প্রকাশিত হলে  সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে অভিযুক্তকে আইনের আওতায় আনতে সর্বমহলে ব্যাপক আলোচনা ও  সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

নিউজ ট্যাগ: নরসিংদী

আরও খবর



শিল্পী সমিতির সদস্যপদ ফিরে পেলেন জায়েদ, শঙ্কায় নিপুণ

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

গত বছর ফেব্রুয়ারিতে এক ঘোষণার মাধ্যমে সাবেক সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খানের সদস্যপদ বাতিল করে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি। এরপর আর সেভাবে সমিতিতে দেখা যায়নি জায়েদকে। গত ১৯ এপ্রিলে মিশা সওদাগর ও ডিপজল পরিষদের জেতার পর শোনা যাচ্ছিল সমিতিতে সদস্যপদ ফিরে পাচ্ছেন জায়েদ। অবশেষে সেটাই হয়েছে।

জায়েদ খানের সদস্যপদ ফিরিয়ে দিয়েছে সমিতির বর্তমান কমিটি। গেল বৃহস্পতিবার সাংবাদিক সম্মেলনে কমিটির সহ-সভাপতি ডি এ তায়েব জানান, জায়েদ খান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে বক্তব্য দিয়েছিল তার যথাযথ কারণ ব্যাখ্যা দিয়েছে। তা খতিয়ে দেখার পর সদস্যপদ ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এক প্রজ্ঞাপনেও বিষয়টি জানিয়েছে শিল্পী সমিতি।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মিশা সওদাগর বলেন, সর্বসম্মতিক্রমেই জায়েদ খানের পদটি ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সমিতির নতুন মুখপাত্র করা হয়েছে অভিনেতা রুবেল ও ডি এ তায়েবকে। এ কারণে বিষয়টি প্রথমে জানিয়েছেন তায়েব।

এর আগে ২০২৩ সালে জানানো হয়েছিল, কোনো রূপ সাংগঠনিক দুর্বলতা না পেয়ে জায়েদ খান ব্যক্তিগত আক্রোশ ধারাবাহিকভাবে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতিসহ সাধারণ সম্পাদক নিপুণের নামে মিথ্যা, মনগড়া, কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়ে চলেছেন। এ কারণে সদস্যপদ বাতিল করা হয়েছে।

এদিকে, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৪-২৬ মেয়াদি নির্বাচনের ফলাফল বাতিল চেয়ে নতুন নির্বাচন দাবি করে রিট করেছেন পরাজিত সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী নিপুণ আক্তার। নিপুণের এমন সিদ্ধান্তকে দ্বৈতনীতি বলে অ্যাখ্যা দিয়ে সম্প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন চিত্রনায়ক জায়েদ খান।

এক ভিডিও সাক্ষাৎকারে জায়েদ খান বলেন, তখন নতুন কমিটিকে ফুলের মালা পরিয়ে দিয়ে তিনি বলেছিলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে। অথচ এত দিন পরে উনার মনে হলো, নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। এটা দ্বৈতনীতি! আলোচনায় থাকা অথবা কারও প্ররোচনায় এমন কাজ করেছেন তিনি।

জায়েদ এটাকে নোংরা মানসিকতা উল্লেখ করে বলেন, শিল্পীরা এত জঘন্য হতে পারে না। তার কারণে শিল্পীদের বদনাম হচ্ছে। আশা করি, শিল্পীরা সবাই মিলে উনাকে প্রতিহত করবে।

এদিকে বৃহস্পতিবার সমিতির কার্যকরী সভাশেষে ডিএ তায়েব বলেন, নিপুণের সদস্যপদ বাতিল হতে পারে। গণমাধ্যমে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদককে নিয়ে বাজে মন্তব্য করেছেন তিনি। তার সদস্যপদ কেন বাতিল করা হবে না, সেটি জানতে চেয়ে চিঠি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বর্তমান কমিটি।


আরও খবর



ঈদের দিন ৬ ঘন্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণের ঘোষণা মেয়র আতিকের

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

এবারের কোরবানি ঈদে ৬ ঘন্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণ করার ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম। বুধবার (১২ জুন) কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য কেনা নতুন ৪০টি ট্রাক উদ্বোধনকালে এ ঘোষণা দেন তিনি। ট্রাকগুলো নিজস্ব অর্থায়নে ক্রয় করেছে ডিএনসিসি। খরচ হয়েছে ৩০ কোটি টাকা।

মেয়র আতিক বলেন, গত কোরবানির ঈদে তিনদিনে প্রায় ২০ হাজার টন বর্জ্য অপসারণ করে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন। নতুন গাড়িগুলোর মাধ্যমে এবার ঈদের দিন ৬ ঘণ্টার মধ্যে কোরবানির সব বর্জ্য অপসারণ করা হবে।

এ সময় ঈদের প্রথম দুই দিনের মধ্যে কোরবানি শেষ করার জন্য নাগরিকদের অনুরোধ করেন ডিএনসিসি মেয়র।

তিনি বলেন, পশুর হাটে ইজরাদাররা ঠিক মতো বর্জ্য অপসারণ করে না। তাই এবার হাটের সব বর্জ্য ডিএসসিসি পরিস্কার করবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এজন্য হাটের ইজারাদারদের কাছ থেকে ১০ শতাংশ টাকা কেটে রাখা হয়েছে।

পরে উত্তরা ১০ নম্বর সেক্টরে রাস্তার উপর হাট বসানো হয়েছে বলে জানানো হয় মেয়র আতিককে। এ ব্যাপারে তিনি জানান, কোনো হাট রাস্তার ওপর বসলে তাদের জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত করা হবে।


আরও খবর