আজঃ বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১
শিরোনাম

ময়মনসিংহে একদিনে করোনায় আরও ১৩ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৬ জুলাই ২০২১ | ৭৯জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আজ শুক্রবার সকালে হাসপাতালের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ময়মনসিংহ জেলা ও জেলার বাইরের ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে মৃত ১৩ জনের মধ্যে নয় জন করোনায় আক্রান্ত হয়ে এবং চার জন করোনার উপসর্গে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

মমেক হাসপাতালের মেডিসিন ইউনিটের কনসালটেন্ট এবং করোনা ইউনিটের ফোকাল পার্সন ডা. মো. মহিউদ্দিন খান জানান, করোনা ইউনিটে গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

ডা. মো. মহিউদ্দিন খান আরও জানান, মমেক হাসপাতালের করোনা ইউনিটে মোট রোগী ভর্তি আছেন ৪৪০ জন এবং আইসিইউতে ভর্তি আছেন ২১জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ১১৩ জন।

এদিকে, গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৫৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২৩২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টে পজিটিভ ১৬০  জন এবং পিসিআর টেস্টে ৭২ জন। শনাক্তের হার ২৭ দশমিক ১৬ শতাংশ। 


আরও খবর



‘কঠোরতম’ লকডাউনের দ্বিতীয় দিন চলছে

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | ১২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনা সংক্রমণ কমাতে দেশব্যাপী নতুন করে আরোপিত কঠোর বিধিনিষেধের দ্বিতীয় দিন আজ শনিবার। শুক্রবার (২৩ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে কঠোর বিধিনিষেধ শুরু হয়েছে। ৫ আগস্ট দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত বিধিনিষেধ বহাল থাকবে। এ সময় জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে বের হলে তাকে শাস্তির আওতায় নেওয়া হবে। বিধিনিষেধ চলাকালে জনগণকে সতর্ক থাকা, মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি মানার নির্দেশ দেওয়া হয়। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানিয়েছেন, বিধিনিষেধ আগের চেয়ে কঠোর হবে। বিধিনিষেধ কার্যকর করতে পুলিশের পাশাপাশি বিজিবি ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা মাঠে আছে।

১৩ জুলাই বিধিনিষেধ আরোপ করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। ওই আদেশে ১৪ জুলাই মধ্যরাত থেকে ২৩ জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়েছিল ঈদের কারণে। ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে নতুন করে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল ওই ঘোষণায়।

কঠোর বিধিনিষেধের প্রথম দিন শুক্রবারে ঢাকায় গ্রেফতার হয়েছে ৪০৩ জন। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) জানায়, লকডাউন অমান্য করে অহেতুক ঘোরাফেরা করায় তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ২০৩ জনকে এক লাখ ২৭ হাজার ২৭০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

আরোপিত ‌বিধিনিষেধের আদেশে যা রয়েছে

১) সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে।

২) সড়ক, রেল ও নৌপথে গণপরিবহন (অভ্যন্তরীণ বিমানসহ) ও সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে।

৩) শপিং মল/মার্কেটসহ সব দোকানপাট বন্ধ থাকবে।

৪) সব পর্যটনকেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে।

৫) সব ধরনের শিল্প-কলকারখানা বন্ধ থাকবে।

৬) জনসমাবেশ হয় এ ধরনের সামাজিক বিবাহত্তোর অনুষ্ঠান (ওয়ালিমা), জন্মদিন, পিকনিক, পার্টি ইত্যাদি রাজনৈতিক ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

৭) বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আদালতগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

৮) ব্যাংক-বিমা/আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

৯) সরকারি কর্মচারীরা নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করবেন এবং দাফতরিক কাজগুলো ভার্চুয়ালি (ই-নথি, ই-টেন্ডারিং, ই-মেইল, এসএমএস, হোয়াটঅ্যাপসহ অন্যান্য মাধ্যম) সম্পন্ন করবেন।

১০) আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন: কৃষি পণ্য ও উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন/বিক্রি, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) প্রদান কার্যক্রম, রাজস্ব আদায় সম্পর্কিত কার্যাবলী, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবা, ব্যাংক, ভিসা সংক্রান্ত কার্যক্রম, সিটি করপোরেশন/পৌরসভা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সড়কের বাতি ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি কার্যক্রম), সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, ফার্মেসি ও ফার্মাসিউটিক্যালসসহ অন্যান্য জরুরি/অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসের কর্মচারী ও যানবাহন প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়পত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে যাতায়াত করতে পারবে।

১১) বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয় খোলা রাখার বিষয়ে অর্থ বিভাগ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে।

১২) জরুরি পণ্য পরিবহনে নিয়োজিত ট্রাক, লরি/কাভার্ডভ্যান/নৌ-যান/পণ্যবাহী রেল/ফেরি এ নিষেধাজ্ঞার আওতাবহির্ভূত থাকবে।

১৩) বন্দরগুলো (বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল) এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিসগুলো এ নিষেধাজ্ঞার আওতাবহির্ভূত থাকবে।

১৪) কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে কেনাবেচা করা যাবে। সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য সংগঠন/বাজার কর্তৃপক্ষ/স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

১৫) অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া (ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি কেনা, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। নির্দেশনা অমান্যকারীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৬) টিকা কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে টিকা নেওয়ার জন্য যাতায়াত করা যাবে।

১৭) খাবারের দোকান, হোটেল-রেস্তোরাঁ সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খাবার বিক্রি (অনলাইন/টেকওয়ে) করতে পারবে।

১৮) আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু থাকবে এবং বিদেশগামী যাত্রীরা তাদের আন্তর্জাতিক ভ্রমণের টিকিট প্রদর্শন করে গাড়ি ব্যবহার করে যাতায়াত করতে পারবেন।

১৯) স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে মসজিদে নামাজের বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নির্দেশনা দেবে।

২০) আর্মি ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার বিধানের আওতায় মাঠপর্যায়ে কার্যকর টহল নিশ্চিত করার জন্য সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনা মোতায়েন করবে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট স্থানীয় সেনা কমান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

২১) জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জেলা পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে সমন্বয় সভা করে সেনাবাহিনী, বিজিবি/কোস্টগার্ড, পুলিশ, র‌্যাব ও আনসার নিয়োগ ও টহলের অধিক্ষেত্র, পদ্ধতি সময় নির্ধারণ করবেন। সেইসঙ্গে স্থানীয়ভাবে বিশেষ কোনও কার্যক্রমের প্রয়োজন হলে সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেবেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগগুলো এ বিষয়ে মাঠপর্যায়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে।

২২) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় মাঠপর্যায়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

২৩) স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক তার পক্ষে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনীকে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজনীয় ক্ষমতা দেবেন।



আরও খবর



চট্টগ্রামে করোনায় একদিনে মৃত্যু ১৭ জন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ জুলাই ২০২১ | ১০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনায় আক্রান্ত হয়ে চট্টগ্রামে গত একদিনে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এনিয়ে জেলায় মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৯৪৯ জনে। আর একদিনে করোনায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ৩১৫ জন। এনিয়ে জেলায় মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৯ হাজার ৭৫১ জনে।

বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি জানান, বুধবার চট্টগ্রামের বিভিন্ন ল্যাবে তিন হাজার ৫১৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে এক হাজার ৩১৫ জনের দেহে করোনার ভাইরাস পাওয়া যায়। এদের মধ্যে নগরের ৮৫৮ জন এবং উপজেলার ৪৫৭ জন।

গেল ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ১২০ জন, ফৌজদারহাট বিআইটিআইডি ল্যাবে ১৯৯ জন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ল্যাবে ১৫০ জন, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ইউনিভার্সিটি ল্যাবে ১০৪ জন, ইমপেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে ১০৪ জন ও শেভরণ হাসপাতাল ল্যাবে ১১৩ জন করোনায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়।

এছাড়া জেনারেল হাসপাতাল আরটিআরএল ল্যাবে ১২ জন, মেডিকেল সেন্টার হাসপাতাল ল্যাবে ৩৪ জন, ইপিক হেলথ কেয়ার ল্যাবে ১২৪ জন, অ্যান্টিজেন টেস্টে ৩৫৩ জন এবং কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ল্যাবে চট্টগ্রামের দুজনের শরীরে করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়।



আরও খবর



বিধি-নিষেধের সপ্তম দিনে ৫৬৮ জন গ্রেফতার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ জুলাই ২০২১ | ৭৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত কঠোর বিধি-নিষেধের সপ্তম দিনে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হওয়া ও বিভিন্ন নির্দেশনা অমান্যের অভিযোগে ৫৬৮ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

এছাড়া, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ২০৬ জনকে ৩ লাখ ৪০ হাজার ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) সকাল থেকে দিনভর ডিএমপির বিভিন্ন থানা এলাকায় একযোগে পরিচালিত অভিযানে তাদের গ্রেফতার ও জরিমানা করা হয়েছে।

ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) ইফতেখায়রুল ইসলাম জানান, এই দফায় কঠোর বিধিনিষেধের সপ্তম দিনে ডিএমপির ৮টি বিভাগে বিভিন্ন থানা পুলিশ একযোগে অভিযান চালায়। বিধি-নিষেধ অমান্য করে বাইরে বের হওয়ার অভিযোগে সারাদিনে ৫৬৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া, ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ২০৬ জনকে ৩ লাখ ৪০ হাজার ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এদিকে, সপ্তম দিনে বিধি-নিষেধ অমান্য করায় ৪৩১টি যানবাহনকে ৯ লাখ ৯৭ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ।

এই দফায় শুক্রবার (২৩ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে শুরু হওয়া কঠোর বিধিনিষেধ চলবে আগামী ৫ আগস্ট দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত।


আরও খবর



আরও ৭ দিন বাড়লো ‘কঠোর লকডাউন’

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ জুলাই ২০২১ | ১২৪জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসের উর্ধ্বগতি না কমায় সর্বাত্মক লকডাউন আরও এক সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে।

সোমবার চলমান কঠোর বিধিনিষেধ  ১৪ জুলাই পর্যন্ত বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

করোনা নিয়ন্ত্রণে গত ১ জুলাই থেকে এক সপ্তাহের কঠোর লকডাউন শুরু হয়েছে সারা দেশে। লকডাউনের চুতর্থ দিন রবিবার চলমান কঠোর লকডাউন আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর সুপারিশ করে কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। পরদিনই লকডাউন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত এলো সরকারের পক্ষ থেকে।

 


আরও খবর



পবিত্র ঈদেও সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেছে বিএনপি : ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ জুলাই ২০২১ | ১০৮জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও সৌজন্যতা নেই বলেই পবিত্র ঈদের দিনেও সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেছে বিএনপি। সেতুমন্ত্রী তাঁর সরকারি বাসভবনে আজ বৃহস্পতিবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন।

সরকারের উদাসীনতা ও অযোগ্যতায় দেশের মানুষ কষ্টে আছে’—বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আসলে দেশের জনগণ নয়, বিএনপিই তাদের ব্যর্থ রাজনীতি ঢাকতে জনগণের ওপর দোষ চাপাচ্ছে। দেশের মানুষ ভালো আছে বলেই বিএনপির গায়ে জ্বালা বাড়ায়। সময়ের পরীক্ষিত নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অসীম সাহসী নেতৃত্বে দেশের জনগণ ভালো আছে।

নির্বাচন ও আন্দোলনে বারবার পরাজিত বিএনপির নেতারা এখন মিডিয়ায় বক্তব্য-বিবৃতিতে সীমাবদ্ধ উল্লেখ করে সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপির প্রতি জনগণের আস্থা নেই বলেই কর্মীদের চাঙা রাখার জন্য এখন এটা-সেটা বলে মাঠ গরম করার অপচেষ্টা করে যাচ্ছে তারা।

দেশে গণতন্ত্র নেই’—মির্জা ফখরুলের এমন বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপির এমন অভিযোগ ভিত্তিহীন, পাগলের প্রলাপ ছাড়া আর কিছু নয়। গণতন্ত্র একটি বিবর্তনমূলক প্রক্রিয়া। রাতারাতি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয় না, বরং বিএনপিই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পদে পদে বাধা দিচ্ছে। তারপরও চড়াই-উতরাই অতিক্রম করে গণতন্ত্র এগিয়ে যাচ্ছে।

আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই এই দেশ মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ী হয়, দেশ স্বাধীন হয় উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, এ দেশের সব অর্জন এবং মানুষের সুখ-দুঃখের সঙ্গে রয়েছে আওয়ামী লীগ, বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনা।

আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় বিশ্বাসী নয় বরং বিএনপিই এদেশে প্রতিহিংসার রাজনীতির পথ-প্রদর্শক বলে মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মামলা ও চিকিৎসা নিয়ে বিএনপি নেতারা এক ধরনের রহস্যময় আচরণ করছেন মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের মির্জা ফখরুল ইসলামকে উদ্দেশ করে বলেন, খালেদা জিয়াকে আপনারা নিজ নিজ পদরক্ষার জন্য দাবার গুটি বানাবেন আর দায় চাপাবেন সরকারের ওপর, তা হতে পারে না। তাঁর মুক্তি ও চিকিৎসার চেয়ে রাজনীতি করতেই বিএনপি নেতারা বেশি আগ্রহী।

সেতুমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বেগম জিয়ার প্রতি অধিকতর মানবিক আচরণ করেছেন। তাঁর চিকিৎসা ও বয়সের কথা বিবেচনায় তাঁকে ঘরে চিকিৎসার সুযোগ করে দিয়েছেন। শেখ হাসিনার মহানুভবতার প্রতি বিএনপির নেতাদের কৃতজ্ঞ থাকা উচিত।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, পবিত্র ঈদের দিনেও বিএনপি নেতারা জিয়াউর রহমানের সমাধিস্থলে গিয়ে বলেছেন, তাঁদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নাকি নির্বাসনে।

সেতুমন্ত্রী বিএনপির নেতাদের প্রতি প্রশ্ন রেখে বলেন, তারেক রহমান একজন দণ্ডিত আসামি। যদি নির্বাসনে আছেন বলে মনে করেন, তাহলে তিনি দেশে কেন ফিরে আসছেন না? আসলে তারেক রহমান নির্বাসনে, নাকি মুচলেকা দিয়ে দেশত্যাগ করেছেনতা কি বিএনপি নেতারা ভুলে গেছেন?

ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশে জেল-জুলুমের ভয় করলে রাজনীতি করছেন কেন? কেন তারেক রহমান নির্বাসনে গেলেন মুচলেকা দিয়ে? জনগণকে বোকা বানানোর দিন এখন আর নেই।


আরও খবর