আজঃ বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১
শিরোনাম

যে সব খাবার খেলে শান্ত থাকবে মন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৬৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বেঁচে থাকার লড়াইয়ে দুশ্চিন্তা কিংবা অ্যাংজাইটির মতো সমস্যা এখন বিশ্বব্যাপী। মনের ভেতর অস্থিরতা কাজ করলে তার প্রভাব শরীরে পড়বেই। এই চাপ নিয়ন্ত্রণে মেডিটেশনের পাশাপাশি কিছু খাবার খেতে হবে। জেনে নিন সেসব খাবার সম্পর্কে-

অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট সমৃদ্ধ খাবার :

সাইট্রাস এবং বেরি জাতীয় খাবারে প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট থাকে। মন থেকে অস্থিরতা তাড়িয়ে মন শান্ত করতে খেতে পারেন এ জাতীয় খাবার। সেইসঙ্গে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার রাখুন তালিকায়। পাশাপাশি ভিটামিন ই সমৃদ্ধ খাবার, যেমন- কুমড়ো, তরমুজ এবং ফ্ল্যাক্স সিড ইত্যাদি খেতে পারেন। এসব খাবার মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায়, কমায় বিভিন্ন ধরনের দুশ্চিন্তা।

ডার্ক চকলেট ও হলুদ দুধ :

চকলেট খেতে ভালোবাসেন না এমন মানুষ কমই আছে। কিন্তু সেই চকলেট যেন ডার্ক হয়, সেদিকে খেয়াল রাখবেন। কারণ, এই চকলেট আপনার মন শান্ত করতে সাহায্য করবে। পাশাপাশি পান করুন হলুদ মিশ্রিত দুধ। দুধে থাকে ভিটামিন ডি এবং হলুদে পাবেন কারকিউমিন। এগুলো হলো অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি। এসবে যেহেতু অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট উপাদান রয়েছে, তাই এগুলো আপনার মস্তিষ্ক শান্ত রাখতে সাহায্য করবে।

ভিটামিন বি সমৃদ্ধ খাবার :

প্রতিদিনের খাবারে সব ধরনের ভিটামিনের উপস্থিতি নিশ্চিত করুন। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, ভিটামিন বি আমাদের স্নায়ুতন্ত্রের ওপর বিশেষ প্রভাব রাখতে পারে। তাই নিয়মিত ভিটামিন বি সমৃদ্ধ খাবার রাখুন তালিকায়। যেমন- মাছ, ডিম এবং বিভিন্ন সবজি খেতে পারেন। এ ধরনের খাবার আপনার অ্যাংজাইটি কমিয়ে দেবে।

প্রোবায়োটিক্স এবং ভালো ফ্যাট :

আমাদের পেটের স্বাস্থ্য ভালো রাখে প্রোবায়োটিক্স। তবে শুধু পেটই নয়, এটি মন শান্ত রাখতেও সাহায্য করে। প্রতিদিন খাবারের তালিকায় প্রোবায়োটিক্স রাখলে বাড়ে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা। তাই আপনার খাবারে প্রোবায়োটিকের পাশাপাশি যোগ করুন ভালো ফ্যাটও। হতে পারে তা ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। বিভিন্ন ধরনের মাছ, ফ্ল্যাক্স সিড, বাদাম ও নারিকেল তেলে পেতে পারেন এই ফ্যাট।

অন্ত্র এবং গাট এর ব্যাকটেরিয়া সেরোটোনিনের মতো হরমোন নিঃসরণ করে। এই হরমোন আমাদের মেজাজের ওপর প্রভাব ফেলে। তাই নিয়মিত প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার খেলে তা আপনার মস্তিষ্কেও প্রভাব ফেলবে। নিয়মিত টক দই রাখুন পাতে। এটি আপনার মন শান্ত রাখবে।


আরও খবর
আজ আপনার জন্মদিন হলে

রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১

আজ প্রথম প্রেম দিবস

শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১




ভয়াল নাইন-ইলেভেনের ২০ বছর

প্রকাশিত:শনিবার ১১ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১১ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পৃথিবীর অন্যসব দেশের মানুষের মতো মার্কিনিরাও ধারণা করতে পারেনি যে, সামরিক শক্তিধর যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা বেষ্টনী এড়িয়ে দেশটির ইতিহাসের জঘন্যতম হামলা হতে পারে। প্রতি বছর ১১ সেপ্টেম্বর যেন বারবার সেই ভয়াল হামলার দুঃসহ স্মৃতির কথাই মনে করিয়ে দেয়। সে স্মৃতি মার্কিনিরা ছাড়াও আরও ৭৮টি দেশের নাগরিকেরা বয়ে বেড়াচ্ছেন, যাঁদের দেশের মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল সেই নারকীয় হামলায়। ওই হামলার দিনটি সারা বিশ্বে নাইন-ইলেভেন নামে পরিচিত। আজ সেই নাইন-ইলেভেন-এর ২০তম বার্ষিকী।

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর। জঙ্গি সংগঠন আল-কায়েদার সঙ্গে জড়িত ১৯ জঙ্গি চারটি বিমান ছিনতাই করে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি স্থানে। সকাল ৮টা ৪৬ মিনিটে আমেরিকান এয়ারলাইনসের ফ্লাইট-১১ বোস্টন থেকে উড়ে এসে হামলে পড়ে নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের উত্তর ভবনটিতে। জানা যায়, হামলা চালানোর আগে সকাল ৮টা ১৯ মিনিটে একজন ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট সতর্ক করেন, তাঁদের উড়োজাহাজ ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েছে। তিনি জানান, ককপিট থেকে কোনো উত্তর আসছে না এবং ছিনতাইকারীদের কাছে বিস্ফোরক রয়েছে। এ ছাড়া জানানো হয়, এক যাত্রীসহ দুজন অ্যাটেনডেন্টকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। পরে জানা যায়, হামলার শিকার হওয়া ওই যাত্রীর নাম ড্যানিয়েল লেউইন। তিনি ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। ধারণা করা হয়, তিনি ছিনতাইকারীদের কাছ থেকে উড়োজাহাজের নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন এবং নাইন-ইলেভেনের হামলায় তিনিই প্রথম ভুক্তভোগী।

এ হামলার বিষয়টি ঠিকমতো বুঝতে না বুঝতেই ১৭ মিনিট পর ৯টা ৩ মিনিটে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের দক্ষিণ ভবনে আছড়ে পড়ে ইউনাইটেড এয়ারলাইনসের ফ্লাইট-১৭৫। সেটিও বোস্টন থেকে উড়ে এসে হামলা চালায়। পরে জানা যায়, উড়োজাহাজটি ছিনতাইয়ের পরই একজন অ্যাটেনডেন্ট ইউনাইটেড এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানান, উড়োজাহাজ ছিনতাইয়ের কবলে পড়েছে এবং দুজন পাইলটই নিহত হয়েছেন। তবে যোগাযোগের চেষ্টা চালিয়েও শেষরক্ষা হয়নি কারো।

ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে এ দুই নারকীয় হামলায় প্রাণ হারিয়েছিলেন দুই হাজার ৭৫৩ জন মানুষ। এ ছাড়া ভবনে আটকেপড়া অনেকেই বাঁচার জন্য ভবন থেকে ঝাঁপিয়ে পড়েন। সে হামলায় নিহতদের বয়স ছিল দুই থেকে ৮৫ বছরের মধ্যে।

ওই হামলার পরই তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি উদ্ধারকাজ পরিচালনা করা হয়। কিন্তু হামলার পর ভবন ধসে পড়ায়, ভবনে থাকা অন্যদের সঙ্গে নিহত হন উদ্ধারকাজে অংশ নেওয়া নিউইয়র্ক ফায়ার সার্ভিসের ৩৪৩ কর্মী, নিউইয়র্ক সিটির ২৩ পুলিশ কর্মকর্তা ও বন্দর কর্তৃপক্ষের ৩৭ কর্মকর্তা। এ ছাড়া হাজারও মানুষকে আহত অবস্থায় ভর্তি করা হয় বিভিন্ন হাসপাতালে।

এ দুই ভয়াবহ হামলার এক ঘণ্টার মধ্যে ৯টা ৩৭ মিনিটে ওয়াশিংটনে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তর পেন্টাগনে হামলে পড়ে আরও একটি উড়োজাহাজ। ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের ডালাস থেকে উড়ে আসা আমেরিকান এয়ারলাইনসের ফ্লাইট-৭৭-এর যাত্রীদের জিম্মি করে এ হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। ওই বিমানে তখন ছয় জন ক্রুসহ ৫৮ যাত্রী ছিলেন। এ হামলায় সামরিক কর্মকর্তা ও বেসামরিক নাগরিকসহ মোট ১২৫ জন নিহত হন। এ ছাড়া উড়োজাহাজে থাকা পাঁচ জঙ্গিসহ সব যাত্রীই নিহত হন।

একের পর এক হামলার মধ্যেই নিউজার্সি অঙ্গরাজ্যের নেওয়ার্ক থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার সানফ্রান্সিসকোর উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া ইউনাইটেড এয়ারলাইনসের ফ্লাইট-৯৩ ছিনতাই করে জঙ্গিরা। পরে বিমানটি বিধ্বস্ত হয় পশ্চিম পেনসিলভানিয়ার শ্যাংকসভিল এলাকার একটি মাঠে। এতে বিমানে থাকা ৪৪ জনের সবাই নিহত হন। ধারণা করা হয়, হামলাকারীরা তাঁদের উদ্দেশ্য অনুযায়ী প্লেন হামলাটি চালাতে পারেনি। প্লেন ছিনতাইয়ের পরই যখন ক্রু ও যাত্রীরা নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন, তখনই বিমানটি ইচ্ছাকৃতভাবে বিধ্বস্ত করা হয়। জানা গেছে, ইউনাইটেড এয়ারলাইনসের ফ্লাইট-৯৩ ছিনতাইয়ের পরই এক ছিনতাইকারী ঘোষণা দেয়, ভদ্র মহোদয়া ও মহোদয়রা, আমি ক্যাপ্টেন বলছি। দয়া করে বসে থাকুন। আমাদের কাছে বোমা রয়েছে, তাই বসুন।

যুক্তরাষ্ট্রে ধারাবাহিক এসব হামলায় সেদিন প্রাণ হারিয়েছিল অন্তত তিন হাজার মানুষ। ধারণা করা হয়, ওসামা বিন লাদেনের সংগঠন আল-কায়েদা এ হামলায় আর্থিক সহায়তা প্রদান করে। ২০১১ সালের ২ মে পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে কমান্ডো অভিযান চালিয়ে ওসামা বিন লাদেনকে হত্যা করে মার্কিন বাহিনী। লাদেন সেখানে একটি বাড়িতে আত্মগোপন করেছিলেন।

ধারণা করা হয়, নাইন-ইলেভেনের প্রধান পরিকল্পনাকারী ছিলেন আল-কায়েদা সংগঠনের সদস্য খালিদ শেখ মোহাম্মদ। তিনি পাকিস্তানে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ২০০৩ সালের মার্চে রাওয়ালপিন্ডি থেকে সিআইএ ও আইএসআইয়ের যৌথ অভিযানের সময় গ্রেপ্তার হন।

এ হামলা চালানোয় আল-কায়েদার অন্যতম ভরসা ছিলেন মোহাম্মদ আতা নামের এক মিসরীয়। মনে করা হয়, নাইন-ইলেভেনের হামলার অন্যতম নেতৃত্বে ছিলেন তিনি। মোহাম্মদ আতা ১৯৬৮ সালে মিসরে জন্মগ্রহণ করেন এবং কায়রো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর তিনি জার্মানির হামবুর্গ ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজিতে পড়াশোনা করতে যান।

মোহাম্মদ আতা নাইন-ইলেভেনের হামলায় ব্যবহৃত আমেরিকান এয়ারলাইনসের ফ্লাইট-১১-এর চালকের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিলেন বলে ধারণা করা হয়। পরে জানা যায়, উড়োজাহাজ ছিনতাইয়ের পরই ৮টা ২৪ মিনিটে আতা ঘোষণা দিয়েছিলেন, আমাদের কাছে কয়েকটি প্লেন রয়েছে। আপনারা চুপ থাকুন, তাহলে আপনাদের কোনো সমস্যা হবে না। আমরা আবারও বিমানবন্দরে ফিরে যাব। পরে এও বলা হয়, কেউই নড়াচড়া করবেন না। সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। আপনারা যদি চলাচলের চেষ্টা করেন, তাহলে নিজেদের এবং বিমানের জন্য বিপদ ডেকে আনবেন। শুধু চুপচাপ থাকুন।

এদিকে, হামলার দিন ফ্লোরিডার একটি স্কুল পরিদর্শনে গিয়েছিলেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ। তিনি ৮টা ৫৫ মিনিটে জানতে পারেন, ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে বিমান হামলার ঘটনা ঘটেছে। এরপর ৯টা ৫ মিনিটে বুশের চিফ অব স্টাফ জানান, ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে আবারও প্লেন হামলা হয়েছে এবং আক্রমণের মুখে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

পরে সন্ধ্যা ৬টা ৫৪ মিনিটে হোয়াইট হাউসে পৌঁছান বুশ। রাত সাড়ে ৮টার দিকে ওভাল থেকে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে বুশ বলেন, সন্ত্রাসী হামলা আমাদের উঁচু ভবনের ভিত নাড়িয়ে দিতে পারে, কিন্তু তারা যুক্তরাষ্ট্রের ভিত স্পর্শও করতে পারবে না। তিনি আরও বলেন, যারা এ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়েছে এবং যারা তাদের আশ্রয়দাতা, তাদের দুদলের মধ্যে কোনো পার্থক্য আমরা করব না।

নাইন-ইলেভেন হামলার পর ২০ সেপ্টেম্বর কংগ্রেসে এক ভাষণে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, আল-কায়েদার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের মাধ্যমে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আমাদের যুদ্ধ শুরু হয়েছে, কিন্তু এখানেই তা শেষ হবে না। সব সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর পতনের আগে এ লড়াই শেষ হবে না।

এরই অংশ হিসেবে ২০০১ সালের শেষদিকে আফগানিস্তানে আগ্রাসন চালায় মার্কিন সামরিক বাহিনী। আফগানিস্তানে যুদ্ধের মাধ্যমে নিজেদের ইতিহাসে দীর্ঘ যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে যুক্তরাষ্ট্র। তালেবান ও কথিত সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আল-কায়েদাকে নির্মূলে এবং ৯/১১ হামলার কথিত নকশাকারী ওসামা বিন লাদেনকে হত্যার এই যুদ্ধে সহযোগী হিসেবে অংশ নেয় ইউরোপীয় সামরিক জোট ন্যাটো। এতে সে সময় মার্কিনিরাও ব্যাপকভাবে সমর্থন জোগায়।

আফগানিস্তানের পর ইরাক, লিবিয়া, সিরিয়াসহ বিভিন্ন জায়গায় সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে মার্কিন প্রশাসন।



আরও খবর
বিশ্বজুড়ে বেড়েছে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যু

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




এহসান গ্রুপের চেয়ারম্যান গ্রেফতার

প্রকাশিত:শুক্রবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৩৭২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সতেরো হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এহসান গ্রুপ পিরোজপুর-বাংলাদেশ নামের এক কোম্পানির চেয়ারম্যান রাগীব আহসান এবং তার এক সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

বৃহস্পতিবার রাতে তাদের গ্রেফতার করা হয়।  র‌্যাবের লিগ্যাল আ্যন্ড মিডিয়া উইংয়ের উপপরিচালক মেজর রইসুল আজম গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শুক্রবার সকালে এক বার্তায় র‌্যাব বলেছে  ব্যবসার নামে বিভিন্নভাবে প্রতারণা চালিয়ে আসছিলেন এই রাগীব হাসান।

জানা যায়, গ্রাহকের টাকা নিয়ে প্রতিষ্ঠানের নামে জমি ক্রয় না করে রাগীব আহসান এবং তার আত্মীয়স্বজনের নামে জমি ক্রয় করেন। সেসব জমির ৯০ শতাংশ গোপনে বিক্রি করে টাকা আত্মসাৎ করেন। এহসান গ্রুপের ১৭  প্রতিষ্ঠানের ১৬টিই উধাও হয়ে গেছে।

সুদবিহীন শরিয়তসম্মত ব্যবসার নামে বিপুল গ্রাহকের কাছ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে এই এহসান গ্রুপের বিরুদ্ধে।

এহসান মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেড, এহসান রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড বিল্ডার্স লিমিটেডসহ কয়েকটি মাদ্রাসা খুলে ওই কোম্পানি ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। তাদের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ এনে দেশের বিভিন্ন জেলায় মামলাও হয়েছে এর আগে।

রাগীব আহসান নূরে মদিনা ক্যাডেট মাদ্রাসার অধ্যক্ষ। একসময় তিনি মসজিদের ইমাম ছিলেন। বাড়ি পিরোজপুর সদরের খলিশাখালী এলাকায়।

এহসান একটা সময় এমএলএম ব্যবসা শুরু করেন এবং ২০১০ সালে এহসান রিয়েল অ্যাস্টেট নামে একটি কোম্পানি খোলেন।  পরে আরও ডজনখানেক কোম্পানি খুলে তিনি নাম দেন এহসান গ্রুপ পিরোজপুর-বাংলাদেশ

নিউজ ট্যাগ: এহসান গ্রুপ

আরও খবর
স্বামী হত্যায় স্ত্রীর যাবজ্জীবন

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

আদালতে হাজির করা হচ্ছে ইভ্যালির রাসেলকে

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




নেটমাধ্যমে সম্পর্কের কথা প্রকাশ্যে আনলেন সুদীপ্তা

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৩৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজনীতি আর অভিনয় দুনিয়ার গাঁটছড়া নতুন নয়। বলিউড তো বটেই টলিউডেও এ রকম অনেক উদাহরণ আছ। সেই তালিকায় সংযোজন সৌম্য বক্সী-সুদীপ্তা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধায়ক স্মিতা বক্সীর ছেলে সৌম্য বক্সীর সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছেন সুদীপ্তা। এ কথা অভিনেত্রী সোমবার ফেসবুক পাতায় নিজেই জানিয়েছেন। যদিও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পরিচালকের দাবি, এই সম্পর্ক আজকের নয়। বেশ কিছু বছর ধরেই যুগলকে দেখা গিয়েছে একসঙ্গে। প্রসঙ্গত, সৌম্য তৃণমূল যুব কংগ্রেস কমিটির সাধারণ সম্পাদক।

রাজর্ষি দে-র মায়া’তে সম্প্রতি অভিনয় করেছেন অভিনেত্রী। হঠাৎ নেটমাধ্যমে কেন সম্পর্কের কথা প্রকাশ্যে আনলেন সুদীপ্তা? আনন্দবাজার অনলাইনকে স্পষ্ট জবাব তাঁর, ‘‘অনেকের মুখ থেকেই অনেক কিছু শুনতে পাবেন। আমি বলব, আমার আর সৌম্যের সম্পর্কের বয়স ২০ মাস। মনে হচ্ছিল, এ বার সম্পর্কটাকে স্বীকৃতি দেওয়া উচিত। সেই কারণেই সবাইকে জানিয়েছি। পাশাপাশি তিনি এও স্বীকার করেছেন, বিনোদন-রাজনীতির বন্ধন নতুন না হলেও তাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যথেষ্ট কঠিন। সুদীপ্তা তাই সবার আশীর্বাদ চেয়েছেন।


আরও খবর
হাইকোর্টে জামিন পেলেন মডেল মৌ

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

আমার পছন্দের পুরুষকে একটু রাফ হতে হবে

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




বাতিলের তালিকায় ২১০টি ভূতুড়ে পত্রিকা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ২৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশের ২১০টি সংবাদপত্র বাতিলের তালিকায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, এই পত্রিকাগুলা মাঝে মাঝে ছাপে। কোথা থেকে ছাপে কেউ জানে না। এগুলো থাকার দরকার নেই।

বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বরেন্দ্র অঞ্চলের উন্নয়ন ভাবনা নিয়ে দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভায় অংশ নিয়ে তিনি এসব বলেন।

সাধারণ সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপুসহ অনেকে।

এর আগে গত ১৪ সেপ্টেম্বর দেশে প্রায় ৪০০টি পত্রিকা অনিয়মিত প্রকাশ হচ্ছে জানিয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছিলেন, এগুলো ভূতুড়ে পত্রিকা।


আরও খবর
কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুনভাবে ভাবতে হবে

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




সীমানা নির্ধারণ ছাড়াই করা যাবে সংসদীয় নির্বাচন

প্রকাশিত:শনিবার ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জাতীয় সংসদের নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ বিল-২০২১ নামে নতুন আইন পাশ হয়েছে।

শনিবার (৪ সেপ্টেম্বর) আইনমন্ত্রী আইনটি পাসের প্রস্তাব করলে সংসদে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।এর আগে বেলা ১১টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ স্বাক্ষর করলেই পাস হওয়া বিলটি কার্যকর হবে।

এর ফলে সীমানা নির্ধারণ ছাড়াই করা যাবে সংসদীয় নির্বাচন। দৈব-দুর্বিপাকে কোনো এলাকার সংসদ নির্বাচনের সীমানা নির্ধারণ করা সম্ভব না হলে বিদ্যমান সীমানায় নির্বাচন হওয়ার বিধান রেখে আইনটি পাস হয়েছে।

এর আগে আইনটি পাস না করে কয়েকজন এমপি জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাব দেওয়ার জন্য পুনরায় পাঠানোর দাবি জানালে তা কণ্ঠভোটে বাতিল হয়ে যায়।এ আইন কার্যকর হলে ১৯৭৬ সালের দ্য ডিলিমিটেশন অব কন্সটিটিউয়েন্সিস অর্ডিনেন্সরহিত হবে।

গত ৩ জুন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বিলটি সংসদে উত্থাপন করেছিলেন।পরে তা অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

আইনে নির্বাচন কমিশনকে বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, যা বিদ্যমান আইনে নেই। এছাড়াও আইনটি আগে ইংরেজিতে ছিল, এখন তা বাংলায় করা হয়েছে।

নতুন বিলে বিদ্যমান আইনের ৮ নম্বর ধারায় একটি উপধারা যুক্ত করা হয়েছে। সেখানে বলা আছে, দৈব-দুর্বিপাকে বা অন্য কোনো কারণে আঞ্চলিক সীমানা নির্ধারণ করা না গেলে বিদ্যমান সীমানার আলোকে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সংসদের পঞ্চম সংশোধনী বাতিল সংক্রান্ত উচ্চ আদালতের আদেশ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এবং বাংলায় আইন করতেই মূলত বিলটি আনা হয়েছে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদার নেতৃত্বাধীন বর্তমান নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব নিয়ে রোডম্যাপ ঘোষণা করে বিদ্যমান আইনগুলোর সংস্কারের উদ্যোগ নেয়। গত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জাতীয় সংসদের নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ আইনটি সংস্কারের ঘোষণাও দেয়া হয়। কিন্তু সেটা হয়নি। পরে বিদ্যমান আইনেই সীমানা পুনর্বিন্যাস করে ওই নির্বাচন সম্পন্ন করা হয়।

বিদ্যমান আইনের ৮টি ধারার স্থলে নতুন আইনে ৯টি ধারার প্রস্তাব করা হয়েছে। নতুন ধারাটিতে আইনের অধীনে বিধি প্রণয়নের সুযোগ রাখা হয়েছে। বিদ্যমান আইনে বিধি প্রণয়নের সুযোগ নেই। বিদ্যমান আইনের ধারা-১-এ একটি নতুন উপধারার প্রস্তাব করা হয়েছে, যেখানে আইনটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিলে আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। এক্ষেত্রে সংবিধানের ৬৫(২) অনুচ্ছেদে উল্লিখিত সংখ্যক সংসদ সদস্য নির্বাচিত করতে পুরো দেশকে সে সংখ্যক একক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকায় বিভক্ত করার কথা বলা হয়েছে।এক্ষেত্রে ভৌগলিক অখণ্ডতা বজায় রাখা এবং আদমশুমারির ভিত্তিতে যতদূর সম্ভব বাস্তবভিত্তিক বণ্টনের কথা বলা হয়েছে।

বিলের ৭ ধারায় বলা হয়েছে, ইসির সীমানা নির্ধারণের বিষয় নিয়ে দেশের কোনো আদালত বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষের কাছে প্রশ্ন তোলা যাবে না।

নিউজ ট্যাগ: সংসদীয় নির্বাচন

আরও খবর
কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুনভাবে ভাবতে হবে

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১