আজঃ শনিবার ১৫ জুন ২০২৪
শিরোনাম

ভূরুঙ্গামারীতে সিটি প্রেস ক্লাবের সভাপতি কাজল ও সা. সম্পাদক রফিকুল

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | পত্রিকায় প্রকাশিত
Image

ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে সিটি প্রেস ক্লাবের নবনির্বাচিত সভাপতি হলেন মো: আব্দুর রাজ্জাক (কাজল) ও সাধারণ সম্পাদক মো: রফিকুল ইসলাম। সিটি প্রেস ক্লাব ভূরুঙ্গামারী শাখায় মোট ১৫ জন সাংবাদিক নিয়ে এ কমিটি পূর্ণাঙ্গ করা হয়েছে। সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক (কাজল) দৈনিক প্রথম খবর, দৈনিক সূর্যোদয়, দৈনিক তালাশ টাইমস পত্রিকায় ও সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জাতীয় দৈনিক আজকের দর্পণ, স্বদেশ কন্ঠ প্রতিদিন, দৈনিক মনিং পোস্ট, নববাংলা, জাগ্রত জনতা, আর এম সি নিউজ পত্রিকায় কাজ করে আসছেন।

ক্লাবের অন্যান্য সাংবাদিকরা হলেন মো: সাঈদুর রহমান সহ সভাপতি, মো: শফিকুল ইসলাম সহ সভাপতি, মো: মেহেদী হাসান যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, মো: রাহিজুল ইসলাম কোষাধক্ষ্য, মো: বাবুল আক্তার সাংগঠনিক সম্পাদক,মোছা: শরিফা আক্তার মহিলা বিষয়ক সম্পাদক,মো: শাহীন আলম দপ্তর সম্পাদক, মো: কফিল উদ্দিন প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, মো: রাসেল ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক, মো: রমজানুল হক ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক, মো: জাকির হোসেন কার্যকরী সদস্য, মো: নাসির উদ্দীন কার্যকরী সদস্য, মো:শাহীন আলম সদস্য।

নবনির্বাচিত সভাপতি সাংবাদিক মো: আব্দুর রাজ্জাক (কাজল) বলেন, নবনির্বাচিত কমিটির সকল সাংবাদিক বৃন্দকে অভিনন্দন ও জেলা সিটি প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো: নুর মোহাম্মদ চৌধুরী ভাই ও সাধারণ সম্পাদক মো: আ: হালিম মন্ডল গাজী ভাইসহ জেলা সিটি প্রেস ক্লাবের সকল সাংবাদিক বৃন্দকে ধন্যবাদ জানান।

নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মো: রফিকুল ইসলাম বলেন,ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় কেউ যেন কোনো প্রকার দুর্নীতি, মাদক ব্যবসা, চোরা চালন, অবৈধ ব্যবসা, নারী নির্যাতন, শিশু ধর্ষণ এ ধরণের কোনো অপরাধ করতে না পারে সেই লক্ষ্য নিয়ে ভূরুঙ্গামারী উপজেলাকে সত্য সুন্দর ন্যায় বিচার ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন শিক্ষা নগরী গড়ে তুলতে চাই। আমাকে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সেটা যেন সম্মানের সহিত পালন করতে পারি।


আরও খবর



মমতাই থাকছেন পশ্চিমবঙ্গে, বিজয় উৎসব শুরু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ভারতের ১৮তম লোকসভা নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে। সাত ধাপে টানা দেড় মাস ভোটগ্রহণ শেষে মঙ্গলবার (৪ জুন) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে শুরু হয় ভোট গণনা পর্ব। এতে ভারতের জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুসারে এখন পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে ৪২ আসনের মধ্যে ৩৩ আসনে এগিয়ে আছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূল কংগ্রেস।

অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গে মোদির বিজেপি ৪২ আসনের মধ্যে ৯টিতে এগিয়ে রয়েছে, যা তাদের গতবারের পাওয়া ১৮ আসনের অর্ধেক।

যদিও এখন পর্যন্ত কোনো ফল ঘোষণা করা হয়নি। তবে এক-তৃতীয়াংশ গণনা শেষ হওয়ার পর তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থকরা ইতোমধ্যেই কলকাতার বিভিন্ন স্থানে বিজয় উৎসব শুরু করেছেন। তারা রাস্তায় না বেরোলেও রাজ্যের জেলাগুলোয় তৃণমূলের রং সবুজ আবির পরস্পরকে মাখিয়ে এবং স্লোগান দিয়ে তাদের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন।

প্রসঙ্গত, গত ১৯ এপ্রিল শুরু হয় এবারের লোকসভা নির্বাচন। সাত ধাপে ভোট শেষ হয় গত ১ জুন।


আরও খবর



জিহাদকে নিয়ে আনারের দেহাংশের খোঁজ চলছে ভাঙ্গরে

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
কূটনৈতিক প্রতিবেদক

Image

ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারের মরদেহের অংশ খুঁজতে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ সিআইডি। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার জিহাদ হাওলাদারকে সঙ্গে নিয়ে কলকাতা সংলগ্ন দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ভাঙড়ের কৃষ্ণমাটি গ্রামের বাগজোলা খালে অভিযান চালায় সিআইডি টিম। 

এ হত্যার ঘটনায় আটককৃতদের দেওয়া তথ্য মতে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, দেহাংশ পোলেরহাট থানার ভাঙড়ের কৃষ্ণমাটি গ্রামে ফেলা হয়েছে। সিআইডি কর্মকর্তারা এ কারণে ঘটনাস্থলে গেছেন। সেখানে চলছে তল্লাশি। জিহাদ হওলাদারকেও নিয়ে আসা হয়েছে ভাঙ্গরে। দেহাংশ কোথায় ফেলা হয়েছে তা চিহ্নিত করা হচ্ছে।

সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, পেশায় কসাই জিহাদ বাংলাদেশের খুলনা জেলার বাসিন্দা। অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশ করেছিল। আজিমকে খুনের প্রায় দুমাস আগে অভিযুক্তরা তাকে মুম্বাই থেকে কলকাতায় নিয়ে আসে‌।

সিআইডি বলছে, জেরায় আনওয়ারুলকে খুনের কথা স্বীকার করেছে জিহাদ। তাকে জেরা করে তদন্তকারীরা জানতে পারেন, অভিযুক্ত আখতারুজ্জামানের নির্দেশেই জিহাদ সব কাজ করেছে। জিহাদ ছাড়াও আরও চারজন বাংলাদেশি নাগরিক এই কাজে তাকে সাহায্য করেছিল। আনোয়ারুল আজীমকে তারা প্রথমে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। নিহতের পরিচয় যাতে বোঝা না যায় তাই শরীরের হাড় এবং মাংস আলাদা করে ফেলে। এরপর হাড় ও মাংস টুকরো টুকরো করে কেটে ফেলে সব কিছু পলিথিন ব্যাগে ভরে ফ্ল্যাটের বাইরে গিয়ে ফেলে দেয়। বিভিন্ন গাড়িতে চড়ে কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে বেড়ায় তারা।

কলকাতার একাধিক এলাকায় ফেলা হয় দেহাংশ। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, ভাঙড়ে ফেলা হয়েছে দেহাংশ। আটক অ্যাপ ক্যাব চালককে জিজ্ঞাসাবাদ করে এমনই তথ্য পেয়েছেন তদন্তকারীরা। তার দাবি অনুযায়ী, খুনের পর দেহ টুকরো টুকরো করে কাটা হয়। দেহাংশ পোলেরহাট থানার ভাঙড়ের কৃষ্ণমাটি গ্রামে ফেলা হয়েছে। সিআইডি কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গেছেন। সেখানে চলছে তল্লাশি। 

সিআইডির তদন্তে উঠে এসেছে, আজিম কলকাতায় আসার অনেক আগেই সেখানে চলে যায় অভিযুক্তরা। শহরে বসেই তারা খুনের ছক কষেছিল বলে মনে করা হচ্ছে। দুই অভিযুক্ত কলকাতার সদর স্ট্রিটের একটি হোটেলে ছিল ২ থেকে ১৩ মে পর্যন্ত। ১২ মে কলকাতায় যান আজিম। অর্থাৎ, তার আসার অন্তত ১০ দিন আগে কলকাতায় আসে ওই দুই অভিযুক্ত।

আরও খবর



সুন্দরবনে কুমিরের আক্রমণে মৌয়ালের মৃত্যু

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বাগেরহাট প্রতিনিধি

Image

সুন্দরবনে কুমিরের আক্রমণে মোশাররফ গাজী (৫৫) নামে এক মৌয়াল মারা গেছেন। শনিবার (৮ জুন) দুপুরে পূর্ব সুন্দরবনের করমজল এলাকার গজালমারী খালে এই দুর্ঘটনা ঘটে। পরে মৃত মৌয়ালের লাশ একই এলাকার কেওড়ার মাঠের ভারানি খাল থেকে স্থানীয়রা উদ্ধার করেন।

এসময় কুমিরের আক্রমণ থেকে নদী সাঁতরে পালিয়ে অপর তিন জেলে প্রাণে বাঁচেন। তারা হলেন- সেকান্দর মল্লিক (২৫), জাকারিয়া শেখ (৪৫) ও গৌরপদ মন্ডল (৪৪)। মৃত মৌয়ালসহ এই তিনজনের বাড়ি খুলনার দাকোপ উপজেলার সুন্দরবন সংলগ্ন পূর্ব ঢাংমারী গ্রামে।

পূর্ব সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন ও পর্যটন কেন্দ্রের ওসি হাওলাদার আজাদ কবির স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানান, নিষিদ্ধ সময় মধু আহরণ করতে এই চার মৌয়াল বনে ঢুকে শনিবার (৮ জুন) ফিরে আসার সময় কুমিরের মুখে পড়েন। এদিন দুপুর ১টার সময় মোশাররফ গাজী (৫৫) কে হিংস্র কুমিরটি করমজলের গজালমারী খালে টেনে নিয়ে যায়।

ঘটনার সময় বাকি তিন মৌয়াল নদী সাঁতরে পালিয়ে যায়। পরে তিন ঘন্টা পর দুপুর ৩টায় করমজলের কেওড়ার মাঠে ভারানি খাল থেকে স্থানীয়রা তার ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ উদ্ধার করেন।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মৃত মোশাররফ গাজীর লাশ দাকোপ থানা পুলিশ প্রাথমিক সুরতহাল শেষে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে।

নিউজ ট্যাগ: সুন্দরবন কুমির

আরও খবর



সোহেল চৌধুরীর উপজেলা চেয়ারম্যান পদ অবৈধ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৬ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

২০১৯ সালে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়া ফেনীর ছাগলনাইয়ার মেজবাউল হায়দার চৌধুরী সোহেলের উপজেলা চেয়ারম্যান পদ অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ২০১৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে যত বেতন-ভাতা ও সুবিধাদি গ্রহণ করেছেন তা ৯০ দিনের (তিন মাস) মধ্যে ফেরত দিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

৫ বছর আগে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে বৃহস্পতিবার (১৬ মে) বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ওই সময়ের উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল হালিমের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেছেন আদালত। অপর প্রার্থী এ এস এম শহিদুল্লাহ মজুমদারের প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।

আদালতে আব্দুল হালিম ও শহিদুল্লাহ মজুমদারের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার এস এম কফিল উদ্দিন। সোহেল চৌধুরীর পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ এফ হাসান আরিফ ও মো. অজি উল্লাহ। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাঈনুল হাসান।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাঈনুল হাসান বলেন, ২০১৯ সালে ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আব্দুল হালিম ও শহিদুল্লাহ মজুমদারের প্রার্থিতা বাতিল হয়। এর ফলে মেজবাউল হায়দার চৌধুরী সোহেল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছাগলনাইয়ার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এর মধ্যে প্রার্থিতা ফেরত চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন বাতিল হওয়া দুই প্রার্থী। একইসঙ্গে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সোহেলকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত ঘোষণার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়। ২০১৯ সালেই হাইকোর্ট এসব বিষয়ে রুল জারি করেন। একইসঙ্গে ছাগলনাইয়ার উপজেলা চেয়ারম্যানের গেজেট স্থগিত করেন। পরে চেম্বার আদালত হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেন। তবে আইনি জটিলতায় মেজবাউল হায়দার চৌধুরী সোহেল উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে শপথ নিতে পারেননি। শপথ না নিয়ে তিনি উপজেলা চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

আদালত ৫ বছর আগে জারি করা রুল আজ (১৬ মে) নিষ্পত্তি করে সোহেলের উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন অবৈধ ঘোষণা করেন। একইসঙ্গে তিনি চেয়ারম্যান হিসেবে যে বেতন-ভাতা ও সুবিধা নিয়েছেন তা রায় পাওয়ার এক মাসের মধ্যে ফেরত দিতে বলেছেন। এই সময়ের মধ্যে ফেরত না দিলে ফেনীর জেলা প্রশাসককে তার থেকে আদায় করতে বলেছেন।

নিউজ ট্যাগ: ছাগলনাইয়া ফেনী

আরও খবর



ঢাকাসহ ১৭ অঞ্চলে ৮০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টি হবে

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

দেশের ১৭ অঞ্চলের ওপর দিয়ে রাত ১টার মধ্যে ৬০-৮০ কিলোমিটার বেগে বজ্র-বৃষ্টিসহ ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

সোমবার (২৭ মে) বিকেলে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানান।

আবহাওয়া অফিস জানায়, রাত ১টার মধ্যে রংপুর, রাজশাহী, পাবনা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব/পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০-৮০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এসব এলাকার নদীবন্দরকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।


আরও খবর