আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২
শিরোনাম

প্রতারণার মামলায় ১১ আফ্রিকান নাগরিক রিমান্ডে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | ৩৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিভিন্ন ধরনের প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার ১১ আফ্রিকান নাগরিকের তিন দিন করে রিমান্ড দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রহমান ছিদ্দিকী এই আদেশ দেন।

গুলশান থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা (জিআরও) আলমগীর হোসেন বিষয়টি জানিয়ে বলেন, ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গত ২৭ এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের গুলশান বিভাগের উপ-পরিদর্শক মোহাম্মদ শফিকুল আলম গুলশান থানার মামলায় তাদের ১০ দিন করে রিমান্ড নিতে আবেদন করেন। ওই আসামিদের কারাগারে পাঠিয়ে আজ রিমান্ড শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেন আদালত।

জিআরও বলেন, রিমান্ডে যাওয়া ১১ বিদেশি নাগরিক হলেন- হেনরি ওসিতা ওকেচুকু, চিসম ইমানুয়েল ওবাইজুলু, ওকাকে পিটার, ওবিনা সান্ডে, ওনেকা এমবা, চিছম এন্থনি ইকুয়েনজে, ওকেয়া আজুবিকে, অনুয়ারাহ ওজুয়েমেনা ডানিয়েল, অনুরুকা জিনিকা ফ্রান্সিস, লকি ও ডোমাডু চিনেডো।

নথি থেকে জানা গেছে, গত ২০ এপ্রিল রাজধানীর পল্লবী ও ভাটারা থানা এলাকা থেকে তাদের আটক করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা (ডিবি) গুলশান বিভাগ।

এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি ডলার ট্রিক মেশিন, সিলভার কাপড়ে মোড়ানো আঠারোটি বান্ডেল, প্রতারণা কাজে ব্যবহৃত ১৭টি মোবাইল ফোন, দুটি ল্যাপটপ, কেমিক্যালের বোতল, বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্টের কপি উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় প্রতারণার অভিযোগে গুলশান থানায় মামলা করে পুলিশ।


আরও খবর



ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় লিচুর বাম্পার ফলন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:

এবারের মৌসুমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় লিচুর বাম্পার ফলন হয়েছে। ফলন ভাল হওয়ায় চাষীরা লাভবান হবে বলে আশাবাদী। বাজারে উঠেছে সুস্বাদু মৌসুমি ফল লিচু। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশাবাদী কৃষি বিভাগ। এবার অন্তত ২২ কোটি টাকার লিচু ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে বাজারজাত হবে দেশের বিভিন্ন স্থানে। কৃষি বিভাগের তথ্যানুযায়ী, চলতি মৌসুমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার ৩৯০ হেক্টর জমি, কসবা উপজেলার ৩৫ হেক্টর ও আখাউড়া উপজেলায় ৭৫ হেক্টর জমিতে পাটনাই, বোম্বে এবং চায়না-২ ও চায়না-৩ জাতের লিচুর আবাদ হয়েছে। এছাড়া জেলার বাকি উপজেলাগুলোতে লিচুর আবাদ হয়েছে আরও ৩০ হেক্টর জমিতে। এবার লিচুর ফলনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২৬৫০ টন।  জেলায় ২০০১ সাল থেকে বাণিজ্যভাবে লিচুর আবাদ শুরু হলেও প্রতিবছরই বাড়ছে আবাদের পরিমাণ। ছোট বড় মিলিয়ে জেলায় ৪২০টির মত বাগান রয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ইতোমধ্যে পাটনাই লিচু বাজারে বিক্রি শুরু হয়েছে। তবে বোম্বে এবং চায়না-২ ও চায়না-৩ জাতে লিচু পাকতে আরও তিন-চারদিন সময় লাগবে। এরপরই এসব লিচু বাজারে পাওয়া যাবে। বর্তমানে পাইকারদের কাছে ১ হাজার পাটনাই লিচু বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার থেকে ২২০০ টাকায়। আর বোম্বে এবং চায়না-২ ও চায়না-৩ জাতের লিচু ২৫০০-৩৫০০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হবে বলে জানিয়েছেন চাষিরা। তারা জানান, পাইকাররা এখন বাগানে এসে লিচু কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়া অনেক দর্শনার্থীও আসছেন পরিবার নিয়ে লিচু বাগান ঘুরতে। বাগানের সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি তারাও লিচু কিনছেন।

লিচু বাগানে ঘুরতে আসা আশিষ সাহা নামে এক দর্শনার্থী জানান, দুই সন্তানকে নিয়ে লিচু বাগানে ঘুরতে এসেছেন তিনি। বাগানের সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি বাড়ির জন্য কয়েকশ লিচু কিনেছেন। বাগান থেকে টাটকা লিচু কিনতে পেরে তিনি খুশি বলেও জানান। বিজয়নগর সেজামুড়া গ্রামের বাসিন্দা ও ফল বিক্রেতা আব্দুল জলিল জানান, বাড়ির পাশের একটি লিচু বাগান তিনি ১ লাখ টাকায় কিনেছেন। এবার তার বাগানে বোম্বে এবং পাটনাই জাতের লিচুর ভালো ফলন হয়েছে। ৩ লাখ টাকার লিচু বিক্রি করতে পারবেন বলে জানান তিনি।

লিচু বাগানের মালিক আলী হোসেন জানান, ফলন ভালো হওয়ায় কিছু বাগানে আগাম লিচু পাড়ছেন বাগান মালিকরা। আমাদের আরো ১২/১৫ দিন সময় লাগবে। আমার বাগানে প্রায় ১২০টি উপরে লিচুগাছ রয়েছে। এ বছর লিচু উৎপাদনে আমার ১ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। তবে ফলন মোটামুটি ভালো হয়েছে। বাজার দর হিসেবে এবার বাগানের লিচু আড়াই থেকে ৩লাখ টাকার মতো বিক্রি হবে। এতে আমি লাভবান হব বলে আশাবাদী। আরেক লিচু চাষি জসিম মিয়া জানান, তার বাগানের ৩১টি গাছে আনুমানিক দেড় লাখ লিচু ধরেছে। পাটনাই এবং বোম্বে দুই জাতের লিচুই আছে বাগানে। ইতোমধ্যে পাটনাই লিচু বিক্রি করে দিয়েছেন তিনি। বাজারে লিচুর দামও ভালো পাওয়া যাচ্ছে। সেজন্য এবার খরচ তুলে ভালো টাকা মুনাফা হবে বলে আশা করছেন তিনি।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) সুশান্ত সাহা বলেন, লিচুর ফলন বৃদ্ধির জন্য কৃষি বিভাগ থেকে চাষীদের সব ধরনের সহায়তা ও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া এবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলন ভালো হয়েছে। এবারের মৌসুমে ফলনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার পাশাপাশি জেলা থেকে ২২ কোটি টাকা মূল্যের লিচু বাজারজাত হবে বলে আশা করছি।


আরও খবর



পুঠিয়ায় ৯২ হাজার লিটার সয়াবিন তেল জব্দ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | ৪৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর বাজারে বেশ কয়েকটি গুদাম ও দোকানে অবৈধভাবে ৯২ হাজার ৬১৬ লিটার ভোজ্যতেল মজুদের ঘটনায় অভিযান পরিচালনা করছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১০ মে) বিকালে রাজশাহী জেলা পুলিশ ও পুঠিয়া থানা পুলিশ যৌথ অভিযান পরিচালনা শুরু করে। নিউজ লেখা পর্যন্ত পুলিশের অভিযান অব্যাহত ছিলো।

মঙ্গলবার (১০ মে) সন্ধ্যা পোনে ৭টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করে রাজশাহী জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতে খায়ের আলম জানান, অভিযান এখনও অব্যাহত রয়েছে। চারটি গোডাউন থেকে সয়াবিন ও সরিষার তেল পাওয়া যায়। চার গোডাউনের মালিককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সেইসাথে তাদের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তবে সরকারিভাবে এখনও জব্দ বা আটক কোনো কিছু দেখানো হয়নি। অভিযান শেষে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে।

এর আগে মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অবৈধভাবে সয়াবিন তেল মজুদ ও নির্ধারিত দামের চেয়ে অতিরিক্ত দামে তেল বিক্রি করার অভিযোগে রাজশাহীর তিন ব্যবসায়ীকে ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক অপূর্ব অধিকারী ও সহকারী পরিচালক হাসান-আল-মারুফ এই অভিযান চালান।

অভিযান শেষে সহকারী পরিচালক হাসান-আল-মারুফ জানান, মঙ্গলবার (১০ মে) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত তারা নগরীর সাহেব বাজার ও বহরমপুর এলাকায় অভিযান চালান। এ সময় সাহেববাজার এলাকার মেসার্স হুমায়ুন স্টোরে ১৩২ বোতল সয়াবিন তেল মজুদ পাওয়া যায়। বোতলজাত সয়াবিন তেল মজুদ রেখেছিলেন বিক্রেতা হুমায়ুন কবীর। এই ঘটনায় তাকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একইসঙ্গে জব্দকৃত ১৩২ বোতল সয়াবিন তেল গায়ে লেখা দামে বিক্রি করে ব্যবসায়ীতে অর্থ প্রদান করা হয়েছে।

একই অভিযানে সাহেববাজার এলাকার মেসার্স পাপ্পু অ্যান্ড ব্রাদার্সকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানটির মালিক নজরুল ইসলাম নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বাড়তি দামে বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি করছিলেন।

হাসান-আল-মারুফ জানান, আলাদা অভিযানে নগরীর বহরমপুর মোড় এলাকার মেসার্স নুরুন্নবি ট্রডার্সকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বাড়তি মূল্যে খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি করছিলেন প্রতিষ্ঠানটির মালিক নুরুন্নবী। তাৎক্ষণিকভাবে এই তিন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে জরিমানা আদায় করে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা করা হয়েছে।


আরও খবর



‘আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়েছে, সে খবর কেউ বলছে না’

প্রকাশিত:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | ২৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়েছে, অথচ সে খবর কোথাও বলা হচ্ছে না উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, গত এক বা দেড় মাসে গ্লোবাল মার্কেটে দামের কেমন তারতম্য সেটা নিয়ে কোন নিউজ করা হচ্ছে না। নেপাল, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কাসহ প্রায় সব দেশেই তেলের দাম বেড়েছে। সোমবার (৯ মে) দুপুরে সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ভোজ্যতেলের উৎপাদকদের সঙ্গে বৈঠকের পর আয়োজিত সংবাদ সম্মেলেনে এ কথা বলেন মন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, তেলের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে, সেটা সত্যি। সাধারণ মানুষের কষ্ট হচ্ছে এটাও সত্যি। আমরা মাত্র ১০ শতাংশ তেল উৎপাদন করি, কিন্তু ৯০ শতাংশই বাইরে থেকে আসে।

মন্ত্রী আরও বলেন, তেল নিয়ে কোথায় কোথায় সমস্যা হয়েছে সেটা চিহ্নিত করেছি। আমরা তা প্রকাশ করব।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, রমজানের পর তেলের দাম বাড়বে, এমন একটা তথ্য ব্যবসায়ীদের কাছে আগেই ফাঁস হয়ে গিয়েছিল। ফলে এখন খুচরা ব্যবসায়ীও তেল মজুদ করার সুযোগ পেয়ে যায়। আমরা এখান থেকে শিক্ষা নিয়েছি। সামনে এ ধরনের পরিস্থিতি যাতে তৈরি না হয়, সেদিকে নজর রাখবো।

সংবাদ সম্মেলনে এসময় উপস্থিত তেল আমদানিকারক সিটি গ্রুপের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান বলেন, দেশে তেলের কোনো সংকট ছিল না, এখনো নেই। কিন্তু ভোক্তারা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি করে ভোজ্য তেল কিনে বাসায় রেখেছে। ফলে বাজারে পেনিক সৃষ্টি হয়েছে। ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দিয়েছে।’ সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণসহ বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর
ফের বাড়লো স্বর্ণের দাম

মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২




পি কে হালদারের বিষয়ে জারি করা রুল শুনানি ১২ জুন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | ২০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট ও পাচার করা আলোচিত প্রশান্ত কুমার হালদার ওরফে পি কে হালদারকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ২০২০ সালের ১৯ নভেম্বর জারি করা রুলের ওপর আগামী ১২ জুন শুনানির দিন নির্ধারণ করেছেন হাইকোর্ট। তবে এ সময়ের মধ্যে পি কে হালদারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলার অগ্রগতি জানাতে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি ভারতে তার গ্রেফতারের বিষয়টি নজরে আনার পর মঙ্গলবার (১৭ মে) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে দুদকের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন মানিক।

এর আগে ২০২০ সালের ৭ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের একই বেঞ্চে পি কে হালদার দেশে ফিরে আসলে কোনও মামলায় আটক বা গ্রেফতার না করার নির্দেশনা চেয়ে একটি আবেদন করে আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস লিমিটেড (আইএলএফএসএল)। তিনি ওই প্রতিষ্ঠানের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি)।

সে আবেদনের শুনানি নিয়ে আদালত জানিয়েছিলেন- পিকে হালদার কবে, কখন, কীভাবে দেশে ফিরতে চান তা আইএলএফএসএল লিখিতভাবে জানালে সে বিষয়ে পরবর্তী আদেশ দেওয়া হবে। বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। পরে একইবছরের ১৯ নভেম্বর এ বিষয়ে রুল জারি করেছিলেন আদালত।

পরবর্তীতে পিকে হালদারের দেশে ফেরার বিষয়টি হাইকোর্টকে জানানো হয়। পিকে হালদারের প্রতিষ্ঠান আইএলএফএসএলর পক্ষ থেকে হাইকোর্টকে জানানো হয়, দুবাই থেকে অ্যামিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকা আসার জন্য টিকিট কেটেছেন। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে।

সার্বিক দিক বিবেচনার পর পি কে হালদারকে দেশে ফেরার অনুমতি দেন হাইকোর্ট। তবে আইএলএফএসএলর  আবেদন নাকচ করে তাকে দেশে ফেরার সঙ্গে সঙ্গে তাকে গ্রেফতার করতে পুলিশের আইজি এবং ইমিগ্রেশন পুলিশকে নির্দেশ দেন আদালত। পাশাপাশি কারাগারে থাকাবস্থায় পি কে হালদার যেন অর্থ পরিশোধের সুযোগ পান সে বিষয়ে সুযোগ দিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

পি কে হালদারের দেশে ফেরার বিষয়ে আইএলএফএসএলের করা আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এসব আদেশ দেন। তবে অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পরে আর তিনি দেশে ফেরেননি।

এরপর হাইকোর্টে দাখিল করা বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল, পি কে হালদার কাণ্ডে ৮৩ জনের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। তাদের সব অ্যাকাউন্ট এরইমধ্যে জব্দ করা হয়েছে। আর এসব তথ্যের আলোকে দুদক কাজ করছে। এই রিপোর্টের মাধ্যমে পি কে হালদারের অর্থপাচারের একটি পূর্ণাঙ্গ চিত্র উঠে এসেছে। যেখানে উঠে এসেছে বিপুল পরিমাণ অর্থ তিনি পাচার করেছেন এবং পাচার করা অর্থ কানাডা, সিঙ্গাপুর ও ভারতে পাঠিয়েছেন।

তবে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগরে গা ঢাকা দিয়েছিলেন বাংলাদেশি আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদার। তিনি শিবশংকর হালদার নামে নিজেকে ভারতীয় নাগরিক হিসেবে পরিচয় দিতেন। বানিয়ে ফেলেছিলেন ভারতীয় ভোটার কার্ড, আধার কার্ড, প্যান কার্ড, রেশন কার্ডসহ বিভিন্ন ভারতীয় নথি। সেখানে তিনি নিয়মিত ভোট দিতেন, নিযুক্ত ছিলেন সরকারি চাকরিতেও। কিন্তু গত ১৪ মে ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) হাতে ধরা পড়েন তিনি। তার সঙ্গে গ্রেফতার হয়েছেন আরও পাঁচ জন।


আরও খবর



করাচিতে আত্মঘাতী হামলার সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৬ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৬ এপ্রিল ২০২২ | ৩২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে আত্মঘাতী হামলার সিসিটিভি ফুটেজ পেয়েছে পুলিশ। সেই ফুটেজে দেখা যাচ্ছে চিনা নাগরিকদের নিয়ে গাড়িটি বিশ্ববিদ্যালয়ের

কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের মধ্যে যখন প্রবেশ করছে তখন বোরখা পরা এক মহিলা ক্রমশ গাড়ির কাছে চলে আসছেন। তার পরে বিস্ফোরণের ধোঁয়ায় ঢেকে যাচ্ছে এলাকা।

এই আত্মঘাতী হামলার দায় স্বীকার করেছে বালুচিস্তান লিবারেশন আর্মি (বিএলএ)। এই হামলায় তিন চিনা নাগরিক-সহ চার জন নিহত হয়েছেন। আহতও হয়েছেন অনেকে।

যিনি ওই আত্মঘাতী হামলা চালিয়েছেন, তাঁকেও চিহ্নিত করতে পরেছে পুলিশ। ওই মহিলার নাম শারি বালুচ ওরফে ব্রামশ। তিনিই বিএলএ-র বিদ্রোহী গোষ্ঠীর প্রথম আত্মঘাতী মানববোমা। পাকিস্তানের মাটিতে এই প্রথম চিনা নাগরিকদের উপর বড়সড় হামলা চালাল বিএলএ।


আরও খবর