আজঃ শনিবার ১৫ জুন ২০২৪
শিরোনাম

জামালপুরে হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | পত্রিকায় প্রকাশিত
জামালপুর প্রতিনিধি

Image

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে ইজিবাইক চুরির পর চালক লাইজু মিয়াকে শ্বাসরোধ করে হত্যা মামলায় চারজনকে মৃত্যুদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রবিবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-২ এর আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আনোয়ার সাদাত এ রায় ঘোষণা করেন৷

সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সরিষাবাড়ী উপজেলার বাসিন্দা মো. মনি তাহেরি, মো. রুবেল মিয়া, মো. জাকির হোসেন ও সোহাগ। এর মধ্যে সোহাগ ও মো. জাকির হোসেন পলাতক রয়েছেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান, ২০১৬ সালের ১ অক্টোবর সরিষাবাড়ীতে ইজিবাইক চুরির পর চালক লাইজু মিয়াকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে আসামিরা। এই ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে সরিষাবাড়ী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করলে পুলিশ সন্দেহজনকভাবে রুবেল মিয়া ও মনি তাহেরকে গ্রেপ্তার করে৷ পরে আসামিরা ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত আইনজীবী মো. শফিকুল ইসলাম আক্কাস বলেন, মামলায় ১৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে এই রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ২ জনের উপস্থিতিতে এই রায় দেওয়া হয়েছে। বাকি দুজন জামিনে মুক্তি পেয়ে পলাতক রয়েছে।


আরও খবর



পদ্মা সেতুর টোল প্লাজায় ৬ কিলোমিটার যানজট

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
সাকিব আহম্মেদ, মুন্সিগঞ্জ

Image

ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছেন দক্ষিণবঙ্গের মানুষ। ঘরমুখী যাত্রীর ভিড়ে আজ (১৪ জুন) শুক্রবার ভোর থেকে পদ্মা সেতুর টোল প্লাজায় লম্বা যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। মাওয়ার পদ্মা সেতু টোল প্লাজা থেকে শুরু করে শ্রীনগর উপজেলার ফেরিঘাট এলাকা পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার রাস্তায় ছোট বড় যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা যাচ্ছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ঘরমুখী যাত্রীরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, ভোর থেকে পদ্মা সেতু মাওয়া টোল ঘর থেকে শ্রীনগর উপজেলার ফেরিঘাট পর্যন্ত ছোট বড় যানবাহনের দীর্ঘ সারি লেগে আছে।

পদ্মা সেতু কর্তৃপক্ষ বলছেন, এবার ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সাতটি টোল বুথে যানবাহনের টোল আদায় করা হচ্ছে। এছাড়া ঈদে মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে নজরদারি বাড়িয়েছেন সেতু নিরাপত্তাকর্মীরা। তবে রাজধানী থেকে যানবাহনের তীব্র চাপে দীর্ঘ সারি সৃষ্টি হয়েছে।

তবে ঈদে ঘরে ফেরা মানুষজনের অভিযোগ, ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে যানবাহনের টোল আদায় কার্যক্রম ধীর গতিতে চলায় দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে গাড়িচালক ও যাত্রীদের। তাদের দাবি দ্রুত টোল আদায় ও বুথ সংখ্যা বাড়ালে যাত্রী ভোগান্তি কমবে।

এদিকে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনায় এড়াতে ও ওভারটেকিং বন্ধে স্পিড গানের মাধ্যমে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালাচ্ছেন হাইওয়ে পুলিশ।

তবে এখন পর্যন্ত কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি বলে নিশ্চিত করেছেন পদ্মা সেতু উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান।


আরও খবর



ঠাকুরগাঁওয়ের সেই স্বর্ণের পাহাড়ের মাটি পরীক্ষায় নেমেছে ভূতাত্ত্বিক অধিদপ্তর

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রেদওয়ানুল হক মিলন, ঠাকুরগাঁও

Image

সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে এবার ঠাকুরগাঁওয়ের সেই স্বর্ণের পাহাড়ে মাটি পরীক্ষায় নেমেছে ভূতাত্ত্বিক অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (৪ জুন) দুপুরে জেলার রাণীশংকৈল উপজেলার বাচোর ইউনিয়নের কাতিহার এলাকায় আরবিবি ইটভাটার মাটি পরীক্ষা- নিরিক্ষা করেন ভূতাত্ত্বিক অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (ভূতত্ত্ব) আনোয়ার সাদাৎ মুহাম্মদ সায়েম ও সহকারী পরিচালক (ভূতত্ত্ব) মোহাম্মদ আল রাজী।

গত এক মাস ধরে ওই ইউনিয়নের আরবিবি ইটভাটায় বিভিন্ন স্থান থেকে আনা মাটি খুড়লেই পাওয়া যাচ্ছে সোনা এ খবরে এলাকার লোকজন হুমড়ি খেয়ে পড়ে। কোদাল-বশিলা ও সাবল নিয়ে স্বর্ণের খোঁজে মাটি খুড়তে থাকে তারা। এভাবে মাটি খোঁড়া চলতে থাকলে উপজেলা প্রশাসন আইনশৃঙ্খলার অবনতি কথা চিন্তা করে শনিবার (২৫ মে) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ১৪৪ ধারা জারি করেন এবং সেই স্থানে লাল ফ্লাগ উড়িয়ে দেওয়াসহ অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

তবে সোনা পাওয়ার বিষয়টি কতটুকু সত্য তা যাচাইয়ে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মেহেদী হাসান শুভ ইটভাটার স্তুপের মাটি ও মাটি সরবরাহকৃত স্থানসহ অন্যান্য মাটি পরীক্ষা করতে মঙ্গলবার (২৮ মে) ভূতাত্ত্বিক অধিদপ্তরে আবেদন করেন।

পরবর্তীতে ভূতাত্ত্বিক অধিদপ্তর দুইজন সহকারী পরিচালক (ভূতত্ত্ব) কে সোমবার থেকে আজ বুধবার পর্যন্ত মাটির স্তূপ সহ অন্যান্য স্থানের মাটি পরীক্ষা, অনুসন্ধান ও স্ক্যান করে প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য নির্দেশ দেয়।

এ বিষয়ে ভূতাত্ত্বিক অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আনোয়ার সাদাৎ মুহাম্মদ সায়েম বলেন, আমরা তিনটি স্থানের মাটির নমুনা সংগ্রহ করেছি। এরপর এ মাটির নমুনা প্রতিবেদনসহ সংশ্লিষ্ট ল্যাবরেটরিতে জমা দেবো পরীক্ষার জন্য। তবে পরীক্ষার আগে কিছুই বলা যাবে না।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, রাণীশংকৈল উপজেলা নির্বাহী অফিসার রকিবুল হাসান, বাচোর ইউপি চেয়ারম্যান জীতেন্দ্রনাথ বর্মণ প্রমুখ।


আরও খবর



কোটা পুনর্বহালের প্রতিবাদে রাবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আসিক আদনান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

Image

বাংলাদেশে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা ব্যবস্থা পুনর্বহালের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (৬ জুন) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে আন্দোলনে সমবেত হন শত শত শিক্ষার্থী। এসময় কোটাবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেয় তারা।

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী মারুফের সঞ্চালনায় আইন বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী সানজিদা বলেন, আমি একজন নারী এবং আমার ১ম শ্রেণির কোটা থাকা সত্ত্বেও আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। কারণ আমি বিশ্বাস করি আমার মধ্যে যদি মেধা থেকে থাকে, দক্ষতা থাকে তবে আমি আমার মেধা, দক্ষতা দিয়ে প্রথম শ্রেণির চাকরি অর্জন করতে পারব। আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের প্রতিটা মেয়েরই এই সক্ষমতা আছে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী যখন প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন তার জন্য কোনো কোটার দরকার হয়েছিল? নিশ্চয়ই হয়নি। তাই আমরা যারা মেয়েরা আছি আমাদেরও কোনো কোটা দরকার নেই।

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী আল আমিন বলেন, শারীরিক প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও আমি আমার মেধার জোরে চান্স পেয়েছি। কোটায় সাবজেক্ট আসা সত্ত্বেও আমি ভর্তি হয়নি। আমার মেধার ভিত্তিতে যে সাবজেক্ট এসেছে সেটায় ভর্তি হয়েছি। আমি এই কোটা সংস্কৃতির তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সাথে সাথে প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি জানাচ্ছি সাধারণ শিক্ষার্থীদের মেধার ভিত্তিতে বিবেচনা করা হোক। আমরা মুক্তিযোদ্ধাদের  বিরুদ্ধে নয়। তবে কোনো বৈষম্যমূলক সিদ্ধান্ত আমরা মেনে নিব না।

পপুলেশন সাইন্সের শিক্ষার্থী আমানুল্লাহ আমান বলেন, আজকে এই আন্দোলনের মানে আমাদের দাবি আদায় হয়ে গেছে এমন নয়। যতদিন না আমাদের দাবি আদায় হবে ততদিন পর্যন্ত আমরা আন্দোলন করে যাব। পরবর্তীকালে আমরা রাবি মেইন গেটে দাঁড়াব। যেহেতু শিক্ষার্থীরা বাসায় চলে যাবে আমরা কবিতা, গান, কথা, লেখার মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বুদ্ধিবৃত্তিক আন্দোলন গড়ে তুলব। এজন্য তিনি সকল সাধারণ শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

এসময় 'কোটা বৈষম্য নিপাত যাক, মেধাবীরা মুক্তি পাক', 'কোটা দিয়ে কামলা নয়, মেধা দিয়ে আমলা চায়'- স্লোগানে দিতে শোনা যায়। আন্দোলন বিভিন্ন বিভাগের সহস্রাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



ঘূর্ণিঝড় রেমাল : স্কুল বন্ধ থাকা নিয়ে যা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

দুর্যোগকালীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা বা বন্ধ রাখার বিষয়ে স্ব স্ব জেলাগুলো নিজেরাই সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের ২০২৩-২৪ অর্থ-বছরের সংশোধিত এডিপি বাস্তবায়ন এবং চলমান উন্নয়ন কাজের অগ্রগতি ও মূল্যায়ন বিষয়ক কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। রোববার (২৬ মে) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের মিলনায়তনে কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এসডিজি-৪ এর লক্ষ্য শতভাগ শিক্ষার্থীকে মাধ্যমিক পর্যায়ে নিয়ে আসা। ভবনের নির্মাণ, ক্লাসরুমের ডিজাইন, ফার্নিচারের ডিজাইনে পরিবর্তন আনাও একই সঙ্গে প্রাসঙ্গিক।

শিক্ষার্থীদের মাঠমুখী করতে হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যেও চিন্তার পরিবর্তন করতে হবে। তাদের মাঠে নিয়ে আসতে হবে। প্রকৌশলীরা তাদের মনোজাগতিক পরিবর্তন আনতে পারে। প্রতিটি সাইটই শিক্ষার সাইট। মাদ্রাসা, অধিদপ্তর কিংবা বিদ্যালয়ের বিল্ডিং হোক সবখানেই প্রকৌশলীরা আছেন। আমরা দাপ্তরিক কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে যাচ্ছি। আমাদের দেশে ইনোভেশন হচ্ছে না, কারণ প্রকৌশলীরাও অফিসে বসে কাজ করছে।

তিনি বলেন, শিক্ষা প্রকৌশলের ইঞ্জিনিয়াররাই পরিমিত ব্যয়ের মাধ্যমে ভবন নির্মাণ করে গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়াতে সহায়তা করতে পারেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. দেলোয়ার হোসেন মজুমদার। এতে সভাপতিত্ব করেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব সোলেমান খান।


আরও খবর



বিডি ক্লিনের মত বড় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আর নেই: মেয়র আতিক

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

যত্রতত্র ময়লা না ফেলার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।

সোমবার (৩ মে) গুলশানে ডিএনসিসির নগর ভবনের সামনে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বিডি ক্লিনের ৮ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ডিএনসিসি এলাকায় ১০০টি স্মার্ট ডাস্টবিন স্থাপন কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।

ডিএনসিসি মেয়র বলেন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বিডি ক্লিন দীর্ঘদিন ধরে আমার সঙ্গে পরিচ্ছন্ন শহর গড়ায় কাজ করছে। মিরপুর প্যারিস খাল, মোহাম্মদপুর রামচন্দ্রপুর খালের ময়লা পরিষ্কারে অংশ নিয়েছে। জানতে পেরেছি বিডি ক্লিন ৮ বছর শেষে ৫৮টি জেলা টিম আর ১৫৭টি উপজেলা টিমের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে ৪৬০০০ এর বেশি সক্রিয় সদস্য। পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম করে এতো বড় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বাংলাদেশে আর নেই। বিডি ক্লিন দেশকে ভালোবেসে, শহরকে ভালোবেসে পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম করে যাচ্ছে।

মেয়র আরও বলেন, অনেকে শুধু নিজের চিন্তা করে মাঠ, খাল, রাস্তা, বড়-বড় জমি দখল করছে। এমন চিন্তা বাদ দিয়ে আমাদের সবাইকে প্রতিজ্ঞা করতে হবে শুধু নিজেদের না, আমাদের সবাইকে নিয়ে কাজ করার জন্য। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কখনও চিন্তা করেননি আমার। তিনি চিন্তা করেছেন আমাদের। তাই আমরা আজকে বাংলাদেশ পেয়েছি, লাল সবুজের পতাকা পেয়েছি। বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাত-দিন কাজ করে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর একটি বাসাও ঢাকায় নেই। তিনি (প্রধানমন্ত্রী) বলেছেন, আমার বাসা লাগবে না। আমার বাসা আছে গোপালগঞ্জে। এমন প্রধানমন্ত্রী পেয়েছি এটা আমাদের ও দেশের ভাগ্য।

মেয়র বলেন, শহরকে, দেশকে ভালোবাসলে কেউ যেখানে সেখানে ময়লা ফেলতে পারে না। সবাই শুধু নিজেকে নিয়ে চিন্তা করছে, দখল দূষণ করছে। আমরা খাল থেকে বর্জ্য সংগ্রহ করে প্রদর্শনী করেছি। জানাতে চেয়েছি মানুষ নির্বিচারে কী ধরনের বর্জ্য ফেলছে। লেপ, তোষক, চেয়ার, টেবিল, কমোডসহ এমন কিছু নেই খালে ও ড্রেনে পাওয়া যাচ্ছে না। সবাইকে আহ্বান করছি দয়া করে কেউ খালে, ড্রেনে ময়লা ফেলবেন না। নির্দিষ্ট জায়গায় ময়লা ফেলবেন।

বক্তৃতা শেষে ডিএনসিসি মেয়র স্মার্ট ডাস্টবিন কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগে. জেনা. ইমরুল কায়েস চৌধুরী, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ ফিদা হাসান, গুলশান সোসাইটির সভাপতি ব্যারিস্টার ওমর সাদাত, বিডি ক্লিনের প্রতিষ্ঠাতা ফরিদ উদ্দিন প্রমুখ।


আরও খবর