আজঃ মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

ইসির সঙ্গে বৈঠকে ইইউ ইলেকশন এক্সপার্ট টিম

প্রকাশিত:রবিবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) চার সদস্যের নির্বাচনী এক্সপার্ট টিমের বৈঠক শুরু হয়েছে। আজ রবিবার বেলা ১১টার দিকে আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে এই বৈঠক শুরু হয়।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বে বৈঠকে কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নিয়েছেন। অন্যদিকে ইইউ ইলেকশন এক্সপার্ট মিশনের সবাই এতে উপস্থিত রয়েছেন।

ইইউ ইলেকশন এক্সপার্ট টিমের প্রতিনিধিদলের সদস্যরা হলেন- ডেভিড নোয়েল ওয়ার্ড (ইলেকশন এক্সপার্ট), আলেকজান্ডার ম্যাটাস (ইলেকটোরাল এনালিস্ট), সুইবেস শার্লট (ইলেকটোরাল এনালিস্ট) এবং রেবেকা কক্স (লিগ্যাল এক্সপার্ট)।

দুই মাসের মিশন নিয়ে গত ২৯ নভেম্বর ঢাকায় পৌঁছায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) চার সদস্যের এ নির্বাচনী এক্সপার্ট টিম। 

আরও পড়ুন>> আচরণবিধি লঙ্ঘনে শামীম ওসমানকে শোকজ

এদিকে বাংলাদেশে এবারের নির্বাচনে পূর্ণাঙ্গ কোনো পর্যবেক্ষক দল পাঠাচ্ছে না ইইউ। এর আগে গত ২০ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে এ সিদ্ধান্ত জানায় ইউরোপের ২৭ দেশের এই জোট।

এর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠানো নিয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে গত ২৯ নভেম্বর যৌথসভা করে ইইউ। বৈঠকে সংস্থাটির ১০ প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে তারা অবাধ ও সুষ্ঠু অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের তাগিদ দেয় ইসিকে।

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ হয়েছিল গত ৩০ নভেম্বর। সেখানে ৩০ রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলে দুই হাজার ৭১৩ জন মনোনয়নপত্র জমা দেয়। 

জমা দেওয়া মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই চলবে ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কমিশনে আপিল দায়ের ও নিষ্পত্তি ৫ থেকে ১৫ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৭ ডিসেম্বর। রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রতীক বরাদ্দ করবেন ১৮ ডিসেম্বর। নির্বাচনী প্রচার চলবে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত। আর ভোটগ্রহণ ভোটগ্রহণ হবে ৭ জানুয়ারি (রবিবার)।


আরও খবর



রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চীন সফর নিয়ে আয়োজিত রোববারের সংবাদ সম্মেলনে কোটা সংস্কার আন্দোলন প্রসঙ্গে করা এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এত ক্ষোভ কেন? মুক্তিযোদ্ধার নাতিপুতিরা কিছুই পাবে না, তাহলে কি রাজাকারের নাতিপুতিরা সব পাবে?

প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যে বিক্ষোভে ফেটে কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগ হামলা চালায় বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। এতে আহত হয়েছেন অনেকেই।

কোটা সংস্কার ও সারা দেশে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থীরা। এতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি কলেজ ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীর যোগ দিয়েছেন। মঙ্গলবার সকাল রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করতে দেখা যায়।

যাত্রাবাড়ী (ঢাকা): কোটা বিরোধী আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থীরা।  সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাজলা মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারের টোল প্লাজার সামনে শিক্ষার্থীরা অবস্থান নেন।

এসময় ঢাকা-চটগ্রাম মহাসড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। অফিসগামীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার শতশত মানুষ পায়ে হেঁটে চলাচল করতে দেখা যায়।

শিক্ষার্থীদের মিছিলে অংশগ্রহণ করেন বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা। মিছিলে মিছিলে মুখরিত হয়ে উঠে গোটা এলাকা।

মিছিলে তাদের স্লোগান প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ভুয়া ভুয়া,  কোটা আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা কেন বিচার চাই বিচার চাই, তুমি কে আমি কে রাজাকার রাজাকার, আমার সোনার বাংলায় বৈষম্যের ঠাঁই নাই, কোটা না মেধা মেধা মেধ , আপস না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম

বাড্ডায় ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ: বাড্ডায় সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন শুরু করেছেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাস্তার এক পাশ অবরোধ করে রাখেন তারা। শিক্ষার্থীদের অবরোধের কারণে বাড্ডা থেকে কুড়িল বিশ্বরোডমুখী সড়ক বন্ধ রয়েছে। এতে করে বনশ্রী ও আবুল হোটেল হয়ে আসা গণপরিবহণ দীর্ঘ জটে পড়ে। ফলে অনেকে বিকল্প রাস্তা হিসেবে হাতিরঝিলকে বেছে নিচ্ছেন। একই এলাকায় ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরাও আন্দোলন করছেন।

এসআই মোজ্জামেল হক বলেন, সকাল সাড়ে ১০টার পর শিক্ষার্থীরা রাস্তা অবরোধ করে আন্দোলন করছেন। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে রামপুরা থেকে কুড়িল বিশ্বরোডগামী রাস্তার যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। তবে মেরুল বাড্ডা থেকে রামপুরাগামী রাস্তার যান চলাচল আংশিক ভাবে চালু রয়েছে।

নতুনবাজারে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ: রাজধানীর নতুনবাজারে বেসরকারি ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ হয়েছে। বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটের দিকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বলে জানান ডিএমপির বাড্ডা জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) রাজন কুমার সাহা।

চট্টগ্রামে সড়ক ও রেলপথ অবরোধ শিক্ষার্থীদের: কোটা সংস্কার ও সারা দেশে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের শিক্ষার্থীরা সীতাকুণ্ডে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ও রেলপথ অবরোধ করেছেন।  বেলা ১১টার দিকে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাস থেকে রাস্তায় নেমে আসেন।


আরও খবর
শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস আজ

মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪




কুমিল্লায় জোড়া খুনের মামলায় ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রবিউল বাশার খান, কুমিল্লা

Image

কুমিল্লা সদর দক্ষিণে জমিজমা বিরোধের জের ধরে মোঃ গিয়াস উদ্দিন ও মোঃ জামাল হোসেন নামের দুই চাচাতো জ্যেঠাতো ভাইকে ধারালো দা, ছেনী ও হকিস্টিক দ্বারা কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৭ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন কুমিল্লার আদালত।

সোমবার (১৫ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টায় কুমিল্লার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক জাহাঙ্গীর হোসেন এ রায় দেন।

মৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলাধীন ধনাইতরী গ্রামের মোঃ হাজী আতর আলীর ছেলে তোফায়েল আহমেদ তোতা (৩৮), মৃত মমতাজ উদ্দিনের ছেলে কামাল হোসেন (৪৮), হাজী আব্দুর রহিমের ছেলে আলমগীর হোসেন (৩৮), মোঃ ফরিদ উদ্দিনের ছেলে মোঃ মামুন (২৮), মৃত আনোয়ার আলীর ছেলে মোঃ বাবুল (৩৫) ও মৃত আনোয়ার আলীর হারুনুর রশিদ (৪৫)।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলাধীন ধনাইতরীর মৃত জুনাব আলীর ছেলে হায়দার আলী (৬৫), হাজী আব্দুর রহিমের ছেলে আঃ মান্নান (৩২), মৃত মমতাজ উদ্দিনের ছেলে জামাল হোসেন (৪৫), মৃত আঃ খালেক এর ছেলে আবুল বাশার (২৮), মৃত আঃ রশিদ এর ছেলে জাকির হোসেন, মৃত আঃ খালেক এর ছেলে আঃ কাদের (৩২) ও এজহার বর্হিভুত যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামি হলেন একই গ্রামের মৃত ইউসুফ মিয়া'র ছেলে আব্দুল কুদ্দুস (৪৫)।

খালাস প্রাপ্ত আসামিরা হলেন - একই গ্রামের মৃত মমতাজ উদ্দিনের ছেলে মোঃ আমান (৪০) ও একই উপজেলার গ্রাম চৌয়ারা'র জুনাব আলী মোঃ সেলিম মিয়া (৫০)। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিজ্ঞ জেলা পিপি এডভোকেট মোঃ জহিরুল ইসলাম সেলিম।

মামলার বিবরণে জানাযায়- পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে পরষ্পর যোগসাজশে ২০১৬ সালের ১২ আগস্ট রাত অনুমান সোয়া ৮টার সময় ধনাইতরী জামতলা খোরশেদ আলম এর মালিকানাধীন "ভাই ভাই ষ্টোর" নামক দোকানে প্রবেশ করিয়া আসামীদের হাতে থাকা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র সজ্জিত হয়ে হায়দার আলীর নির্দেশে আসামি মোঃ তোফায়েল আহমেদ তোতা মিয়া বাদীর বাবা ভিকটিম মোঃ গিয়াসউদ্দিন ও জেঠা জামাল হোসেনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাথারিভাবে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে পালিয়ে যায়। তাদের অবস্থা আশংকাজনক জনক দেখিয়া নিহতের স্বজনরা কুমেক হসপিটাল নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রথমে মোঃ গিয়াসউদ্দিনকে মৃত ঘোষণা করেন এবং পরে জামাল হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহত মোঃ গিয়াস উদ্দিন এর ছেলে মেহেদী হাসান (২৫) বাদী হয়ে আসামি মোঃ তোফায়েল আহমেদ তোতাসহ ১২জনের নাম উল্লেখপূর্বক অজ্ঞাতনামা আরো ১০/১২জনকে আসামি করে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করিলে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আব্দুল্লাহ আল মামুন ও মঃ সহিদুর রহমান ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন করিয়া আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামি মোঃ তোফায়েল আহমেদ তোতাসহ এজহার নামী ১২জন এবং এজহার বর্হিভুত আঃ কুদ্দুসসহ ৩জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

তৎপর মামলাটি বিচারে আসিলে রাষ্ট্রপক্ষে ১১জন এবং আসামি পক্ষে দুজন সাফাই সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে যুক্তিতর্ক শুনানি অন্তে আসামি মোঃ হারুনুর রশীদ ও আঃ কুদ্দুস এর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি পর্যালোচনাক্রমে আসামি মোঃ তোফায়েল আহমেদ তোতাসহ ৬জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং আসামি হায়দার আলীসহ ৭জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড; সেই সাথে প্রত্যককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামী প্রত্যেককে অনাদায়ে আরো এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। এছাড়াও আসামি আমান ও মোঃ সেলিম এর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদেরকে বেকসুর খালাস প্রদান করেন আদালত।

এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্র পক্ষে নিযুক্তীয় বিজ্ঞ কৌশলী জেলা পিপি এডভোকেট মোঃ জহিরুল ইসলাম সেলিম ও অতিরিক্ত পিপি এডভোকেট মোঃ মজিবুর রহমান বাহার এবং বাদীপক্ষে এড. মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন আমরা আশা করছি উচ্চ আদালত রায় বহাল রেখে দ্রুত কার্যকর করবেন।

নিউজ ট্যাগ: কুমিল্লা

আরও খবর



চার মাসের ব্যবধানে আরও এক নারী ফুটবলারের মৃত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে গেল ১৪ মার্চ মারা গিয়েছিলেন সাফ জয়ী নারী ফুটবলার রাজিয়া খাতুন। তার মৃত্যুর ৩ মাস ২৫ দিনের মাথায় মারা গেলেন আরও এক নারী ফুটবলার। নাম তার মিথিলা আক্তার। যিনি নিয়মিত বাফুফের ক্যাম্পে ছিলেন। খেলছেন বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৪ ও অনূর্ধ্ব-১৬ জাতীয় নারী ফুটবল দলে।

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের পাঠানো এক বার্তায় জানা যায়, মিথিলা দীর্ঘ দিন ধরে লিভার ও শ্বাসকষ্টের জটিলতায় ভুগছিলেন। এরপর গতকাল রোববার (৭ জুলাই, ২০২৪) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বাফুফে সভাপতি কাজী মো. সালাহউদ্দিনসহ বাফুফের অন্যান্য কর্মকর্তাগণ। তারা গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন তার পরিবারের প্রতি।


আরও খবর



কর্মবিরতিতে অচল ঢাবি, অর্থমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

কোটা বাতিলের দাবিতে একদিকে শিক্ষার্থীদের লাগাতার আন্দোলন চলছে। অন্যদিকে চলছে পেনশন সংক্রান্ত প্রত্যয় স্কিম বাতিলে শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের টানা কর্মবিরতি। চলমান এ আন্দোলন ও কর্মবিরতিতে স্থবির হয়ে পড়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম। একই পথে হেঁটেছে দেশের অনেক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ও।

বন্ধ রয়েছে একাডেমিক ক্লাস-পরীক্ষা, স্থবির হয়ে পড়েছে প্রশাসনিক কার্যক্রম। সেবা মিলছে না বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টার ও কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি থেকে।

সর্বজনীন পেনশন সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন বৈষম্যমূলক আখ্যা দিয়ে চলমান এ কর্মবিরতির মধ্যেই অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর পদত্যাগের দাবিও উঠেছে।    

বুধবার (৩ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদে টানা কর্মবিরতি ও প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে অর্থমন্ত্রীকে পদত্যাগের আহ্বান জানানো হয়েছে।

সম্মিলিতভাবে কর্মবিরতিতে অংশ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন, কর্মচারী সমিতি, কারিগরি কর্মচারী সমিতি ও চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী ইউনিয়নের সমন্বয়ে গঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ

প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা অর্থমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন। একইসঙ্গে তাদের দাবি, জুলুম হিসেবে প্রত্যয় স্কিম তাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। অবিলম্বে এই নীতি বাতিল করতে হবে।

সমাবেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরি কর্মচারীদের নেতা মনিরুজ্জামান বলেন, অবিলম্বে এই পেনশন নীতি বাতিল করতে হবে। অন্যথায় কিভাবে অধিকার আদায় করে নিতে হয় তা আমরা জানি। অর্থমন্ত্রীকে বলতে চাই, অবিলম্বে পদত্যাগ করুন। প্রধানমন্ত্রী যখন দেশকে উন্নয়নের দিক থেকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন তখন আপনাদের মত কুচক্রী মহল অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করতে চান। অবিলম্বে নতুন পেনশন নীতি বাতিল করুন।

গত ৩০ জুন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্ণ-কর্মবিরতি শুরু হয়েছে। ওই দিন প্রশাসনিক ভবনের যাবতীয় কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়। এছাড়া একাডেমিক কার্যক্রম থেকেও বিরত ছিলেন শিক্ষকরা।


আরও খবর



রাবিতে হলে ঢুকে মোটরসাইকেলে আগুন, ব্যাপক ভাঙচুর

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আসিক আদনান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

Image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্থানে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে আন্দোলন করছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে ঢুকে তারা ব্যাপক ভাঙচুর চালান। এ সময় হলের ভেতরে থাকা অন্তত ১০টি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয়।

এর আগে দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বিনোদপুর বাজারে জড়ো হন শিক্ষার্থীরা। পরে সেখান থেকে মিছিল নিয়ে কয়েকশ শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের তালা ভেঙে ক্যাম্পাসের ভেতরে প্রবেশ করেন। ছাত্রীরাও হলের তালা ভেঙে হাতে লাঠি নিয়ে মিছিলে যোগ দেন।

একপর্যায়ে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের সামনে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। সেখানে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন তারা। এক পর্যায়ে হলে ঢুকে ছাত্রলীগ নেতাদের কক্ষ ভাঙচুর এবং মোটরসাইকেলে আগুন দেন কিছু শিক্ষার্থী। এ সময় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাস থেকে পালিয়ে যান বলে জানান কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আসাবুল হক বলেন, আমরা ক্যাম্পাস শান্ত রাখতে চেয়েছিলাম। আমরা নানাভাবে নানা সংগঠনের সঙ্গে কথা বলেছিলাম। আজকে তারা তাদের প্রোগ্রাম করবে আমরা কোনো বাধা দেব না, ছাত্রলীগও কোনো বাধা দেবে না। পুলিশ, প্রক্টর, শিক্ষক সবাইকে আমরা এই অনুরোধ রেখেছি। তারপরও বঙ্গবন্ধু হলে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। আমরা তদন্ত করে সেটা বের করব। আমরা চেয়েছিলাম তাদের আন্দোলনটা শান্তশিষ্টভাবে হোক। একটা হলে আগুন দেওয়া বা জানমালের ক্ষতি করা এটা কোনোভাবে মেনে নিতে পারি না।


আরও খবর