আজঃ মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

কুমারখালীতে চুরি হওয়া শিশুর মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | পত্রিকায় প্রকাশিত
রফিকুল ইসলাম, কুষ্টিয়া

Image

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে মায়ের সঙ্গে নানা বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে চুরি হওয়ায় ইসরাফিল নামের আড়াই মাস বয়সী শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১২ জুন) বেলা ৩ টার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার বাগুলাট ইউনিয়নের আদাবাড়িয়া এলাকার বিল থেকে ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত শিশু ইসরাফিল কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের গোবরা আনন্দপুর এলাকার জিয়াউর রহমানের ছেলে।

জানা গেছে, সোমবার (১০ জুন) মায়ের সঙ্গে কুমারখালী উপজেলার বাগুলাট ইউনিয়নের আদাবাড়িয়া গ্রামে নানার বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিল ইসরাফিল। রাতে খাবারের পর তাঁর মায়ের সঙ্গে ছেলে ইসরাফিলকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। রাত ১০টার দিকে হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেলে দেখতে পান তাঁর পাশে ইসরাফিল নেই। একপাশে টিন ও একপাশে বেড়া দেওয়া ঘরের দরজার খিল শোয়ার সময়ই খোলায় ছিল। তাৎক্ষণিক বাড়ির সবাই আশপাশে খোঁজা-খুঁজি করেও ছেলের সন্ধান পাননি। পরে সকালে বিষয়টি থানা-পুলিশকে জানানো হয়। এসময় মা-বাবা দু'জনই কান্নায় ভেঙে পড়েন। বুধবার (১৩ জুন) বেলা ৩টার  দিকে বাগুলাট ইউনিয়নের আদাবাড়িয়া এলাকার একটি বিল থেকে ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

এ বিষয়ে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকিবুল ইসলাম বলেন, নিহত ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে মরদেহ পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়টি খতিয়ে দেখে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



আপিল বিভাগের আদেশ প্রত্যাখ্যান, আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

কোটা নিয়ে আদালতের রায়ের পর প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, কোটার বিষয়ে স্থায়ী সমাধানের আগ পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন তারা।

বুধবার (১০ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায়ের পর প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় এ তথ্য জানান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা।

মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল রেখে হাইকোর্টের দেয়া রায় সকালে স্থগিত করেন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বিভাগ। এ সময় আদালত জানান, আগামী চার সপ্তাহ পর পূর্ণাঙ্গ রায় ঘোষণা করা হবে।

এই রায়ের পর শাহবাগে অবস্থান নেয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের কাছে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে তারা জানান, আদালতের প্রতি সম্মান আছে। তবে কমিশন গঠন করে কোটা পদ্ধতির সংস্কার ও স্থায়ী সমাধান হওয়ার আগ পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

তারা আরও বলেন, হাইকোর্টের সিদ্ধান্তকে সম্মান করি। আমরা ২০২৪ সালে এসে শুধু প্রথম ও দ্বিতীয় নয়, সকল চাকরি থেকে কোটা তুলে নেয়ার এক দফা দাবি আমাদের। আমাদের দাবি হাইকোর্টের কাছে নয়, সংসদের কাছে। সংসদে আইন পাশ করে সকল চাকরি থেকে কোটা তুলে নিতে হবে। আইন অনুসারে ৫ শতাংশ কোটা রেখে সব তুলে নিতে হবে। আমরা স্থায়ী সমাধান চাই। স্থায়ী সমাধান না পাওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়ব না, আন্দোলন চালিয়ে যাব।

এদিকে অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন বলেছেন, আদালতের রায়ের পর আন্দোলন করার আর কোনো যৌক্তিকতা নেই।

২০১৮ সালে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিল করে সরকার। পরে ২০২১ সালে কয়েকজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হাইকোর্টে এর বিরুদ্ধে রিট করেন। গত ৫ জুন হাইকোর্টের এক রায়ের মাধ্যমে আবারও ফিরে আসে কোটা ব্যবস্থা।

এরপর গত ১ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে আন্দোলনে নামে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এর ধারাবাহিকতায় শনিবার রাজধানীর শাহবাগ থেকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা 'বাংলা ব্লকেড' কর্মসূচি ঘোষণা করেন। সে অনুযায়ী রোববার ও সোমবার টানা দুদিন বিকেলে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি পয়েন্টে অবস্থান ও অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন আন্দোলনকারীরা। এছাড়া দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও নিজ নিজ এলাকা থেকে এ কর্মসূচি পালন করেন।

মঙ্গলবার (৯ জুলাই) বিকেলে সাড়ে ৬টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে 'বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের' ব্যানারে সংবাদ সম্মেলন করে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাহিদ ইসলাম বলেন, সারাদেশের সব মহাসড়ক ও রেলপথ এ ব্লকেডের আওতাভুক্ত থাকবে।

এর আগে ব্লকেড কর্মসূচিতে কয়েকঘণ্টা সড়ক অবরোধ করলেও বুধবার সকাল-সন্ধ্যা ব্লকেড কর্মসূচি দেন আন্দোলনকারীরা। এদিনই আবার কোটা বহাল করে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের শুনানি হয়। শুনানির পর সরকারি চাকরিতে (৯ম থেকে ১৩তম গ্রেড) মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল করে হাইকোর্টের দেয়া রায় চার সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেন আপিল বিভাগ। চার সপ্তাহ পর পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হবে।


আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




বলিভিয়ায় সামরিক অভ্যুত্থান চেষ্টার নেতা গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

বলিভিয়ার রাজধানী লা পাজের প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে সেনা হামলার কয়েক ঘণ্টা পর সেনা অভ্যুত্থানের চেষ্টাকারী নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির পুলিশ। স্থানীয় সময় বুধবার (২৬ মার্চ) সেনা অভ্যুত্থানের চেষ্টা করা হয়েছে।

বুধবার সন্ধ্যায় সাঁজোয়া যান ও সেনারা মুরিলো স্কয়ারে প্রেসিডেন্টের প্রাসাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবনগুলোর সামনে অবস্থান নেয়। পরে আদেশ পাওয়ার পর তারা সবাই সেখান থেকে সরে যায়।

এ ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানের নেতা ছিলেন বলিভিয়ার সেনাপ্রধান জেনারেল হুয়ান হোসে জুনিগা। তিনি জানিয়েছেন, তিনি গণতন্ত্রের পুনর্গঠন করতে চান। তিনি প্রেসিডেন্ট লুইস আরসকে সম্মান করলেও সরকার পরিবর্তন করতে চান। জুনিগাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

দেশটির প্রেসিডেন্ট আরস অভ্যুত্থান চেষ্টার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের ভিতর থেকে দেওয়া এক টেলিভিশন বার্তায় জনগণকে গণতন্ত্রের পক্ষে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা আবারো সেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে বলিভিয়ানদের জীবন কেড়ে নেওয়ার সুযোগ দিতে পারি না।

তার কথা স্পষ্টতই অনুরণিত হয়। গণতন্ত্রপন্থী বিক্ষোভকারীরা সরকারের সমর্থনে রাস্তায় নেমে আসে। বলিভিয়ার সাবেক নেতা ইভো মোরালেসের প্রকাশ্য সমালোচনা করায় সেনাপ্রধান জুনিগাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট আরসে এর সত্যতা নিশ্চিত করে নতুন সেনাপ্রধান নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছেন।   

মোরালেসও সেনা অভ্যুত্থানের চেষ্টার নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি জুনিগা ও অভ্যুত্থান চেষ্টায় তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ আনার আহ্বান জানিয়েছেন। সরকারি প্রসিকিউটরের কার্যালয় একটি ফৌজদারি তদন্ত শুরু করেছে।

জুনিগার সামরিক অভ্যুত্থানটি নিছক একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছিল কিনা তা শীঘ্রই জানা যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 


আরও খবর
আজ নেলসন ম্যান্ডেলার জন্মদিন!

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




এক দফা দাবিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

কোটা বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সমন্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ ঘোষণা দিয়ে বলেন, এতদিন আমরা চার দফা নিয়ে আন্দোলন করেছি আজ থেকে আমরা এক দফা নিয়ে আন্দোলন করবো আর সেটি হলো সকল গ্রেডে বৈষম্যমূলক কোটা বাতিল করে সংবিধানে উল্লিখিত অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য যে কোটা রয়েছে সেটাকে ন্যূনতম মাত্রায় এনে সংসদে আইন পাশ করতে হবে।

রবিবার (৭ জুলাই) রাত ৮ টায় শাহবাগ মোড় থেকে তিনি আন্দোলনকারীদের উদ্দেশ্য এই ঘোষণা দেন।

পরবর্তীতে আগামীদিনের জন্য কর্মসূচি ঘোষণা করেন আন্দোলনের অন্যতম সমন্বায়ক সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী নাহিদ হাসান। তিনি বলেন, আমাদের ক্লাস পরীক্ষা বর্জনের যে কর্মসূচি সেটি অনির্দিষ্টকালের জন্য ঘোষণা করা হলো। আমাদের যে ব্লকেড কর্মসূচি সেটি আগামীকাল বহাল থাকবে। আজ আমরা কারওয়ান বাজার পর্যন্ত গিয়েছি কাল আমরা শাহবাগ পৌঁছে যাবো।

তিনি সরকারকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আমাদের কোনো দাবি যৌক্তিক মনে না হলে এদেশে শতভাগ কোটা চালু করা করেন। কোটাধারীদের প্রশাসনে আমরা যেতে চাইনা। এই প্রশাসন কোটাধারীদের প্রশাসন। হয় কোটা বৈষম্য নিরসন হবে নয়তো দেশকে কোটাধারীদের দেশ হিসেবে ঘোষণা করা হোক। যে দেশে মেধাবীদের মূল্যায়ন সে দেশে আমরা থাকতে চাইনা। আমাদেরকে আদালত দেখিয়ে লাভ নাই আমরা আপনাদেরকে সংবিধান দেখাচ্ছি।

এসময় তিনি দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদেরকে সর্বাত্মক আন্দোলনে যোগ দেওয়ার জন্য আহ্বান জানান এবং আগামীকাল সাড়ে তিনটায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে আন্দোলন শুরু করার ঘোষণা দেন।


আরও খবর
আরও ৩ দিনের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন, ৭ শতাধিক অ্যাকাউন্টে লেনদেন

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রথম সচিব (কর) কাজী আবু মাহমুদ ফয়সালের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মাধ্যমে হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাত শতাধিক ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে লেনদেন হয়েছে এসব টাকা।

দুদকের এমন অভিযোগে গতকাল বৃহস্পতিবার ফয়সাল, তাঁর স্ত্রী ও স্বজনদের ৮৭টি ব্যাংক হিসাব ও ১৫টি সঞ্চয়পত্র অবরুদ্ধের নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত। ৮৭টি ব্যাংক হিসাবে ছয় কোটি ৯৬ লাখ টাকা অবরুদ্ধ এবং ১৫টি সঞ্চয়পত্রে থাকা দুই কোটি ৫৫ লাখ টাকা অবরুদ্ধ করা হয়েছে।

আদালতে দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মোশাররফ হোসেন কাজল শুনানিতে বলেন, কাজী আবু মাহমুদ ফয়সালের বিরুদ্ধে ইনকাম ট্যাক্স কর্মকর্তাদের অর্থের বিনিময়ে বাণিজ্য, আয়করদাতাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ গ্রহণ, বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে এক হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎসহ অবৈধ অর্থ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে।

তিনি অবৈধ অর্থের প্রকৃতি, উৎস, অবস্থান, মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ গোপন করতে স্থানান্তর, রূপান্তর ও হস্তান্তর করেছেন। শুনানি শেষে আদালত তাঁর সম্পদ জব্দের এ আদেশ দেন।

আদালতে করা আবেদনে বলা হয়, আবু মাহমুদ ফয়সাল সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধ ঘুষ লেনদেন, দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত আয়ের উৎস গোপনের উদ্দেশ্যে শাহজালাল ব্যাংক কারওয়ান বাজার শাখায় তাঁর নিজ নামে বিভিন্ন এফডিআর হিসাব খোলেন।

মেয়াদ পূর্তির পর এফডিআর ভাঙানো টাকা ও নতুন করে নগদ এনে ফারহানা আক্তার, মমতাজ বেগম, মাহমুদা হাসান, খন্দকার হাফিজুর রহমান, কারিমা খাতুনের নামে বিভিন্ন এফডিআর স্কিম খোলেন। পরে ওই অর্থ এবি ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, লংকা-বাংলা ফাইন্যান্স, হজ ফাইন্যান্স এবং সব শেষে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের শাখায় ওই লোকজন ছাড়াও আহম্মেদ আলী, আফতাব আলী, শেখ নাসির উদ্দিনসহ সংশ্লিষ্ট অন্য ব্যক্তিদের নামে সাত শর বেশি হিসাব খুলে অপরাধলব্ধ আয়ের অবৈধ প্রকৃতি, উৎস, অবস্থান, মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ গোপন করতে স্থানান্তর বা রূপান্তর বা হস্তান্তর করে মানি লন্ডারিং অপরাধ সংঘটিত করেছেন বলে দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে প্রমাণ পাওয়া গেছে।

ফয়সালের যত সম্পদ

কাজী আবু মাহমুদ ফয়সালসহ ১৪ জনের ৮৭টি ব্যাংক হিসাবে থাকা ছয় কোটি ৯৬ লাখ টাকা অবরুদ্ধ করেছেন আদালত। পাশাপাশি ফয়সালসহ সাতজনের নামে থাকা ১৫টি সঞ্চয়পত্রে থাকা দুই কোটি ৫৫ লাখ টাকা অবরুদ্ধ করা হয়েছে।

এ ছাড়া ফয়সালের স্ত্রী আফসানাসহ চারজনের নামে থাকা স্থাবর সম্পদ জব্দ করা হয়েছে। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে কাজী আবু মাহমুদ ফয়সালের নামে ডাচ বাংলা ব্যাংকে ৫০ লাখ টাকার দুটি সঞ্চয়পত্র, তাঁর স্ত্রী আফসানা জেসমিনের নামে চারটি সঞ্চয়পত্রে ৫০ লাখ টাকা, আফতাব আলীর নামে দুটি সঞ্চয়পত্রে ৩০ লাখ টাকা, কাজী খালিদ হাসানের নামে একটি সঞ্চয়পত্রে ৩০ লাখ টাকা, খন্দকার হাফিজুর রহমানের নামে দুটি সঞ্চয়পত্রে ৪০ লাখ টাকা, আহম্মেদ আলীর নামে তিনটি সঞ্চয়পত্রে ৫০ লাখ টাকা ও মাহমুদা হাসানের একটি সঞ্চয়পত্রে পাঁচ লাখ টাকা রয়েছে।

ফয়সাল ছাড়া অন্য যাঁদের ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ হয়েছে তাঁরা হলেনশেখ নাসির উদ্দিন, মমতাজ বেগম, রওশন আরা খাতুন, আহম্মেদ আলী, খন্দকার হাফিজুর রহমান, ফারহানা আফরোজ, আশরাফ আলী মুনির, আফতাব আলী তানির, মাহফুজা আক্তার, মাইনুল হাসান, আফসানা জেসমিন, মাহমুদা হাসান ও কাজী খালিদ হাসান। এ ছাড়া স্থাবর সম্পদের মধ্যে আফসানা জেসমিনের নামে ১০ কাঠা জমি, ২০০ বর্গমিটারের প্লট, আবু মাহমুদ ফয়সালের নামে ভাটারা, খিলগাঁও ও রূপগঞ্জে থাকা স্থাবর সম্পদ, আহমেদ আলীর নামে থাকা ফ্ল্যাট ও কার পার্কিংয়ের তিন হাজার ২২৮ বর্গফুট স্থাবর সম্পদ ও মমতাজ বেগমের নামে থাকা ১০ কাঠা জমি জব্দ করা হয়েছে।


আরও খবর
কে এই আবেদ আলী

সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪




কোটাবিরোধীদের বঙ্গভবন অভিমুখে গণপদযাত্রা শুরু

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

সরকারি চাকরিতে কোটার যৌক্তিক সংস্কারের এক দফা দাবিতে গণপদযাত্রা কর্মসূচি শুরু করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

রোববার সকাল পৌনে এগারোটার সময় ক্যম্পাস থেকে পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থীরা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে মিছিল নিয়ে বঙ্গভবন অভিমুখে যাত্রা শুরু করেন।

এ সময় কোটা সংস্কার আন্দোলনের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়ক মেহেরুন্নেসা হিমু বলেন, আমাদের এ আন্দোলন কোনো রাজনৈতিক আন্দোলন নয়। এ আন্দোলন দেশের সব ছাত্রসমাজের অধিকার আদায়ের আন্দোলন। আমাদের দাবি, দেশে অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর কোটা ব্যতীত সব ধরনের অযৌক্তিক কোটা বাতিল করে সংসদে আইন প্রণয়নের মাধ্যমে কোটার বিষয়ে একটি স্থায়ী সমাধান করতে হবে।

এর আগে শনিবার সন্ধ্যায় এ গণপদযাত্রার কর্মসূচি ঘোষণা করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। পাশাপাশি রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপিও প্রদান করবেন আন্দোলনকারীরা।


আরও খবর
আরও ৩ দিনের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪