আজঃ মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে ১০ অভিবাসীর মৃত্যু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

লিবিয়ার জোয়ারা উপকূল থেকে ৬১ জন অভিবাসী নিয়ে যাত্রা করা একটি কাঠের নৌকা থেকে ১০ অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নৌকাটিতে গ্যাসোলিনের ধোঁয়া থেকে সৃষ্ট বিষক্রিয়ায় তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যায়। জার্মান এনজিও রেসকিউশিপ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

জার্মান দাতব্য সংস্থা রিসকিউশিপ জানিয়েছে, গতকাল সোমবার (১৭ জুন) ল্যাম্পেডুসা দ্বীপের কাছে তারা একটি ডুবন্ত কাঠের নৌকা থেকে ৫১ জনকে উদ্ধার করেছেন। এ সময় নৌকার নীচের ডেকে ১০ জনের মরদেহ পাওয়া গেছে।

সংস্থাটি বলছে, বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের সোমবার সকালে ইতালীয় কোস্টগার্ডের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের তীরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে মৃতদের ল্যাম্পেডুসা দ্বীপে নেওয়া হয়েছে।

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর, ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) এবং জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে, নৌকাটি লিবিয়া থেকে যাত্রা করেছিল। এতে সিরিয়া, মিসর, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের অভিবাসীরা ছিলেন। তবে কোন দেশের কত যাত্রী ছিলেন, তা জানানো হয়নি।

একই দিনে পৃথক আরেক নৌকাডুবির ঘটনায় ৬০ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৬ জনের মতো শিশু রয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দক্ষিণ ইতালির ক্যালাব্রিয়ার উপকূল থেকে প্রায় ১২৫ মাইল দূরে এই ঘটনা ঘটে। মেডেসিনস সানস ফ্রন্টিয়েরস (এমএসএফ) নামে একটি সংগঠন এই তথ্য জানিয়েছে।

এই ঘটনায় ১২ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তবে তাদের সবাইকে তীরে নেয়ার পর একজন মারা যান বলে জানিয়েছে ইতালীয় কোস্টগার্ড।

ভূমধ্যসাগর বিশ্বের সবচেয়ে প্রাণঘাতী মাইগ্রেশন রুট হিসেবে পরিচিত। জাতিসংঘের তথ্য অনুসারে, ২০১৪ সাল থেকে এই রুটে ২৩ হাজার ৫০০ জনের বেশি অভিবাসী মারা গেছে বা নিখোঁজ হয়েছে।


আরও খবর
আজ নেলসন ম্যান্ডেলার জন্মদিন!

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




‘সরকার চাইলে কোটা সংস্কার করতে পারবে’

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

সরকারি চাকরিতে (প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণি) মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করে জারি করা পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের মূল অংশ প্রকাশ করা হয়েছে। হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়েছে, সরকার চাইলে কোটা সংস্কার করতে পারবে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) কোটা পুনর্বহাল করে দেওয়া হাইকোর্টের আলোচিত রায়ের মূল অংশ প্রকাশ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন রাষ্ট্রপক্ষের ডেপুর্টি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ (এসকে) সাইফুজ্জামান জামান।

তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করে জারি করা পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের মূল অংশ প্রকাশ করা হয়েছে। রায়ের অনুলিপি ডেসপাস শাখা আছে।

এর আগে বুধবার (১০ জুলাই) সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিলের পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের ওপর একমাসের স্থিতাবস্থা দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।


আরও খবর
কোটা নিয়ে আপিল বিভাগে শুনানি রোববার

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




নিত্যপণ্যের বাজারে বৃষ্টি-ব্লকেডের অজুহাত, সবকিছুর দাম আকাশচুম্বি

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক

Image

নিত্যপণ্যের বাজারে বৃষ্টি ও কোটাবিরোধী বাংলা ব্লকেড অজুহাত দেখানো হচ্ছে। সরবরাহ ঠিক থাকলেও বাড়ানো হয়েছে ডাল, আলু ও ডিমের দাম। পরিস্থিতি এমন- এক কেজি আলু কিনতে ক্রেতার ৬৫-৭০ টাকা খরচ করতে হচ্ছে। ডালের কেজি ১৪০ টাকা এবং প্রতি ডজন ফার্মের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০-১৫৫ টাকা। ফলে গরিবের খাবারের তালিকায় এখন ডাল-আলুভর্তা ও ডিমের জোগান দেওয়া যেন কঠিন হয়ে পড়েছে।

সরেজমিনে শুক্রবার (১২ জুলাই) রাজধানীর অন্যতম পাইকারি বাজার কাওরান বাজারে গিয়ে দেখা যায়, দাম কমছে না নিত্যপ্রয়োজনীয় কোন দ্রব্যেরই। বরং লাগামহীনভাবে বেড়েই চলছে দ্রব্যের দাম।

এদিন, কচুরমুখী ৮০-৯০, টমেটো কেজি প্রতি ১৮০-২০০, কাচা মরিচ কেজি প্রতি ২৫০, গাজরের কেজি ৯০-১০০, শসা ৯০-১০০, বেগুন ৭০-৮০ ও পটল কেজি প্রতি ৪০-৪৫ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়।

গত সপ্তাহের তুলনায় পটল ও বেগুন ছাড়া প্রায় সব সবজিরই দাম বাড়তি দেখা যায়। এর কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা দুষছেন বন্যা ও কোটাবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে।

ব্যবসায়ীরা বলছে, এমনিতে কয়েকদিন ধরে হওয়া অতি বৃষ্টি ও বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে সবজির ক্ষেত। তার মধ্যে আবার ছাত্র আন্দোলনের ফলে ব্যাহত হচ্ছে পরিবহন ব্যবস্থা। ফলে সরবরাহ কম হওয়ায় বাড়ছে দাম।

সপ্তাহের ব্যবধানে ঝাঁঝ বেড়েছে পেয়াজের। গত সপ্তাহেও যে পেয়াজ কেজিতে বিক্রি হচ্ছিলো ৮০-৯০ টাকায় তা এ সপ্তাহে বেড়ে দাড়িয়েছে ১১০-১২০ টাকায়। এছাড়াও আলু ৬০-৭০, পেয়াজ ১১০-১২০, আদা ৩২০, রসুন ২২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হতে দেখা যায়।

ক্রেতারা বলছেন, নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে সবজিসহ প্রায় সব নিত্যপণ্যের দাম। এখনই লাগাম না টানলে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে বাজার।

এই পাগলা ঘোড়া বাজারের নিয়ন্ত্রণ চান ক্রেতারা। তারা বলছেন, আমাদের আয় তো বাড়ছে না কিন্তু প্রতিনিয়ত সব কিছুর দামই বেড়ে চলছে। এমনি চলতে থাকলে বাজার করায় কঠিন হয়ে যাবে। সরকারের উচিৎ এখনই লাগাম টেনে ধরা।

দ্রব্যমূল্য আর তার আয়ের ব্যবধানে অনেকটা অসহায় মশিউর। কাজ করেন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে। সেখান থেকে যায় আয় হয় তা দিয়ে ৩-৪ বছর আগে ভাল চললেও এখন টানাপোড়েন লেগেই থাকছে। এক ছেলে ও স্ত্রী নিয়ে তার সংসার। বাচ্চার স্কুলের খরচ ও দ্রব্যমূল্যের বাড়তি চাপে অনেকটায় দিশেহারা অবস্থা তার।

বাজার মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে জানিয়ে মশিউর বলেন, আমরা সাধারণ মানুষ খাবো কি? যেভাবে সব কিছুরই দাম বাড়ছে তাতে করে পরিবার নিয়ে টিকে থাকায় দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকারের উচিত, বাজার নিয়ন্ত্রণে দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া। না হলে বাজার সিন্ডিকেটের কবলে পড়ে নিঃস্ব হবে সাধারণ ভোক্তারা।

শুধু সবজি নয়, আগুন লেগেছে মাংসের বাজারেও। গত সপ্তাহের তুলনায় মুরগীর দাম বেড়েছে কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত। এদিন প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৮০-১৯০ টাকা, সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৮০-৩২০ টাকা, দেশি মুরগি ৭০০-৭৩০ টাকা, সাদা লেয়ার ২৬০-২৮০ টাকা ও লাল লেয়ার ৩৫০ টাকা কেজি বিক্রি হতে দেখা যায়।

এছাড়াও প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭৫০ টাকা, খাসির মাংস ১২০০-১২৫০ টাকা।

নাগালের বাহিরে চলে গেছে গরীবের আমিষের চাহিদা পূরণের মাছ পাঙ্গাশ ও তেলাপিয়ায়ও। এদিন প্রতি কেজি তেলাপিয়া ২০০-২৩০ টাকা ও চাষের পাঙাশ ২০০-২৪০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়।

এছাড়াও আকারভেদে প্রতি কেজি রুই ৩৮০ থেকে ৪৫০ টাকা, কাতলা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, কোরাল ৭০০ টাকা, টেংরা ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা, বোয়াল ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা ও আইড় ৮৫০ থেকে ৯০০ টাকা, চাষের শিং ৫৫০ টাকা, চাষের মাগুর ৬৫০ টাকা ও চাষের কৈ ৩০০-৩২০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়।


আরও খবর



কেরু থেকে মদ তৈরির ১৩ হাজার লিটার স্পিরিট গায়েব, গোডাউন সিলগালা

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

দেশের সর্ববৃহৎ চিনিকল চুয়াডাঙ্গার দর্শনার কেরু অ্যান্ড কোম্পানির ডিস্ট্রিলারি বিভাগের ১৩ হাজার লিটার ডিনেচার স্পিরিট (মদ তৈরির কাঁচামাল) গায়েবের ঘটনায় গোডাউন সিলগালা করেছে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) বিকেলে চুয়াডাঙ্গা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শিরিনা আক্তার গোডাউনটি সিলগালা করেন।

এছাড়া ঘটনা তদন্তের জন্য খুলনা বিভাগীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর যশোর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আসলাম হোসেনকে তদন্ত কমিটির প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

এর আগে ডিস্টিলারি বিভাগে বন্ডেড ওয়্যারহাউজে বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্ত জাহাঙ্গীর হোসেন লিখিত অভিযোগে জানান, দায়িত্ব বুঝে নেওয়ার সময় ডিএস (ডিনেচার স্পিরিট) ৩ নম্বর ভ্যাট গোডাউনের গভীরতা পান ১০৯ ইঞ্চি। যার বাস্তবিক মজুত ৩৫ হাজার ৫০০ বা ১২ দশমিক ২৩ লিটার। কিন্তু হস্তান্তর তালিকায় মজুত দেখানো হয় ৩৯ হাজার ৭০০ লিটার। ৭ নম্বর ভ্যাট গোডাউনে সরেজমিনে গভীরতা ৫৩ ইঞ্চি। যার বাস্তবিক মজুত ৪ হাজার ৮০০ বা ৪ দশমিক ৩০ লিটার। কিন্তু হস্তান্তর তালিকায় মজুত দেখানো হয় ১৩ হাজার ৭০০ লিটার। এছাড়া ১০ নম্বর ভ্যাটে ৪ ইঞ্চি গভীরতার স্পিরিট কম। রেকর্ড অনুযায়ী ও সরেজমিনে মালামালের পরিমাণ গরমিল হওয়ার কারণে দায়িত্ব গ্রহণ ও হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি।

দর্শনা ডিস্টিলারি বিভাগের পরিদর্শক সানোয়ার হোসেন জানান, এ ব্যাপারে ডিস্টিলারি বিভাগে বন্ডেড ওয়্যারহাউজে বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্ত জাহাঙ্গীর হোসেন দায়িত্ব বুঝে নেওয়ার সময় গরমিল হওয়ার কারণে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না মর্মে গত ২ মে কেরু অ্যান্ড কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালকে লিখিতভাবে জানান। তারই প্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি গঠন হয় ও ডি‌নেচার স্পিরিট গোডাউন সিলগালা করা হয়। বর্তমানে গোডাউনটি সিলগালা অবস্থায় আছে।


আরও খবর



টানা বৃষ্টিতে রাজধানীতে জলাবদ্ধতা, পথে পথে নানা দুর্ভোগ

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় সকাল থেকে টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। দুই ঘণ্টাব্যাপী চলা বৃষ্টিতে অলিগলি ও প্রধান সড়কে পানি জমতে দেখা গেছে। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছে সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে।

বুধবার (২৬ জুন) সরেজমিনে রাজধানীর শান্তিনগর, মৌচাক, মালিবাগ মোড়, বেইলি রোড, সিদ্ধেশ্বরী রোড ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, টানা বৃষ্টিতে এসব এলাকার রাস্তায় পানি জমে থাকার কারণে পথচারীদের দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। এ সময় স্কুলফেরত শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে রিকশাচালক, অফিসগামী যাত্রী, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। এমন অবস্থায় যানবাহনে গণপরিবহন ও রিকশা সিএনজির সংকট দেখা গেছে। কেউ ছাতা কেউবা রেইনকোট পরে গন্তব্যে যাচ্ছেন।

শান্তিনগর মোড়ে মায়ের হাত ধরে রাস্তা পার হচ্ছিলেন ভিকারুননিসা স্কুলের শিক্ষার্থী সাইমা সুলতানা। তারা বলেন, এই এলাকায় বৃষ্টি হলেই পানি জমে যায়। স্কুল আসা যাওয়ার কষ্ট হয়। সকালবেলা ভালোভাবে স্কুলে গেলেও লাগাতার বৃষ্টিতে বাসায় পৌঁছাতে খুব কষ্ট হচ্ছে। এখানে কোনো রিকশা পাচ্ছি না। রাস্তায় ময়লা পানির মধ্যে জুতা পায়ে হেঁটে যেতে হচ্ছে।

মালিবাগ মোড়ে কথা হয় পথচারী আব্দুল আজিজের সঙ্গে। তিনি জানান, হাতে জুতা নিয়েও হাঁটতে পারছি না। রাস্তায় হাঁটু সমান পানি। সবসময় এই এলাকায় যাতায়াত করি। এক ঘণ্টার বেশি বৃষ্টি হলেই আমাদের দুর্ভোগ বেড়ে যায়। প্রতি বছর বর্ষা এলেই এই এলাকায় ভোগান্তিতে পড়তে হয়। বাসা মৌচাক হওয়ায় চারপাশে যেদিকে যাই পানি জমে থাকে।

এদিকে মৌচাক মোড়ে দাঁড়িয়ে রাস্তায় যানবাহনের সংকটের কথা জনান আসলাম উদ্দীন। তিনি বলেন, পল্টন যাব, বাস আসছে না অনেক্ষণ ধরে। একটা বাস এলেও ধাক্কাধাক্কি করেও উঠতে পারিনি। রিকশা ও সিএনজি ভাড়া বেশি। আবার রাস্তায় পানি জমে থাকার কারণে হেঁটেও যেতে পারছি না।

জানা গেছে, সকাল ৯টা ৩০ মিনিট থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হয়েছে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আজ সারাদিন ঢাকায় গরমের অস্বস্তি থাকবে না। আকাশ মেঘলা থাকবে।


আরও খবর



আন্দোলন করে রায় পরিবর্তন করা যায় না: প্রধান বিচারপতি

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

সরকারি চাকরিতে (৯ম থেকে ১৩তম গ্রেড) মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল রাখা সংক্রান্ত হাইকোর্টের দেওয়া রায় চার সপ্তাহের জন্য স্থগিত করে প্রধান বিচারপতি শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন। এ সময় তিনি বলেছেন, রাস্তায় আন্দোলন করে রায় পরিবর্তন করা যায় না।

আজ বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বিভাগ শুনানি শেষে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল রাখা সংক্রান্ত হাইকোর্টের দেয়া রায় চার সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেন। চার সপ্তাহ পর পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হবে বলেও জানান আদালত।

এ সময় প্রধান বিচারপতি বলেন, প্রতিবাদকারীরা চাইলে আদালতে তাদের বক্তব্য উপস্থাপন করতে পারবে।

তিনি বলেছেন, রাস্তায় আন্দোলন করে রায় পরিবর্তন করা যায় না।

প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান আরও বলেন, যারা আন্দোলন করছে তাদের মনেও ক্ষোভ আছে। তবে তারা যেটা করছে সেটা অ্যাপ্রিসিয়েট করার মতো না। রাস্তায় আন্দোলন করে রায় পরিবর্তন করা যায় না। আমরাও তো মানুষ, বিভিন্ন দিকে কথা বার্তা হচ্ছে, কিন্তু বিষয়টা সলভ করতে হবে।

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরিয়ে নিতে ভিসিদের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বানও জানান প্রধান বিচারপতি।


আরও খবর
কোটা নিয়ে আপিল বিভাগে শুনানি রোববার

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪