আজঃ শনিবার ১৫ জুন ২০২৪
শিরোনাম

সিলেট সেনানিবাসে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | পত্রিকায় প্রকাশিত
এস এ শফি, সিলেট

Image

প্রতি বছরের ন্যায় এবছর ও সিলেট সেনানিবাসে ১৭ পদাধিক ডিভিশন ও সিলেট এরিয়ার উদ্যোগে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে যা আগামী ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে।

রবিবার (৯ জুন) দুপুরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি শেষে কর্মসূচির উদ্ভোধন করেন জেনারেল অফিসার কমান্ডিং ও এরিয়া কমান্ডারের পক্ষে সিলেট সেনানিবাসের ১১ পদাধিক ব্রিগেড কমান্ডার ফারুক আহমদ এ এফ ডব্লিউ সি, পিএসসি।

বৃক্ষরোপন কর্মসূচি ২০২৪ উদ্বোধনের সাথেই সাথেই সিলেট ও জালালাাদ সেনানিবাসের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু হয়। কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন জাতের ফলজ, বনজ, ঔষধি ও সৌন্দর্য বর্ধনমূলক গাছ রোপণ করা হয়। এ কর্মসূচির আওতায় প্রায় ৬ হাজার গাছ রোপণ করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সিলেট ও জালালাবাদ সেনানিবাসের সকল কমান্ডার, এরিয়া সদর দপ্তর সিলেট ও ডিভিশন সদর দপ্তরের গ্রেড-১ অফিসার এবং সিলেট এরিয়ার সকল ইউনিটের জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার এবং অন্যান্য পদবীর সেনাসদস্য অংশগ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন উপলক্ষে সিলেট সেনানিবাসে ১৭ পদাধিক ডিভিশন ও সিলেট এরিয়ার উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালির আয়োজন করা হয়।


আরও খবর



ব্যাংক লেনদেনের নতুন সময়সূচি নির্ধারণ

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক

Image

সরকার ঘোষিত অফিস সময়সূচির সঙ্গে মিলিয়ে ব্যাংক লেনদেনের নতুন সময়সূচি ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ঈদুল আজহার পর ১৯ জুন থেকে নতুন সময়সূচি অনুযায়ী ব্যাংকের লেনদেন ও অফিস কার্যক্রম চলবে।

রোববার (৯ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এ সম্পর্কিত নির্দেশনা জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীদের পাঠানো হয়েছে।

নির্দেশনা অনুসারে, ১৯ জুন থেকে ব্যাংকগুলোর লেনদেন শুরু হবে সকাল ১০টায়, চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। আর ব্যাংকগুলোর অফিস খোলা থাকবে সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।

এখন ব্যাংক লেনদেন হয় সকাল ১০টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত এবং অফিস চলে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। সেই হিসেবে ব্যাংক লেনদেন আধা ঘণ্টা ও অফিস এক ঘণ্টা বেশি সময় চলবে।

ব্যাংকে যথারীতি শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে।


আরও খবর



উপজেলা নির্বাচন: চলছে দ্বিতীয় ধাপের ভোটগ্রহণ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ১৫৬ উপজেলায় ভোটগ্রহণ চলছে। মঙ্গলবার (২১ মে) সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়। চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

দ্বিতীয় ধাপের এই নির্বাচনে ২৪টি উপজেলাতে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট নেওয়া হচ্ছে। বাকিগুলোতে ব্যালটে ভোট নেওয়া হচ্ছে।

দ্বিতীয় ধাপে ১৫৭ উপজেলায় ভোটগ্রহণের কথা থাকলেও আদালতের নির্দেশে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার নির্বাচন স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন। তাই দ্বিতীয় ধাপে ১৫৬ উপজেলায় ভোটের লড়াই চলছে।

নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে মাঠে নেমেছে পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য।

এই ধাপে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন ২২ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে সাতজন চেয়ারম্যান, আটজন ভাইস চেয়ারম্যান এবং সাতজন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান। এ ছাড়া দুই উপজেলায় তিনটি পদেই একক প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

দ্বিতীয় ধাপে মোট ভোটার তিন কোটি ৫২ লাখ চার হাজার ৭৪৮ জন। এরমধ্যে পুরুষ এক কোটি ৭৯ লাখ পাঁচ হাজার ৪৬৪ জন এবং নারী এক কোটি ৭২ লাখ ৯৯ হাজার ৪৭ জন। তৃতীয় লিঙ্গ ভোটার ২৩৭ জন। এই ধাপে মোট প্রাথী এক হাজার ৮২৪ জন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৬০৩ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬৯৩ জন এবং নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫২৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

উল্লেখ্য, ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী প্রথম ধাপে ১৩৯টি উপজেলায় গত ৮ মে ভোট অনুষ্ঠিত হয়। আজ দ্বিতীয় ধাপে ভোটগ্রহণ চলছে। এরপর তৃতীয় ধাপে ১১২টি উপজেলায় আগামী ২৯ মে এবং চতুর্থ ধাপে ৫৫টি উপজেলায় আগামী ৫ জুন ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।


আরও খবর



সিলেট নগরীতে বন্যা আক্রান্ত চার হাজার পরিবার, খোলা হচ্ছে আশ্রয় কেন্দ্র

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
এস এ শফি, সিলেট

Image

সিলেটের উত্তরাঞ্চলে বন্যার পর হঠাৎ করেই সিলেট নগরীতে প্রবেশ করেছে বন্যার পানি। ইতিমধ্যে নগরীর বেশ কয়েকটি এলাকা প্লাবিত হয়েছে। চার হাজার পরিবার বন্যায় আক্রান্ত হয়েছে। সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এখন পর্যন্ত একটি আশ্রয় কেন্দ্রে ৪০টি পরিবার আশ্রয় নিয়েছে।

জানা যায়, শুক্রবার সকাল থেকেই হঠাৎ করে সুুরমা নদীর পানি ডুকতে শুরু করে। এর পর একে একে উপশহর সি-ব্লক, ডি-ব্লক ও ই-ব্লক একাংশ, যতরপুর, তোপখানা, মাছিমপুর, সোবহানীঘাট, তালতলা, শেখঘাট ও কাজিরবাজার সহ বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়ে যায়।

বন্যার পানি বিভিন্ন বাসাবাড়ি ও দোকানপাট, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও মসজিদে পানি প্রবেশ করে। এতে বিপাকে পড়েন নগরের বাসিন্দারা। অনেকেই আত্মীয়-স্বজনের বাসায় আশ্রয় নেন।

শুক্রবার সকাল থেকে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছেন সিসিকের ভারপ্রাপ্ত মেয়র ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও কাউন্সিলরবৃন্দ।

এদিকে, শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৪ টায় নগরীর ১৫,২২,ও ২৪নং ওয়ার্ডের, সুবহানীঘাট, উপশহর, তেররতন এলাকা পরিদর্শন করেন ভারপ্রাপ্ত মেয়র মো: মখলিছুর রহমান কামরান, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী, স্থানীয় কাউন্সিলর শাহানা বেগম শানু, ২২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফজলে রাব্বি চৌধুরী মাসুম, ২৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হুমায়ুন কবির সুহিন, জনসংযোগ কর্মকর্তা সাজলু লস্কর।

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা সাজলু লস্কর জানান, বিভিন্ন কাউন্সিলরদের দেওয়া তথ্যমতে নগরীতে বন্যায় আক্রান্ত হয়েছেন ইতিমধ্যে ৪ হাজার পরিবার। তাদের পর্যাপ্ত পরিমান শুকনো খাবার পাঠানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করছে সিসিক। আজ রাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ শুকনো খাবার বন্যা কবলিত এলাকার কাউন্সিলরদের কাছে পৌছে দেওয়া হবে।

সিসিকের ভারপ্রাপ্ত মেয়র মখলিছুর রহমান কামরান বলেন, উজান থেকে নেমে আসা ঢল আর টানা বৃষ্টির কারণে সিলেটের নদ নদীর পানির বেড়ে ইতিমধ্যে সিলেটের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বন্যার পানি শহরের দিকে ধেয়ে আসছে। সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী তত্ত্বাবধানে সংকট মোকাবেলা করতে পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ জানান, বেশ কয়েকটি উপজেলায় বন্যার পানি কিছুটা কমেছে। বিকাল ৩টা পর্যন্ত সিলেটের নদ নদীগুলির তিনটি পয়েন্টের পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আমরা সার্বক্ষণিক দুর্গত এলাকাগুলোর খোঁজখবর নিচ্ছি। ভারতের মেঘালয় রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ২শ মি.মি বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগের দিন যা ছিলো সাড়ে ৬শ মি.মি। ভারতে বৃষ্টির পরিমাণ কমে গেলে সপ্তাহখানেকের মধ্যে বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

নিউজ ট্যাগ: সিলেট

আরও খবর



৬ দফা দিবসে ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

আজ ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস। দিবসটি উপলক্ষ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুক্রবার (৭ জুন) সকাল ৭টা ২মিনিটে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান বঙ্গবন্ধুকন্যা। এরপর বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন সরকার প্রধান।

আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে শেখ হাসিনা দলীয় প্রধান হিসেবে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে আরেক দফা পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে ঐতিহাসিক এ দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ, ছাত্র লীগ, যুব লীগ, শ্রমিক লীগ, কৃষক লীগ, মহিলা আওয়ামী ও স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

এদিকে দিবসটিকে কেন্দ্র করে দুপুর সাড়ে ৩টায় তেজগাঁওস্থ ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে সভাপতিত্ব করবেন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় ও তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা বঙ্গবন্ধুর ৬ দফা ঘোষণা। পাকিস্তানি শাসন-শোষণ-বঞ্চনা থেকে মুক্তির লক্ষ্যে স্বৈরাচার আইয়ুব সরকারের বিরুদ্ধে ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে তৎকালীন পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের সব বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে ডাকা এক জাতীয় সম্মেলনে পূর্ব বাংলার জনগণের পক্ষে বঙ্গবন্ধু ৬ দফা দাবি উত্থাপন করেন।

পরবর্তী সময়ে তিনি ঢাকায় ফিরে ৬ দফার পক্ষে দেশব্যাপী প্রচারাভিযানে নামেন এবং বাংলার আনাচে-কানাচে প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে জনগণের সামনে ৬ দফার গুরুত্ব তুলে ধরেন। জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থনের মধ্য দিয়ে ৬ দফা হয়ে ওঠে পূর্ব বাংলার জাতীয় মুক্তির সনদ।

১৯৬৬ সালের ৭ জুন ৬ দফা আদায়ে আওয়ামী লীগের ডাকে হরতাল চলাকালে নিরস্ত্র জনতার উপর পুলিশ ও তৎকালীন ইপিআর গুলিবর্ষণ করে। এতে ঢাকা এবং নারায়ণগঞ্জে মনু মিয়া, সফিক ও শামসুল হকসহ ১১ জন শহীদ হন।

৬ দফার প্রতি ব্যাপক জনসমর্থন এবং শেখ মুজিবুর রহমানের জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে সামরিক জান্তা আইয়ুব খানের সরকার ১৯৬৬ সালের ৮ মে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করে। তাতে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে বাংলার রাজপথ। ৬ দফার সেই আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন স্বাধীনতা সংগ্রামে রূপ নেয়।

নিউজ ট্যাগ: ৬ দফা দিবস

আরও খবর



চবি বিএনসিসি’র উদ্যোগে কাউন্সেলিং ও বৃক্ষরোপন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বিএনসিসির উদ্যোগে বিএনসিসিতে ভর্তিকৃত নবীন ক্যাডেটদের কাউন্সেলিং ও বৃক্ষরোপন-২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আবু তাহের বলেন, বিএনসিসি একটি আধাসামরিক সেচ্ছাসেবী বাহিনী। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে গঠিত বিএনসিসি'র মূলমন্ত্র হলো- জ্ঞান ও শৃঙ্খলা। এই সংগঠন জনকল্যাণমূলক কাজ করার পাশাপাশি বৃক্ষরোপণ, স্বেচ্ছায় রক্তদানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষ্ঠানের শৃংখলা আনয়নে যে ভূমিকা রাখে তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

রবিবার সকালে বিএসসিসির অফিস প্রাঙ্গন প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথক বলেন। রাখেন চবি উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আবু তাহের। এসময় দ্রুত সময়ের মধ্যে বিএনসিসির নিজস্ব ভবন নির্মাণকাজ শুরুর ঘোষনা দেন।

তিনি বলেন, সৎ, সাহসী, পরিশ্রমী, শৃংখলাপূর্ণ, দক্ষ, দেশপ্রেমিক ও যোগ্য নেতৃত্ব তৈরির মহান উদ্দেশ্যে বিএনসিসি যে যাত্রা শুরু করেছে তা সমুন্নত রাখতে সকল ক্যাডেটদের আন্তরিকতার সাথে একযোগে কাজ করতে হবে।

তিনি স্বাধীন এ দেশে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে সকলকে স্ব স্ব ক্ষেত্রে একযোগে কাজ করার আহবান জানান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন চবি উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর বেনু কুমার দে। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন চবি বিএনসিসির সমন্বয় কর্মকর্তা দ্বিতীয় লেফটেন্যান্ট প্রফেসর ড. বায়েজীদ মাহমুদ খান, সেনা শাখার বি কোম্পানী কমান্ডার ও ১ নং প্লাটুনের দায়িত্বে নিয়োজিত দ্বিতীয় লেফটেন্যান্ট প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন, এ কোম্পানীর ২নং প্লাটুন কমান্ডার এর দায়িত্বে নিয়োজিত পিইউও ড. মোঃ শহীদুল হক, নৌ শাখা প্রধান পিইউও ড. মোঃ আহসানুল কবীর (ভারপ্রাপ্ত), বিমান শাখার ক্লাইট-২ ও বিমান শাখা প্রধান পিইউও প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল কাইয়ুম ও বিএনসিসি অফিসের সহকারী রেজিস্ট্রার বিধান রায়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন এ কোম্পানীর ৩নং ও ফরেস্ট্রির প্লাটুনের দায়িত্বে নিয়োজিত পিইউও ড. সোহাগ মিয়া (ভারপ্রাপ্ত)।

অনুষ্ঠানে বিএনসিসির পক্ষ থেকে চবি উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এর আগের একটি করে ঢাকি জাম ও পলাশ গাছ লাগিয়ে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।


আরও খবর