আজঃ মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

হেনস্তার ঘটনায় মানহানি মামলা করলেন রবিনা ট্যান্ডন

প্রকাশিত:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

সম্প্রতি মুম্বাইয়ের রাস্তায় হেনস্তার শিকার হয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী রবিনা ট্যান্ডন। এ সময় অভিনেত্রীর ড্রাইভার তিন পথচারীকে আঘাত করে বলে অভিযোগ তোলেন এক ব্যক্তি। তিনি আরও দাবি করেন যে অভিনেত্রী মদ্যপ অবস্থায় বেরিয়ে এসে তাকে লাঞ্ছিত করেন।

আর এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পরলে অনুরাগীদের মাঝে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার শিকার হয়েছেন। এবার নেটিজেনের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানি মামলা করলেন রবিনা ট্যান্ডন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অভিনেত্রী বলেন,ভালবাসা এবং সমর্থন দেওয়ার জন্য আপনাদের অসংখ্য ধন্যবাদ। আমার উপর বিশ্বাস রাখার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাই। তবে শেষ পর্যন্ত এই গল্পের মূল কথা কী দাঁড়াল জানেন? ড্যাশক্যাম ও সিসিটিভি ক্যামেরা লাগিয়ে রাখুন।

রবিনার আইনজীবী বলেন,সম্প্রতি অভিনেত্রী রবিনাকে মিথ্যে অভিযোগে জড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে। যা সিসিটিভি ফুটেজে স্পষ্ট করা হয়েছিল। পরবর্তীকালে অভিযোগটি প্রত্যাহার করা হয়েছিল। তবে একজন ব্যক্তি, যে নিজেকে সাংবাদিকে বলে দাবি করেছেন। তিনি ঘটনাটি সম্পর্কে এক্স হ্যান্ডেলে মিথ্যে তথ্য প্রচার করছে। যা বাস্তবিকভাবে ভুল এবং বিভ্রান্তিকর।

পুলিশ জানায়, সাংবাদিকের মিথ্যে খবরের এই প্রচারটি উদ্দেশ্যমূলক রবিনার নামকে বদনাম করার একটি প্রচেষ্টা ছিল। তারা বর্তমানে এই সমস্যাটির সমাধান করতে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য সমস্ত প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছেন। পাশাপাশি রবিনার সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছে।

উল্লেখ্য, রবীনা ট্যান্ডনের পাত্থর কে ফুল দিয়ে তার অভিনয় জীবন শুরু করেন। ছবিটি বক্স অফিসে হিট হয় এবং এই অভিনয়ের জন্য তিনি লাক্স বর্ষসেরা নতুন মুখ হিসেবে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অর্জন করেন।

নিউজ ট্যাগ: রবিনা ট্যান্ডন

আরও খবর



দুই স্ত্রী-দুই সন্তানসহ মতিউরের সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ছাগলকাণ্ডে আলোচিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মকর্তা মতিউর রহমানসহ তার দুই স্ত্রী ও দুই সন্তানের সম্পদের বিবরণ জমা দিতে নোটিশ দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মঙ্গলবার (২ জুলাই) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে পাঠানো পৃথক চিঠিতে তাদের সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

নোটিশপ্রাপ্ত অন্যরা হলেন- মতিউরের প্রথম স্ত্রী লায়লা কানিজ, প্রথম পক্ষের ছেলে আহাম্মেদ তৌফিকুর রহমান অর্ণব, মেয়ে ফারজানা রহমান (ইপসিতা), দ্বিতীয় স্ত্রী শাম্মী আখতার। দুদক সচিব খোরশেদা ইয়াসমিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নোটিশগুলোতে বলা হয়, প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে অনুসন্ধান করে দুদকের স্থির বিশ্বাস জন্মেছে যে, আপনারা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত স্বনামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ সম্পদ/সম্পত্তির মালিক হয়েছেন। নিজ ও আপনাদের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তির নামে-বেনামে অর্জিত যাবতীয় স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, দায়-দেনা, আয়ের উৎস ও তা অর্জনের বিস্তারিত বিবরণী কমিশনে দাখিল করবেন।

এ আদেশ পাওয়ার ২১ কার্যদিবসের মধ্যে নির্ধারিত ছকে সম্পদ বিবরণী দাখিলে ব্যর্থ হলে কিংবা মিথ্যা সম্পদ বিবরণী দাখিল করলে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ৫(২) ধারা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

মতিউর রহমানের দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের তথ্য অনুসন্ধানে গত ২৩ জুন তিন সদস্যের টিম গঠন করে দুদক। সংস্থাটির উপপরিচালক আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্ব টিম কাজ করছে। গত ৪ জুন তার বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ জমা হওয়ার পর কমিশনের পক্ষ থেকে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

গত ২৪ জুন মতিউর রহমান, তার স্ত্রী লায়লা কানিজ ও ছেলে আহম্মেদ তৌফিকুর রহমান অর্ণবের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দেন আদালত।

এনবিআর সদস্য এবং কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রেসিডেন্ট মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে গত দুই যুগে চারবার দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগ পৃথকভাবে অনুসন্ধান করে দুদক। প্রতিবারই দুদক থেকে অব্যাহতি পান তিনি। বর্তমানে তাকে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে বদলি করা হয়েছে।

এর আগে গত ৩০ জুন মতিউর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের সম্পদের তথ্য চেয়ে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি দিয়েছে দুদক।

সূত্র জানায়, মতিউর ও তার পরিবারের সদস্যদের সম্পদের তথ্য চেয়ে এনবিআর, বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ), নিবন্ধন অধিদপ্তর, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি), বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ এবং যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তরে চিঠি দিয়েছে দুদক।


আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




কোটা সংস্কারের দাবিতে রাবি শিক্ষার্থীদের রেললাইন অবরোধ

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতির সংস্কার ও মেধাভিত্তিক নিয়োগের পরিপত্র বহাল রাখার দাবিতে রেললাইন অবরোধ করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ফলে রাজশাহী রেল স্টেশনের সাথে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ছাড়া বাকি সব জেলার সাথে রেল যোগাযোগ বন্ধ আছে।

সোমবার (৮ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের পাশের রেললাইন অবরোধ করে আন্দোলন করছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

এসময় মুক্তিযুদ্ধের মূলকথা, সুযোগের সমতা, সারা বাংলায় খবর দে, কোটা প্রথার কবর দে, আঠারোর হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আরেকবার, জেগেছে রে জেগেছে, ছাত্রসমাজ জেগেছে, কোটা না মেধা, মেধা মেধা, মুক্তিযুদ্ধের বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই এমনসব স্লোগান দেন।

এসময় কোটাবিরোধী আন্দোলনে সমন্বয়ক আমানুল্লাহ আমান বলেন, হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী মোট কোটা আছে ৫৬ শতাংশ আর মেধাবীদের জন্য মাত্র ৪৪ শতাংশ। এটা মেধাবীদের জন্য একটা বৈষম্য। আমরা এই বৈষম্য চাই না। আমাদের দাবি এখনো সরকার মেনে নেয়নি। তাই আমাদের চলমান কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ রেললাইন অবরোধ করেছি। আজ থেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগের শিক্ষার্থী ক্লাস-পরীক্ষা আনুষ্ঠানিকভাবে বর্জন করা হয়েছে এবং ক্যাম্পাসের কোনো বাসও চলাচল করতে পারবে না।

তিনি আরো বলেন, প্রথমে আমরা চারটি দাবি নিয়ে আন্দোলন করলেও আজ থেকে এক দফা দাবি নিয়ে আন্দোলন করা হবে। সেটা হলো সব গ্রেডে, সব ধরনের অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক কোটা বাতিল করে সংসদে আইন পাস করতে হবে।


আরও খবর
আরও ৩ দিনের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




জানমাল অনিশ্চয়তায় পড়লে পুলিশ বসে থাকবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

কোটা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের হুঁশিয়ারি দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, আন্দোলনে জানমাল অনিশ্চয়তায় পড়লে পুলিশ বসে থাকবে না।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বার্ষিক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

আসাদুজ্জামান খান বলেন, যারা আন্দোলন করছে তারা শিক্ষিত, মেধাবী। তারা কেন রাষ্ট্রের বিপক্ষে যাবে? তারা নিশ্চয়ই সবকিছু পর্যবেক্ষণ করে ফিরে যাবে।

মন্ত্রী বলেন, আদালতের যে নির্দেশনাটা এসেছিল, শিক্ষার্থীরা মনে করেছেন তাদের যে চিন্তা-ভাবনা, সেটা থেকে তাদের দূরে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সেজন্য তারা রাস্তায় চলে এসেছিলেন। আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী, বিশেষ করে পুলিশকে আমরা বলেছি, এদের ডিমান্ড যেটা আছে, সেটা আমরা শুনবো। কিন্তু শোনারও একটা লিমিট বোধহয় থাকে। তারা বোধ হয় এগুলো ক্রস করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, বেশ কয়েকদিন হলো তারা (আন্দোলনরত শিক্ষার্থী) কিন্তু একই কাজ করছেন। এরই মধ্যে প্রধান বিচারপতি একটা নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট বলেছেন, যে নির্দেশনা হাইকোর্ট দিয়েছেন সেটি স্থগিত। যে মামলাটি চলছে সেটির রায় না হওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে। তাই হাইকোর্ট যে নির্দেশনা (কোটা বহাল করে) দিয়েছিলেন সেটি অচল, সেটি এখন নেই। কাজেই এরপর রাস্তায় থেকে তাদের কষ্ট করার কোনো প্রয়োজন আমার মনে হয় নেই। তারা যেটা চেয়েছিলেন সেদিকেই তো যাচ্ছে। আমি শিক্ষার্থীদের অনুরোধ করবো, অযথা যাতে ভিড় না করেন। তারা তাদের লেখাপড়া ছেড়ে বসে থাকবেন, জনগণের দুর্ভোগ হবে। এটাও যাতে তাদের মাথায় থাকে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পুলিশ যখন অপারগ হয়ে যায়, তখনই অ্যাকশনটা আসে। যখন অগ্নিসংযোগ ও ধ্বংস করতে যায়, যখন জান-মালের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়, অনৈতিক কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়, সেগুলো করলে পুলিশ বসে থাকবে না।

আসাদুজ্জামান খান আরও বলেন, তাদের দাবির প্রতি সরকার সব সময় খেয়াল রাখছে। যেহেতু বিষয়টি কোর্টে আছে এজন্য কোর্টের মাধ্যমে এটি নিষ্পত্তি হবে।


আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




রাজাকার হতে চাওয়াদের দাবি মানা হবে না: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

কোটা আন্দোলকারীদের রাজাকার শ্লোগানের প্রসঙ্গ টেনে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেছেন, আমরা বৈষম্যের বিরুদ্ধে, মেধার পক্ষে। এটার জন্য রাজাকার হওয়ার দরকার নেই। মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশে যারা রাজাকার হতে চাইবে; তাদের কোন দাবি মানা হবে না।

সোমবার (১৫ জুলাই) মধ্যরাতে শাহবাগে অবস্থানরত কোটা রাখার পক্ষে অবস্থান নেয়া ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের জনসমাবেশে উপস্থিত হয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।

এর আগে রবিবার রাত ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল থেকে শিক্ষার্থীরা বের হয়ে শুরু করে কোটাবিরোধী মিছিল। তবে কিছুক্ষণ পরেই তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে গেলে ক্যাম্পাসের নিয়ন্ত্রণ নেয় ছাত্রলীগ।

এসময় কোটার রাখার পক্ষে মিছিল দেয়াসহ শোডাউন দেয় তারা।


আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




সড়কে মে মাসের তুলনায় জুনে প্রাণহানি বেড়েছে ৩৭ শতাংশ

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

মে মাসের তুলনায় জুনে প্রাণহানি বেড়েছে ৩৭ শতাংশ। জুন মাসে দেশে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে ৭২৬টি। এর মধ্যে নিহত ৬৪৪ এবং আহত কমপক্ষে ১ হাজার ৮২ জন বলে জানিয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।

সোমবার (১৫ জুলাই) প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছে। সংগঠনটি ৯টি জাতীয় দৈনিক, ৭টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল, বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে জুন মাসের সড়ক দুর্ঘটনার তথ্য ভিত্তিক এ প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে।

সংগঠনটি বলছে, মে মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮৬ জন নিহত হয়েছিলেন। ওই মাসে প্রতিদিন গড়ে নিহত হয়েছিলেন ১৫.৬৭ জন। কিন্তু জুন মাসে প্রতিদিন গড়ে নিহত হয়েছেন ২১.৪৬ জন। সেই হিসাবে জুন মাসে প্রাণহানি বেড়েছে ৩৬.৯৪ শতাংশ।

গত জুন মাসে দেশে সড়ক দুর্ঘটনা ২৬৫টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২২৭ জন, যা মোট নিহতের ৩৫.২৪ শতাংশ। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৩৬.৫০ শতাংশ। দুর্ঘটনায় ১২৮ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ১৯.৮৭ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ১০১ জন অর্থাৎ ১৫.৬৮ শতাংশ।

এই সময়ে ১১টি নৌ-দুর্ঘটনায় ১৪ জন নিহত, ৩ জন আহত এবং ৫ জন নিখোঁজ রয়েছেন। ৩১টি রেল ট্র্যাক দুর্ঘটনায় ২৫ জন নিহত এবং ১৪ জন আহত হয়েছেন।

যানবাহনভিত্তিক নিহতের চিত্র: দুর্ঘটনায় যানবাহনভিত্তিক নিহতের পরিসংখ্যানে দেখা যায়- মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী ২২৭ জন, বাসের যাত্রী ২৯ জন, ট্রাক-পিকআপ-কাভার্ডভ্যান-ট্রাক্টর-ট্রলি আরোহী ৫১ জন, প্রাইভেটকার-মাইক্রোবাস-অ্যাম্বুলেন্স- জীপ আরোহী ৩৮ জন, থ্রি-হুইলার যাত্রী (ইজিবাইক-সিএনজি-অটোরিকশা-অটোভ্যান-টেম্পু-লেগুনা) ১২৮ জন, স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের যাত্রী (নসিমন-করিমন-ভটভটি-আলমসাধু-মাহিন্দ্র) ২৬ জন এবং বাইসাইকেল-প্যাডেল রিকশা আরোহী ১৭ জন নিহত হয়েছেন।

দুর্ঘটনার বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যান দেখা যায়, ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ১৭২টি দুর্ঘটনায় ১৫৫ জন নিহত হয়েছেন। সিলেট বিভাগে সবচেয়ে কম ৪৫টি দুর্ঘটনায় ৩৮ জন নিহত হয়েছেন। রাজধানী ঢাকায় ৩৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৯ জন নিহত ও ৩৪ জন আহত হয়েছেন।

প্রতিবেদনে সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণসমূহ চিহ্নিত করে সংগঠনটি। এগুলো হল, ১. ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন ২. বেপরোয়া গতি ৩. চালকদের বেপরোয়া মানসিকতা, অদক্ষতা ও শারীরিক-মানসিক অসুস্থতা ৪. বেতন-কর্মঘন্টা নির্দিষ্ট না থাকা ৫. মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন চলাচল ৬. তরুণ-যুবদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো ৭. জনসাধারণের মধ্যে ট্রাফিক আইন না জানা ও না মানার প্রবণতা ৮. দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ৯. বিআরটিএর সক্ষমতার ঘাটতি ১০. গণপরিবহন খাতে চাঁদাবাজি।

প্রতিবেদনে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সুপারিশ হিসেবে বলা হয়েছে ১. দক্ষ চালক তৈরির উদ্যোগ বৃদ্ধি করতে হবে ২. চালকদের বেতন-কর্মঘণ্টা নির্দিষ্ট করতে হবে ৩. বিআরটিএর সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে ৪. পরিবহন মালিক-শ্রমিক, যাত্রী ও পথচারীদের প্রতি ট্রাফিক আইনের বাধাহীন প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে ৫. মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন বন্ধ করে এগুলোর জন্য আলাদা পার্শ্ব রাস্তা তৈরি করতে হবে ৬. পর্যায়ক্রমে সব মহাসড়কে রোড ডিভাইডার নির্মাণ করতে হবে ৭. গণপরিবহনে চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে ৮. রেল ও নৌ-পথ সংস্কার করে সড়ক পথের ওপর চাপ কমাতে হবে ৯. টেকসই পরিবহন কৌশল প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে ১০. সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ বাধাহীনভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।


আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪