আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

কার প্রেমে পড়লেন শেহনাজ গিল?

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ১৩ নভেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

শেহনাজ-সিদ্ধার্থ জুটি ছিল এভারগ্রিন। কিন্তু, ২০২১ সালে হঠাৎ মৃত্যু হয় ছোট পর্দার অভিনেতা সিদ্ধার্থ শুক্লার। অভিনেতার মৃত্যুর পর তার প্রেমিকা অভিনেত্রী শেহনাজ গিলের জীবন তোলপাড় হয়ে গিয়েছিল। তবে, কাছের বন্ধু হারানোর সেই ক্ষত ভুলে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন শেহনাজ গিল। কিন্তু, এখন কার প্রেমে পড়েছেন অভিনেত্রী?

সম্প্রতি প্রকৃতির কোলে ঘুরে বেড়ালেন শেহনাজ। সেই ছবি-ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে তাতে তিনি প্রকৃতির প্রতি তার প্রেমের কথা উল্লেখ করেছেন। ছবিতে যেন দেখে মনে হচ্ছে প্রকৃতিই তার নতুন প্রেমিক। দুপাশে গাছ-গাছালি। তার মাঝখান দিয়ে দৌড়ে বেড়াচ্ছেন শেহনাজ। তার প্রফুল্ল মুখে হাসি দেখে অনুরাগীদের মনেও শান্তি বিরাজ করছে। তাদেরও মনে হয়েছে, শেহনাজের হারিয়ে যাওয়া আনন্দ ফিরে আসছে।

গত অক্টোবরে শেহনাজ গিলের দ্বিতীয় ছবি থ্যাংকস ফর কামিং মুক্তি পেয়েছে। তবে কাজের ফাঁকে ফাঁকে ঘুরতে বেজায় ভালোবাসেন তিনি। তাই তো ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন প্রকৃতির খোঁজে। প্রকৃতির মাঝে ঘুরে বেড়ানোর সেই ছবি-ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেন তিনি।

সিদ্ধার্থের মৃত্যুর পর শেহনাজের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন সিদ্ধার্থের মা এবং কিছু কাছের বন্ধু। ধীরে ধীরে ছন্দে ফিরেছিলেন শেহনাজ। তাকে আগলে রেখেছিলেন বলিউড অভিনেতা সালমান খান। মুখে হাসি ফিরে পেতে সময় লেগেছিল শেহনাজের। ওজনও কমিয়েছিলেন অনেকটা। ওজন কমানোর প্রসঙ্গে শেহনাজ বলেছিলেন, আমার আগের মিষ্টি চেহারাটাই ভালো লাগত। কোনো মেয়েকে মোটা দেখলে তার প্রতি আমার বিতৃষ্ণা জন্মায় না। বরং সেটাই আমার ভালো লাগে।

প্রসঙ্গত, ২০২১ সালে মৃত্যুবরণ করেন ছোটপর্দার অভিনেতা সিদ্ধার্থ শুক্লা। তার মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ হয়ে পড়েছিল গোটা বলিউড। জীবন তোলপাড় হয়ে গিয়েছিল তার প্রেমিকা অভিনেত্রী শেহনাজ গিলের। বিগ বস ১৩ সিজনের অংশগ্রহণকারী ছিলেন শেহনাজ-সিদ্ধার্থ। সেখান থেকেই তাদের বন্ধুত্ব ও প্রেম। সিদ্ধার্থের মৃত্যুর পর যেন হাসতেই ভুলে গিয়েছিলেন শেহনাজ গিল। তা দেখে দুঃখে ছিলেন শেহনাজের অনুরাগীরাও।

নিউজ ট্যাগ: শেহনাজ গিল

আরও খবর
ভারতীয় পরিচালক কুমার সাহানি আর নেই

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




পাওনা টাকা চাওয়ায় মামা-মামী ও বোনকে হত্যা করেন রাজিব

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

Image

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলা সদরের বারোয়ারি বটতলা মহল্লার নিজ বাড়িতে মামা-মামী ও মামাতো বোনকে কুপিয়ে ও জবাই করে খুন করার ঘটনায় জড়িত ভাগ্নে রাজীব ভৌমিক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

নিহতরা হলেন- তাড়াশ পৌর এলাকার কালিচরণ সরকারের ছোট ছেলে বিকাশ সরকার (৪৫), তাঁর স্ত্রী স্বর্ণা রানী সরকার (৪০) ও মেয়ে তাড়াশ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী পারমিতা সরকার তুষি (১৫)।

বুধবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেলে সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার আরিফুল রহমান মন্ডল বিপিএম পিপিএম বার প্রেস বিজ্ঞপ্তি মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গতকাল মঙ্গলবার রাতে তাড়াশ থানায় বাদী হয়ে নিহত স্বর্ণা সরকারের বড় ভাই সুকমল চন্দ্র সাহা হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। এরই সূত্র ধরে সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ, সিআইডি, পিবিআই, ডিবি ও তাড়াশ থানা পুলিশের একটি চৌকসদল ট্রিপল মার্ডারের সাথে জড়িত ভাগ্নে রাজিব ভৌমিককে আটক করে।

হত্যার সাথে জড়িত ভাগ্নে রাজীব ভৌমিক উল্লাপাড়া উপজেলার তেলিপাড়া গ্রামের বিশ্বনাথের ছেলে।

পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি জবানবন্দিতে রাজিব ভৌমিক জানান, নিহত মামা বিকাশ চন্দ্র সাহা ভাগ্নে রাজীব ভৌমিকের সঙ্গে মাছের খাদ্যের ব্যবসা করতেন। ভাগ্নে রাজিব ভৌমিকের ব্যবসার জন্য মামা বিকাশ সরকারে নিকট ২০ লক্ষ টাকা নেয়। নিহত বিকাশ সরকার মূলধন সহ সমদয় টাকা ফেরত চাইলে ভাগ্নের সাথে সম্পর্কের অবনতি হয়। এর জের ধরে গত ২৭ শে জানুয়ারি বিকেলে রাজিব মামার বাসায় আসে। মামা বাসায় না থাকায় সেই সুযোগে মামীকে কফি আনার জন্য বাহিরে পাঠায়। সেই সুযোগে মামাতো বোন পারমিতা সরকার তুশিকে হত্যা করে। মামি কফি নিয়ে বাসায় আসলে স্বর্ণা সরকারকে রড দিয়ে পিটিয়ে অজ্ঞান করে হাসুয়া দিয়ে গলা কেটে হত্যা নিশ্চিত। পরে মামাকে মোবাইল ফোন দিয়ে বাসায় আসতে বলে। মামা বিকাশ সরকার বাসায় আসলে তাকে একই কায়দায় হত্যা করে। হত্যায় ব্যবহৃত রড ও হাসুয়া উদ্ধার করেছে পুলিশ।


আরও খবর



মানুষ আমাকে বাংলার জেমস বন্ড বলে: অনন্ত জলিল

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

প্রয়াত লেখক কাজী আনোয়ার হোসেনের অমর সৃষ্টি মাসুদ রানা। এই লেখকের অপারেশন চিতা নামের উপন্যাস থেকে এবার নির্মিত হবে চিতা নামের সিনেমা।

জাজ মাল্টিমিডিয়া প্রযোজিত অ্যাকশন থ্রিলারধর্মী সিনেমাটিতে জুটিবদ্ধ হয়েছেন তারকা দম্পতি অনন্ত জলিল ও বর্ষা। এছাড়াও রয়েছেন এমআর-৯ : ডু অর ডাই সিনেমা দিয়ে পরিচিত পাওয়া আলিশা ইসলাম।

বুধবার (৩১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মহরতের মাধ্যমে এমন ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সেখান হাজির হয়ে অনন্ত জলিল বলেন, ‘‘মাসুদ রানা সিরিজে কাজ করা আমার নিজেরও স্বপ্ন ছিল। দেশে যখন থেকে কাজ করি, অনেকেই আমাকে বলত বাংলার জেমস বন্ড। এই যে চিতা ছবিতে আমি কাজ করছি, এটা কিন্তু সাংবাদিকরাও জানতেন না। অথচ জাজের ঘোষণার পর থেকে ফেসবুকে অনেকেই কমেন্ট করেছে, বাংলার জেমস বন্ড অনন্ত জলিল। এজন্য আমি নিজেকে ধন্য মনে করি। প্রায় নাইন্টি ফাইভ পারসেন্ট কমেন্ট আমাকে নিয়ে করেছে।’’

চিতা ছবিটি পরিচালনা করবেন কলকাতার নির্মাতা রাজীব বিশ্বাস। এর আগে তার পরিচালনায় অপারেশন জ্যাকপট ছবিতে কাজ করেছেন অনন্ত। সেটি এখনও নির্মাণাধীন রয়েছে। নির্মাতা প্রসঙ্গে জলিল বলেন, আমি একজন ভাগ্যবান মানুষ যে, চিতা ছবিতে ওপার বাংলার সুপারহিট ছবির নির্মাতা রাজীব ভাইয়ের সঙ্গে আবার কাজ করতে পারবো।

এই সিনেমায়ও অনন্ত জলিলের সঙ্গে থাকছেন তারই স্ত্রী, নায়িকা বর্ষা। মহরত অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, আমি খুব নার্ভাস। ভয় লাগছে। খোঁজ-দ্য সার্চর (প্রথম ছবি) সময় যেমন লেগেছিল, আজও তেমন লাগছে। আমি আজিজ ভাইয়ের প্রতি ভীষণ কৃতজ্ঞ। তিনি আমাকে এই চরিত্রের জন্য উপযুক্ত ভেবেছেন। আমি জানি যে, এই ক্যারেক্টারের জন্য আমাকে অনেক কষ্ট করতে হবে। তবে সবার কথা শুনে মনে হচ্ছে, ছবিটা ভালো হবে। আর ভালো তো হতেই হবে। কারণ মাসুদ রানা, বাংলার জেমস বন্ড।

জানা যায়, এ সিনেমার শুটিং শুরু হবে আগামী মে মাসে। শুটিংয়ের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনামকে। সিনেমাটিতে আরও দেখা যাবে নাদের চৌধুরী, সাঞ্জু জন, মিস্টার রবার্টসহ অনেকেই।


আরও খবর
ভারতীয় পরিচালক কুমার সাহানি আর নেই

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




পাঁচ বিভাগে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

প্রকৃতিতে তাপমাত্রা বাড়ার পাশাপাশি বৃষ্টিপাতের প্রবণতাও বাড়ছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে পাঁচ বিভাগে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি হলেও রাতের তাপমাত্রা ২ ডিগ্রির মতো বাড়তে পারে।

শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় দেয়া আবহাওয়ার ৭২ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এমন তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া দফতর বলছে পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

শনিবার সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও খুলনা বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা (১-২) ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে, তবে দিনের তাপমাত্রা (১-২) ডিগ্রি সেলসিয়াস হ্রাস পেতে পারে।

এদিকে রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময়ে রাতের তাপমাত্রা (১-২) ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

তৃতীয় দিনেও প্রায় একই রকম আবহাওয়া থাকার পূর্বাভাস মিলেছে।

আর বর্ধিত পাঁচ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে শেষের দিকে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা বাড়তে পারে।


আরও খবর



প্রকাশ হলো ‘অ্যাভাটার ৪’-এর পোস্টার

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | হালনাগাদ:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

বিশ্ব সিনেমায় ঝড় উঠেছিল ২০০৯ সালে। সে ঝড়ের নাম অ্যাভাটার। বিশ্ববিখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা জেমস ক্যামেরন পরিচালিত সিনেমাটি সিনেমার ইতিহাসে নতুন এক দিগন্তের সূচনা করে। ২ দশমিক ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করে সিনেমাটি হয়ে ওঠে সর্বকালের সেরা আয় করা সিনেমা। দীর্ঘ ১৩ বছর পর ২০২২ সালে এ সিনেমার সিক্যুয়েল অ্যাভাটার : দ্য ওয়ে অব ওয়াটার মুক্তি পায়। এবার আসছে এর চতুর্থ সিক্যুয়েল অ্যাভাটার ৪

সিনেমাটির কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। মুক্তির তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে ২১ ডিসেম্বর, ২০২৯।

সম্প্রতি টুইটারে দ্য হলিউড হ্যান্ডেলে সিনেমাটির নতুন পোস্টার শেয়ার করা হয়েছে। যার আদলে অ্যাভাটার ৪ নির্মাণ করা হবে বলে ধারণা দেওয়া হয়। পোস্টার প্রকাশের পরপরই সিনেমাপ্রেমীদের মধ্যে দেখা দেয় উন্মাদনা। এখন চলছে চিত্রনাট্যের কাজ। শুটিং শুরু হবে আগামী বছরের মাঝামাঝি।

অ্যাভাটার : দ্য ওয়ে অব ওয়াটারে সিগর্নি ওয়েভারকে দেখা যায় ড. গ্রেস অগাস্টিন এবং স্টিফেন ল্যাংকে কর্নেল মাইলস কোয়ারিচের চরিত্রে। নতুন তারকার মধ্যে চমক হিসেবে দেখা যায় ভিন ডিজেল ও কেট উইন্সলেটকে। নতুন সিক্যুয়েলেও বেশ কিছু চমক থাকবে বলে আগেই নিশ্চিত করেছিলেন নির্মাতা।

অ্যাভাটার : দ্য ওয়ে অব ওয়াটারের প্রধান চার চরিত্রে অভিনয় করেন স্যাম ওয়ার্থিংটন, জো সালডানা, সিগুর্নি উইভার ও স্টিফেন ল্যাং। চতুর্থ সিক্যুয়েলেও তাদের অভিনয়ের বিষয়টি অনেকটাই নিশ্চিত।


আরও খবর
ভারতীয় পরিচালক কুমার সাহানি আর নেই

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সরকারি হাসপাতালে ওষুধ পান না ৬৯ শতাংশ রোগী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
স্বাস্থ্য ডেস্ক

Image

সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা ৬৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ রোগীকে বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে হয়। জন্মের পরপরই মায়ের দুধ থেকে বঞ্চিত হয় দেশের ১৩ দশমিক ৭ শতাংশ শিশু। ৫০টির বেশি নীতিমালা, আইন থাকার পরেও এখনো নিশ্চিত হয়নি দেশের মানুষের জন্য নিরাপদ খাদ্য। এমন সব তথ্য উঠে এসেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন গবেষণায়।

আজ সোমবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্ল্যানিং মনিটরিং অ্যান্ড রিসার্চ (পিএমআর) আয়োজিত গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনটি সেশনে প্রকাশ করা হয় বিষয়ভিত্তিক ১৪টি গবেষণা প্রতিবেদন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রশ্নপত্রের ভিত্তিতে এই গবেষণাগুলো করা হয়।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী অধিবেশনে সভাপতির বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ বি এম খুরশীদ আলম। স্বাগত বক্তব্য দেন পিএমআরের লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. মাজহারুল ইসলাম।

এ সময় আরও বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবির এবং জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের (নিপসম) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা।

দেশের হাসপাতালগুলোয় সংক্রমণ রোধ ও নিয়ন্ত্রণের (আইপিসি) অবস্থাবিষয়ক এক গবেষণায় বলা হয়, বেশির ভাগ হাসপাতালে আইপিসি কমিটি আছে। কিন্তু অধিকাংশ কমিটি কার্যকর নয়। অধিকাংশ হাসপাতালেই নেই আইপিসির জন্য নির্দিষ্ট জনবল। সরকারি ৬০ শতাংশ হাসপাতালে আইপিসি ব্যবস্থাপনা নেই। আর বেসরকারি হাসপাতালের ৫০ শতাংশে এই ব্যবস্থাপনা নেই। ফলে হাসপাতাল থেকে যেসব রোগের সংক্রমণ হয়, সেটি বাড়বে। এই সংক্রমণ মারাত্মক ও অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হয়।

এই গবেষণায় দেখা গেছে, অ্যান্টিবায়োটিক কীভাবে ব্যবহার করা হবে, এর একটি গাইডলাইন থাকলেও হাসপাতালগুলোয় তা মানা হয় না। এক-চতুর্থাংশ হাসপাতালে হ্যান্ড হাইজেনিং স্টেশন অর্থাৎ যেখানে হাত ধোয়ার জন্য কার্যকরী ব্যবস্থা নেই। প্রতি বেডে একজন রোগী থাকার কথা থাকলেও হাসপাতালগুলোয় বেডের চেয়ে বহুগুণ বেশি রোগী থাকছে। উন্নত দেশে আইপিসি হার ৩ থেকে ৫ শতাংশ হলেও এশিয়ার দেশগুলোয় এই হার ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ।

নিরাপদ খাদ্য ও জনস্বাস্থ্যবিষয়ক গবেষণায় দেখা গেছে, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে দেশে আইন, নীতিমালা ও বিধিমালা রয়েছে ১৫২টির মতো। আইনের অভাব না থাকলেও সেগুলোর বাস্তবায়ন খুব একটা নেই। যে কারণে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।

তথ্যের ঘাটতি-সম্পর্কিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে স্বাস্থ্য খাতের যে ৪০টি সূচক রয়েছে, এসব ক্ষেত্রে সরকার কাজ করলেও পরিপূর্ণ তথ্য নেই। এ ৪০টি সূচকের মধ্যে চারটির কোনো সঠিক তথ্যই নেই। অন্যদিকে, ১০ সূচকের আংশিক তথ্য রয়েছে। আর বাকি ২৬টি সূচকের যাচাই করার মতো তথ্য আছে, তবে তা পরিপূর্ণ নয়। যে চারটি সূচকের কোনো তথ্য নেই, তা হলো জন্মহার, অনিরাপদ পানি ও অনিরাপদ স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধির অভাবে মৃত্যুহার, স্বাস্থ্য সুযোগ-সুবিধার অনুপাত (যেখানে সাশ্রয়ী মূল্যের প্রাসঙ্গিক প্রয়োজনীয় ওষুধের সুবিধা রয়েছে) এবং নির্বাচিত অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার কারণে রক্তপ্রবাহের সংক্রমণের তথ্য।

জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক অধ্যাপক ডা. শাহ গোলাম নবীর নেতৃত্বে পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, জন্মের পরপরই মায়ের দুধ থেকে বঞ্চিত হয় দেশের ১৩ দশমিক ৭ শতাংশ শিশু। জন্মের প্রথম ছয় মাস (এক্সক্লুসিভ ব্রেস্ট ফিডিং) মায়ের দুধ থেকে বঞ্চিত হয় ৬ শতাংশ শিশু। জন্মের প্রথম দুই বছর মায়ের দুধ পায় না ৭ দশমিক ৭ শতাংশ শিশু। এ ছাড়া ছয় মাস বয়সের পরেও মায়ের দুধের পাশাপাশি ৮ দশমিক ২ শতাংশ শিশু বাড়তি খাবার পায় না।

স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ, মিটফোর্ড হাসপাতালের পরিচালক ব্রি. জে. কাজী মো. রাশিদ উন নবীসহ ১৩ জন চিকিৎসক একটি গবেষণা পরিচালনা করেন। সেখানে দেশের সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাব্যবস্থা সম্পর্কে নেওয়া রোগীদের সুস্পষ্ট মতামত উঠে এসেছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা ৬৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ রোগীকে ওষুধ কিনে খেতে হয়। যদিও তাদের হাসপাতাল থেকে বিনা মূল্যে ওষুধ পাওয়ার কথা ছিল। এ ছাড়া ১৮ শতাংশ রোগীকে সরকারি হাসপাতালের সেবা পাওয়ার জন্য টাকা দিতে হয়। হাসপাতালে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিয়ে অসন্তুষ্ট ৭৮ দশমিক ৪৩ শতাংশ রোগী।


আরও খবর
করোনার কিছু টিকায় সমস্যা বেড়েছে: গবেষণা

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪