আজঃ মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

পদ্মা সেতুতে একদিনে সর্বোচ্চ ৫ কোটি টাকা টোল আদায়

প্রকাশিত:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ঈদকে সামনে রেখে প্রিয়জনের টানে বাড়ি ছুটছে মানুষ। দক্ষিণাঞ্চলের প্রবেশদ্বার মুন্সীগঞ্জের মাওয়ায় ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে। আর এতে সেতুতে বেড়েছে টোল আদায়। শুক্রবার (১৪ জুন) পদ্মা সেতু দিয়ে ৪৪ হাজার ৩৩টি যান পারাপার হয়েছে। এর থেকে টোল আদায় হয়েছে ৪ কোটি ৮০ লাখ টাকারও বেশি।

শনিবার (১৫ জুন) সকালে লৌহজং উপজেলার মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতু পরিদর্শনে গিয়ে সেতু বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. মঞ্জুর হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দেখা যায়, পদ্মা সেতুর টোল প্লাজা ঘিরে তাই লম্বা লাইন। প্রাইভেটকার, জিপ, মাইক্রোবাস, বাস, ট্রাকসহ সব ধরনের যানবাহনই সেতু পার হচ্ছে। আর ভিন্ন লেন দিয়ে যাতায়াত করছে মোটরসাইকেল। ভোর থেকে যানবাহনে চাপ বেশি থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা কমে আসে। কখনো কখনো যানবাহনের চাপ বেড়ে লাইন লম্বা হচ্ছে। আবার কখনো ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। তবে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে কর্তৃপক্ষ নানা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

এ দিকে জানা যায়, দক্ষিণাঞ্চলের প্রবেশদ্বার মুন্সীগঞ্জের মাওয়ায় স্বপ্নের পদ্মা সেতু অতিক্রম করে নিজ নিজ গন্তব্যে যাচ্ছেন ঘরমুখো যাত্রীরা। তাই এ পথে এবারের ঈদযাত্রা একেবারেই নির্বিঘ্ন। তেমন কোনো বিড়ম্বনার অভিযোগ নেই ঘরমুখো মানুষের। পদ্মা সেতুর নির্বিঘ্ন ঈদযাত্রায় খুশি সেতু ব্যবহারকারীরা। এ ছাড়া দুপাশের এক্সপ্রেসওয়েতেও ঝক্কিঝামেলাবিহীন যাতায়াত করছেন ঘরমুখো মানুষ।


আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




হানিফ ফ্লাইওভারের টোল প্লাজায় ফের আগুন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে হানিফ ফ্লাইওভারের টোল প্লাজায় ফের আগুন দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সেখানে আগুন দেন তারা। এ সময় বিক্ষোভকারীদের তোপের মুখে পিছু হটে পুলিশ। এর আগে বুধবার রাতে টোল প্লাজায় আগুন দেন আন্দোলনকারীরা।

এদিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কাজলা এলাকায় পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষে কাজলাসহ টোল প্লাজা এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, শত শত আন্দোলনকারী পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছেন। এ সময় পুলিশ আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে মুহুর্মুহু টিয়ারশেল নিক্ষেপ করতে থাকে। আন্দোলনকারীরাও পুলিশের দিকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করছেন। তাদের হাতে লাঠিসোঁটাও দেখা গেছে।

এ সময় আন্দোলনকারীরা আমার ভাইয়ের রক্ত, বৃথা যেতে দেবো না; কোটা না মেধা, মেধা মেধা; চেয়েছিলাম অধিকার, হয়ে গেলাম রাজাকার- এমন নানান ধরনের স্লোগান দিতে থাকেন।

সংঘর্ষ চলাকালে আন্দোলনকারীরা একজনকে ব্যাপক মারধর ধরেন। তবে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এছাড়া ১০৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের কার্যালয় ভাঙচুর করেন বিক্ষোভকারীরা।

এর আগে এদিন সকাল থেকে যাত্রাবাড়ীতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন আন্দোলনকারীরা। সকাল থেকেই সেখানে অবস্থান নেন বিক্ষোভকারীরা।

আন্দোলনকারীদের অবস্থানের কারণে কোনো যানবাহন ঢাকা থেকে বের হতে পারছে না। আবার কোনো যানবাহন ঢুকতেও পারছে না।

নিউজ ট্যাগ: হানিফ ফ্লাইওভার

আরও খবর



‘ভারতীয় গল্প পড়ে ব্যারিস্টার সুমনের সঙ্গে প্রতারণার ছক কষা হয়েছিল’

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

Image

সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনকে হত্যার হুমকির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হবিগঞ্জ পুলিশ ও কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) সমন্বয়ে একটি দল গতকাল মঙ্গলাবার (৯ জুলাই) দুপুর সোয়া দুইটায় সিলেটের একটি হোটেল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম সোহাগ মিয়া (২৭)। পুলিশের দাবি, এমপিকে হত্যা পরিকল্পনার বিষয়ে তথ্য প্রদানকারী করেছিল সোহাগ মিয়া। সে একজন প্রতারক। প্রতারণার মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে এ নাটক সাজিয়েছিল। গ্রেপ্তার সোহাগ মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার মোবারকপুর গ্রামের মন্তাজ মিয়ার ছেলে।

আজ বুধবার হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার আক্তার হোসেন সাংবাদিকদের জানান, ডার্ক ওয়েব সাইটে থাকা ভারতীয় একজন প্রভাবশালীর জীবনের হুমকি আছে বলে তথ্য দিয়ে একজন প্রতারক অর্থ হাতিয়ে নেয়। ওই গল্প পড়ে সোহাগ একই কায়দায় প্রতারণার জন্য ব্যারিস্টার সুমনকে টার্গেট করেন তিনি। এর ধারাবাহিতকায় প্রথমে সে ব্যারিস্টার সুমনের জীবনের হুমকি আছে বলে একাধিক ভিডিও প্রকাশ করে।

সূত্র জানায়, চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিল্লোল রায়ের কাছে গত ২৮ জুন রাতে অজ্ঞাত পরিচয়ে সোহাগ প্রথমে হোয়াটসঅ্যাপে কল করে ব্যারিস্টার সুমনের মোবাইল নম্বর চান। তখন ওসি মোবাইল নম্বর চাওয়ার কারণ জানতে চাইলে উত্তরে তিনি জানান, ব্যারিস্টার সুমনের সঙ্গে জরুরি কথা বলতে চাই। মোবাইল নম্বর না দিলে আত্মহত্যা করবেন। ওসি সংসদ সদস্যের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ওই ব্যক্তিকে মোবাইল নম্বরটি দেননি। এর কিছুক্ষণ পরই সোহাগ হোয়াটসঅ্যাপে একটি মেসেজ পাঠান এবং পরে তা ডিলিট করে দেন। এর কিছুক্ষণ পর আবারও একটি মেসেজ পাঠান। এতে বলা হয়, ব্যারিস্টার সুমনের কিছু শত্রু আছে, যারা তার ক্ষতি করতে পারে। এই মেসেজও পরে ডিলিট করে দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে ওসির মাধ্যমে সোহাগ ব্যারিস্টার সুমনের সাথে মোবাইলে কথা বলেন। তিনি জানান, ৪/৫ জনের একটি টিম তাকে হত্যার জন্য মাঠে নেমেছে। সোহাগের উদ্দেশ্য ছিল হত্যার মিশনের তথ্য জানানোর নামে টাকা হাতিয়ে নেওয়া। কিন্তু ব্যারিস্টার সুমন লাইভে গিয়ে ঘটনাটি প্রচার করেন। এছাড়া চুনারুঘাট ও ঢাকার শেরেবাংলা থানায় দুটি জিডি করা হয়। জিডি ও লাইভে প্রচারের খবর পেয়ে সোহাগ ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম চলে যায়। যখন তিনি বুঝতে পারেন তাকে ট্র্যাক করা হচ্ছে পরবর্তীতে তিনি সিলেটে আত্মগোপন করেন। পরে হবিগঞ্জ পুলিশ ও সিটিটিসি ইউনিট সমন্বয়ে তথ্য প্রযুক্তির সাহায্যে তাকে একটি হোটেল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে বিদেশ পাঠানোর নামে টাকা আত্মসাতের মামলা রয়েছে। এ ছাড়া মৌলভীবাজার জেলায় রাজনগর থানায় প্রতারণার মামলা রয়েছে। যা আদালতে রিচারাধীন।

পুলিশ সুপার জানান, সোহাগ কিছুদিন বিদেশে ছিল। সে দুটি বিয়ে করেছে। তার একটি কন্যা রয়েছে। সোহাগ অনলাইন জুয়ায় আসক্ত। তাকে রিমান্ডে নিয়ে আরো জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য আদালতে আবেদন করা হবে। 


আরও খবর



বেরোবিতে নিহত আবু সাঈদের নামে গেট-চত্বর

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

কোটা সংস্কার আন্দোলনে গুলিতে নিহত রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ছাত্র আবু সাঈদের নামে গেট ও চত্বরের নামকরণ করা হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুর আড়াইটায় ক্যাম্পাসে তার গায়েবানা জানাজার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ১ নম্বর গেটের নাম পরিবর্তন করে রাখেন শহীদ আবু সাঈদ গেট এবং বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন পার্কের মোড়ের নাম রাখেন শহীদ আবু সাঈদ চত্বর

এ বিষয়ে আবু তালেব নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী বলেন, আমাদের সহপাঠীকে আমরা হারিয়েছি। তাকে আর ফিরে পাবো না। কিন্তু তার নামে গেটের নাম রাখছি। যতদিন বিশ্ববিদ্যালয় থাকবে ততদিন আবু সাঈদ গেট নামে চিনবে সবাই।

সোহরাব হোসেন নামে আরেক শিক্ষার্থী বলেন, যেই গেটের সামনে আমাদের ভাই রক্ত দিয়েছে, সেই গেটকে স্মরণীয় রাখতে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি তার নামে রাখবো।

নিহত আবু সাঈদ বোরোবির ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। তিনি কোটাবিরোধী আন্দোলনে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন।


আরও খবর



কর্মবিরতিতে অচল ঢাবি, অর্থমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

কোটা বাতিলের দাবিতে একদিকে শিক্ষার্থীদের লাগাতার আন্দোলন চলছে। অন্যদিকে চলছে পেনশন সংক্রান্ত প্রত্যয় স্কিম বাতিলে শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের টানা কর্মবিরতি। চলমান এ আন্দোলন ও কর্মবিরতিতে স্থবির হয়ে পড়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম। একই পথে হেঁটেছে দেশের অনেক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ও।

বন্ধ রয়েছে একাডেমিক ক্লাস-পরীক্ষা, স্থবির হয়ে পড়েছে প্রশাসনিক কার্যক্রম। সেবা মিলছে না বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টার ও কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি থেকে।

সর্বজনীন পেনশন সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন বৈষম্যমূলক আখ্যা দিয়ে চলমান এ কর্মবিরতির মধ্যেই অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর পদত্যাগের দাবিও উঠেছে।    

বুধবার (৩ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদে টানা কর্মবিরতি ও প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে অর্থমন্ত্রীকে পদত্যাগের আহ্বান জানানো হয়েছে।

সম্মিলিতভাবে কর্মবিরতিতে অংশ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন, কর্মচারী সমিতি, কারিগরি কর্মচারী সমিতি ও চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী ইউনিয়নের সমন্বয়ে গঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ

প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা অর্থমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন। একইসঙ্গে তাদের দাবি, জুলুম হিসেবে প্রত্যয় স্কিম তাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। অবিলম্বে এই নীতি বাতিল করতে হবে।

সমাবেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরি কর্মচারীদের নেতা মনিরুজ্জামান বলেন, অবিলম্বে এই পেনশন নীতি বাতিল করতে হবে। অন্যথায় কিভাবে অধিকার আদায় করে নিতে হয় তা আমরা জানি। অর্থমন্ত্রীকে বলতে চাই, অবিলম্বে পদত্যাগ করুন। প্রধানমন্ত্রী যখন দেশকে উন্নয়নের দিক থেকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন তখন আপনাদের মত কুচক্রী মহল অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করতে চান। অবিলম্বে নতুন পেনশন নীতি বাতিল করুন।

গত ৩০ জুন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্ণ-কর্মবিরতি শুরু হয়েছে। ওই দিন প্রশাসনিক ভবনের যাবতীয় কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়। এছাড়া একাডেমিক কার্যক্রম থেকেও বিরত ছিলেন শিক্ষকরা।


আরও খবর
আরও ৩ দিনের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




যুক্তরাজ্যের ভোটের মাঠে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রুশনারা আলী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট নির্বাচনে এবারও লড়ছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রুশনারা আলী। তার দল লেবার পার্টি থেকে মনোনয়ন পেয়ে ভোটের মাঠে আছেন তিনি। এখন পর্যন্ত বিভিন্ন জরিপ বলছে, ব্রিটিশ পার্লামেন্টের প্রধান বিরোধী দল লেবার পার্টি বড় জয় পেতে চলেছেন। এ হিসাবে রুশনারার জয়ও আশা করছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ কমিউনিটি।

এবার বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আটজন ব্রিটিশ নাগরিক লেবার পার্টি থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন। বর্তমানে এমপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং আবার মনোনয়ন পেয়েছেনএমন চারজনের একজন হলেন রুশনারা আলী। তিনি বেথনাল গ্রিন অ্যান্ড স্টেপনি থেকে লড়ছেন।

এ আসনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী তিনজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত। তারা হলেন- আজমাল মাশরুর, সুমন আহমেদ ও সামউদ্দিন। এরা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে লড়ছেন। এ ছাড়া রেগি অ্যাডামস (স্বতন্ত্র), গ্রিন পার্টি থেকে ফোবি গিল, এনিমেল ওয়েলফেয়ার পার্টি থেকে ভেনেসা হাডসন, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে রাবিনা খান, সোশ্যাল ডেমোক্রেট পার্টি থেকে জন মাবুট, রিফর্ম ইউকে থেকে পিটার স্কিয়েটস, কনজারভেটিভ অ্যান্ড ইউনিয়নিস্ট পার্টি থেকে অস্কার রেনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

রুশনারা আলী ২০১০ সাল থেকে চলতি বছর পার্লামেন্ট বাতিল করা পর্যন্ত বেথনাল গ্রিন অ্যান্ড বো-এর সংসদ সদস্য (এমপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি লেবার পার্টির একজন সদস্য। রুশনারাই প্রথম ব্রিটিশ বাংলাদেশী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

তিনি ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশের সিলেট জেলার বিশ্বনাথে জন্মগ্রহণ করেন। মাত্র ৭ বছর বয়সে পরিবারের সঙ্গে লন্ডনে চলে যান এবং সেখানেই তিনি বড় হন। রুশনারা অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট জনস কলেজ থেকে দর্শন, রাজনীতি ও অর্থনীতি বিষয়ে পড়াশোনা করেন। সে সময় থেকে তিনি রাজনীতি সচেতন ছিলেন।

রুশনারা ২০১০ সালে নির্বাচিত প্রথম তিনজন মুসলিম নারী এমপিরও অন্যতম। সে সময় তার বিজয় লন্ডনে বাংলাদেশী প্রবাসী ও বাংলাদেশে ব্যাপক সাড়া ফেলে। তিনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সর্বসাধারণের জন্য কাজ করে প্রশংসিত হন। এ ছাড়া যুদ্ধবিরোধী নেত্রী হিসেবে জনপ্রিয়তা লাভ করেন। তিনি মনে করেন, যুদ্ধ কোনো সমাধান নয়। যুদ্ধ ভবিষ্যতকে কেবল রক্তাক্তই করছে। ব্রিটিশ সরকারের যুদ্ধনীতির কারণে তিনি পার্লামেন্টে সরাসরি প্রতিবাদ করেন। এমনকি একবার পদত্যাগও করেছিলেন এ নেত্রী।

দেড় মাসের নির্বাচনী প্রচার শেষে আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) স্থানীয় সময় সকাল ৭টায় ভোট গ্রহণ শুরু হবে। চলবে রাত ১০টা পর্যন্ত। বড় কোনো অঘটন না ঘটলে ১৫ বছর পর যুক্তরাজ্যে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে লেবার পার্টি। দলটি ক্ষমতায় এলে মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে পারেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কেউ।


আরও খবর
আজ নেলসন ম্যান্ডেলার জন্মদিন!

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪