আজঃ রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

নড়াইলে হত্যার দায়ে তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | পত্রিকায় প্রকাশিত
এস এম সালাউদ্দিন, নড়াইল প্রতিনিধি

Image

নড়াইলে ইজিবাইক কেনার প্রলোভনে পলাশ মোল্যাকে (২৫) অপহরণ ও হত্যার দায়ে তিন জনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে প্রত্যেক আসামিকে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার (১২ জুন) দুপুরে নড়াইলের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আলমাচ হোসেন মৃধা এ আদেশ দেন।

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, লোহাগড়া উপজেলার শালনগর ইউনিয়নের মাকড়াইল গ্রামের মৃত আবুল খায়ের মোল্যার ছেলে আনারুল মোল্যা, জয়পুর ইউনিয়নের মরিচপাশা গ্রামের মৃত মোক্তার সর্দারের ছেলে জিনারুল ইসলাম ওরফে তারা মিয়া এবং নোওয়াগ্রাম ইউনিয়নের আড়পাড়া গ্রামের আকুব্বার শিকদারের ছেলে নাজমুল শিকদার।

রায় ঘোষণার সময় জিনারুল ইসলাম ওরফে তারা মিয়া আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আসামি আনারুল মোল্যা ও নাজমুল সিকদার পলাতক রয়েছেন।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ২৩ জুন সকালে লোহাগড়া উপজেলার মাকড়াইল গ্রামের আব্দুস সালাম মোল্যার ছেলে পলাশ মোল্যা (২৫) কে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় পার্শ্ববর্তী গ্রামের আনারুল মোল্যা, জিনারুল ইসলাম এবং নাজমুল শিকদার। তারা ৪০ হাজার টাকায় ইজিবাইক কিনে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে পলাশ মোল্যাকে অপহরণ করেন। ২৬ জুন পুলিশ মাগুরার সদর থানার ধানখোলা গ্রামের জাহাঙ্গীরের পাটক্ষেত থেকে অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার করে। ৮ জুলাই পলাশ মোল্যার পরিবার বিভিন্ন মাধ্যমে খবর পেয়ে এবং ছবি দেখে তার লাশ সনাক্ত করেন।

এ ঘটনায় পলাশের ভাই আহাদ আলী বাদী লোহাগড়া থানায় প্রথমে নিখোঁজের জিডি এবং পরে অপহরণ করে হত্যার মামলা করেন।

নড়াইলের রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) ইমদাদুল ইসলাম রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের পর উচ্চ আদালতের অনুমোদন সাপেক্ষে রায় কার্যকর হবে।


আরও খবর



নাইজেরিয়ায় সিরিজ বোমা হামলায় নিহত ১৮

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

নাইজেরিয়ায় বেশ কয়েকটি স্থানে সিরিজ বোমা হামলার ঘটনায় কমপক্ষে ১৮ জন নিহত হয়েছেন। ভয়াবহ বিস্ফোরণে আহত হয়েছেন আরও ৩০ জন। স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় বোর্নো রাজ্যে ওই হামলার ঘটনা ঘটেছে।

স্থানীয় সময় শনিবার একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে সন্দেহভাজন বোমা হামলায় ছয়জন নিহত এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

প্রদেশের জরুরি ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, সন্দেহভাজন আত্মঘাতী বোমা হামলাকারীরা গোওজা শহরের একটি বিয়ে, শেষকৃত্য এবং একটি হাসপাতালে হামলা চালিয়েছে।

বোর্নো রাজ্যে প্রায় ১৫ বছর ধরেই জঙ্গি গোষ্ঠী বোকো হারাম সক্রিয় রয়েছে। এ সময়ে বিভিন্ন স্থানে জঙ্গি হামলায় দেশটিতে ৪০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। এছাড়া বাস্তুচ্যুত হয়েছে আরও ২০ লাখের বেশি মানুষ।

২০১৪ সালে চিবোক শহর এবং বোর্নো রাজ্য থেকে ২৭০ জনের বেশি স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর বিশ্বজুড়ে আলোচনায় আসে বোকো হারাম।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শনিবার অন্তঃসত্ত্বা নারী, শিশু এবং প্রাপ্তবয়স্ক মোট ১৮ জন নিহত হয়েছে। তবে সামাজিক মাধ্যমে কেউ কেউ দাবি করেছেন যে, নিহতের সংখ্যা আরও বেশি। নাইজেরিয়ার ভ্যানগার্ড এবং দিস ডে পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিস্ফারণে কমপক্ষে ৩০ জন নিহত হয়েছে।

কয়েকটি স্থানে একসঙ্গে হামলার পর কারফিউ জারি করেছে সামরিক বাহিনী। এখনো পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী ওই হামলার দায় স্বীকার করেনি।

২০১৪ সালে গোওজা শহরের দখল নেয় বোকো হারাম। পরবর্তীতে নাইজেরিয়ার সামরিক বাহিনী ২০১৫ সালে বোকো হারামের কাছ থেকে শহরটি মুক্ত করে। এরপর থেকেই ওই শহরের আশেপাশে হামলা এবং অপহরণ করে যাচ্ছে জঙ্গিরা।

গত নভেম্বরে প্রতিবেশী ইয়োব রাজ্যে একটি শেষকৃত্যু অনুষ্ঠান শেষ করে ফেরার সময় বোকো হারামের হামলায় ২০ জন নিহত হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ওই হামলার একদিন আগেই গুরুকায়েয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে ১৭ জনকে হত্যা করে জঙ্গিরা। গ্রামবাসীরা তথাকথিত ফসলের কর দিতে অস্বীকার করায় সেখানে অভিযান চালানো হয়।


আরও খবর
আজ নেলসন ম্যান্ডেলার জন্মদিন!

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




দুদকে দেওয়া চিঠিতে বেনজীরের নতুন আবদার

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

অতিরিক্ত সময় দেওয়ার পরেও নির্ধারিত সময়ে (২৩ জুন) দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) হাজির হননি পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ। তবে আইনজীবীর মাধ্যমে লিখিত বক্তব্য পাঠিয়েছেন তিনি। সেখানে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেছেন বেনজীর। যদিও দুদক তার আবদার নাকচ করে দিয়েছে।

সূত্র জানায়, গত ২১ জুন দুদক চেয়ারম্যান বরাবর একটি চিঠি দিয়েছিলেন বেনজীর। সেখানে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন তিনি। পাশাপাশি ক্রোক ও ফ্রিজ করা সম্পদ সম্পূর্ণ বৈধ বলে দাবি করেন বেনজীর।

বেনজীরের চিঠির বিষয়ে রোববার (২৩ জুন) দুদক সচিব খোরশেদা ইয়াসমীন সাংবাদিকদের জানান, আইনজীবীর মাধ্যমে গত ২১ জুন দুদক চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত বক্তব্য দিয়েছেন বেনজীর। সেখানে তিনিসহ তার স্ত্রী ও দুই মেয়ের সম্পদ সম্পর্কে ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। তবে, চিঠিতে তিনি নিজের অবস্থান জানাননি।

বেনজীরের চিঠির বক্তব্য গ্রহণের বিষয়ে তিনি বলেন, এটা সম্পূর্ণ অনুসন্ধান টিমের এখতিয়ার। তারা স্বাধীনভাবে অনুসন্ধান করছেন। তার বক্তব্য গ্রহণ করা যায় কি না এটা অনুসন্ধান টিম সিদ্ধান্ত নেবে। টিম যে সুপারিশ করবে, তার ভিত্তিতে দুদক সিদ্ধান্ত নেবে।

খোরশেদা ইয়াসমীন আরও বলেছেন, বেনজীরের অনুরোধে তাকে আরও ১৬ দিন অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়েছিল। তারপরেও তিনি দুদকে আসেননি। তাকে আর সময় দেওয়া হবে না, আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে, বেনজীরের স্ত্রী ও দুই মেয়েকে আজ (সোমবার) দুদকে হাজির হতে বলা হলেও তারাও আসেননি। সকাল ১০টায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হওয়ার জন্য ডাকা হয়েছিল। কিন্তু বিকেল আড়াইটা পর্যন্ত তারা দুদকে যাননি।

যদিও এ বিষয়ে দুদক সচিব রোববার বলেছিলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বেনজীরের স্ত্রী ও কন্যারা উপস্থিত না হলে তাদের বিরুদ্ধেও আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এর আগে, গত ২৮ মে বেনজীর ও তার স্ত্রী-সন্তানদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিশ পাঠানো হয়। এতে বেনজীরকে ৬ জুন এবং তার স্ত্রী-সন্তানদের ৯ জুন দুদকে হাজির হতে বলা হয়। পরে গত পাঁচ জুন আইনজীবীর মাধ্যমে দুদকে হাজির হতে আরও সময় চান বেনজীর। সেই হিসেবে বেনজীরকে ২৩ জুন এবং তার স্ত্রী ও দুই কন্যাকে ২৪ জুন দুদকে হাজির হতে বলা হয়।

বেনজীর আহমেদ ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আইজিপি এবং ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২০ সালের এপ্রিল পর্যন্ত র‌্যাবের মহাপরিচালক ছিলেন বেনজীর। তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

বেনজীর পরিবারের সম্পদের অনুসন্ধান অব্যাহত রেখেছে দুদক। এখন পর্যন্ত যেসব সম্পদ পাওয়া গেছে, তা জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সর্বশেষ বেনজীর ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে ঢাকায় আরও আটটি ফ্ল্যাটের খোঁজ পাওয়ার কথা জানায় দুদক। এর মধ্যে ছয়টি ফ্ল্যাট ঢাকার আদাবরের একটি ভবনে। দুটি বাড্ডায়। রূপায়ন লিমিটেড স্কয়ার নামের ১৪ তলা ভবনে অবস্থিত বাড্ডার ফ্ল্যাট দুটি বাণিজ্যিক বা অফিস স্পেস।

বেনজীর পরিবারের নামে ঢাকায় মোট ১২টি ফ্ল্যাটের খোঁজ পাওয়া গেছে। এর আগে গুলশানে চারটি ফ্ল্যাটের খোঁজ পাওয়া গিয়েছিল।

দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগরের জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন সম্প্রতি বেনজীর পরিবারের আটটি ফ্ল্যাট জব্দের আদেশ দেন। পাশাপাশি বেনজীর পরিবারের প্রায় ৭৬ বিঘা (২৫ একর) জমি জব্দ এবং বেসরকারি সিটিজেন টেলিভিশন ও টাইগার ক্রাফট অ্যাপারেলস লিমিটেডের শেয়ার অবরুদ্ধ করার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

এর আগে দুই দফায় বেনজীর ও তার পরিবারের নামে গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, কক্সবাজার ও ঢাকার সাভারে থাকা ৬২১ বিঘা জমি, ১৯টি কোম্পানির শেয়ার এবং গুলশানের ৪টি ফ্ল্যাট জব্দের আদেশ দিয়েছিলেন আদালত। তখন ৩০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র, ৩৩টি ব্যাংক হিসাব ও ৩টি বিও হিসাবও (শেয়ার ব্যবসার বেনিফিশিয়ারি ওনার্স অ্যাকাউন্ট) অবরুদ্ধের আদেশ দেওয়া হয়েছিল। সব মিলিয়ে বেনজীর পরিবারের নামে ৬৯৭ বিঘা জমি পাওয়া গেছে।


আরও খবর
কে এই আবেদ আলী

সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪




২০৩০ সালের মধ্যে যক্ষ্মা দূর করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেছেন, যক্ষ্মা এমন একটা ব্যাধি যা শুধু আমাদের দেশ নয়, বৃহত্তরভাবে বিশ্ব সম্প্রদায়কে প্রভাবিত করছে। বিশ্বে প্রতি বছর ১ কোটির বেশি মানুষ যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয়। যক্ষ্মা দূরীকরণে মূল কারণগুলো মোকাবিলা করা এখন আগের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

আজ রবিবার সকালে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা গ্লোবাল ফোরামের যক্ষ্মা রোগের অবসান ঘটাতে মাল্টিসেক্টরাল ও মাল্টিস্টেকহোল্ডারদের সম্পৃক্ততা এবং জবাবদিহিতার অগ্রগতি শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, গ্লোবাল ফোরামের উদ্বোধনীতে আমরা ২০৩০ সালের মধ্যে যক্ষ্মা দূর করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করছি। আমাদের জ্ঞান, কৌশল এবং সম্মিলিত ইচ্ছাকে কাজে লাগিয়ে আমরা এই লক্ষ্যকে বাস্তবে পরিণত করতে পারব।

অনুষ্ঠানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক ড. সায়মা ওয়াজেদ ভিডিও বার্তায় যক্ষ্মা রোগ সম্পর্কে তার মূল্যবান বক্তব্য ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. রোকেয়া সুলতানা, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডিরেক্টর টি. কাসিভা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশ প্রতিনিধি ডা. বর্ধন জং রানা প্রমুখ।


আরও খবর
বাড়ছে ডেঙ্গু, শতাধিক নতুন রোগী শনাক্ত

বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪




এবার রাশিয়ায় নিষিদ্ধ হলো নিকাব

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

পশ্চিমা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মুসলিম নারীদের হিজাব ও নিকাবের ওপর নিষেধাজ্ঞার কথা হয়তো সবারই জানা। এসবের বিপরীতে ধর্মীয় স্বাধীনতা ইস্যুতে প্রায়ই মুখ খুলতে দেখা যায় রাশিয়াকে। এবার সেই রাশিয়াই নিকাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। এমন ঘটনা ঘটেছে রাশিয়ার দাগেস্তান রিপাবলিক অঞ্চলে। স্থানীয় সেক্যুলার সরকারের আপত্তি ওঠার পর এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

রুশ সংবাদমাধ্যম আরটি-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, দাগেস্তান রিপাবলিকের ইসলামিক কর্তৃপক্ষ মুসলিম নারীদের নিকাব পরিধানের ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। গত মাসে অঞ্চলটিতে একটি সশস্ত্র হামলার পর এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

নিকাব হলো মুসলিম নারীদের একটি পোশাক যা তাদের পুরো মুখ ঢেকে রাখে শুধু চোখ ব্যতীত। মুসলিম ধর্মপণ্ডিতরা বলে থাকেন, এ ধরনের পোশাক নারীদের পর্দার অনুষঙ্গ। যদিও মুসলিম বিশ্বের সব জায়গায় তা মানা হয় না।

টেলিগ্রাম চ্যানেলে দেয়া এক বিবৃতিতে দাগেস্তানের ডেপুটি হেড মুফতি আব্দুল্লাহ সালিমভ জানান, দাগেস্তান প্রজাতন্ত্রের জনগণের ওপর নিরাপত্তা হুমকি কমিয়ে আনার লক্ষ্যে রাশিয়ার জাতীয় নীতিমালা ও ধর্ম মন্ত্রণালয়ের একটি আবেদনের প্রেক্ষিতে দাগেস্তানের ধর্মীয় নেতারা নিকাব নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সালিমভ জানান, মুফতি কাউন্সিল এক জরুরি বার্তায় জানাচ্ছে যে- চলমান হুমকি বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত দাগেস্তানে মুসলিম নারীদের সাময়িকভাবে নিকাব পরিধানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে একটি ফতোয়াও জারি করেছে স্থানীয় ইসলামি কর্তৃপক্ষ।

এর আগে মঙ্গলবার (২ জুলাই) ফতোয়া বিভাগের প্রধান আখমেদ-খাদজি ইসায়েভ জানান, মুসলিম নারীদের নিকাব পরার ব্যাপারে ইসলামী আলেমদের মধ্যে কোনো সাধারণ ঐকমত্য নেই। এ সময় বিভিন্ন ধর্মীয় ব্যাখ্যা ও ফতোয়ার আলোকে দাগেস্তানের মুফতিরা নিকাবের ওপর সর্বজনীন নিষেধাজ্ঞা দেয়ার মতো কোনো বিষয় খুঁজে পাননি বলেও জানান তিনি।

ইসায়েভ জানান, স্থানীয় পরিস্থিতির আলোকে নিকাবের ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দেয়া যেতে পারে। তবে স্থায়ীভাবে নিকাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়ারও বিরোধিতা করেন ফতোয়া বিভাগের প্রধান। গত মাসের শেষের দিকে দাগেস্তানের গভর্নর সের্গেই মেলিকভ নিকাব নিষিদ্ধ করার পক্ষে কথা বলেছিলেন। এ সময় তিনি যুক্তি দিয়েছিলেন যে, এ ধরনের পোশাক ককেশাসের জনগণের মধ্যে এতিহ্যগতভাবে প্রচলিত নয়। দাগেস্তান গভর্নর জানান, এ ধরনের পোশাক পুরুষদে লুকিয়ে থাকতে সাহায্য করে এবং নারীদের এর আড়ালে অবৈধ জিনিস বহনে সহযোগিতা করে।

গত ২৩ জুনে দাগেস্তানে সন্ত্রাসবাদী হামলার পর নেকাব নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। ওই দিন বেশ কয়েকজন বন্দুকধারী অর্থোডক্স গির্জা এবং একটি উপাসনালয়কে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। হামলায় নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যসহ অন্তত ২০ জন নিহত হন। আহত হন আরও অসংখ্য।


আরও খবর
আজ নেলসন ম্যান্ডেলার জন্মদিন!

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




কোপার ফাইনাল ম্যাচ পরিচালনা করবেন ক্লাউস

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

কোপা আমেরিকার ফাইনালে সোমবার বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টায় মুখোমুখি হবে গতবারের চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা বনাম কলম্বিয়া। এই হাইভোল্টেজ ম্যাচকে নিয়ে ইতিমধ্যেই উত্তেজনা বিরাজ করছে।

যুক্তরাষ্ট্রে হচ্ছে কোপা আমেরিকার এবারের আসর। এই মুহূর্তে আর্জেন্টিনা ফুটবলের জনপ্রিয় তারকা লিওনেল মেসি খেলছেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ইন্টার মিয়ামির হয়ে। যে কারণে এই ম্যাচকে ঘিরে বাড়তি উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। সেই উত্তেজনার কারণেই ফাইনাল ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ব্রাজিলের অভিজ্ঞ রেফরি রাফায়েল ক্লাউসকে।

রাফায়েল ক্লাউস প্রায় দশ বছর ধরে ফিফার ম্যাচ অফিসিয়াল হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১৫ সালে তিনি ফিফার অনুমোদিত ম্যাচ রেফারিদের তালিকায় জায়গা করে নেন। ৪৪ বছর বয়সী এই ব্রাজিলিয়ান রেফারি আন্তর্জাতিক ম্যাচ পরিচালনার ক্ষেত্রেও বেশ অভিজ্ঞতা সম্পন্ন।

রাফায়েল ক্লাউস ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপেও ম্যাচ রেফারির ভূমিকায় ছিলেন। ২০২২ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে ইংল্যান্ড-ইরান এবং কানাডা-মরক্কো ম্যাচে রেফারি হিসেবে ছিলেন তিনি। শুক্রবার এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে আর্জেন্টিনা বনাম কলম্বিয়ার মধ্যকার কোপা আমেরিকা ফাইনাল ম্যাচ অফিসিয়ালদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে দক্ষিণ আমেরিকান ফুটবল কনফেডারেন (কনমেবল) জানায়, কোপা আমেরিকার ফাইনালে ক্লাউসের সহকারী হিসেবে থাকছেন দুই স্বদেশি রেফারি ব্রুনো পিরেস এবং রদ্রিগো কোহেয়া। চতুর্থ ও পঞ্চম অফিসিয়াল হিসেবে থাকছেন প্যারাগুয়ের হুয়ান বেনিতেজ ও এডুয়ার্দো কারদোসো। ভিএআর পরিচালনা করবেন ব্রাজিলের হোদোলফো টস্কি।


আরও খবর