আজঃ মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটে ভয়াবহ আগুন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজধানীর মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডের ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে। ১০ মিনিটের মধ্যে পুরো মার্কেটে আগুন ছড়িয়ে যায়।

বুধবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দিনগত ভোর পৌনে ৪টার দিকে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিট। সর্বশেষ ৫টা ৬ মিনিট পর্যন্ত আগুন জ্বলছে।

ফায়ার সার্ভিস মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন জানান, রাত পৌনে ৪টায় আগুনের সংবাদ পেয়েই ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। প্রথম ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায় রাত ৩ টা ৫২ মিনিটে। প্রথমে ৭ টি ইউনিট কাজ করলেও আগুনের তীব্রতা বাড়ায় ইউনিট বাড়িয়ে ১২টি করা হয়। আগুনের প্রকৃত কারণ এখনো জানা যায়নি, এখনো পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।


আরও খবর



কাঁচা রাস্তায় দুর্ভোগ চরমে, ধানের চারা লাগিয়ে প্রতিবাদ

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
শাওন মিয়া (জাজিরা) শরীয়তপুর

Image

দের কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা। শুকনো মৌসুমে ধুলোবালু আর বর্ষায় কর্দমাক্ত। দীর্ঘদিন বেহাল রাস্তা সংস্কার না করায় ক্ষোভে ধানের চারা লাগিয়ে অভিনব প্রতিবাদ জানিয়েছেন শরীয়তপুরের জাজিরার পুর্ব নাওডোবা ইউনিয়নের মোহর আলী হাজী কান্দির এলাকাবাসী।

শনিবার (৬ জুলাই) বিকেলে উপজেলার পূর্বনাওডোবা ইউনিয়নের মোহর আলী হাজী কান্দির এলাকাবাসী এ অভিনব প্রতিবাদ জানান।

স্থানীয়রা জানান, রাস্তাটি প্রায় ১২ থেকে ১৫টি গ্রামের ৩০ হাজার লোকের চলাচলের একমাত্র মাধ্যম। বর্ষার সময় রাস্তাটি কর্দমাক্ত হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। তবে এবছর পাশের শুক্কুর হাওলাদার কান্দি গ্রামে একটি কালভার্টের কাজের সরঞ্জামাদি ও মাটি মাহিন্দ্রা (ট্রাক্টর) গাড়ির মাধ্যমে বহন করায় রাস্তাটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের জানালেও তারা কোনো উদ্যোগ নেননি। তাই রাস্তায় ধানের চারা লাগিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারা।

রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী শাহজাহান মাদবর আজকের দর্পণকে বলেন, রাস্তাটি ঠিক করার জন্য মেম্বার ও চেয়ারম্যানকে বারবার জানানো হয়েছে। কিন্তু তারা বিষয়টি গুরুত্ব দিচ্ছেন না। সামান্য বৃষ্টি হলে রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে যায়। অথচ একটি কালভার্টের মাটি মাহিন্দ্রা গাড়ি (ট্রাক্টর) দিয়ে নিচ্ছেন। তাতে রাস্তাটি গর্ত হয়ে পানি জমে একাকার হয়ে যাচ্ছে সে দিকে তাদের কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। সেজন্য আমরা এলাকাবাসী রাস্তায় ধানের চারা রোপণ করে প্রতিবাদ জানিয়েছি।

স্থানীয় আরেক বাসিন্দা চুন্নু হাওলাদার অভিযোগ করে আজকের দর্পণকে বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ আমাদের অত্র অঞ্চলের মানুষ অবহেলিত। আদি যুগের মত মাথায় করে বস্তা নিয়ে কাজিরহাটে যেতে হয়। যেনো আমাদের দেখার কেউ নেই।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার বহুদিন ধরে ক্ষমতায় আছেন। আমাদের স্থানীয় এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নজরেই আসে না যে জনগনের দুর্ভোগ কোথায়। জনগনের জন্য সরকার, জনগনের ভোটে সরকার। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার পরেও আমরা অবহেলিত। সরকার ও জনপ্রতিনিধিদের কাছে আহবান করি তারা যেনো আমাদের এই এলাকাবসীর স্বার্থে অতিদ্রুত রাস্তাটি সংস্কার করে দেন।

মোহর আলী হাজী কান্দির বাসিন্দা রাশিদা নামের এক গৃহিণী ক্ষোভ প্রকাশ করে আজকের দর্পণকে বলেন, এক মাসের বাচ্চা নিয়ে টিকা দেওয়ার জন্য বের হয়েছিলাম। বাচ্চাকে নিয়ে বাড়ির সামনের রাস্তায় আসার পরেই কাদায় পড়ে গিয়ে ব্যথা পেয়েছি দুজনেই। এখান দিয়ে যে মাহিন্দ গাড়ি গুলো চলে তাদের না চলার অনুরোধ জানাই। নয়তো আমরা পরবর্তীতে গাড়ির সামনে দাঁড়াবো।

পার্শ্ববর্তী এলাকার মোড়ল বাসিন্দা শাহিদা বেগম জানান, আমাদের পোলাপান পড়তে যাইতে পারে না সময় মত। আজকে আমার মেয়ে রাস্তার কাদায় পড়ে মাথায় আঘাত পেয়েছে। আমরা চাইলেও গাড়িতে করে যাইতে পাড়ি না। ১ কিলোমিটার রাস্তা কাদা দিয়ে হেটে যাওয়া লাগে।

পূর্ব নাওডোবা পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী লামিয়া আক্তার, হাসিফা ও সোহাগী আক্তার শোভার সাথে কথা হলে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে আজকের দর্পণকে বলেন, প্রতিদিন স্কুলে যাওয়া-আসা করতে কষ্ট হয়। জুতা খুলে হাতে নিয়ে এ রাস্তায় চলাচল করতে হয়। এতে কাদা লেগে জামা কাপড় নষ্ট হয়ে যায়। রাস্তাটি পাকা হলে আমাদের জন্য অনেক সুবিধা হতো বলেন তারা।

এ বিষয়ে পূর্বনাওডোবা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলতাফ খান আজকের দর্পণকে বলেন, রাস্তাটি এমন বেহাল হয়েছে সে বিষয়ে আমকে কেউ কিছু বলেনি। তবে রাস্তাটির সামনেই একটি কালভার্টের কাজ চলছে। সেখানে ট্রাক্টর দিয়ে মালামাল নেওয়ায় হয়তো রাস্তাটির বেহাল দশা হয়েছে। তবে রাস্তায় ধান লাগানোর বিষয়টি সম্পর্কে আমি জানি না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাজিরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাদিয়া ইসলাম লুনা বলেন, স্থানীয় কেউ বা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা আমাকে জানায়নি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব।


আরও খবর



আজ আন্তর্জাতিক কাঁঠাল দিবস

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জনপ্রিয় রসালো ফলের একটি কাঁঠাল। প্রায় বিশ্বজুড়ে সব জাগাতেই কাঁঠাল পাওয়া যায়। আজকের এই দিনটা কাঁঠালের। কারণ, প্রতি বছরের ৪ জুলাই পালিত হয় কাঁঠাল দিবস। জনপ্রিয় এই ফলটি বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কার জাতীয় ফল। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এখন কাঁঠাল চাষ করা হয়। কাঁচা কিংবা পাকা উভয় অবস্থাতেই কাঁঠাল খাওয়া যায়। পাকা কাঁঠালের বিচিও অনেক সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর।

জি নিউজের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, দিবসটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় ২০১৬ সালে। কাঁঠালের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জানাতে এবং সচেতনতা বাড়াতে এই দিবসের প্রচলন করে। উদ্ভিদবিশেষজ্ঞদের মতে, কাঁঠালের উৎপত্তি দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলে। যদিও ১৮৮৮ সালের দিকে হাওয়াইতে কাঁঠাল চাষের চেষ্টা করা হয়।

কাঁঠাল শব্দটি পর্তুগিজ। ১৫৬৩ সালে পর্তুগিজ প্রকৃতিবিদ ও পণ্ডিত গার্সিয়া দ্য ওর্টা তার লেখা একটি বইয়ে ইংরেজি শব্দ জ্যাকফ্রুট বা কাঁঠাল ব্যবহার শুরু করেন।

কাঁঠালের পুষ্টিগুণ : কাঁঠাল একটি পুষ্টিকর ফল। এক কাপ কাঁঠালে ১৫৭ ক্যালোরি, ৩৮ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ৪০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ২ গ্রাম ফ্যাট, ৩ গ্রাম ফাইবার এবং ৩ গ্রাম প্রোটিন  পাওয়া যায়। এছাড়া ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম, কপার ও ম্যাংগানিজেরও উৎস কাঁঠাল। রয়েছে থায়ামিন, রিবোফ্লাভিন, আয়রন, সোডিয়াম, জিংক, নায়াসিনসহ বিভিন্ন পুষ্টিকর উপাদান। কাঁঠালে বিচিতেও কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ভিটামিন, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেশিয়াম, সালফার, জিংক, কপার ইত্যাদির ভালো উৎস বলছেন পুষ্টিবিদ।


আরও খবর



আগামীকাল আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস আগামীকাল মঙ্গলবার (১৬ জুলাই)। ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই ড. ফখরুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দুর্নীতিবিরোধী অভিযানকালে বিভিন্ন মিথ্যা-বানোয়াট, ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় গ্রেপ্তার হন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ওই সময় শেখ হাসিনার মুক্তির দাবিতে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ ২৫ লাখ গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে জমা দেওয়া হয়। এসব দাবির প্রেক্ষিতে তৎকালীন সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। শেখ হাসিনার মুক্তির মধ্য দিয়ে এদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরায় ফিরে আসে। যুগপৎভাবে বিকাশ ঘটে গণতন্ত্র ও উন্নয়নের।

সেদিন ভোরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় দুই সহস্রাধিক সদস্য সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে শেখ হাসিনার ধানমন্ডির বাসভবন সুধা সদন ঘেরাও করে। সেই সময় শেখ হাসিনা ফজরের নামাজ আদায় করছিলেন। সকাল সাড়ে ৭টার দিকে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা শেখ হাসিনাকে হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার করে সুধা সদন থেকে বের করে নিয়ে আসে এবং যৌথ বাহিনীর সদস্যরা বন্দি অবস্থায় তাকে ঢাকার সিএমএম আদালতে হাজির করে। তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নীলনকশা অনুযায়ী আদালতের কার্যক্রম শুরু হওয়ার নির্ধারিত সময়ের প্রায় দুই ঘণ্টা আগেই আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার জামিন আবেদন আইনবহির্ভূতভাবে নামঞ্জুর করেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট।

শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে বাংলার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকারকে অবরুদ্ধ করার অপপ্রয়াস চালায় তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার। শেখ হাসিনা আদালতের গেটে দাঁড়িয়ে প্রায় ৩৬ মিনিটের অগ্নিঝরা বক্তৃব্যের মাধ্যমে তৎকালীন সরকারের হীন-রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেন। গ্রেপ্তারের পূর্বমুহূর্তে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দেশবাসীর উদ্দেশে একটি চিঠির মাধ্যমে দেশের জনগণ এবং আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদেরকে গণতন্ত্র রক্ষায় মনোবল না হারিয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

আওয়ামী লীগসহ অন্য সহযোগী সংগঠন ও গণতন্ত্রপ্রত্যাশী দেশবাসীর ক্রমাগত প্রতিরোধ আন্দোলন, বঙ্গবন্ধু কন্যার আপসহীন ও দৃঢ় মনোভাব এবং দেশবাসীর অনড় দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৮ সালের ১১ জুন দীর্ঘ ১১ মাস কারাভোগের পর তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। এ দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় পিতার মতো আপসহীন মনোভাব নিয়েই জাতীয় ও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে শেখ হাসিনার যাত্রা শুরু হয়।

জনগণের মুক্তি আন্দোলনে শেখ হাসিনাকে সহ্য করতে হয়েছে অনেক জেল-জুলুম ও অত্যাচার-নির্যাতন। অসংখ্যবার মৃত্যুর সম্মুখীন হতে হয়েছে। জনগণের ভালোবাসায় সকল ষড়যন্ত্রকে উপেক্ষা করে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে অকুতোভয় নির্ভীক সেনানীর মতো নিরবচ্ছিন্নভাবে পথ চলেছেন তিনি। সকল বাধা-বিপত্তি জয় করে আজ শুধু বাংলাদেশেই নয় বিশ্বদরবারেও স্বমহিমায় উজ্জ্বল জনগণের প্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনা।


আরও খবর



পদ্মা সেতুর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্পের আনুষঙ্গিক সব কাজ শেষ হয়েছে গত ৩০ জুন। ফলে এর আনুষ্ঠানিক পরিসমাপ্তি ঘোষণা করতে অনুষ্ঠানের মঞ্চে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শুক্রবার (৫ জুলাই) দুপুর ৩টা ৫৩ মিনিটে সেতু বিভাগের আয়োজনে অনুষ্ঠানস্থলের মঞ্চে উঠেন তিনি। সে উপলক্ষে একটি সমাপনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে সেতু বিভাগ। সেই অনুষ্ঠানের মঞ্চে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পদ্মা সেতুর উত্তর থানা সংলগ্ন মাঠে এই সমাপনী অনুষ্ঠান ও সুধী সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। এই একই মাঠে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন ও রেল সংযোগ প্রকল্পের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

এর আগে বিকেল ৩টা থেকে আমন্ত্রিত অতিথিরা অনুষ্ঠানস্থলে আসতে শুরু করেন।

জানা গেছে, পদ্মা সেতু প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক পরিসমাপ্তি উপলক্ষে সুধী সমাবেশে অংশ নেবেন দুই থেকে আড়াই হাজার মানুষ। বিভিন্ন পর্যায়ের অতিথি ছাড়াও থাকবেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীকে বরণে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা আর সর্বাত্মক প্রস্তুতি থাকার কথা জানিয়ে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক আবু জাফর রিপন গণমাধ্যমকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী ৫ জুলাই বিকেলে পদ্মা সেতু প্রকল্পের মাওয়া এলাকায় আসার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন। মূলত পদ্মা সেতু প্রকল্পের কাজের মেয়াদ সমাপ্তি উদযাপনে প্রধানমন্ত্রী আসবেন। বিভিন্ন পর্যায়ের অতিথিসহ যারা এই সেতুর কাজে বিভিন্ন সময় অংশ নিয়েছেন, তাদের নিয়ে সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে সংশ্লিষ্টদের কথা শোনার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসন ও সব দপ্তরের অংশগ্রহণে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করে নিতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০০১ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাওয়ায় প্রথম পদ্মা সেতুর ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন। এরপর নানা প্রতিবন্ধকতায় আর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা শেষে যাত্রা শুরু হয় দেশের আলোচিত প্রকল্পটির মূল কাজ। যার সবশেষ মোট বরাদ্দ ছিল ৩২ হাজার ৬০৭ কোটি টাকা।


আরও খবর



বাঁশখালীর বৈলছড়ীতে সড়ক সংস্কার কাজ বন্ধ, দুর্ভোগে মানুষ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

চট্টগ্রামের বাঁশখালীর বৈলছড়ী কে.বি বাজার তথা কাঁচা বাজার হয়ে পূর্বদিকে বর্তমান চেয়ারম্যান কপিল উদ্দিনের বাড়ী হয়ে যাওয়া শহীদ ফরহাদ সড়ক (ধলা সড়ক) সংস্কার কাজ দীর্ঘ ৪-৫ মাস যাবৎ বন্ধ করে রাখার ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছে বৈলছড়ী ইউপির ২,৩ ও ৪ নং ওয়ার্ডের অন্তত ১০/১২ হাজার পরিবারের মানুষ।

স্থানীয়দের অভিযোগের প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা যায়, সড়কটি নতুন ভাবে সংস্কার করার জন্যে পুরানো ইট গুলো খোলে নেওয়ার পর প্রায় ৪/৫ মাস পার হলেও আজ পর্যন্ত কোনো ধরনের সংস্কার কাজ শুরু না করায় পুরো সড়কটি এখন যেনো জলাশয়।

এতে গাড়ী চলাচল করাতো দূরের কথা, এমনকি মানুষ পায়ে হেঁটে চলাচল করতেও কষ্টসাধ্য হচ্ছে।এছাড়াও ওই এলাকার খাঁনবাহাদুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গ্রাসরুটস স্কুল, নুইন্না পুকুর পাড় মোহাম্মদীয়া রউফিয়া এবতেদায়ী মাদ্রাসা, পূর্ব বৈলছড়ী দারুল হুদা মহিলা মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় পড়ুয়া সহস্রাধিক শিক্ষার্থীসহ ওই এলাকার অন্তত ১০/১২ হাজার পরিবারের লোকজন চরম দুর্ভোগে পড়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, সড়কটি সংস্কারের নামে সড়কটির পুরানো ইট গুলো ৪/৫ মাস আগেই খোলে ফেলা হয়েছে, কিন্তু অদ্যবদি পর্যন্ত কোনো ধরনের সংস্কার কাজ শুরুও করা হয়নি। সামান্য বৃষ্টিতেই পুরো সড়ক জলাশয়ে পরিণত হয়েছে, যার ফলে আমাদের ছেলে -মেয়েরা স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় পর্যন্ত যেতে পারছেনা। একমাত্র এই ব্যস্ততম সড়কটি ছাড়া যাতায়াতের বিকল্প কোনো সড়ক না থাকায় বাজারেও যেতে পারছেনা মানুষ।এই ব্যস্ততম জনপদের ভোগান্তি দর করতে সড়কটির সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্যে জনপ্রতিনিধি ও উর্ধতন কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় মোঃ মনসুর আলম বলেন, শহীদ ফরহাদ সড়কটি ছাড়া এই এলাকার মানুষের যাতায়াতের বিকল্প কোন সড়ক নেই, সরকারি বরাদ্দ আসার পর সড়কটির সংস্কারের জন্যে পুরানো ইট গুলো  খোলার প্রায় ৪ মাস অতিবাহিত হলেও আজ পর্যন্ত সড়কটিতে কোনো ধরনের সংস্কার কাজ করা হয়নি। ইঞ্জিনিয়ারসহ সংশ্লিষ্টদের অবহেলার কারণে সংস্কার কাজ বন্ধ রয়েছে, সামান্য বৃষ্টিতেই পুরো সড়কটি এখন জলাশয়ে পরিণত হয়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছে এলাকার হাজার হাজার মানুষ। সড়কটির সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্ন করে মানুষকে ভোগান্তিমুক্ত করতে কতৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানান মনসুর আলম।

এ বিষয়ে সাব-ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুর রহমানের এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, এই সড়কে আমি দায়িত্বে নেই, তবে আমি যতোটুকু জানি সড়কটির জায়গা নিয়ে জটিলতা আছে, তাই উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার ও টিকাদারসহ বৈলছড়ী ইউপি চেয়ারম্যান কপিল উদ্দিনের সাথে বসছিলাম,জায়গা সংক্রান্ত বিষয়টি সমাধান করার কথা হয়েছিল, কিন্তু এরপর কি হয়েছে না হয়েছে সেটা আমি জানিনা।

উপজেলা সহকারী ইঞ্জিনিয়ার (এলজিইডি) কাজী ফাহাদ বিন মাহমুদ এর সাথে যোগাযোগের একাধিক বার চেষ্টা করলেও মোবাইল সংযোগ পাওয়া যায়নি। অপরদিকে বৈলছড়ী ইউপি চেয়ারম্যান কপিল উদ্দিন এর সাথে যোগাযোগের একাধিক বার চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

নিউজ ট্যাগ: চট্টগ্রাম

আরও খবর